সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (২৪-১১-২০১৩ ২০:৪৫)

টপিকঃ মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

পূর্বেঃ মালয়েশিয়ায় নয় দিন, পর্ব-৮

বিদায় কুয়ালালামপুরঃ
দেখতে দেখতে আমাদের দেশে ফেরার দিনটি প্রায় চলে এলো। ফ্লাইট ছিলো সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায়। পকেটের দৈন্যদশার কারণে নিজেদের এবং কাছের মানুষদের জন্যে তেমন কিছু কেনাও হয়নি। হঠাতই মাথায় একটা বুদ্ধি (পড়ুন কুবুদ্ধি) উদয় হলো। সবকিছুর দামইতো বেশি, এর চাইতে সবার জন্যে এখানকার কিছু ফলমূল নিয়ে যাই। এই উদ্দেশ্যে বের হলাম ফল কিনতে। একটু দূরে ফলের একটা মার্কেট আছে। কিন্তু সেটাতে যেতে যে ট্যাক্সি ভাড়া গুণতে হবে, তার চাইতে পাশের চায়না টাউনের ফলের দোকান থেকে ফল কেনাই শ্রেয় মনে হলো। চাইনিজদের ব্যবহার খারাপ হলেও টেনশন নিলাম না। কারণ আমাদের সাথে ছিলো বার্গেইনিং এ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আধা-চাইনীজ ব্যাটসম্যান সুমি আপু। আমরা রাত দশটা বাজার মিনিট পনের আগে ফলের দোকানে উপস্থিত হলাম। রাত দশটার দিকে তারা দোকান বন্ধ করে। শুরু হলো দরদাম। সারাদিন দোকানদারী করে দুই বুড়ো ফলবিক্রেতারা এমনিতেই ক্লান্ত। সাথে আছে দোকান বন্ধ করার তাড়া। ইতিমধ্যে তারা ফলের দাম বেশ কমিয়েছে। তবুও সুমি আপু প্রায় পাঁচ ধরনের ফলের দাম পাঁচবার পাঁচ রকমভাবে কমাতে বলছে। ব্যাটাদের টেম্পারমেন্ট খারাপ হওয়া শুরু করলো। আমি আস্তে আস্তে আমার বৌকে বললাম, “শোনো, আস্তে আস্তে সাইডে চাপো। কখন এই চিংচুংরা আমাদের উপর কারাতে ঝেড়ে দেয় তার ঠিক নেই।” তবে কারাতের ঘা পড়ার আগেই দামাদামি শেষ হলো। ফেরত আসার সময় বুড়ো দোকানী আমাদের হাতে গোটা বিশেক চিনিচাম্পা কলা ধরিয়ে দিলো। অবাক হয়ে বললাম, “উই ডোন্ট ওয়ান্ট দিজ!” দোকানী বলে, “তেক ইত তেক ইত। ইতস ফ্রী!” বেকুবগুলা মনেহয় আমাদের মতন ফরমালিন ব্যবহার করেনা। নষ্ট হয়ে যাবার ভয়ে তাই আমাদেরকে দিয়ে দিচ্ছিলো। আমি যখন কলাগুলো হাতে নিয়েছি তখন শুনি সুমি আপু বলছে, “হোয়াই বানানা? গিভ আস ড্রাগন ফ্রুট ফর ফ্রী।” আবারও দর কষাকষি! আমি আর দাঁড়ালাম না। দাঁড়ালে একটা কারাতেও মাটিতে পড়তো না। ফলের গাট্টি নিয়ে ঝড়ের বেগে সেখান থেকে গায়েব হয়ে গেলাম।

https://lh4.googleusercontent.com/-tuJmj61Xo3Q/UpCY4BLUi_I/AAAAAAAABHA/lA_ycYiJ4c8/w878-h548-no/SAM_3374.JPG

https://lh6.googleusercontent.com/-12220t4RZ5Y/UpCY7ID1XuI/AAAAAAAABHI/iIVl7JjxW9A/w749-h548-no/SAM_3376.JPG

