সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (২০-০৮-২০১৩ ২২:৪১)

টপিকঃ ঈদ এবং অন্যান্য

দারুণ মজার কিছু একটা লিখতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু মনেহয় না মজার কিছু লিখতে পারবো। আগে সাধারণ ঘটনাতেও নানান মজা খুজে পেতাম। এখন পাইনা। যেমন আগে ক্যালকুলাস ক্লাসে লোকজন যখন কোন ইকুয়েশনের হরের সাইন-এক্স আর লবের কস-এক্সের এক্স কাটাকাটি করে শুধু সাইন বাই কস জাতীয় জিনিস লিখে রাখতো, তখন ব্যাপক মজা লাগতো। কিন্তু এখন মেজাজ চরম খারাপ হয়ে যায়। মুখ দিয়ে তখন তিতা কথা বের হয়ে যায়। রোজাতো একটাও মনেহয় সঠিকভাবে হয় নাই। খুবই খারাপ অবস্থা। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে খুব শীঘ্রই মনেহয় মুখে তালমিস্ত্রী রেখে ক্লাস নিতে হবে। তবে এই সমাধান রমজান মাসের জন্যে প্রযোজ্য নয়।

এই যা, দেখেছেন অবস্থা? শিরোনামের বাইরে আজাইরা বকবক শুরু করে দিয়েছি। আসলে কিছু কিছু লোকজন হা-হুতাশ করে। আহারে, ভালো কোন লেখা নেই। সবকিছু থেমে গিয়েছে। কোয়ালিটি ফল করেছে। আমিতো ইদানিং সব চমৎকার লেখা দেখতে পাই, যেগুলোর হিট অত্যন্ত কম। বরং আলতুফালতু লেখার হিট অত্যন্ত বেশি। অবশ্য ভালো লাগা ব্যাপারটাও আপেক্ষিক। যা আমার কাছে ভালো লেগেছে, তা অন্য কারও কাছে বিরক্তিকরও মনে হতে পারে। এমনকি যেটা এখন আমার কাছে ভালো লাগছে, তা অন্য কোন সময়ে ভালো নাও লাগতে পারে। সৈয়দ মুজতবা আলীর “পাঠকের মৃত্যু” গল্পটা পড়লেই ব্যাপারটা বোঝা যায়।   

ঈদ আসলেই আগে ব্যাপক আনন্দ হতো। ঈদে সকালে খাওয়াদাওয়ার পাট চুকিয়ে বের হয়ে যেতাম। সারাদিন বন্ধুদের সাথে ঘোরাঘুরি। ঈদের সেলামীতে পাওয়া টাকা দিয়ে ধুমায় কোল্ড ড্রিংস খেতাম। অর্থ অভাবে সারা বছরে কোল্ডড্রিংস খেতে না পারার আফসোস একেবারে সুদে-আসলে মিটিয়ে ফেলতাম। আহা কি আনন্দ থাকতো আকাশে বাতাসে! আর এখন? ঈদ মানেই খালি লস আর লস। কত আশা নিয়ে সকালে আম্মাকে সালাম করলাম। আম্মা সালামীও বের করলো। কিন্তু আমার হাতে না দিয়ে দিলো আমার বৌরে!! এইখানেই শেষ নয়। ফুপা-ফুপুসহ অন্যান্য মুরুব্বী যারা বাসায় আসলো সবাইকেই সালাম করলাম। এইবারও সালামী পাইলো বৌয়ে!! আরে আজব! বিয়া করসি দেইখা কি সালামী পাওয়ার হকও নাই?!! শুধু সালামীর ইনকাম বন্ধ হলে কথা ছিলো। সকালের নাস্তার পরে শুরু হইলো আমার ভাতিজা-ভাতিজিদের আক্রমণ। সালাম করে আর বলে, “চাচা সালামী দাও, সালামী দাও”। কি যন্ত্রণা! তোরা কি খালি আমারেই সালাম করসোস? তোগো চাচীর কাছে চাস না কিল্লাইগা?!! ভাগ্য ভালো যে, কিছু কচকচা পাঁচ টাকার নোট কালেক্ট করে রেখেছিলাম তাই রক্ষা। বাচ্চা পোলাপান। ট্যাকা চিনলেও, ট্যাকার মান জানেনা। হে হে হে।

