সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আউল (২৯-০৩-২০২০ ২১:০২)

টপিকঃ সড়কহত্যা বন্ধ ও বিচারহিনতার প্রতিবাদে মাইজদিতে মানব্বন্ধন

https://i.imgur.com/ABK9zEam.jpg
https://i.imgur.com/sxvYRPYm.jpg


যেদিকে তাকাই সড়কে শুধু মৃত্যুর মিছিল চোখে পড়ে। আজ রাস্তায় মৃত্যুর মিছিল, জলে মৃত্যুর মিছিল, আকাশেও মৃত্যুপুরীর গন্ধ। ফাইযা, আদনান তাসিন, আবরার, লাবণ্য,আরিফ, সাব্বির, আবির,  তানজিলাদের মায়েরা আজকে মৃত্যুর মিছিলে আকাশে বাতাসে এই মানব সভ্যতাকে অভিশাপ দিচ্ছেন আর বলছেন ‘হে ঘাতক, আর কতো মায়ের বুক খালি করবে, আর কতো রক্ত নেবে, রক্তের হোলিখেলা বন্ধ হবে কবে? এই রক্তের হলিখেলা বন্ধ করতে হলে, সকলকে সজাগ হতে হবে গঞ্জাগরন সৃষ্টি করতে হবে, নুতুন নুতুন আইন হয় কিন্তু আইনের প্রয়োগ হয় না, বিচারহিনতা ও প্রশ্রয়ের কারণে সড়কে প্রতিবছর হত্যা বৃদ্ধিরহার ৮.১০% এর অধিক, শুধুমাত্র মিডিয়েতে যাদের সংবাদ এসেছে সেই হিসেবে ২০১৯ সালে সড়কে হত্যার শিকার ৭৮৫৫ জনের অধিক।

সাম্প্রতিক সড়কহত্যা নৈরাজ্য বিচারহিনতার, মেধাবী শিক্ষার্থী আদনান তাসিন হত্যাকাণ্ডের বিচারহিনতার ১ বছর ও সড়ক দুর্ঘটনার নামে সড়কেহত্যার বিচার সহ ৭দফা দাবীতে ক্লিন_সিটি_অব_নোয়াখালী'র পক্ষ থেকে গত ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২০,  মঙ্গলবার সকাল ১০:০০ টায় নোয়াখালীর মাইজদি তে “মানববন্ধন ও প্রতিবাদ” সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ উথাপিত্ত দাবীসমূহ: ১. BRTA/BRTC কে দালাল মুক্ত করতে হবে ।
২. ফিটনেস বিহীন গাড়ি এবং লাইসেন্স বিহীন ড্রাইভার নিষিদ্ধ করতে হবে। ৩. জেব্রাক্রসিং এর আগে এবং পরে গতিরোধক দিতে হবে। ৪. ট্রাফিক পুলিশ বাড়াতে হবে। ৫. সড়কে সাধারণ পথচারীর নিরাপত্তা দিতে হবে। ৬. সড়ক আইনের পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে ৭. সড়কে আদনান তাসিন সহ সকল হত্যা কাণ্ডের  বিচার করতে হবে ও ঘাতক চালকদের গ্রেফতার করে সাজার আওতায় আনতে হবে।

উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, সমন্বয়ক-ক্লিন সিটি অব নোয়াখালী  সাজ্জাদুর রহমান রাজু  বলেন : "আদনান তাসিন হত্যার এক বছর হলেও হত্যাকারীরা এখনো স্বাধীন ভাবে চলাফেরা করছে – তাদেরকে ধরাই হচ্ছেনা। আইনের চোখেঁ কি তারা অপরাধী না? মেধাবী শিক্ষার্থী আদনান তাসিন কবরে আর ঘাতকরা কেন বাহিরে? মেধাবী শিক্ষার্থী আদনান তাসিনসহ সড়কে সকল হত্যাকাণ্ডের  বিচার চাই"

সহকারী সমন্বয়ক-ক্লিন সিটি অব নোয়াখালী ওমর ফারুক মিরাজ বলেন: সারা দেশে এখন পর্যন্ত গাড়ির লাইসেন্স দেয়া হয়েছে ৩৮ লাখ। ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়েছেন মাত্র সাড়ে ২২ লাখ চালক। সেই হিসেবে প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ চালক কোনো লাইসেন্স ছাড়াই গাড়ি চালান। পাশাপাশি বৈধ রুট পারমিট নেই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক যানবাহনের
সিনিয়র সদস্য-ক্লিন সিটি অব নোয়াখালী তানজুম আরা খানম রাখিঁ বলেন: মহাসড়কে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয় যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ এবং পথচারীদের চাপা দেওয়ার ঘটনায়। রাজধানী ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারায় পথচারীরা। এসব দুর্ঘটনার ৯১ শতাংশই ঘটে অতিরিক্ত গতিতে বেপরোয়াভাবে যানবাহন চালানোর কারণে। চালকদের প্রতি অনুরোধ করে বলেন বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালাবেননা। আপনার জন্য যেমন আপনার পরিবার অপেক্ষায় থাকে,আমাদের পরিবার ও আমাদের জন্য অপেক্ষা করে, হত্যাকাণ্ডের শিকার অনেকেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি

চীফ এডমিন-ফেরারী নেটওয়ার্ক আকলিমা খানম  বলেন: "প্রশাসনে ভাইদের প্রতি (ট্রাফিক) অনুরোধ কোনো ড্রাইভার যেনো আইন অমান্য না করে সেই বিষয়ে কড়া নজর রাখবেন। রাস্তা পারাপারে পথচারীদের সহযোগিতা করুন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের ফাতেমা আক্তার, মো:আশিক, আনোয়ার হোসেন বাদল সহ আরো অনেকে।

"We want Justice for Adnan Tasin"