টপিকঃ পাকিস্থানের বোমা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত!!

ইত্তেফাকের খবরটি দেখুন। একই খবর প্রথম আলোতেও দেখেছি। আমার কাছে যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয় .... অন্ততপক্ষে যাদের পক্ষে এটা করা সম্ভব তাদের কাছে তো এসব নস্যি।

দৈনিক ইত্তেফাক ২৫-সেপ্টেম্বর। মুর্শেদের পরিবর্তক দিয়ে ইউনিকোডে পরিবর্তিত।

ম্যারিয়ট হোটেলে আমেরিকান সৈন্যদের গোপন অপারেশন!

ইসলামাবাদের পাঁচতারকা হোটেল ম্যারিয়টে কে বা কারা আত্মঘাতি ট্রাক বোমা হামলা চালিয়েছে তা একটি গুরুতর প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তানে বোমা হামলা অথবা আত্মঘাতি হামলা নতুন কোনো ঘটনা নয়। তবে শক্তিশালী বিস্ফোরক আরডিএক্সের ব্যবহার সত্যি নতুন। এ পর্যন্ত আল-কায়েদা ও তালেবান জঙ্গিরা কোনো হামলায় আরডিএক্স ব্যবহার করেনি।

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আল-কায়েদাকে অভিযুক্ত করছে। কিন্তু তালেবান অথবা আল-কায়েদা এখনো দায়িত্ব স্বীকার করেনি। পাকিস্তানী তালেবান নেতা বায়তুল্লাহ মেহসুদ বলেছেন, তিনি নিরীহ লোকজনের হত্যাকান্ডকে ঘৃণা করেন। বায়তুল্লাহ মেহসুদের সঙ্গে সম্পর্কিত অপরিচিত একটি সংগঠন ফেদাইন-ই-ইসলাম ঘটনার দায়িত্ব স্বীকার করলেও তাদের দাবি বিশ্বাস করছে খুব লোকই। এ হামলার জন্য মার্কিনীদেরই দায়ী করা হচ্ছে। পাকিস্তানের বহুল প্রচারিত দৈনিক জং-এর একটি খবরে এ দাবি করা হয়।

‘ম্যারিয়ট হোটেলে আমেরিকান সৈন্যদের গোপন অপারেশন’ শিরোনামে এ সংবাদে বলা হয়, গত শনিবার ম্যারিয়ট হোটেলে হামলার সময় সেখানে আমেরিকান মেরিনদের একটি গোপন অপারেশন চলছিল। কেউ এ খবরের সত্যতা স্বীকার না করলেও পারিপার্শি¦কতায় তার সত্যতার প্রমাণ পাওয়া যায়। পাকিস্তান পিপলস পার্টির বেশ ক’জন সদস্য ও তাদের বন্ধু-বান্ধবরা বলছেন, তারা আমেরিকান দূতাবাসে একটি বিশাল সাদা ট্রাক থেকে কয়েকটি স্টিলের বাক্স খালাস করতে দেখেছেন। পরে এসব স্টিলের বাক্স ম্যারিয়ট হোটেলে নিয়ে আসা হয়। যে রাতে মার্কিন জয়েন্ট চীফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান এডমিরাল মাইক মুলেন প্রধানমন্ত্রী ইউসূফ রাজা গিলানি ও অন্যদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন, সে রাতেই এ ঘটনা ঘটে। হোটেলের উভয় গেট বন্ধ করে দেয়া হয় এবং আমেরিকান ছাড়া ওই ট্রাকের কাছে কাউকে যাবার অনুমতি দেয়া হয়নি। হোটেল লবিতে বসানো স্ক্যানার দিয়ে স্টিলের এসব বাক্স না ঢুকিয়ে এগুলো হোটেলের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলায় নিয়ে যাওয়া হয়। পাকিস্তান পিপলস পার্টির পার্লামেন্ট সদস্য ছাড়াও জাতীয় পরিষদের সদস্য মোমতাজ আলম গিলানি তার দুই বন্ধু সাজ্জাদ চৌধুরী ও বাসির নাদিমের সঙ্গে এ অস্বাভাবিক ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন। তারা তার প্রতিবাদও করেন। নাদিয়া রেস্তোরাঁয় একটি ভোজ সভায় যোগদান শেষে তার বন্ধুদের নিয়ে হোটেল ত্যাগের সময় তিনি হোটেলের প্রধান ফটকে আমেরিকান দূতাবাসের সে ট্রাকটি দেখতে পান। হোটেলের কর্মচারীসহ কাউকে কাছাকাছি যেতে দেয়া হয়নি। এমনকি ওইসব বাক্স স্ক্যানারের মধ্যদিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়নি। খোঁজ নিয়ে তারা জানতে পারেন যে, হোটেলের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলায় সন্দেহজনক বাক্স উঠানো হয়েছে। এতে মোমতাজ আলম ও হোটেলের স্টাফরা ক্ষুব্ধ হয়। তবে আমেরিকান মেরিনরা তাদের প্রতিবাদে কর্ণপাত করেনি।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: পাকিস্থানের বোমা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত!!