বাচ্চাকাচ্চাকে মাঝে মাঝে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষদের চাইতেও বেশি নিষ্ঠুর মনেহয়। এই উপলব্ধিটা ঈদের দিন সকালে আরও একবার হলো। সকাল বেলা নাস্তার পরে আমার ল্যাপটপে কিছু মিউজিক ভিডিও ছেড়ে দিয়েছি। আমার সাড়ে তিনবছরের ভাতিজা অমিয় আমার সাথে বসে তা উপভোগ করছিলো। হঠাত অমিয় ওর ক্যারক্যারা গলায় আমাকে জিজ্ঞেস করলো, “তাতা, তোমার পেততা এমন কেন?” আমি বেশ অবাক হয়ে ওকে পাল্টা জিজ্ঞেস করলাম, “এমন কেন মানে কি?” অমি এবারে একদম স্পেসিফিকভাবে জবাব দিলো, “বাবাল মতন বলো কেন?” এতদিন বাচ্চাকাচ্চাকে নিষ্পাপ বলেই জানতাম, কিন্তু উইকপয়েন্ট নিয়ে এরকম প্রশ্ন শুনে এখন এ ব্যাপারে আমি সন্দিহান। আমি অমির পেটে একটা গুতো দিয়ে বললাম, “ঐ! ফাইজলামী করস আমার লগে? খাড়া, তোর মা আর দাদী দুইজনরেই বিচার দিতাছি।” এ কথা বলে রুম থেকে বেরিয়ে যাবার সময় পিছনে আনন্দে উদ্বেলিত অমিয়র হ্যা হ্যা করা হাসির শব্দ কানে তীর হয়ে বিধছিলো। ঈদের দিন সকালে এভাবে মন ভেঙ্গে গেলে কি আর ঈদের আনন্দ করা যায়?


ঈদের আগের দিন সকালে হয়েছিলো আরেক কাহিনী। বিছানায় আধাশোয়া হয়ে আছি। এমন সময় খুব উত্তেজিত মুখে অমিয় আমার কাছে আসলো। বুঝলাম যে, ঘুম থেকে উঠে কোনমতে মুখ ধুয়েই চলে এসেছে। আমার কাছে এসে অত্যন্ত উত্তেজিত কন্ঠে চোখ বড় বড় করে বলে উঠলো, “তাতা তাতা, আম্মা ডাকতেসে!” অমি ওর মাকে মা ডাকে, আর আমার মাকে ডাকে দাদী। আম্মা বলে কাউকে ডাকেনা। পুরা কনফিউজড হয়ে গেলাম। তাহলে কি আম্মা ওকে দিয়ে আমাকে ডেকে আনার জন্যে পয়গাম পাঠিয়েছে? অসম্ভব হাস্কি কন্ঠের অমির কথা বোঝা খুবই মুশকিল। একমাত্র ওর যমজ বোন, আমার ভাতিজি অ্যাথেনা ওর কথা স্পষ্ট বুঝতে পারে। কিন্তু আশেপাশে অ্যাথেনাও নেই যে ওকে অমির কথা বোঝার জন্যে ডিকোডার হিসেবে ব্যবহার করবো। এদিকে বারবার অমি বলেই যাচ্ছে যে, “আম্মা ডাকতেসে। আম্মা ডাকতেসে”। অসহায়ভাবে বললাম,
-    কি কস? আম্মা ডাকে?
-    না না। আম্মা ডাকতেসে। ঐদে ঐদে। শোনো না? আম্মা ডাকতেসে!
কয়েকবার কি শোনার জন্যে বলছে তা বোঝার চেষ্টা করে বুঝতে পারলাম যে, প্রতিবার বাইরে থেকে গরুর ডাক শোনার সাথে সাথেই সে এই কথা আমাকে বলছে। অর্থাৎ হাম্বা ডাকছে। বুঝলাম। ওর জন্যে খুবই এক্সাইটিং ব্যাপার। এখন আমাকেও হাম্বার ডাক শোনার জন্যে ওর সাথে বাইরে যেতে হবে। এড়ানোর জন্যে ওকে বললাম,
-    হ্যাঁ, হাম্বা ডাকতেছে। এখন তুই বারান্দায় গিয়ে দেখতো, নিচে চালের উপর বিড়ালটা ম্যাও করছে কিনা।
কথা শেষ করার সাথে সাথেই তিরতির করে দৌড়ে বারান্দায় চলে গেলো ও। একটু পরে ফিরে এসে আমাকে বললো,
-    বিলালটা সুয়ে আছে। (হাত দিয়ে চুলকানোর ভঙ্গি করে) এমন কলে তুলকাত্তে। ফোদা (ফোঁড়া) হইতে আমাল মতন।


