সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আউল (১৩-০৯-২০২১ ১৩:০০)

টপিকঃ গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা কি? কিভাবে এই ব্যবসা শুরু করবেন?

http://www.industriall-union.org/sites/default/files/styles/article_top_image_w1440/public/uploads/images/Global-Worker/2020-2/messyclothes.jpg?itok=ZVRjisa3



গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা সম্পর্কে অনেকেই জানতে চান। তাদের জানার আগ্রহের কারণ হচ্ছে তারা শুধু শুনেই থাকেন যে গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা একটি লাভজনক ব্যবসা। এই ব্যবসা করে অনেকেই প্রচুর আয় করছে। কিন্তু এই ব্যবসা কি এবং কিভাবে এই ব্যবসা শুরু করতে হয় সেই ধারণা না থাকার কারণে স্টক লট ব্যবসায় তারা নামতে পারছেন না।

স্টক লট ব্যবসাটি যথেষ্ট লাভজনক ব্যবসা তা ঠিক আছে কিন্তু এই ব্যবসা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং কারণ এসব কাপড় যেহেতু গার্মেন্টস রিজেক্ট মাল বা কিছুটা কম মানসম্পন্ন তাই অনেক সময় কিছু খুঁত থাকে। এই খুঁত থাকার কারণে স্টক লট বায়াররা মাঝে মাঝে তাদের পণ্য বিক্রি করতে সমস্যায় পড়েন। তবে আপনি যদি আপনার এলাকার মার্কেট খুব ভালভাবে জেনে বুঝে সেই অনুযায়ী দেখে স্টক লট ক্রয় করতে পারেন তাহলে আপনি সফল হবেন।

গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা কি

আমরা সবাই জানি আমাদের দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হচ্ছে তৈরি পোশাক। আমাদের মোট রপ্তানির ৯০ ভাগের বেশি রপ্তানি আয় হয় পোশাক রপ্তানি থেকে। এই পোশাক রপ্তানি করতে গিয়ে অনেক সময় পোশাক আমদানিকারকরা বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে তাদের অর্ডার বাতিল করে দেয় তখন যেসব কাপড় গার্মেন্টসে স্টক হয়ে থাকে তখন গার্মেন্টস সেগুলোকে লট আকারে বিক্রি করে বলে একে গার্মেন্টস স্টক লট বলে। বিভিন্ন কারণে এসব পোশাকের অর্ডার বাতিল হতে পারে। যেমন –

গার্মেন্টস বায়ারের অর্ডার অনুযায়ী কাপড়ের কোয়ালিটি কম হয়েছে

সঠিক সময়ে পণ্য জাহাজিকরণ করতে না পারা

এলসি সমস্যা ইত্যাদি

এসব কারণে যখন গার্মেন্টস লটের সৃষ্টি হয় তখন গার্মেন্টসগুলো সেসব লট বিভিন্ন স্টক লট বায়ারদের কাছে বিক্রি করে দেয়। স্টক লট বায়াররা অনেক কম দামে এসব স্টক লট কিনে নিয়ে যায়।

স্টক লটের ধরণ

যারা গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা শুরু করতে চান তারা সাধারণ এই বিষয়ে জানতে চান কারণ এখানে তাদের মনে অনেক শঙ্কা কাজ করে। অনেকেই কোয়ালিটির কথা চিন্তা করেন। এসব চিন্তার কারণ হচ্ছে তারা মনে করেন গার্মেন্টস লট কাপড় মানেই মানহীন কাপড়। কিন্তু ব্যাপারটা এমন নয়। এখানে অনেক মানসম্পন্ন কাপড় পাওয়া যায়। গার্মেন্টস স্টক লট বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে, যেমন –

