সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন Ahsanullah Tutul (০৭-০৪-২০০৭ ১৩:২০)

টপিকঃ পাশাপাশি সত্যতা এবং তদন্ত সাপেক্ষে এদেরও বিচার হওয়া উচিৎ

রাজাকার আলবদর, যুদ্ধ অপরাধী, কালো টাকার মালিক, অবৈধ সম্পদের মালিক, অবৈধ দখলদ্বার, মজুতদ্বার, চোরা কারবারী, উত্তরা ষড়যন্ত্রকারী, সহ সকল অপরাধীর বিচার প্রক্রিয়াধীন- পাশাপাশি  জনতার মঞ্চ ও পান্ডা গার্ডেন ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণকারী আমলাদের তদন্ত সাপেক্ষে বিচার হওয়া  উচিৎ। যা আজ ০৭/০৪/২০০ তারিখে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ আমাকে আকৃষ্ট করেছে, তবে এর সত্যতা কতখানি তা আমি জানিনা তাই হুবহুব পত্রিকার নিউজটিই নিম্নে লিপিব্ধ করলাম-
http://www.daily-dinkal.com/details.php … 2007-04-07
জনতার মঞ্চ ও পান্ডা গার্ডেন ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণকারী আমলারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। এসব বিতর্কিত আমলা বেশ সুখে আছেন বলে জানা গেছে। চারদলীয় ঐক্যজোট সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরের পর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এসে ৩৬১ জন কর্মকর্তাকে গণপদোন্নতি দেন। এদের মধ্যে শতাধিক কর্মকর্তা জনতার মঞ্চ ও পান্ডা গার্ডেন ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। বিতর্কিত এসব কর্মকর্তা পদোন্নতি বাগিয়ে নিয়ে জনপ্রশাসনে এক”ছত্র আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে যা”েছন বলে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে।
গত বছরের ২৪ নবেম্বর রাজধানীর উত্তরায় সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমানের একটি ব্যক্তিগত দাওয়াতে যোগ দেয়ায় শনিবার ১৩ সরকারি কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে। অথচ জনতার মঞ্চ এবং পান্ডা গার্ডেন ষড়যন্ত্রকারীদের তালিকা পত্রিকায় প্রকাশের পরও ওইসব বিতর্কিত কর্মকর্তা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যা”েছন। ২০০১ সালে শতাধিক আমলা যোগ দেয় পান্ডা গার্ডেন ষড়যন্ত্রে আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যখন গোটা দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হ”িছল ঠিক ওই সময় ২০০১ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে জনতার রায় হাইজ্যাক করে আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় বসানোর জন্য স্বার্থান্বেষী কিছু আমলা গোপন বৈঠক করেন মহাখালির পান্ডা গার্ডেনে। ওই গোপন বৈঠকে ১ অক্টোবরের নির্বাচনে জনতার রায়
হাইজ্যাক করে শেখ হাসিনাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী পদে বসানোর নীলনকশা প্রণয়ন করা হয়। সে সময় এ চক্রান্তকে ‘পান্ডা গার্ডেন’ ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করা হয়। জাতীয় দৈনিকগুলোতে এ ষড়যন্ত্র নিয়ে রিপোর্টও ছাপা হয়েছিল। ’৯৬ সালে আওয়ামী লীগের জনতার মঞ্চে যে সব আমলা যোগ দিয়েছিলেন কিংবা গোপন সংগঠক হিসেবে কাজ করেছিলেন তাদের অনেকেই পাণ্ডা গার্ডেন ষড়যন্ত্রে অংশ নেন। ২০০১ সালের ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত এ গোপন বৈঠকে নেতৃত্ব দেন সাবেক পিএসসি সদস্য সিরাজ উদ্দিন আহমেদ ও সাবেক সচিব রাশিদুল হাসান। এ গোপন বৈঠকে অংশ নেন শতাধিক আমলা। এদের মধ্যে ৫৬ জনের নাম জানা গেছে। এ ৫৬ জনের মধ্যে ১২ জন অবসর গ্রহণ করলেও অন্যরা এখনও সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি করছেন। পান্ডা গার্ডেনে গোপন বৈঠকে অংশ নেয়া কর্মকর্তারা হলেন ডিবি পুলিশের সাবেক ডিসি বি করিম, সাবেক অর্থ উপসচিব ড. মুজিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম সচিব আবু তাহের, অবসরে যাওয়া উপ-সচিব খান মো. বেলায়েত, সাবেক উপ-সচিব শৈলেন সাহা, সাবেক যুগ্ম সচিব মাহাবুবুল আলম, তরিৎ কান্তি রায় চৌধুরী। এ ছাড়াও বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি করছেন এমন ৪৫ জন সরকারি অফিসারও সেদিন জনতার রায় পাল্টে দেয়ার জন্য পান্ডা গার্ডেন ষড়যন্ত্রে অংশ নেন। তারা হলেন, বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর সচিবালয়ে বিশৃংখলা সৃষ্টির জন্য আওয়ামীপš’ী কিছু আমলাকে নিয়ে