টপিকঃ পৃথিবীর পথে বিপ্রতীপ-২(কবি)

[পৃথিবীর পথে বিপ্রতীপ-১ এতো বড় হবার পরেও অনেকেই পড়েছেন। তাই প্রশ্রয় পেয়ে পৃথিবীর পথে বিপ্রতীপ-২(কবি) লিখে ফেললাম…]   
তারাশঙ্করের ‘কবি’ পড়লে  কার না কবি হবার সাধ জাগে ! তার উপর চারপাশে এত কবি ...এই বাজারে কয়েকটা ভাবের কবিতা না লিখলে চলবে কিভাবে? না হয় তারাশঙ্করের ‘কবি’র মতো কোন ঠাকুরঝির  সন্ধান পাইনি ,তাই বলে কি কবিতা লেখা যাবে না? নাহ্... আর দেরি করা যায় না...এক আধটা কবিতা এবার লিখতেই হবে । কিন্তু শুধু ইচ্ছে করলেই কি কবিতা লেখা যায়? অনেকেই বলেন ,কবিতা লেখার পেছনে নাকি কারণ থাকে। বাঙ্গালী ছেলেদের জীবনে নাকি এমন একটা সময় আসে ( বিশেষ করে প্রেম এবং ছ্যাঁকা ) ,যখন তারা এক-দু’খানা কবিতা লিখে বা লিখার অপচেষ্টা করে। তবে কি আমার জীবনে সেই সময় এসেছে? না...সেরকম কিছু হয়নি আমার, হবার সম্ভাবনাও নেই। কারণ, আমি মেয়েদের দেখলে সাধারণত ১০০ হাত দূরে থাকি সবসময়। শুধু শুধু প্রেমে-টেমে পড়ে মানিব্যাগের তেরোটা বাজিয়ে কি লাভ ? এমনিতেই বুয়েটের জনপ্রিয় টিউশনি বানিজ্যে সুবিধা করতে পারিনি কোনভাবেই...এখনও তাই বাবার হোটেলে খাই। বাবার টাকা দিয়ে আর যাই হোক প্রেম করা যায় না। তাই প্রেম আমার কাছ থেকে ১০০ হাত দূরের ঘটনা আর ছ্যাঁকা তো কয়েক আলোকবর্ষ দূরের...। তাই কবিতা লেখার কারণ অন্য। বুয়েটে এসে বেশ কয়েকবার ম্যাগাজিন নামক কিছু বস্তুর সম্পাদক ( অন্য কেউ রাজি না হওয়াতে অবশ্য...) সাজবার সৌভাগ্য হয়েছিল। এই সম্পাদক নামক বলির পাঁঠার অনেকগুলো কাজের মাঝে একটি হচ্ছে লেখা সংগ্রহ করা। ব্যাপারটা মোটেও সুখকর নয়। যদিও বুয়েট ছাত্রদের বেশির ভাগেরই একটা সাহিত্যিক মন আছে। কবিতা,গল্প,উপন্যাস,সায়েন্স ফিকশন সহ সাহিত্যের আনাচে কানাচে বুয়েট ছাত্রদের এখন আনাগোনা। তবে সমস্যা হচ্ছে ,সবাই নিজেকে প্রকাশ করতে চায় না। এখানে অনেকে আবার নিজেকে আন্ডারগ্রাউন্ড কবি বলে দাবি করে। এই সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে অনেক বার বন্ধুদের ডায়েরি থেকে জোড় করে কবিতা আদায় করতে গিয়ে আমার মনে হয়েছে, একবার দেখা উচিত কবিতা কি জিনিস...। এ কথা শুনে আঁতেল বন্ধু তপু বলল, এ যুগের বেশির ভাগ আধুনিক কবিতা দেখলে আমার মনে হয় না এগুলো কবিতা। আমরা অনেকে জানি না কবিতা কি জিনিস,তবু কবিতা লিখি। এ জন্যই আজ কবিতার এই দুর্দিন!