সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আউল (১২-০৯-২০২১ ১২:১৭)

টপিকঃ হারিয়ে যাচ্ছে ঢেঁকি

https://media.priyo.com/img/700x/https://www.jugantor.com/assets/news_photos/2021/09/12/image-464018-1631399289.jpg

একসময় গ্রামগঞ্জে ধান ভানা, চাল তৈরি, গুঁড়ি কোটা, চিড়া তৈরি, মশলাপাতি ভাঙানোসহ বিভিন্ন কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হতো ঢেঁকি। অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে কৃষক ধান কাটার সঙ্গে সঙ্গে কৃষানিদের ঘরে ধান থেকে নতুন চাল ও চালের গুঁড়া করার ধুম পড়ে যেত। সে চাল দিয়ে পিঠা-পুলি, ফিরনি-পায়েস তৈরি করা হতো। ঢেঁকি বড় কাঠের গুঁড়ি দিয়ে তৈরি। লম্বায় অন্তত ছয় ফুটের মতো। এর অগ্রভাগে দেড় ফুট লম্বা মনাই। মনাইয়ের মাথায় পরানো লোহার রিং। চুরন বারবার যেখানে আঘাত করে, নিচের সেই অংশটুকুর নাম গর। সেটিও কাঠের তৈরি। ঢেঁকিতে ধান বা চাল মাড়াই করতে কমপক্ষে তিনজন মানুষের প্রয়োজন হয়। পেছনের লেজবিশিষ্ট চ্যাপ্টা অংশে এক বা দুজন পা দিয়ে তালে তালে চাপ দিলে মনাই সজোরে গরের ভেতর ধান বা চালের ওপর আঘাত করে। তবে মনাই ওঠানামার ছান্দিক তালে তালে আরও একজন নারী ধান-চাল মাড়াই করতে সাহায্য করে। ঢেঁকিতে পাড় দেওয়া আর আলি দেওয়ার মধ্যে সঠিক সমন্বয় না থাকলে ঘটতে পারে ছন্দপতন।

কালের বিবর্তনে পঞ্চগড়ে দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম-গঞ্জের গৃহস্থলী কাজে ব্যবহৃত এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি।

"We want Justice for Adnan Tasin"