সং¯’াপন সচিবের কক্ষে গিয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণকারী সিনিয়র সহকারী সচিব আবু আলম শহিদ খান, সিলেট জেলা পরিষদের সিইও মিজানুর রহমান, উপসচিব আবুল কালাম আজাদ, উপসচিব মোশাররফ হোসেন (৮৫ ব্যাচ), যুগ্ম সচিব আলী কবির, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পিএস রবিউল আউয়াল মুক্তাদির চৌধুরী, বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার এপিএস ড. আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, সিনিয়র সহকারী সচিব ইব্রাহিম হোসেন খান, সিনিয়র সহকারী সচিব ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্নার স্ত্রী আইরিন পারভীন বাঁধন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সিইও ইমতিয়াজ হোসেন, উপসচিব এনামুল হক (ব্যাচ-৮৫), আব্দুল্লাহ মহসিন চৌধুরী (ব্যাচ-৮৫), নতুন উপসচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ও উপসচিব (ওএসডি) আব্দুল মালেক, ’৮২-র বিশেষ ব্যাচের উজ্জল বিকাশ দত্ত, যুগ্ম সচিব ভূঁইয়া শফিকুল ইসলাম, ইকবাল খান চৌধুরী, শফিক আলম মেহেদী, তেজগাঁও সার্কেলের সাবেক এসি ল্যান্ড মেজবাহ, উপসচিব ইয়াহিয়া চৌধুরী, সিনিয়র সহকারী সচিব অমিত কুমার বাউল, আকরাম হোসেন (ব্যাচ-৮৫), উপসচিব শ্যামল কুমার ঘোষ, মশিউর রহমান (ব্যাচ-৮৫), উপসচিব আবুল কালাম আজাদ (ব্যাচ-৮২), মোশতাক আহমেদ (ব্যাচ-৮২), রমজান আলী (ব্যাচ-৮৫), বাবুল চৌধুরী, খোরশেদ আলম (বিশেষ ব্যাচ-৮২), আব্দুল মান্নান, সিনিয়র সহকারী সচিব ইয়াকুব আলী পাটোয়ারী, উপসচিব গোলাম রব্বানী, উপসচিব শাহ মো. এমদাদ, মাইনুদ্দীন আবদুল্লাহ (বিশেষ ব্যাচ-৮২), সিনিয়র সহকারী সচিব সোহরাব হোসেন, খন্দকার রাকিবুর রহমান (ব্যাচ-৮৪), হাসিবুল আলম (ব্যাচ-৮৬), শামসুল আরেফিন (ব্যাচ-৮৬), গোলাম মোস্তফা খান (ব্যাচ-৮৬), এডিসি আরিফুর রহমান অপু, প্রাক্তন এলএ ও মো. ইউসুফ উপসচিব মো. হাবিবুর রহমান এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রেবেকা সুলতানা।পান্ডা গার্ডেনের ওই গোপন বৈঠকে উপ¯ি’ত থাকার জন্য তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি লতিফুর রহমান তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা আকবর আলী খানকে ডেকে এনে এদের বিরুদ্ধে ব্যব¯’া নেয়ার নির্দেশ দেন। আকবর আলী খান তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যব¯’া তো নেননি উল্টো ওই সরকারি কর্মকর্তারা সামাজিক অনুষ্ঠানে গেছে বলে সাফাই গান। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের চাপে শেষ পর্যন্ত অভিযুক্ত সরকারি কর্মকর্তাদের আকবর আলী খান ডেকে এনে সতর্ক করে দেন। বাহাউদ্দিনের নেতৃত্বে গুলশানে গোপন বৈঠক গত বছর ৮ ডিসেম্বর রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান-২ নম্বরের ৪৭/৪৮ রোডের ১০/বি বাড়িতে কয়েকজন সচিব, ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক গোপন বৈঠকে মিলিত হন। ৯ ডিসেম্বর দৈনিক দিনকালসহ বিভিন্ন পত্রিকায় এ গোপন বৈঠকের সচিত্র প্রতিবেদন ছাপা হয়। যে বাড়িতে ওই বৈঠক হয় সে বাড়িতেই ওই সময় তৎকালীন তথ্য উপদেষ্টা মাহবুবুল আলমও উপ¯ি’ত ছিলেন বলে পত্রিকায় খবর বের হয়েছিল। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের জানান যে, ভাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। সন্ধ্যা ৭টার পর সাংবাদিকরা খবর পান গুলশানের ঐ বাড়িতে রাজনৈতিক বিষয়ে একটি গোপন বৈঠক হ”েছ। খবর পেয়ে সাংবাদিকরা বাড়ির সামনে জড়ো হন। এ সময় বাড়ির ৪ তলার বারান্দা থেকে ৭/৮ জন লোক সাংবাদিকদের ফলো করে। সাংবাদিকরা বাড়ির বাইরে একটি সাদা ল্যান্ড ক্রুজার (ঢাকা মেট্রো ঘ-১১-৭৬৭৬) ও একটি প্রাইভেট কার (ঢাকা ঘ-১১-৯০১১) দেখতে পান। প্রাইভেট কার চালক গাড়িটি বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের এডিশনাল সেক্রেটারি শাহজান সাহেবের বলে জানান।  খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায়, গুলশান ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণকারীদের অধিকাংশই ছিলেন ২০০১ সালের পান্ডা গার্ডেনের গোপন বৈঠকে অংশগ্রহণকারী। এছাড়াও শেখ হাসিনার ক’জন একান্ত কর্মকর্তা, ’৮২-এর বিশেষ এবং ’৮৪ ব্যাচের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা উপ¯ি’ত ছিলেন। 