ফেকলু টাইপের কবিদের ভিড়ে আজ আসল কবিদের খুঁজে পাওয়া দুস্কর।এই অবস্থা কোন ভাবেই কাম্য নয়। না জেনে শুনে আমাদের কোন কাজ করা ঠিক নয়...। গরম কড়াইয়ে এক ফোঁটা পানি ফেললে যেমন এক নিমিষে মিলিয়ে যায় , আঁতেল তপুর এরকম ফ্রয়েডিয় কথাবার্তায় আমার কবি হবার বাসনাও তেমনি মিলিয়ে গেল। 
কিন্তু,প্রেম কি আর বুড়ো হয়,দেখলেই মনে হয়...। কবিতার প্রতি প্রেম জাগলো আবার। এতদিন শুধুমাত্র হাতেগোনা প্রিয় কিছু কবিতা পড়ে এসেছি। এবার সেগুলোই আবার কিছু অনুসন্ধানী দৃষ্টিতে পড়লাম। বোঝার চেষ্টা করলাম,কবিতা কি বস্তু? কিন্তু তেমন কিছু উদ্ঘাটন করা সম্ভব হলো না। অনেক বলল,আধুনিক কবিতা খুবই সহজ ব্যাপার,ছন্দের কোন প্রয়োজন নেই এখানে। একের পর এক ভাবের কিছু লাইন লিখতে পারলেই তাকে কবিতা বলা যায়।‘প্রথম আলো’র আলপিনের কার্টুনে আবার একদিন জনৈক আধুনিক কবির একখানা কবিতা পড়লাম। এই কবিতা পড়ার পর বহুদিন কবিতা লেখার চেষ্টা করিনি আর। কবিতাটি ছিল এরকম-
‘বাঁধিয়াছি সাম্পান মরুভূমি তটে
ভাঁপা পিঠা রাখিয়াছি পাকস্থলি জটে
তলপেটে ঝড় ,ভয় হয় কি ঘটে
একফোঁটাও জল নাই যে পটে...’
এর বেশ কিছুদিন পর এক দুপুরবেলা..। সবেমাত্র জঘন্য একটা ক্লাস টেষ্ট দিয়ে রুমে ফিরেছি। মন ভালো নেই...। দুপুরে সাধারনত ঘুমাই না। তাই, গণক যন্ত্রের সামনে বসে আছি। ইন্টারনেটের লাইন চলে গেছে  কোন কারণে। হাতে তেমন কোন কাজও নেই। মাথায় কিছু লাইন ঘুরে ফিরে আসছে,ভাবলাম লিখে রাখি। লিখলাম -
     সাদা-কালো ,লাল-নীল
     স্বপ্ন দেখি রাত দিন
     কখনো আকাশ ছোঁয়ার
     কখনো নদী হবার
     কিংবা এক টুকরো মেঘ হয়ে
     নীল আকাশে ভেসে বেড়ানোর
     না হয় এক টুকরো কুয়াশা হয়ে
     সব কষ্ট ঢেকে দেয়ার
     কিন্তু হয়না স্বপ্ন সত্যি
     রোদ উঠে...ঘুম ভাঙ্গে, জেগে দেখি
     এই আমি এই আছি
     একদম আগের মতন...
     তবুও কেন স্বপ্ন দেখি?
     আবার ঘুম ভাঙ্গে ,আবার জেগে উঠি...