আল জাজিরাতে প্রকাশিত খবরেরপরের কমেন্টগুলো দেখুন ... সকলেরই সন্দেহ সি.আই.এ-র দিকে।

একজন প্রশ্ন করেছে: গুহাবাসী আলকায়েদার পক্ষে এ্যাত বিষ্ফোরক এবং অর্থ জোগাড় করে দেয় কে? মোটিভ কী?

এই ঘটনায় পাকিস্থানের আভ্যন্তরীন বিষয়ে গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল যুক্তরাষ্ট্রের নাক গলাতে সুবিধা হয়। আর সময়টা দেখুন - ঠিক যেই সময়ে পাকিস্থানের সার্বভৌমত্বকে অবমাননা করে তাদের ভূ-সীমায় অপারেশন চালায় তখন মিডিয়ার দৃষ্টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য এরকম রমরমা খবর খুবই দরকার।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: পাকিস্থানের বোমা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত!!

আমার মোটা মাথায় এই সব প্যাচপুচ ধরে না।:"> তবে এই সব ঘটনার সত্যিকার তদন্ত রিপোর্ট কখনোই প্রকাশ হয় না, এটা বেশ ভাল বুঝি। thumbs_up

রক্তের গ্রুপ AB+

microqatar'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: পাকিস্থানের বোমা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত!!

এজন্যই কথায় আছে আমেরিকা যার বন্ধু তার শত্রুর দরকার হয় না।

Re: পাকিস্থানের বোমা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত!!

ও শালাদের মাটির দোষ যে ক্ষমতায় আসে সেই শালাই বিরাট কিছু বর্তমানে সবখানে নাক গলায়।

Re: পাকিস্থানের বোমা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত!!

আরেকটা ব্লগের লিংক দিয়ে গেলাম। তেমন পড়ার সময় পাইনা দেখে আগে চোখে পড়েনি। hairpull
কারবারটা দেখছেন!

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: পাকিস্থানের বোমা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত!!

লিংক এ ক্লিক করলে নিম্নের মতো পেইজ পাওয়া যায়অ nailbiting
Sorry, the page is not available.
The page you want to access is not available, possibly because:

You need to sign in to Yahoo! Sign-in now. The page might display mature content that you've chosen to block. Edit my settings. The page no longer exists. Go To Yahoo! 360° Home

রক্তের গ্রুপ AB+

microqatar'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: পাকিস্থানের বোমা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত!!

কারা সরালো সেটা বুঝতে পারলাম না। এখন নাই। surprised ব্লগের মালিককে একটু জিজ্ঞেস করে দেখি। বেচারা লন্ডনে থাকে ...

আমার কম্পিউটারের ক্যাশ থেকে খুঁজে পেলাম। সার্চ বটগুলোর দৃষ্টি এড়াতে কিছু জায়গায় বাংলা দিয়ে দিলাম। cool

ম্যারিয়ট Hotel in পাকিস্তান
From কিং ডেভিড হোটল in প্যালেস্টাইন to ম্যারিয়ট হোটেল in পাকিস্তান

পাকিস্তান is being punished for refusing to allow ইউএস military boots on পাকিস্তানি soil, for the bombings in ইন্ডিয়া, for the July 7 attack on the ইন্ডিয়ান embassy in কাবুল, and for the failures of the আমেরিকান military in আফগানিস্থান. The attack is a clear message to the পাকিস্তান ruling elite: We will bring the war to your home. », আহমেদ কুরায়েশি : « ইসলামাবাদ অ্যাটাক: Time To End পাকিস্তানি Role In আমেরিকা's War », 21st Sept 2008.


