২১

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

০১৩ : বেতিলা জমিদার বাড়ি
Betila Zamindar Bari

https://i.imgur.com/Pc2igP4h.jpg

এ বাড়ির সঠিক ইতিহাস তথ্যগত অভাবের কারণে তেমন জানা যায়নি। মানিকগঞ্জ জেলার বেতিলা খাল ব্যবহার করে নানান বজরা, মহাজনী নৌকা আসা যাওয়া করতো। নিরাপদ নৌরুট বেছে নিয়েছিলেন বড় বড় অনেক বণিকেরা। লোককথায় জানা যায় জ্যোতি বাবু নামের এক বণিক ছিলেন এই জমিদার বাড়ির পূর্বপুরুষ। তিনি ছিলেন মূলত পাটের বণিক।

জ্যোতি বাবু বা সত্য বাবুর বসতবাড়ি নামে পরিচিত বেতিলা জমিদারবাড়ি বর্তমানে সরকারী আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।

ছবি তোলার স্থান : মানিকগঞ্জ, বাংলাদেশ।
GPS coordinates : 23°50'14.7"N 90°01'28.3"E
ছবি তোলার তারিখ : ২৫/১১/২০১৬ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

২২ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মরুভূমির জলদস্যু (১৩-০১-২০২০ ১৫:৪০)

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

০১৪ : লক্ষণ সাহা জমিদার বাড়ি / ডাংগা জমিদার বাড়ি / উকিল বাড়ি
Loxman Saha Landlord's House

https://i.imgur.com/KIACfGyh.jpg

জমিদার লক্ষণ সাহা এই জমিদার বংশের মূল গোড়াপত্তনকারী, তিনিই বাড়িটি তৈরি করেছিলেন । তবে কবে নাগাদ এই জমিদার বংশ এবং জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার সঠিক তথ্য জানা যায়নি। মূলত তিনি ছিলেন প্রধান জমিদারের অধিনস্থ সাব-জমিদার। তবে তাদের কখনো ব্রিটিশ সরকারকে বা অন্য কাউকে খাজনা দিতে হয়নি। কারণ এই জমিদারী এলাকাটি ওয়াকফা বা দেবোত্তর সম্পত্তি ছিল।

লক্ষণ সাহার তিন পুত্র সন্তান ছিল। তারা হলেন নিকুঞ্জ সাহা, পেরিমোহন সাহা ও বঙ্কু সাহা। এদের মধ্যে ছোট ছেলে বঙ্কু সাহা ভারত ভাগের সময় ভারতে চলে যান। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার অল্প কিছুদিন আগে বড় ছেলে নিকুঞ্জ সাহা ভারতে চলে যান। থেকে যান মেঝো ছেলে পেরিমোহন সাহা। পেরিমোহন সাহার ছিল এক পুত্র সন্তান, যার নাম ছিল বৌদ্ধ নারায়ণ সাহা। এই বৌদ্ধ নারায়ণ সাহাই পরবর্তীতে আহম্মদ আলী উকিলের কাছে উক্ত বাড়িটি বিক্রি করে দেন। তাই বর্তমানে অনেকে এই বাড়িটিকে উকিল বাড়ি নামেও চিনে। লক্ষ্মণ সাহার বংশধরের একাংশ বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ শহরে বসবাস করছে।

পথের হদিস : নরসিংদী হইতে বাসে পাঁচদোনা মোড়। পাঁচদোনা মোড় থেকে সিএনজি করে ডাংগা বাজার। ডাংগা বাজার থেকে ১ কি:মি: ভিতরে এই জমিদার বাড়ি অবস্থিত।

ছবি তোলার স্থান : ডাংগা, পলাশ, নরসিংদী, বাংলাদেশ।
GPS coordinates : 23°53'56.8"N 90°35'41.4"E
ছবি তোলার তারিখ : ২৮/০৪/২০১৭ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

২৩

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

ভালো।

নামায সবার উপর ফরয করা হয়েছে

২৪

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

খাইরুল লিখেছেন:

ভালো।

শুকরিয়া

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

২৫

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

০১৫ : সত্যজিৎ রায়ের আদি পৈত্রিক ভিটা
Satyajit Ray's Ancestral Building

https://i.imgur.com/yEgl962h.jpg

রায় পরিবারের ইতিহাস থেকে জানা যায় তাঁদের এক পূর্বপুরুষ শ্রী রামসুন্দর দেও (দেব) নদীয়া জেলার চাকদহ থেকে ভাগ্যাণ্বেষণে পূর্ববঙ্গের শেরপুরে আসেন। শেরপুরের জমিদার বাড়িতে তার সাক্ষাৎ হয় যশোদলের জমিদার রাজা গুণীচন্দ্রের সাথে ৷ রাজা গুণীচন্দ্র রামসুন্দরের সুন্দর চেহারা ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধি দেখে মুগ্ধ হন এবং রামসুন্দরকে তার জমিদারিতে নিয়ে গিয়ে জমিজমা, ঘরবাড়ি দিয়ে তার জামাতা বানান ৷ রামসুন্দরের বংশধররা সেখান থেকে সরে গিয়ে বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি উপজেলার মসূয়া গ্রামে বসবাস শুরু করেন ৷

মসূয়া গ্রামে সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক বাড়িটি এখনও রয়েছে। এখানেই সত্যজিতের পিতামহ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী এবং বাবা সুকুমার রায় জন্ম নেন। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের অনেক আগেই উপেন্দ্রকিশোর সপরিবারে কলকাতা চলে যান।

বর্তমানে তাঁদের প্রায় ৪ একরের এই বিশাল জমি ও বাড়ি বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বিভাগের অধীনে থাকলেও তার বেশীর ভাগই বেদখল হয়ে গেছে।

সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষ হরিকিশোর রায় চৌধুরী প্রায় ২০০ বছর আগে মসূয়া গ্রামে শ্রীশ্রী কালভৈরব পূজা উপলক্ষে একটি মেলার আয়োজন করেছিলেন। এখনও প্রতি বছর বৈশাখ মাসের শেষ বুধবার এই মেলা পালিত হয়।
সূত্র : উইকিপিডিয়া।

ছবি তোলার স্থান : কটিয়াদি, কিশোরগঞ্জ, বাংলাদেশ।
GPS coordinates : 24°16'45.3"N 90°44'35.1"E
ছবি তোলার তারিখ : ২৪/০২/২০১৭ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

২৬

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

০১৬ : ভাই গিরিশচন্দ্র সেনের বাড়ি

https://i.imgur.com/ZQ3PMw0h.jpg

কুরআন- এর প্রথম বাংলা অনুবাদক হিবেসে অধিক পরিচিত ব্রাহ্মধর্মাবলম্বী ভাই গিরিশচন্দ্র সেন।

ছবি তোলার স্থান : পাঁচদোনা, নরসিংদী, বাংলাদেশ।
GPS coordinates : 23°53'22.5"N 90°39'50.1"E
ছবি তোলার তারিখ : ২৪/০২/২০১৭ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

২৭

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

চালিয়ে যান।

নামায সবার উপর ফরয করা হয়েছে

২৮

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

খাইরুল লিখেছেন:

চালিয়ে যান।

চলছে চলবে

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

২৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মরুভূমির জলদস্যু (২৬-০১-২০২০ ১৯:১৪)

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

০১৭ : সুদন সাহার বাড়ি
Sudan Saha's House

https://i.imgur.com/R64tR6xh.jpg

ধারনা করা হয় ডাংগা জমিদার লক্ষণ সাহার কোন শরিকদের হবে এই বাড়ি, অথবা লক্ষণ সাহার অধিনস্থ কোন কর্মচারীরও বাড়ি হতে পারে এটি।

ছবি তোলার স্থান : ডাংগা, পলাশ, নরসিংদী, বাংলাদেশ।
GPS coordinates : 23°53'59.4"N 90°35'36.7"E
ছবি তোলার তারিখ : ২৮/০৪/২০১৭ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

৩০

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

০১৮ : উদ্ধব সাহার বাড়ি
Uddhob Saha's House

https://i.imgur.com/NdTymYdh.jpg

ডাংগা জমিদার লক্ষণ সাহার সাথে কোনো যোগসূত্র থাকার সম্ভাবনা রয়েছে মনে হয়।

ছবি তোলার স্থান : ডাংগা, পলাশ, নরসিংদী, বাংলাদেশ।
GPS coordinates : 23°54'00.8"N 90°35'50.3"E
ছবি তোলার তারিখ : ২৮/০৪/২০১৭ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

