সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আউল (০৫-০৬-২০২১ ১৪:১১)

টপিকঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে জীবিত মানুষ মৃত, বয়স্ক ভাতা বন্ধ

এই সব দেখার কেউ নেই !
থাকেলে তারা কি অন্ধ নাকি ?


পাবনার সুজানগরের শতবর্ষী ব্যক্তিকে জাতীয় পরিচয়পত্রে মৃত দেখানো হয়েছে৷ আর তাই জীবিত থেকেও তিনি এখন বয়ষ্ক ভাতা থেকে বঞ্চিত৷


লোকমান হোসেন মন্ডল সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের গুপিনপুর গ্রামের উজির মন্ডলের ছেলে৷ জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী তার জন্ম ১৯১৭ সালের ১৮ অগাস্টে৷ গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বয়ষ্ক ভাতা পেয়েছেন এই প্রবীণ৷ তারপর থেকে তার ভাতা বন্ধ হয়ে যায়৷

এমন ঘটনা আরো অনেকের ক্ষেত্রেও ঘটেছে বলে ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান সুজানগর সমাজসেবা অফিসের ইউনিয়ন সমন্বয়কারী নূরে শাহরিন নূরে শাহরিন৷ এদিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে সুজানগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান বলেন, নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকার সার্ভারে লোকমান হোসেন মন্ডলের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে অনুসন্ধান করলে তাকে পাওয়া যায়নি৷ অর্থাৎ, তাকে মৃত দেখানো হয়েছে৷ এজন্য তার বয়স্ক ভাতাও বন্ধ করা হয়েছে৷

বয়সের ভারে নুয়ে পড়া লোকমান হোসেন বলেন,"আমি জীবিত থাকতে কীভাবে মৃত দেখানো হলো? কারা এমনটি করলেন কিছুই জানি না ৷'' ভাতা বন্ধের পর লোকমান হোসেন ইউনিয়ন পরিষদে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন এনআইডিতে কাগজে-কলমে তিনি আর জীবিত নন৷ উপজেলা নির্বাচন অফিসসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেও এখনো তিনি নথি সংশোধন করাতে পারেননি৷

কৃষক লোকমানের চার মেয়ে ও তিন ছেলে৷ স্ত্রী মারা গেছেন৷ মেয়েরা নিজেদের সংসার করছে৷ এক সময় তিন ছেলের সাথেই থাকতেন লোকমান হোসেন৷ বছর দুয়েক আগে তার এক ছেলে রুকা হোসেন মারা যান৷ ছেলের মৃত্যুর পর বাবা পুত্রবধু ও নাতনীর সাথেই থাকেন বলে জানান আরেক ছেলে ইব্রাহিম হোসেন৷

dw

"We want Justice for Adnan Tasin"