সূত্র : ০৭/০৪/২০০৭, http://www.daily-dinkal.com/

"We want Justice for Adnan Tasin"

Re: পাশাপাশি সত্যতা এবং তদন্ত সাপেক্ষে এদেরও বিচার হওয়া উচিৎ

এই খবর যতই সঠিক হোক না কেন কেউ আমলে নিবে না কারন পত্রিকাটি নিতান্তই বি.এন.পি.'র দলীয় মুখপাত্র, অনেকটা জনকন্ঠ যেমন আওয়ামী লীগের।

আম একজন শিক্ষিত মানুষ, তাই আমার স্বীকার করতে সমস্যা নাই আমি একজন বি.এন.পি.'র সমর্থক। যে বি.এন.পি. জিয়া গড়েছিলেন। আমার দ্বিধা নাই তারেক যা করেছে, হুদা যা করেছে এবং বি.এন.পি.'র সকল দুর্নিতির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতে।

কিন্তু দু:খ লাগে যখন দেখি অধিকাংশ প্রথম সারীর পত্রিকাই বি.এন.পি.'র সমালোচনা করতেই প্রচন্ড উৎসাহী ।

কই, হাসিনার আমলের সেনা অভ্যুথ্যানের ব্যর্থ চেষ্টার কথা তো হয় না, হয় না মিগ-২৯ আর ফ্রিগেট কেনার দূর্নিতি নিয়েও।

শেয়ার কেলেঙ্কারিতে কত লোক পথে বসার পর তৎকালীন সব-শ্রেনীতে-প্রথম-হওয়া অর্থমন্ত্রীর সরল স্বীকারোক্তি ছিল,"আমি শেয়ার বাজার ততটা বুঝি না"।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বিশাল জমি নাম মাত্র মুল্যে সিঙ্গাপুর বেইজড এক হোটেল কম্পানীকে লীজ দেয়া হয়েছিল যার শেয়ার ছিল তৎকালীন মন্ত্রীর ছেলের। যদিও মীর নাছির মহোদয় প্রথমে খুব হম্বি-তম্বী করে নিজের শেয়ার আদায় করে চুপ মারেন।

আপনারা কি জানেন শান্তি চুক্তি অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে কোন বাঙালি জমি কিনতে পারবে না শান্তি কমিটির অনুমোদন ছাড়া, এটা কি আমার সংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন নয়? এমনকি আপনার জমি না থাকলে ভোটার হতে পারবেন না যা সংবিধান বিরোধী।

প্রায় ৩০ হাজার বাঙ্গালী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং ১২ হাজার উপজাতি গ্রামবাসী নিহত হয়েছে জন সংহতি সমিতির সশস্ত্র ক্যাডারের হাতে ১৯৭৪ হতে ২০০৫ সালে। সেই তুলনায় বাংলা ভাই তো নস্যি ! এদের বিচার কে করবে ?(সুত্র:http://civillibertarian.blogspot.com/2006/08/peace-in-chittagong-hill-tracts-of.html ,http://groups.google.com.bd/group/soc.culture.bangladesh/browse_frm/thread/6d6a3870480ce5d4/b448d1242c506423?lnk=st&q=Bangladesh+Chittagong+Hill+Tracts+Peace+Accord+terms&rnum=4&hl=bn#b448d1242c506423)

যাহোক খুজলে এমন অনেক পাওয়া যাবে। আসলে তারেক বি.এন.পি. কে ডুবিয়েছে, এমনই যে গত ৫ বছরের হিসাব করেই শেষ করা কষ্ট, আর এখন আওয়ামি লীগের টা টানতে গেলে মনে করতে পারে শুধু শুধু হয়রানি অথবা ইচ্ছা করে করছে ড. ইউনুস কে ক্ষমতায় নেয়ার জন্য.. মিডিয়া তো তেমনই।

# এগুলো আমার ব্যাক্তিগত মতের প্রকাশ মাত্র। আমি কাউকে এটা সমর্থন করতে আহ্বান জানাচ্ছি না।

“All our dreams can come true if we have the courage to pursue them.” - Walt Disney
http://www.amanpages.com/