৩১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মরুভূমির জলদস্যু (০৪-০২-২০২০ ২০:১৪)

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

০১৯ : সদরউদ্দিন ভূঁইয়া বাড়ি
Sadaruddin Buiyan's House

https://i.imgur.com/79HM0ckh.jpg

বাড়িটি সম্পর্কে কোনো তথ্য আমার জানে নেই।

ছবি তোলার স্থান : রায়পুরা, নরসিংদী, বাংলাদেশ।
GPS coordinates : 23°54'00.8"N 90°35'50.3"E
ছবি তোলার তারিখ : ২৮/০৪/২০১৭ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

৩২

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

০২০ : পাকুটিয়া জমিদার বাড়ী (১)
Pakutia Zamindar Bari
Pakutia BCRG University Collage

https://i.imgur.com/4ytKUGHh.jpg

ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে কলকাতা থেকে রামকৃষ্ণ সাহা মন্ডল নামে একজন ধনাঢ্য ব্যাক্তি টাঙ্গাইল জেলার পাকুটিয়ায় এসে ইংরেজদের কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে পাকুটিয়ায় জমিদারী শুরু করেন।

তাঁর ছিল দুই ছেলে বৃন্দাবন ও রাধা গোবিন্দ। রাধা গোবিন্দ ছিলেন নিঃসন্তান এবং বৃন্দাবন চন্দ্রের ছিল তিন ছেলে। এরা হলেন- ব্রজেন্দ্র মোহন, উপেন্দ্র মোহন ও যোগেন্দ্র মোহন। বৃন্দাবনের মেজছেলে উপেন্দ্রকে তাঁর কাকা নিঃসন্তান রাধা গোবিন্দ দত্তক নেন।

১৯১৫ সালের ১৫ই এপ্রিল প্রায় ১৫ একর এলাকা জুড়ে তিন ভাইয়ের নামে উদ্ভোদন করা হয় একই নকশার পর পর তিনটি প্যালেস বা অট্টালিকা। তখন জমিদার বাড়িটি তিন মহলা বা তিন তরফ নামে পরিচিত ছিল।

প্রতিটি জমিদার বাড়ীর মাঝ বরাবর মুকুট হিসাবে লতা ও ফুলের অলংকরণে কারুকার্য মন্ডিত পূর্ণাঙ্গ দুই সুন্দরী নারী মূর্ত্তি এবং সাথে এক মূয়ূর সম্ভাষণ জানাচ্ছে অথিতিকে। এছাড়া দ্বিতীয় তলার রেলিং টপ বা কার্নিশের উপর রয়েছে পাঁচ ফুট পর পর বিভিন্ন ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকা অসংখ্য সুন্দর সুন্দর ছোট আকৃতির নারী মূর্ত্তি।

জমিদার বাড়ির সামনে বিশাল মাঠ আর মাঠের মাঝখানে রয়েছে টিনের তৈরি দ্বিতল নাচঘর।

তিন ভাই নিজেদের প্যালেস তৈরীর পর ১৯১৬ খ্রিঃ তাঁরা তাঁদের পিতা বৃন্দাবন এবং কাকা রাধা গোবিন্দের যৌথ নামে বৃন্দবন চন্দ্র রাধা গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় (বিসিআরজি) প্রতিষ্ঠা করেন।

দেশ বিভাগের পরে তৎকালীন সরকার কর্তৃক পুরো সম্পদ অধিগ্রহণের পর ১৯৬৭ সালে এই সম্পদের উপর গড়ে তোলা হয় বিসিআরজি ডিগ্রী কলেজ।

ছবি তোলার স্থান : পাকুটিয়া, নাগরপুর, টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ।
GPS coordinates : 24°01'15.0"N 89°59'21.7"E
ছবি তোলার তারিখ : ২৫/১১/২০১৬ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

৩৩

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

০২০ : পাকুটিয়া জমিদার বাড়ী (২)
Pakutia Zamindar Bari

https://i.imgur.com/mIHypWUh.jpg

ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে কলকাতা থেকে রামকৃষ্ণ সাহা মন্ডল নামে একজন ধনাঢ্য ব্যাক্তি টাঙ্গাইল জেলার পাকুটিয়ায় এসে ইংরেজদের কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে পাকুটিয়ায় জমিদারী শুরু করেন।