অতিরিক্ত পোশাক

কোয়ালিটি নিয়ন্ত্রক কর্তৃক বাতিলকৃত পোশাক

অসম্পূর্ণ পোশাক

গার্মেন্টস বায়ার কর্তৃক বাতিলকৃত পোশাক

অতিরিক্ত পোশাক যখন একটি গার্মেন্টস কারখানা ক্রেতার কাছ থেকে ফরমায়েশ পায় তখন যে পরিমাণ ফরমায়েশ পায় তার চেয়ে কিছু বেশি পোশাক তৈরি করে। এর কারণ হচ্ছে যদি কোন কারণে কিছু কাপড় নষ্ট হয়ে যায় তখন যাতে অতিরিক্ত কাপড়গুলো দিয়ে সেই সমস্যা সমাধান করা যায়। সেসব পণ্য যখন আর দরকার হয় না তখন স্টক লট হিসেবে তারা বিক্রি করে দেয়। এসব স্টকের মূল্য একটু বেশি হয়। কারণ এগুলোতে খুঁত থাকে না। আপনি ভাল ভাল শোরুমে এসব কাপড় বিক্রি করতে পারবেন।
কোয়ালিটি নিয়ন্ত্রক কর্তৃক বাতিলকৃত  পোশাক কিছু পণ্য আছে যেগুলো তৈরি করার পর কোয়ালিটি নিয়ন্ত্রক সেগুলো মানসম্পন্ন হয় নাই বলে বাতিল করে দেয়। সেসব পণ্য পরবর্তীতে গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ স্টক লট হিসেবে স্টক লট বায়ারের কাছে বিক্রি করে দেয়।


অসম্পূর্ণ পোশাক কিছু পোশাক আছে যেগুলো ফেব্রিক্স সমস্যাসহ বিভিন্ন অসঙ্গতি থাকে। কোন পোশাকে বোতামে সমস্যা কোন পোশাকে পকেট বা কলারে সমস্যা। এসব কারণে সেসব পোশাক আর বিদেশি বায়ারদের কাছে বিক্রি করা হয় না। সেগুলো স্টক লট হিসেবে বিক্রি করে দেওয়া হয়। যারা একেবারে প্রান্তিক মানুষ কম দামে কাপড় কিনতে চায় তাদের কাছে এসব পোশাক বিক্রি করতে পারবেন।।

গার্মেন্টস বায়ার কর্তৃক বাতিলকৃত পোশাক উপরেই কারণগুলো বললাম কেন গার্মেন্টস বায়ার অর্ডার বাতিল করে দেয়। এসব বাতিল হয়ে যাওয়া পোশাক যখন বেশি পরিমাণে জমে যায় তখন স্টক লট ক্রেতাদের কাছে গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ বিক্রি করে দেয়।

গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা কেন করবেন

গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা শুরু করার আগে আপনার মনে এই প্রশ্ন আসতেই পারে। একটি ব্যবসা আপনি শুরু করবেন কিন্তু সেই ব্যবসাটি কেন শুরু করবেন তার কিছু যোক্তিক কারণ থাকতে হবে। সেই ব্যবসার বাজার সম্ভাবনা থাকতে হবে।

আসলে গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা যদি আপনি করতে চান তাহলে আমি বলব আপনি নিশ্চিন্তে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। কারণ বর্তমানে দামী কাপড়ের চেয়ে কম দামী কাপড় বেশি বিক্রি হয়। কারণ কম দামী কাপড়ের ক্রেতার সংখ্যা অনেক অনেক বেশি। আপনি যদি ঢাকার নিউমার্কেট, গুলিস্তান, মিরপুর ১০ নাম্বার গোলচক্কর যান তাহলেই আমার কথার প্রমাণ পেয়ে যাবেন। দেখবেন সুন্দর সুন্দর কাপড়ের শোরুমগুলোর ভেতর যে পরিমাণ ভিড় তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভিড় থাকে ফুতপাতে থাকা কাপড়ের ছোট ছোট দোকানগুলোতে

আপনি যদি চট্টগ্রাম যান তাহলে দেখতে পাবেন সেখানকার শপিং সেন্টারের তুলনায় হকার্স মার্কেটে গ্রাহকের সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি।

আর মফস্বল এলাকার ক্রেতাদের একটা বড় অংশই কম মূল্যে পোশাক ক্রয় করতে পছন্দ করে। কারণ মানুষের আয়ের সাথে সংগতি রেখেই তাদেরকে খরচ করতে হয়।

এসব কমদামি কাপড়ের একটা বড় অংশই হচ্ছে স্টক লটের কাপড়। স্টক লট বায়াররা এসব কাপড় গার্মেন্টস থেকে কিনে নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে থাকে।

স্টক লট কোথায় পাবেন
বিভিন্ন যায়গায় আপনি স্টক লট পাবেন। যেমন-

গার্মেন্টস

বায়িং হাউজ

পাইকারি মার্কেট

গার্মেন্টস লটের জন্য সবচেয়ে জমজমাট যায়গা হচ্ছে আশুলিয়ার বাঘাবাড়ি এবং গাজীপুরের কোনাবাড়ি। এসব এলাকায় প্রচুর গার্মেন্টস আছে তাই স্টক লটের জন্য এসব এলাকা প্রসিদ্ধ। এছাড়া এসব এলাকায় আপনি অনেক দোকান পাবেন যেগুলোতে স্টক লটের কাপড় বিক্রি করা হয়।

গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা শুরু করতে কেমন পুঁজি লাগবে

গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা শুরু করার জন্য কেমন পুঁজি লাগবে তা আপনার ব্যবসার পরিধির উপর নির্ভর করবে। আপনি যদি এমন ব্যবসা করেন যেখানে কারখানা থেকে পোশাক কিনে সরাসরি থার্ড পার্টির কাছে বিক্রি করে দেন তাহলে আপনার ১ থেকে ২ লাখ টাকা হলেই যথেষ্ট। আপনার পোশাক কেনা এবং তার পরিবহণ খরচ বহন করতে পারলেই হলো।
আপনি যদি একটি দোকান নিয়ে স্টক লটের পাইকারি ব্যবসা করেন তাহলে আপনাকে একটি দোকান নিতে হবে। যদি গাজীপুর বা আশুলিয়াতে দোকান নিতে চান তাহলে আপনাকে কয়েক লাখ টাকা অগ্রিম দিতে হবে। কারণ এসব এলাকায় দোকানের চাহিদা অনেক বেশি।


আপনি যদি আপনার এলাকায় স্টক লটের ব্যবসা করতে চান তাহলে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা লাগবে। কিছু এলাকায় আরও বেশি কিছু লাগতে পারে। কারণ কিছু এলাকায় দোকান ভাড়া অনেক বেশি। কর্মচারীর বেতন এবং দোকান সাজসজ্জার খরচও অনেক বেশি।
তবে আপনি যদি অনলাইনে স্টক লটের ব্যবসা করতে চান তাহলে অনেক কম খরচে একটি গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। আপনাকে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। সেখানে আপনি সকল পণ্য ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্রদর্শন করবেন। তারপর ক্রেতারা আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পণ্যের অর্ডার করবে আর আপনি বিক্রি করবেন। এটা তখন একটা ই-কমার্স ব্যবসা হয়ে যাবে।

স্টক লট ব্যবসায় আপনাকে যেসব সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে

গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে। এসব সমস্যা আপনাকে দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করতে হবে। এসব সমস্যার মধ্যে রয়েছে –

১. পোশাকের কোয়ালিটি নিয়ে সমস্যা থাকবে। অনেক পোশাকেই কিছু ছেঁড়া বা সেলাইয়ের সমস্যা থাকতে পারে।

২. অনেক সময় দেখা যায় দোকানে আনার কিছুদিন পর কিছু কাপড়ের সেলাই খুলে যায়। তখন আপনাকে সেলাইয়ের পেছনে কিছু ব্যয় করতে হতে পারে।


৩. কিছু কাপড় আছে যেগুলোর কিছুদিন পর রঙ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এর ফলে সেই পোশাক হয় আপনাকে কম দামে বিক্রি করতে হবে নাহলে সেগুলো বিক্রি করাই আপনার জন্য কঠিন হয়ে যাবে।

৪. অনেক দোকান মালিক আপনার কাছ থেকে এসব কাপড় বাকিতে নিতে চাইবে। কিন্তু বেশিরভাগ সময় দেখা যায় দোকানিরা বিক্রি না হওয়ার অজুহাতে পোশাকের দাম দিতে গড়িমসি করে থাকে।

গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা কেমন লাভজনক

গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা অনেক লাভভজনক একটি ব্যবসা।আপনি গোল গলার একটি টিশার্ট ৩০-৫০ টাকা দিয়ে কিনতে পারবেন সেই টিশার্ট আপনি ১০০ থেকে ১২০ টাকা অনায়াসে বিক্রি করতে পারবেন। কলারসহ টিশার্ট ১০০ থেকে ১২০ টাকায় কিনতে পারবেন যা মার্কেটে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করা যায়।

একটি জিন্স প্যান্ট আপনি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় কিনতে পারবেন সেটা আপনি ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন।

একটি শার্ট ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় কিনতে পারবেন যা আপনি মার্কেটে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন।