ফল কেনা শেষে হোটেলে ফেরার আগে আমার শ্বশুর আব্বার বলা একটা কথা মনে পড়ে গেলো। “দুরিয়ান খেয়ে দেখো। অতি সুস্বাদু।” কি আর করবো? কিনে ফেললাম দুরিয়ান। দেখতে অনেকটা কাঠালের মতন। ভিতরেও অনেকটা কাঁঠালের মতন। সবই ঠিক ছিলো। কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে এর তীব্র গন্ধ (নাকি দুর্গন্ধ?) নিয়ে। আমার স্ত্রী নাকি এ বস্তু লাগেজে করে দেশে নিয়ে আসবে! এ কথা শুনে আমি বললাম, “এ জিনিসের গন্ধ পেলে স্যুটকেসের সাথে সাথে আমাদেরকেও লাথি মেরে প্লেন থেকে নিচে ফেলে দিবে। নেয়ার চিন্তা বাদ দাও। এখানেই খেয়ে যেতে হবে।” হোটেলে ফিরে সারারাত দুরিয়ানের গন্ধে ঘুম হারাম হয়ে গেলো। চারটা পলিব্যাগ দিয়ে মুড়িয়ে রেখেও গন্ধ আটকানো যায়না!


পরের দিন সকালে নাস্তা খেতে বের হবার সময় সাথে দুরিয়ান নিয়ে বের হলাম। ভাবলাম যে, রেস্টুরেন্ট থেকে কাটিয়ে নিবো। কিন্তু কেউ তা কাটতে রাজি না। চেক আউট করে হোটেলের কাউন্টারে মালামাল রেখে বের হয়েছিলাম বাকি সময়টা আশেপাশের মলগুলো ঘুরতে। কাউন্টারেও দুরিয়ান রাখতে দিবেনা। পরে মাল্লু রেস্টুরেন্টের এক আরাকানি নারী কর্মী, যার সাথে আমাদের ভালো খাতির হয়ে গিয়েছিলো, সে দুরিয়ানটা কেটে বের করে দিলো। ভরপেট নাস্তা করার পরে পেটে জায়গা নেই। কি আর করবো, সেই দুরিয়ান হাতে নিয়েই প্রথমে হাটতে হাটতে গেলাম লয়াট-প্লাজা। মালয়েশিয়ার সবচেয়ে বড় টেকনোলজী মার্কেট। চারিদিকে খালি ট্যাব আর স্মার্টফোন। যেই স্টলেই যাই, কিছুক্ষণের মধ্যেই দুরিয়ানের গন্ধে জায়গাটা ভরে ওঠে। লোকজন সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকানোর আগেই সে জায়গা ছেড়ে পালাই। এর মধ্যে বাইরে শুরু হয়েছে মুশোলধারে বৃষ্টি। সেতু ভাইরা শেষ মুহূর্তের আরও কিছু কেনাকাটা করতে চলে গেলো স্থানীয় একটা বাঙালি মার্কেটে। আর আমরা বৃষ্টি থেকে বাঁচতে একটা ক্যাব নিয়ে গেলাম পাশের বুর্জায়া টাইম স্কয়্যার মলে। এই মলটা বিশাল বড়। দশতলা! ঢোকার মুখেই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভেন্ডিং মেশিনটা চোখে পড়ে। ভিতরে বড় ব্র্যান্ডের দোকানও যেমন আছে, তেমনি কিছু মোটামুটি সস্তা দোকানও আছে। অবাক হলাম পাথর বসানো গয়নাগাটির ১০ বা ১৫ রিঙ্গিতের ফ্ল্যাট রেট দেখে। একটা দোকান থেকে যখন বড় দুই ভাইয়ের জন্যে টিশার্ট কিনছিলাম, তখন হঠাত করে লক্ষ্য করলাম যে, পুরো বিল্ডিং এ হালকা ভাইব্রেশন হচ্ছে! ভাবলাম, বাইরের মনোরেলের ট্রেনের কারণে হয়তো এই ভাইব্রেশন। কিছুক্ষণ পরেই ভুল ভাংলো। আরেকটু সামনে এগোতেই মাথার উপরের আর্তচিৎকার লক্ষ্য করে তাকাতেই দেখলাম ভয়াবহ দৃশ্য। ভবনের দশতলা পর্যন্ত হলো-সেকশনের সাত তলা থেকে দশতলা উচ্চতায় রয়েছে একটা আস্তো রোলার কোস্টার ট্র্যাক! অবিশ্বাস্য!