তাঁর ছিল দুই ছেলে বৃন্দাবন ও রাধা গোবিন্দ। রাধা গোবিন্দ ছিলেন নিঃসন্তান এবং বৃন্দাবন চন্দ্রের ছিল তিন ছেলে। এরা হলেন- ব্রজেন্দ্র মোহন, উপেন্দ্র মোহন ও যোগেন্দ্র মোহন। বৃন্দাবনের মেজছেলে উপেন্দ্রকে তাঁর কাকা নিঃসন্তান রাধা গোবিন্দ দত্তক নেন।

১৯১৫ সালের ১৫ই এপ্রিল প্রায় ১৫ একর এলাকা জুড়ে তিন ভাইয়ের নামে উদ্ভোদন করা হয় একই নকশার পর পর তিনটি প্যালেস বা অট্টালিকা। তখন জমিদার বাড়িটি তিন মহলা বা তিন তরফ নামে পরিচিত ছিল।

প্রতিটি জমিদার বাড়ীর মাঝ বরাবর মুকুট হিসাবে লতা ও ফুলের অলংকরণে কারুকার্য মন্ডিত পূর্ণাঙ্গ দুই সুন্দরী নারী মূর্ত্তি এবং সাথে এক মূয়ূর সম্ভাষণ জানাচ্ছে অথিতিকে। এছাড়া দ্বিতীয় তলার রেলিং টপ বা কার্নিশের উপর রয়েছে পাঁচ ফুট পর পর বিভিন্ন ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকা অসংখ্য সুন্দর সুন্দর ছোট আকৃতির নারী মূর্ত্তি।

জমিদার বাড়ির সামনে বিশাল মাঠ আর মাঠের মাঝখানে রয়েছে টিনের তৈরি দ্বিতল নাচঘর।

তিন ভাই নিজেদের প্যালেস তৈরীর পর ১৯১৬ খ্রিঃ তাঁরা তাঁদের পিতা বৃন্দাবন এবং কাকা রাধা গোবিন্দের যৌথ নামে বৃন্দবন চন্দ্র রাধা গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় (বিসিআরজি) প্রতিষ্ঠা করেন।

দেশ বিভাগের পরে তৎকালীন সরকার কর্তৃক পুরো সম্পদ অধিগ্রহণের পর ১৯৬৭ সালে এই সম্পদের উপর গড়ে তোলা হয় বিসিআরজি ডিগ্রী কলেজ।

ছবি তোলার স্থান : পাকুটিয়া, নাগরপুর, টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ।
GPS coordinates : 24°01'15.8"N 89°59'19.1"E
ছবি তোলার তারিখ : ২৫/১১/২০১৬ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

৩৪

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

সুন্দর

নামায সবার উপর ফরয করা হয়েছে

৩৫

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

খাইরুল লিখেছেন:

সুন্দর

ধন্যবাদ

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

৩৬

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

০২০ : পাকুটিয়া জমিদার বাড়ী (৩)
Pakutia Zamindar Bari

https://i.imgur.com/unGAi9nh.jpg

ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে কলকাতা থেকে রামকৃষ্ণ সাহা মন্ডল নামে একজন ধনাঢ্য ব্যাক্তি টাঙ্গাইল জেলার পাকুটিয়ায় এসে ইংরেজদের কাছ থেকে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে পাকুটিয়ায় জমিদারী শুরু করেন।

তাঁর ছিল দুই ছেলে বৃন্দাবন ও রাধা গোবিন্দ। রাধা গোবিন্দ ছিলেন নিঃসন্তান এবং বৃন্দাবন চন্দ্রের ছিল তিন ছেলে। এরা হলেন- ব্রজেন্দ্র মোহন, উপেন্দ্র মোহন ও যোগেন্দ্র মোহন। বৃন্দাবনের মেজছেলে উপেন্দ্রকে তাঁর কাকা নিঃসন্তান রাধা গোবিন্দ দত্তক নেন।

১৯১৫ সালের ১৫ই এপ্রিল প্রায় ১৫ একর এলাকা জুড়ে তিন ভাইয়ের নামে উদ্ভোদন করা হয় একই নকশার পর পর তিনটি প্যালেস বা অট্টালিকা। তখন জমিদার বাড়িটি তিন মহলা বা তিন তরফ নামে পরিচিত ছিল।