লেখার পর মনে হলো কেমন কবিতা কবিতা গন্ধ বের হচ্ছে । তাই একটা নাম দিয়ে দিলাম- ‘স্বপ্ন’। আমার প্রথম পরীক্ষামূলক কবিতা...স্বপ্ন। সাহস করে ইয়াহু ৩৬০-ব্লগে দেয়ার পর অনেকেই বললেন,ভালো...। অতীব আনন্দের বিষয় হচ্ছে, এখানে জঘন্য কিছু লিখলেও কেউ কোন খারাপ মন্তব্য করেন না। তাই আত্ববিশ্বাস বেড়ে যায় অনেকগুন। না হলে আমার এই কবি সাজার চেষ্টা কবে মাঠে মারা যেতো। বাঁদরকে প্রশ্রয় দিলে মাথায় উঠে ‘ইয়ে’ করে দেয় । গুজব আছে,এই প্রাণী থেকেই বিবর্তনের মাধ্যমে মানুষের সৃষ্টি। সেই কারণেই হয়তো আমিও প্রশ্রয় পেয়ে মাথায় উঠে গেলাম। কবিতার নামে একের পর এক উল্টাপাল্টা জিনিস লিখতে  লাগলাম। কিছুদিন পর আমার সেই আঁতেল বন্ধু তপুর নজরে পড়লো এই কবিতা নামক বস্তুগুলো। প্রথম কবিতা ‘স্বপ্ন’ পড়ে গম্ভীর মুখে বলল,ভাষা খুব দুর্বল...বোঝা যাচ্ছে কাঁচা হাতের লেখা ...। তবে তৃতীয় কবিতা ‘জানালা’ পড়ে বলল,এইটা খারাপ না...চলে। একটু আশার আলো দেখলাম। কারন আমি জানি,তপু খুশি করার জন্য কাউকে কিছু বলে না। তবে সেদিন তপু সাবধান করে দিয়ে গেল, কবিতা লিখেছ ভালো কথা ,তবে বেশি লিখো না...খুব বেশি হলে ডজন খানেক...। ওর কথা শুনে ‘শেষের কবিতা’র একটা লাইন মনে পড়ে গেল,কবি মাত্রেরই উচিত একটি নির্দিষ্ট মেয়াদি কবিত্ব করা। যাই হোক,আমি ভেবে দেখলাম আমি যা লিখি সবই তো পরীক্ষামূলক কবিতা,তাই এক-আধখানা বেশি লিখলে ক্ষতি কি। তাই একের পর এক কবিতা প্রসব করে চললাম...। নিজেকে কবি ভাবতেও বেশ ভালোই লাগছিল ! কিন্তু, কিছুদিন আগে আবার তুরস্কের কবি নাজিম হিকমতের একটা লেখা পড়লাম- ‘...কবিরা তো আকাশ থেকে পড়েননি যে তাঁরা  মেঘের রাজ্যে পাখা মেলবার স্বপ্ন দেখবেন;কবিরা হলেন  সমাজের একজন-জীবনের সঙ্গে যুক্ত,জীবনের সংগঠক...’। ভেবে দেখলাম, আমি তো স্বপ্ন দেখি...আকাশে ভেসে বেড়ানোর স্বপ্ন দেখেছি আমার প্রথম পরীক্ষামূলক কবিতা ‘স্বপ্ন’-তে। স্বপ্ন দিয়েই তো আমার জীবনে কবিতার শুরু। আমি স্বপ্ন দেখতে ভীষণ ভালোবাসি।তাই, আমার কবিতাতেও ঘুরে ফিরে আসে স্বপ্নের কথা...স্বপ্ন ভঙ্গের কথা। কিন্তু, আকাশে উড়বার স্বপ্ন দেখলে কি কবি হওয়া যায় না? তবে কি আমি কবি হতে পারবো না কোনদিন?