হোটেল থেকে আমরা এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম সাড়ে তিনটার দিকে। হোটেলের বাঙ্গালী ম্যানেজার একটা গাড়ি ঠিক করে দিয়েছিলো। ভাড়া লেগেছিলো ১২০ রিঙ্গিত। আসার সময়ের চাইতে ৩০ রিঙ্গিত কম!গাড়িতে ওঠার আগে হাতে থাকা স্টিংকবোম দুরিয়ান খাওয়ার পালা এলো। আমার স্ত্রী দেখলাম একটা কোয়া মুখে দিয়ে ওয়াক করে ফেলে দিলো। কিছুটা ঘাবড়ে গেলাম। কিন্তু তারপরেও বাঙ্গালীদের ইজ্জতের কথা চিন্তা করে, “রাখে আল্লাহ, মারে কে” বলে মুখে চালান করে দিলাম দুরিয়ান। উফফ! এতো উৎকট স্বাদ কোন কিছুর হতে পারে জানা ছিলো না। অনেক কষ্টে গিলে ফেললাম। রাত এগারোটার সময় যখন ঢাকায় ফিরে ভাত খাচ্ছিলাম, তখনও ঢেকুরের সাথে দুরিয়ানের গন্ধ বের হচ্ছিলো! ভেবেছিলাম বাকিটা ফেলে দিতে হবে। কিন্তু সেতু ভাই অত্যন্ত মজা করে তা খেয়ে ফেলায় খাবার নষ্ট করার মতন পাপ কাজটা আর করতে হলো না।


এয়ারপোর্টে আসার পরে প্রতিবার যা হয় তাই হলো। সফর সঙ্গীদের কাউকে না আটকালেও ফাইনাল চেকিং এর সময় আমাকে আটকালো। মহিলা সিকিউরিটি অফিসার তার ছোট ছোট চোখকে যথাসম্ভব বড় বড় করে একটা ভয়লাগানো চেহারা বের করলো, আর ব্যাগপ্যাকে থাকা বডি-স্প্রে সিজ করে ছুঁড়ে ফেলে দিলো ডাস্টবিনে। মনে মনে বলি, “লাভ নাই। দুরিয়ানের ঢেক ছেড়েই বডিস্প্রের কাজ চালিয়ে নিবো।হে হে হে।” আমাদের মালিন্ডো-এয়ার সকল যাত্রী উঠিয়ে আরও ঘন্টাখানেক টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকলো। কেন জানিনা। তবে সময়কে কাজে লাগালাম। আগের বারগুলোতে অর্ধেক দেখা “জ্যাক-দ্যা জায়েন্ট স্লেয়ার” এর বাকি অর্ধেকের পুরোটাই দেখে ফেললুম। মাইরি বলছি দাদা, সেরকম গাঞ্জু ফিল্ম। আমাদের সিট পড়েছিলো একেবারে পিছনের দিকে। টয়লেট গমনেচ্ছুক যাত্রীদের লম্বা কিউয়ের ঠেস খাইতে খাইতে অস্থির হয়ে গেলাম। এ যন্ত্রণা থেকে উদ্ধারকর্তা হয়ে এলো আরেক যন্ত্রণা। হঠাত করে ক্যাপ্টেন সবাইকে সিটবেল্ট বেঁধে ফেলতে বললো, আর নির্দেশ দিলো জায়গা থেকে না উঠতে। শুরু হলো বাম্পিং। ডানে-বামে, উপরে-নিচে সবদিকেই ভয়াবহভাবে প্লেন কাঁপতে লাগলো। প্রায় আধা ঘন্টা ছিলো এরকম অবস্থা। ব্যাপক ভয় পেয়েছিলাম। ভয়ে চোখ বন্ধ করে দোয়াদরুদ পড়তে গিয়ে দেখি, মাদ্রাসায় অধ্যয়নকালে শেখা দোয়াদরুদের বেশিরভাগই ভুলে গেছি। যেগুলো মনে আছে, সেগুলোই মনে মনে পড়তে থাকলাম। প্লেনের এমতাবস্থায় বেশিরভাগ যাত্রীই অসুস্থ বোধ করছিলো। আমার সহযাত্রীদেরও মোটামুটি একই হাল। শুধুমাত্র সেতু ভাই ব্যতিক্রম। প্লেনে উঠে উনি যে ঘুম দিয়েছিলেন, সেটা ভেঙ্গেছিলো ঢাকায় ল্যান্ড করার পরে। প্লেনের ঝড়ের মধ্যে পড়ার কথা জিজ্ঞেস করলে উল্টো অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “ঝড়ে পড়সিলো নাকি? ধুর মিয়া, আমারে ডাকবানা?”।