যাইহোক আবারও ঈদ প্রসঙ্গে ফিরি। ঈদের দিন মোটামুটি সারাদিনই আম্মা আর বৌয়ের সাথে রান্নাঘরে কাটালাম। কারণ এবারই প্রথমবারের মতন বাসায় আম্মাকে সাহায্য করার মতন মানুষ নেই। ঈদের পরের দিন একটু সেলিব্রেট করার জন্যে বৌকে নিয়ে গেলাম এ-এন্ড-ডাব্লিউতে। অনেক নাম শুনেছি এ দোকানের। অনেক বিখ্যাত নাকি। এখানে আসার প্রধান উদ্দেশ্য ছিলো সুস্বাদু বিয়ার পান। সারা জিন্দেগী ধরে যেই বিয়ারের স্বাদ অখাদ্য বলেই জানতাম, সেই বিয়ার নাকি এ-এন্ড-ডাব্লিউতে সুস্বাদু স্বাদে পাওয়া যায়। চেখে দেখা নাকি ফরয। এসব কথা শুনে ভিতরে ঢুকেই চিজ-বার্গার আর বিয়ার অর্ডার করার জন্যে লাইনে দাঁড়ালাম। আমার সামনের পাবলিক প্রায় আধা ঘন্টা ধরে অর্ডার দিলেন। কত যে কোয়েরী! “বার্গারে চিজ কয় পিস থাকে? টমেটো, লেটুস থাকে? বিয়ারের লার্জ সাইজে কত মিলি? এলকোহল আছে নাকি? এলকোহল না থাকলে কি দিয়া বানায়?” আবে হালারপো, এইগুলা কি কাউন্টারে আইসা জিগানোর জিনিস? যাইহোক, কোয়েরীম্যান প্রায় আধাঘন্টা পর অর্ডার দিতে সমর্থ্য হলেন। আমিও গিয়ে অর্ডার দিলাম। একটা জিনিস খেয়াল করলাম যে, সব বড় ব্র্যান্ডের ফাস্টফুড চেইনের মতন এখানকার সার্ভিসম্যান এন্ড উম্যানরা ব্যাপক হেল্পফুল। চিজবার্গার চাইলাম, আর আমাকে বললো যে, “স্যার, এটাতো বাচ্চাদের। চিলড্রেন্স আইটেম। আপনি এটা অর্ডার করুন।” যেটা অর্ডার করতে পরামর্শ দিলো সেটার দাম আগেরটার চেয়ে প্রায় ১০০ টাকা বেশি! আমি বললাম, “ভাই আমি বাচ্চাদেরটাই অর্ডার করবো।” দেশে মোটামুটি এটা ট্রেন্ড। আপনাকে হেল্প করার বদলে কনফিউজ করার জন্যে এরা মুখিয়ে থাকে। রেস্টুরেন্টগুলোতেও যে আইটেম একটা নিলে তিনজনের হয়ে যায় সহজেই, তারা আপনাকে অত্যন্ত কনফিডেন্সের সাথে বলবে যে সেটা একজনের আইটেম!

যাই হোক, এক সময় অর্ডার টেবিলে আসলো। বার্গার মুখে দিয়ে দেখি যে, নাম বিফ-চিজ বার্গার হলেও এটার স্বাদ আবুধাবিতে ফুটপাতের পাশের সাধারণ দোকানে খাওয়া শর্মা আর সাধারণ বিফ-বার্গারের মাঝামাঝি কিছু একটা। আমি বিরক্ত মুখে বৌকে বলতে গেলাম, “বার্গারটা কি জঘন্য দেখসো?” কিন্তু থেমে গেলাম বার্গারে মুগ্ধ বৌয়ের চেহারা দেখে।  আবুধাবির শর্মার মতন কিঞ্চিত স্বাদযুক্ত বার্গারের দুর্নাম করা হবে আত্মহত্যার সামিল। কি আর করা, চেপে গেলাম। এবারে চুমুক লাগালাম বিয়ারে। কোকের মতন রংয়ের পানীয়টাতে চুমুক দিয়ে আক্কেলগুড়ুম! মনে হলো যে, হারবাল পেস্ট মিশানো কোক খাচ্ছি। এবার থাকতে পারলাম না। বিরক্ত হয়ে বলেই ফেললাম, “নাম কইলো রুট-বিয়ার, আর খাইতে এমন পেস্ট মিশানো কোকের মতন কেন? নাম অনুযায়ীতো একেবারে অরিজিন বা রুট থেকে আসা বিয়ার হওয়ার কথা।” বৌ উত্তর দিলো, “আরে, এই রুট মানে হচ্ছে বিভিন্ন হারবাল জরিবুটি। সেগুলো থেকেই স্বাস্থের জন্যে উপকারী বিয়ার বানিয়েছে। তাই নাম রুট-বিয়ার।” হতাশ হয়ে গেলাম। এখন থেকে ভাবানুবাদ করা বাদ দিতে হবে বলে মনে হচ্ছে।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