The inside of ম্যারিয়ট Hotel, ইসলামাবাদ , in flames

General আশফাক পারভেজ কায়ানি gave a stern warning to Washington against any attack on পাকিস্তান soil, and recently gave orders to repel and did repel such an intrusion. In order to end pro-US President জারদারী’s alleged reluctance to endorse the General’s warning to ওয়াশিংটন, on 20th September 2008 , the President, who is also the widower of assassinated বেনজির ভুট্টো, told a joint session of Parliament that : « We will not tolerate the violation of our sovereignty and territorial integrity by any power in the name of combating terrorism ». A few hours later, namely at 20.00 hours on 20 Sept 2008 , the ম্যারিয়ট Hotel was attacked and the US immediately put the blame on Al-Qaida and the ‘পাকিস্তান তালিবান’. Both terms are creations of the মোসাদ-সিআইএ. There is no organisation called Al-Qaida which was the name given by the মোসাদ-সিআইএ to their database of Afghan agents fighting the Soviet occupation. On the other hand, Taliban is a political organisation in আফগানিস্থান like Labour in the UK and লিকুদ in ইসরায়েল-in-প্যালেস্টাইন . There is no political organisation called ‘তালিবান’ in পাকিস্তান , although there are পাকিস্তানিs who may sympathise with the তালিবান. But they are an infirm minority in small groups and not armies as alleged by the US and their Pakistani agents. They have neither sophisticated weapons nor any money to buy them. Those stories are invented by যিওনিস্টs in the ইউএস and ইসরায়েল and repeated ad nauseam in their media in order to make a case to force pro-US President জারদারি to turn his guns on his own people and to attack পাকিস্তান and seize its নিউক্লিয়ার weapons.

The ইন্ডিয়ান connection

The ইউএসUS have allowed ইন্ডিয়া to set up military training camps in আফগানিস্থান, and they are training, arming and financing rebels who are being sent to পাকিস্তান to destabilise the government. ইন্ডিয়া has forged a strategic alliance with ইসরায়েল to perfect ইন্ডিয়া’s methods of occupation of কাশ্মির where all ইন্ডিয়াn atrocities, mass graves of Kashmiris, shootings of civilians and human rights abuses are brushed under the carpet. The মোসাদ, Hamid Karzai and ইন্ডিয়া are fuelling ethnic insurgency in South West পাকিস্তান where চায়না is building a strategic port. In addition, with her nuclear and military deals with the ইউএস , ইন্ডিয়া seems to pay lip service to her diverse peoples with a high risk of further partitions of ইন্ডিয়া . Remember, it was ইন্ডিয়া which financed and armed East পাকিস্তান (now Bangladesh ) to breakaway from then West পাকিস্তান.

    The ম্যারিয়ট attack

    In 1946, through his terrorists dressed up in Palestinian army uniforms, terrorist Menahem Begin, leader of Irgun, bombed the কিং ডেভিড হোটেল, the ব্রিটিশ মিলিটারি command in প্যালেস্টাইন , leading to the break-up of প্যালেস্টাইন to this day. The break-up of পাকিস্থান is on the মোসাদ-সিআইএ agenda. Similarly, the bombing, allegedly by two Sunni men in uniform, of the Holy Shia mosque in Samarra in April 2003, was designed to divide resistance against the terror of US occupation and its allies and eventually divide Iraq . The hotly-disputed and unproven official conspiracy theory is that the 9/11 attacks in the US were the work of Al-Qaida and the Taliban, leading to the invasion of Afghanistan and later Iraq . This is the only way যিওনিস্টs can divide and control the Muslim world.