প্রতিটি জমিদার বাড়ীর মাঝ বরাবর মুকুট হিসাবে লতা ও ফুলের অলংকরণে কারুকার্য মন্ডিত পূর্ণাঙ্গ দুই সুন্দরী নারী মূর্ত্তি এবং সাথে এক মূয়ূর সম্ভাষণ জানাচ্ছে অথিতিকে। এছাড়া দ্বিতীয় তলার রেলিং টপ বা কার্নিশের উপর রয়েছে পাঁচ ফুট পর পর বিভিন্ন ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকা অসংখ্য সুন্দর সুন্দর ছোট আকৃতির নারী মূর্ত্তি।

জমিদার বাড়ির সামনে বিশাল মাঠ আর মাঠের মাঝখানে রয়েছে টিনের তৈরি দ্বিতল নাচঘর।

তিন ভাই নিজেদের প্যালেস তৈরীর পর ১৯১৬ খ্রিঃ তাঁরা তাঁদের পিতা বৃন্দাবন এবং কাকা রাধা গোবিন্দের যৌথ নামে বৃন্দবন চন্দ্র রাধা গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় (বিসিআরজি) প্রতিষ্ঠা করেন।

দেশ বিভাগের পরে তৎকালীন সরকার কর্তৃক পুরো সম্পদ অধিগ্রহণের পর ১৯৬৭ সালে এই সম্পদের উপর গড়ে তোলা হয় বিসিআরজি ডিগ্রী কলেজ।

ছবি তোলার স্থান : পাকুটিয়া, নাগরপুর, টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ।
GPS coordinates : 24°01'15.8"N 89°59'16.9"E
ছবি তোলার তারিখ : ২৫/১১/২০১৬ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

৩৭

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

০২১ : তেওতা জমিদার বাড়ি
Teota Landlord's house

https://i.imgur.com/ys7vsmSh.jpg

পঞ্চানন চৌধুরী দিনাজপুরে তামাক ব্যবসায় প্রথম অর্থলগ্নি করে প্রচুর মুনাফা অর্জন করেন। তিনি তাঁর পূর্বপুরুষদের গ্রাম তেওতায় ফিরে আসেন এবং নিজেকে তেওতার প্রথম জমিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। পঞ্চানন চৌধুরী নিজে ছিলেন বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী এবং তাঁর সময়ে তাঁদের পারিবারিক গুরু হিসেবে ‘শ্রীধর’-এর আগমন ঘটলে তিনিই প্রথম তাঁর ‘সেবায়াৎ’ হয়েছিলেন। তিনি তিরানববই বছর পর্যন্ত জীবিত ছিলেন এবং তাঁর জীবদ্দশায় নিজের জমিদারিকে অন্যতম বৃহত্তম জমিদারি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে গিয়েছিলেন

পঞ্চানন চৌধুরীর একমাত্র ছেলে কালি শংকর তার ঔরসজাত দুই ছেলে জয় শংকর ও তারিনী শংকরকে রেখে মাত্র ত্রিশ বছর বয়সে মারা যান।

তারিনী শংকরেরও মাত্র ত্রিশ বছর বয়সে মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তিনি, শ্যামা শংকর এবং প্রাণ শংকর নামে দুই ছেলে রেখে যান।

জয় শংকর ছিলেন একজন প্রাজ্ঞ জমিদার এবং তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত পৈত্রিক সম্পত্তির সম্প্রসারণ করেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তাঁর দুই নাবালক শিশু পুত্র পার্বতী শংকর এবং হারা শংকরকে তাদের মা ও ঠাকুরমার তত্ত্বাবধানে রেখে নিজ পরিবার এবং পৃথিবীর যাবতীয় কর্মকান্ড ত্যাগ করে বৈষ্ণবদের বৈষ্ণবীয় রীতি পালনের সর্বোৎকৃষ্ট স্থান পুরীতে চলে যেতে মনস্থির করেন। অল্প কিছুদিন পরে ১৮৬০ সালে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