আপনি যত বেশি পোশাক বিক্রি করতে পারবেন তত বেশি আপনার লাভ। তবে কিছু পোশাক বিক্রি করতে সমস্যা হলে একটু কম দামে বিক্রি করে দিবেন তারপর অন্য পোশাক বিক্রি করে তার ক্ষতি পুষিয়ে নিবেন।

স্টক লট ব্যবসা করতে হলে যেসব বিষয়ে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে

গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসা শুরু করতে চাইলে আপনাকে অনেক বিষয়েই সতর্ক থাকতে হবে। যেমন –

মার্কেটের চাহিদা এই ব্যবসা শুরু করার আগেই আপনাকে স্থানীয় মার্কেটের চাহিদা সম্পর্কে জানতে হবে। আপনি যে এলাকায় স্টক লটের পোশাক বিক্রি করবেন সেখানকার ক্রেতারা কোন ধরণের পোশাক ক্রয় করে থাকে সেসব বিষয় সম্পর্কে আপনার অবশ্যই জানতে হবে। আপনাকে বিভিন্ন দোকান মালিক এবং ক্রেতাদের সাথে কথা বলতে হবে।মার্কেটে ভাল চলে এমন পোশাক কিনতে হবে।

পোশাকের কোয়ালিটি  পোশাকের কোয়ালিটি একটা বড় ফ্যাক্টর। আপনি এমন পোশাক আনলেন দেখা গেল বেশিরভাগেরই বিভিন্ন সমস্যা আছে তাহলে আপনি লসে পড়তে পারেন। তাই একজন স্টক লট বায়ার হিসেবে আপনি যখন স্টক লট কিনতে যাবেন তখন আপনাকে ভালভাবে চেক করে লট কিনতে হবে। যদি সম্ভব হয় এসব পণ্য কেনার ব্যাপারে অভিজ্ঞতা আছে এমন কাউকে সাথে নিয়ে যাবেন।

বাকিতে বিক্রি স্টক লট ব্যবসায় এটা একটা বড় ধরণের সমস্যা। অনেক ব্যবসায়ী আপনার কাছ থেকে বাকিতে পোশাক নিয়ে পোশাকের দাম দিতে অনেক দেরি করবে। এর ফলে আপনার নতুন পোশাকের অর্ডার করতে সমস্যা হবে। তাই সহজে বাকিতে পোশাক দিবেন না আর দিলেও এমন ব্যবসায়ীকে দিবেন যারা টাকা দিতে গড়িমসি করবে না।

পোশাকের দাম স্টক লট ক্রয় করার সময় অবশ্যই আপনাকে পোশাকের দামের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। এমন দাম দিয়ে অবশ্যই কিনবেন না যে দামে আপনি কিনে যাতায়াত খরচ দিয়ে নিজের এলাকায় নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে পোষাতে পারবেন না। এজন্য আগেই এসব পোশাকের দামের ব্যাপারে একটা ভাল ধারণা নিয়ে তারপর স্টক লট কিনতে যাবেন।

প্রতারক থেকে সাবধান অনেক সময় দেখা যায় পোশাকের স্যাম্পল একটা দেখিয়ে প্যাকেটের ভেতর অন্য পোশাক দিয়ে দেয়। এটা বেশি হয় যখন আপনি গার্মেন্টসে না গিয়ে অন্য কোন মাধ্যম ব্যবহার করে কিনবেন তখন। তাই আপনি যখন স্টক লট কিনতে যাবেন তখন আপনাকে ভাল করে চেক করে তারপর পোশাক কিনতে হবে। স্যাম্পলের সাথে প্যাকেটের ভেতরের কাপড় ঠিক আছে কিনা তা ভাল করে দেখে নিবেন।

প্রথম দিকে কম পরিমাণে কিনুন প্রথম দিকে অবশ্যই বেশি পরিমাণে ক্রয় করবেন না। কারণ আপনি যদি বেশি পরিমাণে কিনে ফেলেন আর যদি সেভাবে বিক্রি করতে না পারেন তাহলে আপনি বড় ধরণের ক্ষতির শিকার হবেন। সবচেয়ে ভাল হয় আপনি যদি কিছু বায়ার মেনেজ করতে পারেন। তাহলে তাদের কাছ থেকে চাহিদা জেনে সে অনুযায়ী লট কিনতে পারবেন। আর নিজের দোকানে বিক্রি করলে আপনার দোকানের বিক্রির পরিমান হিসাব করে লট কিনুন।

https://www.sahas24bd.com/?p=958

"We want Justice for Adnan Tasin"