    Although no group has claimed responsibility for the ম্যারিয়ট attack in Islamabad , the US conspiracy theory is that it is the work of Al-Qaida and the Taliban, again with no proof. But the sequence of events points in a totally different direction, especially as the attack took place only a few hours after President জারদারি’s assurance on the protection of Pakistani sovereignty. In the ম্যারিয়ট attack, CCTV footage shows a truck trying to force its way through the barrier but ‘failed’ to go through as it stopped at the barrier, 60 feet away from the hotel. An explosion took place inside the lorry and security guards tried to put out the fire. But the alleged ‘suicide bombing’ was never shown, and how the deep crater outside the hotel was created was not shown either. But the whole length of the hotel was on fire inside and across all the floors, and this was not caused by the explosion outside as the alleged ‘bomb-laden’ lorry could not make it beyond the gate.

    Reports suggest that Mr. Sadruddin Hashwani, the owner of ম্যারিয়ট, allowed the U.S. military to store military equipment inside the hotel. Mr Hashwani is said to be very close to President জারদারি and co-owners of a hotel in Houston , Texas . While Admiral Mike Mullen was meeting Prime Minister Yousuf Raza Gilani and others in ইসলামাবাদ on 20 Sept 2008, it is reported that steel boxes were being unloaded by US মেরিনs from a US এম্বেসি truck and shifted to the upper floors of the ম্যারিয়ট Hotel by bypassing the scanners. This activity was witnessed by the Pakistan People’s Party (PPP) members such as « মুমতাজ আলাম গিলানি and his two friends, সাজ্জাদ চৌধুরি, a PPP leader, and one বশির নাদিম», says আহমেদ কুরায়েশি.

    It is also very strange and suspicious that, after such a shocking and sophisticated attack, President জারদারি persists in flying to New York on 22 Sept 2008, less than two days following the ম্যারিয়ট attack, to attend a US-controlled General Assembly session where he will meet the US invading President জর্জ বুশ « on the sidelines » who will most probably urge him to sack Pakistan's powerful army chief, Gen. আশফাক পারভেজ কায়ানি who dared sent warning shots against the US in order to protect Pakistan from ইউএস terrorism.

    Conclusion

    « The frequency and intensity of attacks inside পাকিস্তান have exceeded the attacks that U.S. military is facing in আফগানিস্থান », says Ahmad Quraishi. This is clearly part of a plan to force President  জারদারি to turn his guns on his own people and give the US military a foothold inside Pakistan , which পাকিস্তানিs reject. President জারদারি must shed the stigma of being a pro-US leader, and prove to the পাকিস্তানি people that he is a pro-Pakistan leader safeguarding his people and the sovereignty of পাকিস্তান . No one should be allowed to meddle in its internal affairs. পাকিস্তান must defeat the যিওনিস্ট forces of extremism and terrorism operating in পাকিস্তানি . In his article, আহমেদ কুরায়েশি makes it abundantly clear that for this to happen, পাকিস্তান must end its role in America ’s war.

M রফিক সুরমালি
London

    22 September 2008

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন pothik (২৯-০৯-২০০৮ ২০:৪৬)

Re: পাকিস্থানের বোমা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত!!

পাকিস্থানের বোমা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত!!

shameআমি তা মনে করি না ।
পাকিস্তানের উচিত জঙ্গিদের পশ্রয় না দিয়ে ,এখনি জরুরি ভিত্তিতে জঙ্গি দমন করা ।
আর পাকিস্তানের মিডিয়াতো সবসময়ই আলকায়েদাকার প্রতি সহানুভুতিশীল ।
পাকিস্তানের উচিত বাংলাদেশ (জেএমবি দমন) থেকে শিক্ষা গ্রহন করা ।

[img]http://i376.photobucket.com/albums/oo210/jaatri/avatar22.gif[/img]
সময় বয়ে যায় অন্তহীন পথে ..........

১০

Re: পাকিস্থানের বোমা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত!!

দুনিয়ার যত সমস্যা সব তো আমেরিকাই বানায়!!

Marks PC Solution
There is no mistake in the world of technology. Everything is learning!

১১

Re: পাকিস্থানের বোমা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত!!

munnamark লিখেছেন:

দুনিয়ার যত সমস্যা সব তো আমেরিকাই বানায়!!

বর্তমানে তাই

১২

Re: পাকিস্থানের বোমা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত!!

পাকিস্তানের উচিত বাংলাদেশ (জেএমবি দমন) থেকে শিক্ষা গ্রহন করা ।

thumbs_up thumbs_up thumbs_up

never ever back down