“তাতা, তোমার পেততা এমন কেন?”

মানে কি বাংলায় বলেন- বুঝতে পারি নাই। আমিও আপনার মতোই কষ্টে আছি- এ্ই ঈদের আমি এক আনাও সালামি পাই নাই। এই দুঃখ কোন বস্তাতে যে রাখি। ভাই আসেন বুকে মুখ মিলাই  neutral

আমাকে কোথাও পাবেন না।

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

ভাল লিখেছেন।  big_smile এখানে  দাত বের করাটা ঠিক হল কিনা বুঝতে পারছিনা ।
প্যারা ১, ৩, ৪  তিনটাই ডাইরেক্ট বিয়ের ফল! ২ নং প্যারার ব্যাপারটা বউএর ঘাড়ে চাপানো যায় কিনা সেটা নিয়ে আরকটু ভাবতে হবে। ফোরামের অনেক সদস্য গত ২/১ বছরের বিয়ে করেছেন ফোরাম পিতা সহ। ফোরারমে ভাল লেখা না থাকার করন সেটা হলেও হতে পারে... হুমম...  thinking

হায়রে এত ক্লু দেখেও ব্যাচেলর সম্প্রদায় যদি কিছু শিখত...

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (২০-০৮-২০১৩ ২১:০২)

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

পলাশ মাহমুদ লিখেছেন:
তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

“তাতা, তোমার পেততা এমন কেন?”

মানে কি বাংলায় বলেন- বুঝতে পারি নাই। আমিও আপনার মতোই কষ্টে আছি- এ্ই ঈদের আমি এক আনাও সালামি পাই নাই। এই দুঃখ কোন বস্তাতে যে রাখি। ভাই আসেন বুকে মুখ মিলাই  neutral


না ভাই, মুখ মিলানোর দরকার নাই lolআর  অমি বলেছিলো, "চাচা, তোমার পেটটা এমন কেন?"

@সদস্য-১ঃ ধন্যবাদ ভাই। আসলে দিল্লীকা লাড্ডু বইলা কথা...... সবাই খেয়েই পস্তাতে চায় lol lol

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

না ভাই, মুখ মিলানোর দরকার নাই

নারে ভাই, আপনি ভুল বুঝতাছেন- আমি একটু লিলিপুট সাইজের তো, তাই বুকে বুক মিলাতে গেলে, কি করে কেমনে জানি বুকে মুখ মিলে যায় tongue_smile টান্সলেশন পড়ে এবার বুঝতে পারলাম পিচ্চি কি বুঝাতে চাইতে চাইছিলো  roll

আমাকে কোথাও পাবেন না।

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

দারুন লিখেছেন  thumbs_up । এজন্যি বুঝি বলে - বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর , আরেকটা ও বলে - লাড্ডু খাইলে ও পস্তায় না খাইলে  ও পস্তায়  tongue

আপনার পেটের স্ক্রিনশট দেখতে মঞ্চায়  tongue_smile

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

Jemsbond লিখেছেন:

দারুন লিখেছেন  thumbs_up । এজন্যি বুঝি বলে - বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর , আরেকটা ও বলে - লাড্ডু খাইলে ও পস্তায় না খাইলে  ও পস্তায়  tongue

আপনার পেটের স্ক্রিনশট দেখতে মঞ্চায়  tongue_smile


ধন্যবাদ। আসলে স্ক্রীনশট দিতাম, কিন্তু জলিল ভাইয়ের নিষেধ আছে বিধায় দিতে পারলাম না lol

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

# লাড্ডু যো খায়া
বোঝো ঠ্যালা ভায়া !! lol2 lol2

# রাব নে বানাদি ভুঁড়ি
ভাইস্তা নে ঢুন্ডা জুড়ি !! lol2 lol2

জানি আছো হাত-ছোঁয়া নাগালে
তবুও কী দুর্লঙ্ঘ দূরে!