ঝড়ঝাপটা শেষ হলে মেজাজটা খারাপ হয়ে গেলো সামনের সিটে বসা ভদ্রলোকের অভদ্রতা দেখে। এয়ারহোস্টেজের কাছে মেনুতে থাকা খাবার পান নাই তিনি। তাই যে খাবার পেয়েছেন তা অর্ধেক খেয়ে বাকিটা মেঝেতে ফেলে দিলেন। পাশে বসে থাকা স্ত্রীকে বললেন, “ওরা এসে পরিস্কার করবে। ঠিকমতন সার্ভিস দিতে পারেনা। অন্তত এতটুকু করুক।” সঙ্গে থাকা দুইটা বাচ্চা কি শিখলো তার কাছ থেকে? এসব দেখলে লজ্জায় মাথা কাটা যায়। যা হোক, ঢাকা এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করার পরে সেই একই কাহিনী হলো। সবাই চলে গেলো, কাস্টমসের মামুরা আটকালো কেবল আমাকে।  তেমন ঝামেলা না করে শুধু চেক করেই ছেড়ে দিলো। নয়দিনের মালয়েশিয়া সফর শেষ করে বাসায় ফেরত আসলাম। আর পরের দিন দুপুরে চলে আসলাম কর্মস্থল সিলেটে। এখানে আসার পরে মিয়াভাই ওনার গরীব ক্যামেরায় তোলা টিশার্ট পরিহিত একটা ছবি আমাকে মেসেজ করে পাঠালেন। টি-শার্টটা ওনার গায়ে ফিট করেছে এবং সুন্দর মানিয়েছে। টিশার্টের জন্যে ধন্যবাদ দিলেন আমাকে। আর মেসেজের শেষের লাইনটা ছিলো এরকম, “সবচেয়ে ভালো লাগে, যখন বিদেশ থেকে আনা উপহারে লেখা দেখি মেইড-ইন-বাংলাদেশ।”!     
[সমাপ্ত]

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন শামীম (২৪-১১-২০১৩ ২০:৫৫)

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

যা হোক দোরিয়ান খেয়েছো তাহলে।  thumbs_up

এই ফ্লেভারের জ্যাম জেলি পাওয়া যায়। আর সত্যিই হোটেল এবং প্লেনে এই জিনিষ নিতে দেয় না -- তোমাদের হোটেলে কেন দিল কে জানে!

সিনসিয়ারলি! ভাল জিনিষে মেড-ইন-বাংলাদেশ দেখলে মনটা ভরে যায়।

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

ওএমজি,  lol2 সবার শেষের লাইনটা আক্ষরিক অর্থেই একটা পাঞ্চলাইন।

চরম একটা ভ্রমণকাহিনী উপহার দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।  smile আশাকরি ভবিষ্যতে এইরকম আরো অনেক ভ্রমণে যাবেন এবং আমাদের আরো কিছু ভ্রমণকাহিনী উপহার দেবেন।

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

শামীম লিখেছেন:

যা হোক দোরিয়ান খেয়েছো তাহলে।  thumbs_up

এই ফ্লেভারের জ্যাম জেলি পাওয়া যায়। আর সত্যিই হোটেল এবং প্লেনে এই জিনিষ নিতে দেয় না -- তোমাদের হোটেলে কেন দিল কে জানে!

সিনসিয়ারলি! ভাল জিনিষে মেড-ইন-বাংলাদেশ দেখলে মনটা ভরে যায়।


হ। বলা ভালো গিলসি sick এই অখাদ্য ফল উৎপাদন কেন করে সেটাই আমার কাছে এক রহস্য  angry

রেজওয়ানুর লিখেছেন:

ওএমজি,  lol2 সবার শেষের লাইনটা আক্ষরিক অর্থেই একটা পাঞ্চলাইন।

চরম একটা ভ্রমণকাহিনী উপহার দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।  smile আশাকরি ভবিষ্যতে এইরকম আরো অনেক ভ্রমণে যাবেন এবং আমাদের আরো কিছু ভ্রমণকাহিনী উপহার দেবেন।