Re: পৃথিবীর পথে বিপ্রতীপ-২(কবি)

কবিতার মতো তুই গদ্য এতো সুন্দর করে লিখিস যে বড় হলে পড়তে কষ্ট হয় না।

প্রথম কমেন্টটা করতে পেরে আমি ভাগ্যবান মনে করছি।ভালো থাকিস বন্ধু।তোর স্বপ্ন গুলোও আমাদের মাঝে ফেরি করিস সময় পেলে।

Re: পৃথিবীর পথে বিপ্রতীপ-২(কবি)

ধন্যবাদ মানচুমাহারাকে...

Re: পৃথিবীর পথে বিপ্রতীপ-২(কবি)

খুবই ভালো-যদিও বিপ্রতীপ এর লেখা প্রতিটি খুবই ভালো হয়।

নিজে শিক্ষিত হলে হবে না- প্রথমে বিবেকটাকে শিক্ষিত করতে হবে

Re: পৃথিবীর পথে বিপ্রতীপ-২(কবি)

বিপ্র'র গদ্য বয়ানের ভঙ্গিটা এককথায় চমৎকার(y) এক নি:শ্বাসে শেষ করে ফেলা যায়। কবিতা যে কখন এসে হানা দেবে-এটা বলা খুব কঠিন। লিখতে লিখতেই প্রকাশ ভঙ্গি শাণিত হয় বলেই আমি মনে করি...তাছাড়া আমার মনে হ্য়, কাব্য আসলে লেখা হয় নিজের জন্য। অনুভুতিগুলি যখন মাথায় প্রবল আক্রোশে ঘাঁই মারে মুক্তির যুক্তিহীণ ইচ্ছায়, তখন যে যাই বলুক কিছু যায় আসে না..প্রসবপূর্ব বেদনা কি অনন্তকাল সহ্য করার মতো? বিপ্র থেম না কখনও.....

উদাসীন

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: পৃথিবীর পথে বিপ্রতীপ-২(কবি)

ধন্যবাদ উদাসীন এবং আউল...

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন হাঙ্গরিকোডার (২৯-০৪-২০০৭ ২৩:৪২)

Re: পৃথিবীর পথে বিপ্রতীপ-২(কবি)

১ম বার বড় বলে পড়িনি। এখন পড়লাম। চমৎকার লাগল। আমার কয়েকটি অনুভূতির কথা বলি। কারও সাথে না মিললে দু:খিত:
আমি মনে করি কবিতা জিনিসটা চর্চার কোন ব্যাপার নয়। এটা ভেতর থেকেই আসে। চর্চা করে যেটা হয় তা হলো হাত পাকানো। অথ্যাৎ আরও সুগঠিত কবিতা হয় চর্চার মাধ্যমে। ব্যাপারটা দেখুন: আপনার যারা কবিতা লেখেন তারা হয়তো এমন সব শব্দ ব্যবহার করেন যা কখনও পড়েন নি বা দেখেননি। অথচ শব্দগুলোর সঠিক ব্যবহারই করেছেন আপনার কবিতায়। তাহলে এগুলো কোত্থেক এল। ওহী নাজিল হল? না, এটাই হচ্ছে ভেতরকার বিষয়। অবশ্য এ বিষয়টা প্রমানের জন্য মনে হয় কাজী নজরুল ইসলামই যথেষ্ট।

আর যদি কবিতা ভেতর থেকে নাই আসবে তাহলে আমি কেন কবি হতে পারলাম না। কারণ আমার তীব্র অধ্যবসায় ছিল এই কবিতার পেছনে। ক্লাস ৭-১০ এবং ইন্টারমিডিয়েটেও সেই অপচেষ্টা করেছি। কিন্তু পারিনি পাথর সরাতে। বিশ্বাস করুন, আমার মধ্যে একটা কবি মন আছে। আমি যখন মনে মনে চিন্তা করি, তখন খুব সুন্দর সুন্দর শব্দ দিয়ে কবিতা তৈরি হয়। কিন্তু খাতা কলমে লিখতে গেলে সে সব শব্দগুলো আর মাথায় আসে না। তাই সিন্ধান্ত নিলাম আমার কবিত্ব আমার মনেই থাক। তবে এটা আমার জীবনের একটা বড় অতৃপ্তি যে  শব্দগুচ্ছকে আমি আমার বাইরে নিয়ে আসতে পারলাম না।

বিপ্র একটা জিনিস খেয়াল করে দেখুন, আপনার মধ্যে কবিত্ব ছিল বলেই প্রথমে আপনি একটা পূর্ণ কবিতা লিখেছিলেন। হয়তো কাঠামো পরিশীলিত নয় বা শব্দশৈলীও পাকা নয়। কিন্তু চর্চা মাধ্যমেই আপনি সেটাই অর্জন করেছেন কিন্তু কবিত্ব (আবেগ) নয়।

