টপিকঃ বাংলা বাগধারা-প্রবাদ-প্রবচনে চাঁদ

চাঁদ নিয়ে বাংলা বাগধারা-প্রবাদ-প্রবচনের খোঁজ করতে গিয়ে দেখতে পেলাম তাদের সংখ্যা নেহায়েত কম না।
এদের অনেকগুলি আবার একই রকম, একই অর্থ বহনকারী। শুধু এক বা একাধিক শব্দের ভিন্নতা আছে।

https://i.imgur.com/sYd4hhdh.jpg

বাগধারা : কোন শব্দ বা শব্দ-সমষ্টি বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে অর্থের দিক দিয়ে যখন বৈশিষ্ট্যময় হয়ে ওঠে, তখন সে সকল শব্দ বা শব্দ-সমষ্টিকে বাগধারা বা বাক্যরীতি বলা হয় ।

প্রবাদ-প্রবচন : অনেকদিন ধরে লোকমুখে প্রচলিত জনপ্রিয় উক্তি যার মধ্যে সরলভাবে জীবনের কোনো গভীরতর সত্য প্রকাশ পায় সেগুলো প্রবাদ বা প্রবচন নামে অভিহিত হয়ে থাকে।

তাহলে দেখে নেই চাঁদ নিয়ে বাংলা বাগধারা-প্রবাদ-প্রবচন গুলি।

১    :        চাঁদের কলঙ্ক

২    :        চাঁদে কলঙ্ক আছে, গোলাপে কণ্টক।

৩    :        কাঁটা বিনা কমল নাই, কলঙ্ক বিনা চাঁদ নাই।

৪    :        চাঁদের কাছে জোনাকি পোকা, ঢাকের কাছে টেমটেমি।

৫    :        এক চাঁদে জগৎ আলো।

৬    :        বামন হয়ে চাঁদে হাত।

৭    :        আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া।

৮    :        আকাশে ফাঁদ পেতে চাঁদ ধরা।

৯    :        ঈদের চাঁদ।

১০    :        অমাবস্যার চাঁদ

১১    :        এই যদি গোরাচাঁদ তবে কালাচাঁদ কেমন।

১২    :        বড়র পিরিতি বালির বাঁধ, ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষণে চাঁদ।

১৩    :        বন্ধ্যা নারীর অন্ধ পুত্র চাঁদ দেখতে পায়।

১৪    :        চাঁদ-কপালে দীর্ঘ ফোঁটা, মুখে তার সরষে-বাটা।

১৫    :        চাঁদ চাঁদ চাঁদা, মিথ্যে কেনো কাঁদা।

১৬    :        চাঁদ দেখে কুকুর চেঁজায়, চাঁদের তাতে কিবা আসে যায়।

১৭    :        চাঁদ ধরা ছেলে

১৮    :        চাঁদ চাওয়া ছেলে

১৯    :        চাঁদ পাওয়া ছেলে

২০    :        চাঁদেও গ্রহণ ধরে।

২১    :        চাঁদের আশীব্বাদ, ক্ষয় বৃদ্ধি বাঁধা।

২২    :        চাঁদের গায়ে ছেপ ফেললে আপন গায়ে লাগে।

২৩    :        চাঁদের গায়ে কেউ কি থুথু দিতে পারে?

২৪    :        চাঁদে বুধে যারে পায়। তার ধান-ঠেইলো ন যায়।

২৫    :        চাঁদের দিন, বুধের দশা।

২৬    :        চাঁদের হাট।

২৭    :        চাঁদের সভার মধ্যে তারা। বর্ষে পানি মুষল ধারা।

২৮    :        চন্দ্র সূর্য অস্ত গেল, জোনাকি ধরে বাতি; মোগল পাঠান হদ্দ হল, ফারসী পড়ে তাঁতী।

২৯    :        চন্দ্র সূর্য অস্ত গেল, জোনাকি ধরে বাতি; ভীষ্ম দ্রোণ কর্ণ গেল, শল্য হল রথী।

৩০    :        চন্দ্র সূর্য অস্ত গেল, জোনাকির পোঁদে বাতি; বাঘ পালালো, বেড়াল এলো ধরতে এবার হাতী।

৩১    :        চন্দ্র সূর্য অস্ত গেল, জোনাকির পোঁদে বাতি; ময়ূর গেল, ছাতারে এল, ফুলিয়ে বুকের ছাতি।

৩২    :        চন্দ্র সূর্য অস্ত গেল, জোনাকির পোঁদে বাতি; বিস্তর করলে পুত, কি করবে মোর নাতি।

৩৩    :        কিসে আর কিসে, তামায় আর সীসে। চাঁদে আর মেনি-বাঁদরের পোঁদে।

৩৪    :        চন্দ্র হৈতে বিষ বৃষ্টি।

৩৫    :        চন্দ্রের জোৎস্নাদানে উঁচু নীচু বিচার নাই।

৩৬    :        চন্দ্রের ভঙ্গিমা দেখে তেঁতুল হ’লেন বাঁকা।

আরো কিছু আপনার জানা থাকলে শেয়ার করতে পারেন।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: বাংলা বাগধারা-প্রবাদ-প্রবচনে চাঁদ

সুন্দর পোস্ট  শুভকামনা

মানুষ মাত্রই মরন শীল , কিন্ত নশ্বর নয় ।।