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

@জামিল মন্ডলঃ ধন্যবাদ ভাই।
সম্পাদণা করে আরও খানিক যোগ করলাম।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১০

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

আপনি সাধারণ কোনকিছু লিখলেই ওটা ব্যাপক মজার হয়ে যায়।  lol


তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

এবারে চুমুক লাগালাম বিয়ারে। কোকের মতন রংয়ের পানীয়টাতে চুমুক দিয়ে আক্কেলগুড়ুম! মনে হলো যে, হারবাল পেস্ট মিশানো কোক খাচ্ছি।

এ বস্তু নিয়ে আমারও কিন্চিত কৌতূহল ছিল। বেঁচে গেলাম, টেস্ট করা লাগল না আর। tongue

"Monsters are merely those which cross a certain line. Customs, laws, justice, taboos--They cross those lines, fully aware that they exist."

১১

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

আম্মা ডাকতেসে।
lol2 lol2

১২ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ফায়ারফক্স (২১-০৮-২০১৩ ০১:২৭)

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

আসলে কোন বিষয়ে মজা না পাওয়া ও ছাত্রদের ভুলে মেজাজ খিচড়ে যাওয়া থেকে বুঝতে হবে আপনি এখন সিনিয়র ও এলেমদার হচ্ছেন/হয়েছেন, এখন নিজেকে প্রশ্ন করে দেখুন ইউনি লাইফে স্যারদের যে মেজাজের জন্য মনে মনে বকা দিতেন সেটা যুক্তিযুক্ত ছিল কিনা......  যদিও এখনো তাদের চেয়ে বয়স অনেক অনেক কম  thinking thinking thinking

হেঃ হেঃ এই রুট বিয়ারের কথা এই লেখা থেকে প্রথম জানতে পারি ( ৫ নং মন্তব্য ) এছাড়া ফেসবুকে ছয়লাব ......
ফেসবুকে ফ্রেন্ডের স্ট্যাটাসে দেখলাম কয়েকজন পেপ্সোডেন্ট দিয়ে কোক ব্লেন্ডিং করে খেয়েছে কেউ আবার পোলো মিন্ট দিয়ে, ভালই বলেছে...... সত্য মিথ্যা জানিনা  neutral neutral তবে এই ব্যাটারা বিখাইউজ সন্দেহ নাই......   
ফেসবুক নিজেই সাজেশন দিল ফ্রেন্ড বাইনাইতে আমি ডেস্টিনির মত ইয়েস ইয়েস করে সবাইকে ইনভাইটেশন পাঠালাম, কিছু মুভি রেটিং দিলাম সব গুলোতে লাইক দিলাম এখন উল্টা আবার আমাকেই ১৫ দিন ব্লক মারে আমি নাকি রিকোয়েস্ট পাঠাইয়া অপরাধ করছি যা হ্যারাশমেন্ট এর সমান !!!  angry angry angry
ফেসবুকের মায়রে বাপ পুইতা পুইতা  angry

১৩

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

@কোরাকোরাঃ ধন্যবাদ। খেয়ে দেখতে পারেন। তবে রেগুলার সাইজটা নিয়েন। আমার মত লার্জ সাইজ নিয়ে ধরা খেয়েন না lol
@অভিঃ ঐ মিয়া এতো হাসো কেন?

@ফায়ারফক্সঃ  সবই বয়সের দোষ hehe আচ্ছা, ফেসবুক থেকে কাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে ব্লক খেয়েছেন বুঝি নাই। রুট-বিয়ারকে নাকি বিখাউজ পোলাপানকে? thinking

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৪

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

দারুন, বরাবরের  মতই সুখপাঠ্য এবং  উপভোগ্য।  smile আমার কেন  যেন মনে হয় লেখালেখি করতে গেলেও মানুষ তার নিজের ভেতরের যে মানুষটা তার একটা ছাপ  রেখে যায়। সেই হিসাবে আপনি সত্যিই অনেক রসবোধ সম্পন্ন, আপনার লেখাগুলো তাই বলে। যাই হোক এটাকে তেল ভাইবেন না, বাজারে তেলের  অনেক দাম।  tongue_smile

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

@অভিঃ ঐ মিয়া এতো হাসো কেন?