আমার আর একটা বিষয় হলো, সবসময় একটা পূর্ণ কবিতা বা প্যারাগ্রাফ একবারে আমার মাথায় আসে। ক্লাস ৬ বা সেভেন এ থাকতে প্রথম যে ছড়াটা লিখেছিলাম সেটাও একবারেই আমার মাথায় এসেছিল। তাই কোন ছড়া বা কবিতা লিখলে আমার মনে হয়, কোথায় না কোথায় আমি এটি কোন সময় হয়তো পড়েছিলাম যা আমার মস্তিষ্কের কোন কোনায় সংরক্ষিত ছিল। তা না হলে পুরো বিষয়টা একবারেই মাথায় আসবে কেন?? রহস্যের কিনারা করতে পারিনি:(।

যাহোক, অনেক অগোছালো কথাই লিখলাম। আমার প্রথম লেখা ছড়াটা (নাকি এটিও কোথাও পড়েছি কে জানে?) আপনাদের সাথে শেয়ার করার দু:সাহস দেখাচ্ছি।

ভাত খাওয়ার সময় হলে,
আব্বু ডাকে, আম্মু ডাকে
   ডাকে বড় ভাইয়া।
যদি বলি খাবনা ভাত
  অমনি দেয় বকা।
বকা খেয়ে আমি যখন
কাঁদতে শুরু করি,
আম্মু বলে:
কাঁদছ কেন দুষ্ট খোকা মনি?

lol2lol2

[img]http://twitstamp.com/thehungrycoder/standard.png[/img]
what to do?

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন বিপ্রতীপ (৩০-০৪-২০০৭ ০১:১৭)

Re: পৃথিবীর পথে বিপ্রতীপ-২(কবি)

এতো বিশাল বড় মন্তব্যের জন্য হাংরি ভাইকে ধন্যবাদ(y)
আসলে আমার কবিত্বের চেয়ে এই লেখায় আমি খুঁজতে চেষ্টা করেছি আসলে কবিতা কি? আমি এ লেখায় উপলক্ষ্য মাত্র ...। আসলে আমি কবিতা লেখি নিজের আনন্দের জন্য,কবিতা হয় বা না হয় তাতে কিছু যায় আসে না। আপনাদের বন্ধু ভেবে শেয়ার করি...এই যা।
আমি লেখাটা অনেকটা মজার করে লেখার চেষ্টা করেছি। আপনারা সবাই গঠনমূলক সমালোচনা করেছেন দেখে বেশ ভালো লাগলো।
কবি হতে পারি বা না পারি ,আমি কবিতা লিখবো।এবং তা নিজের আনন্দের জন্যে...

Re: পৃথিবীর পথে বিপ্রতীপ-২(কবি)

smileবিপ্রতো কবি হয়ে গেছ।

১০

Re: পৃথিবীর পথে বিপ্রতীপ-২(কবি)

মনি লিখেছেন:

smileবিপ্রতো কবি হয়ে গেছ।

তাই নাকি?:-O

১১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন লুবনা_আফরিন_লতা (৩০-০৪-২০০৭ ১২:২২)

Re: পৃথিবীর পথে বিপ্রতীপ-২(কবি)

হাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:

ওহী নাজিল হল?
-হাঁ এই ভাবেই তো হলোঃ-

ভাত খাওয়ার সময় হলে,
আব্বু ডাকে, আম্মু ডাকে
   ডাকে বড় ভাইয়া।
যদি বলি খাবনা ভাত
  অমনি দেয় বকা।
বকা খেয়ে আমি যখন
কাঁদতে শুরু করি,
আম্মু বলে:
কাঁদছ কেন দুষ্ট খোকা মনি?

lol2lol2 lol2lol2

একটি রাত্রি হলো এবং একটি সকাল হলো, প্রথম দিন।

লুবনা আফরিন।