ধন্যবাদ। আপনাদের দোয়ায় আশা রাখি দুনিয়ার আরও কোনাকাঞ্চি দেখা হবে big_smile

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

চরম একটি সিরিজ লেখার জন্য প্রথমেই ধন্যবাদ কাউয়া ভাই কে  clap

lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 শেষের লাইন পড়ে পুরাই কাইত

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

এপিক এন্ডিং thumbs_up

ইট-কাঠ পাথরের মুখোশের আড়ালে,
বাধা ছিল মন কিছু স্বার্থের মায়াজালে...

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

চরম একটি সিরিজ লেখার জন্য প্রথমেই ধন্যবাদ কাউয়া ভাই কে  clap

lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 শেষের লাইন পড়ে পুরাই কাইত


আপনাকেও ধন্যবাদ সিরিজ জুড়ে সাথে থাকার জন্যে।

ছায়ামানব লিখেছেন:

এপিক এন্ডিং thumbs_up

ধন্যবাদ।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

আহা শেষ হয়ে গেল! দুরিয়ান ফলটাতো দেখতে ভালই। কেনার সময় গন্ধ টেরপাননি?

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

সদস্য_১ লিখেছেন:

আহা শেষ হয়ে গেল! দুরিয়ান ফলটাতো দেখতে ভালই। কেনার সময় গন্ধ টেরপাননি?

কেনার সময়ও ভালোই গন্ধ পাওয়া যায়। কিন্তু তীব্রতা টের পাওয়া যায় না। কারণ দোকানের আশেপাশে খোলা জায়গায় গন্ধ ছড়িয়ে তীব্রতা একটু কমিয়ে দেয়। কিন্তু কাটার পরে বা বদ্ধ রুমের ভিতরে? উফফ!! হরিফাইং কনডিশন হয়ে যায় sick

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১০

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

চমৎকার এন্ডিং  thumbs_up

IMDb; Phone: OnePlus 8T; PC: Windows 10 Pro 64-bit

১১

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

দারুন সমাপ্তি thumbs_up

One can steal ideas, but no one can steal execution or passion. - Tim Ferriss

১২

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

অপরিচিত ও বোরহান ভাইকে ধন্যবাদ big_smile

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৩

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

টিশার্টের জন্যে ধন্যবাদ দিলেন আমাকে। আর মেসেজের শেষের লাইনটা ছিলো এরকম, “সবচেয়ে ভালো লাগে, যখন বিদেশ থেকে আনা উপহারে লেখা দেখি মেইড-ইন-বাংলাদেশ।”!     

thumbs_up

আসলেই তাই। চমৎকার সিরিজের জন্য ধন্যবাদ।

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

১৪

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

আরণ্যক লিখেছেন:

চমৎকার সিরিজের জন্য ধন্যবাদ।

সিরিজজুড়ে থাকার জন্যে আপনাকেও ধন্যবাদ hug

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৫

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

big_smile দোরিয়ানটা ভালই ভুগিয়েছে আপনাদের!  tongue_smile  এটার গন্ধে যে বেহুশ হয়ে যান নাই এটাই বেশি! dontsee 

সিরিজের এই একটাই পড়া বাকি ছিল   big_smile
শেষ লাইনটা দেখে বেশি মজা লেগেছে  tongue

পরবর্তী ভ্রমণ কাহিনীর অপেক্ষায়!  dream

১৬

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

ভ্রমন বিশারদ তাছেকা ভাই, অস্থির একটা সিরিজ লিখেছেন। তবে বেশ সময় লেগেছে পুরোটা শেষ করতে।
ভ্রমন কাহিনীর এন্ডিং পড়ে এক অদ্ভুত ভালো লাগার অনুভূতি পেলাম, আপনাকে ধন্যবাদ। clap clap

You are the one who thinks that i didn't get the point, so do i think of you...what a coincidence!!

১৭

Re: মালয়েশিয়ায় নয় দিন, শেষ পর্ব

@ফয়সালঃ ধন্যবাদ ভাই। একবারে না পড়ে আস্তে আস্তে পড়তে পারতেন। আপনার ডায়রী মিস করি। ডায়রীতে লিখেন কিছু। আমরা পড়ি।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(