জমিদার পরিবারেরর চার ভাইয়ের মধ্যে জ্যেষ্ঠ শ্যামাশংকর রায় ছিলেন প্রখ্যাত জনহিতৈষী, ঈশ্বরবাদী দার্শনিক ও একজন উদ্যোগী জমিদার, যিনি কৃষির উন্নয়নের জন্য বেশ কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি উনিশ শতকের সত্তর-এর দশকে নিজের নামের সঙ্গে ‘রাজা’ উপাধিটি সংযুক্ত করেছিলেন। রায় পার্বতীশংকর ও ছিলেন একজন কল্পণাশ্রয়ী জমিদার। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছাড়াও তিনি তাঁর জমিদারি আওতার মধ্যে ‘সমবায় ভিত্তিক শস্য ব্যাংক’ (ধর্মগোলা) ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলেন এবং ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রিয়াল এসোসিয়েশন-এর অন্যান্য প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম একজন। প্রেসিডেন্সি কলেজের স্নাতক এবং আইন বিষয়ে ডিগ্রিধারী হারা শংকর রায় ছিলেন তেওতা এস্টেট এর অবৈতনিক ম্যাজিস্ট্রেট। পরবর্তী বংশধরদের মধ্যে অনেককেই প্রাথমিক ডিগ্রি নিতে এবং ব্যবহারজীবী পেশা গ্রহনের ট্রেনিং নিতে ব্রিটেনের বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে যান। এঁদের মধ্যে একমাত্র ডা. কুমার শংকর রায় পরবর্তী জীবনে একজন পেশাজীবীর ভূমিকায় আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। ১৯৩০ এবং ৪০ এর দশকে ব্যারিস্টার (ব্যারিস্টারি অনুশীলন করতেন না) এবং জনসেবক কে এস রায় কংগ্রেসের নির্বাচনী রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়েছিলেন এবং নয়াদিল্লির কাউন্সিল অব স্টেট এ অন্যান্যদের সঙ্গে বাংলার প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। রাজনীতিক কিরণ শংকর রায় এবং কুমুদ শংকর রায় (ডা. কে.এস. রায়), তেওতা জমিদার পরিবারের বর্তমান প্রজন্মের সর্বাধিক প্রসিদ্ধ ব্যক্তি। দুজনের মধ্যে একজন স্বরাজ্য দাবির উত্থানকারী কংগ্রেস নেতা এবং আরেকজন চিকিৎসাশাস্ত্র জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র।

তেওতা জমিদার বাড়িটি মোট ৭.৩৮ একর জমি নিয়ে স্থাপিত। মূল প্রাসাদের চারপাশে রয়েছে আরও বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা ও একটি বড় পুকুর। প্রাসাদের মূল ভবনটি লালদিঘী ভবন নামে পরিচিত। এখানে একটি নটমন্দিরও রয়েছে। এছাড়াও এখানে রয়েছে নবরত্ন মঠ ও আর বেশ কয়েকটি মঠ। সবগুলো ভবন মিলিয়ে এখানে মোট কক্ষ রয়েছে ৫৫টি। এছাড়াও এখানে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিচিহ্ন। এ প্রাসাদেই নজরুল, প্রমীলা দেবীর প্রেমে পড়েন ও লিখেছিলেন-
তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়
সেকি মোর অপরাধ

এই ঠিকানাটি ছাড়া এই পরিবারের অন্যান্য স্থানেও বসতবাড়ি ছিল। বেনারসের তেওতা রাজবাড়িটি (মূলত বাড়ি ছিল দু’টি) বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের উপন্যাস এবং সত্যজিৎ রায়ের তৈরি চলচ্চিত্র ‘অপরাজিতা’ এর মাধ্যমে অমর হয়ে আছে।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া

ছবি তোলার স্থান : শিবালয়, মানিকগঞ্জ, বাংলাদেশ।
GPS coordinates : 23°51'31.1"N 89°46'42.5"E
ছবি তোলার তারিখ : ২৫/১১/২০১৬ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

৩৮

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

সুন্দর ফটোগ্রফি

৩৯

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

aburaihan.me লিখেছেন:

সুন্দর ফটোগ্রফি

ধন্যবাদ

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

৪০

Re: বাংলার জমিদার বাড়ি সমগ্র

অনেক সুন্দর।

নামায সবার উপর ফরয করা হয়েছে