"অ্যাডমিরাল জেনারেল" কে আপনি "ঐ মিয়া" বললেন  surprised , আপনি করছেন কি!!!  hehe

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৫

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

কোরাকোরা লিখেছেন:

আপনি সাধারণ কোনকিছু লিখলেই ওটা ব্যাপক মজার হয়ে যায়।  lol


তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

এবারে চুমুক লাগালাম বিয়ারে। কোকের মতন রংয়ের পানীয়টাতে চুমুক দিয়ে আক্কেলগুড়ুম! মনে হলো যে, হারবাল পেস্ট মিশানো কোক খাচ্ছি।

এ বস্তু নিয়ে আমারও কিন্চিত কৌতূহল ছিল। বেঁচে গেলাম, টেস্ট করা লাগল না আর। tongue

আমিও তাহলে বেচে গেলাম। টেস্ট করা লাগলো না।  dancing

এখনও শিখছি। আরো শিখতে চাই। পরে নাহয় শেখানো যাবে। আপাতত শেয়ার করতে পারি

১৬ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন অ্যাডমিরাল জেনারেল অভি (২১-০৮-২০১৩ ১৬:৪৩)

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

যাক এতটুকু বাচ্চারও আপনার পেটের দিকে নজর পড়েছে। 
আমি একা নই।
yahoo

@ রেজওয়ানুর: উনি আমার সুপ্রীম লীডার। তাই এই অপরাধ ক্ষমা করলাম।  tongue_smile

১৭

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

রেজওয়ানুর লিখেছেন:

দারুন, বরাবরের  মতই সুখপাঠ্য এবং  উপভোগ্য।  smile আমার কেন  যেন মনে হয় লেখালেখি করতে গেলেও মানুষ তার নিজের ভেতরের যে মানুষটা তার একটা ছাপ  রেখে যায়। সেই হিসাবে আপনি সত্যিই অনেক রসবোধ সম্পন্ন, আপনার লেখাগুলো তাই বলে। যাই হোক এটাকে তেল ভাইবেন না, বাজারে তেলের  অনেক দাম।  tongue_smile
"অ্যাডমিরাল জেনারেল" কে আপনি "ঐ মিয়া" বললেন  surprised , আপনি করছেন কি!!!  hehe


ধন্যবাদ আপনাকে। নাহ, আমি খুবই গম্ভীর প্রকৃতির cool তবে অ্যাডমিরাল জেনারেলের মতন ফাজিল আমি কমই দেখেছি lol lol

অ্যাডমিরাল জেনারেল অভি লিখেছেন:

যাক এতটুকু বাচ্চারও আপনার পেটের দিকে নজর পড়েছে।
আমি একা নই।


আরে মিয়া তুমি আগে নিজের ত্রমাগত বর্ধিত ভুড়ির দিকে নজর দাও। বিয়া না কইরাই যে হালত হইতাছে তোমার দিনকে দিন, কি আর কমু lol lol

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১৮

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

অ্যাডমিরাল জেনারেল অভি লিখেছেন:

আম্মা ডাকতেসে।
lol2 lol2

তো আপনি এই হানে কি করেন আম্মার কাছে জান না কেন

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৯

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

এরকম পিচ্চির কথা শুনতে ভালই লাগে। আমার এক কাজিন আছে যে কিছুতেই র উচ্চারন করতে পারে না, অথচ পাকনামী কথা শুনলে মনে হবে ২০ বছরের বুড়ো lol
যাহোক দেরীতে হলেও ঈদ মোবারক তার ছেড়া কাউয়া ভাই smile

২০

Re: ঈদ এবং অন্যান্য

বাংলাবাঁশ ডটকম লিখেছেন:

এরকম পিচ্চির কথা শুনতে ভালই লাগে। আমার এক কাজিন আছে যে কিছুতেই র উচ্চারন করতে পারে না, অথচ পাকনামী কথা শুনলে মনে হবে ২০ বছরের বুড়ো lol
যাহোক দেরীতে হলেও ঈদ মোবারক তার ছেড়া কাউয়া ভাই smile


আজকাল পিচ্চিরা অনেক অ্যাডভান্সড। এতোদিন পরে ঈদ মোবারক দিচ্ছেন!! ব্যাপার না অবশ্য...... আমরা ঈদ ডিপফ্রীজে রাখি। সহজে বাসি হয় না। আপনাকেও ঈদ মোবারক hug hug

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(