১২১

Re: পাক-পাখালি

গাঙচিল (Gull, Seagull)

https://i.imgur.com/dKACB7Ph.jpg

গাঙচিল মাঝারি আকারের পাখি। এরা সাধারণত নদী বা উপকূলীয় এলাকায় জলের ধারে বসবাস করে।

এদের গায়ের রং হয় ধূসর বা সাদা, মাথা ও পাখায় কালো ছোপ দেখা যায়। এদের পা গুলি মোটামুটি লম্বা এবং পায়ের পাতা হাঁসের পায়ের পাতার মতো জোড়া। এরা হাঁসের মতোই জলে স্বাচ্ছন্দে ভাসতে পারে এবং চমৎকার সাঁতার কাটতে পারে। একই ভাবে এরা আকাশেও অনায়াসে দীর্ঘক্ষণ উড়তে পারে। বাতাস থাকলে এক-দুইবার ডানা ঝাপটিয়ে স্বচ্ছন্দে আকাশে ঘুরে বেড়াতে পারে।


মৃত্যু উজাগর – বাঁকা চাঁদ, শূন্য মাঠ, শিশিরের ঘ্রাণ -
কখন মরণ আসে কে বা জানে – কালীদহে কখন যে ঝড়
কমলের নাম ভাঙে – ছিঁড়ে ফেলে গাংচিল শালিকের প্রাণ
জানি নাকো;- তবু যেন মরি আমি এই মাঠ – ঘাটের ভিতর,

----- জীবনানন্দ দাশ -----


মাছ এদের প্রধান খাদ্য। উপকূলের আবর্জনা ঘেঁটে ছোট ছোট পোকামাকড় খায়। এরা মানুষকে খুব একটা ভয় পায় না। মানুষের দেয়া খাবার এরা অনায়াসে লুফেনে। টেকনাফ - সেন্টমার্টিনে চলাচল করা জাহাজের টুরিস্টরা জাহাজ থেকে চিপ্স ছুড়ে দেয় এদের খাওয়ার জন্য। এই চিপ্সের লোভে এরা প্রায় সারাটা পথ জাহাজের সাথে সাথে উড়ে যায় আর কর্কষ গলায় ডেকে যায়।


এদের বহু প্রজাতি রয়েছে। তাদের অধিকাংশই পরিযায়ী পাখি। শুকনো শেওলা দিয়ে এরা পাথরের খাঁজে বাসা বাঁধে। সাধারণত দু থেকে তিনটি ডিম পাড়ে। এদের ডিম খাদ্য হিসেবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই সমাদৃত।


একদিন এই দেহ ঘাস থেকে ধানের আঘ্রাণ থেকে এই বাংলায়
জেগেছিল; বাঙালী নারীর মুখ দেখে রূপ চিনেছিলো দেহ একদিন;
বাংলার পথে পথে হেঁটেছিলো গাঙচিল শালিখের মতন স্বাধীন;

----- জীবনানন্দ দাশ -----


ছবি তোলার স্থান : বঙ্গোপসাগর, টেকনাফ, বাংলাদেশ।
ছবি তোলার তারিখ : ২৭/০১/২০১২ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১২২

Re: পাক-পাখালি

গাঙচিল (Gull, Seagull)

https://i.imgur.com/ClFbYyWh.jpg

গাঙচিল মাঝারি আকারের পাখি। এরা সাধারণত নদী বা উপকূলীয় এলাকায় জলের ধারে বসবাস করে।

এদের গায়ের রং হয় ধূসর বা সাদা, মাথা ও পাখায় কালো ছোপ দেখা যায়। এদের পা গুলি মোটামুটি লম্বা এবং পায়ের পাতা হাঁসের পায়ের পাতার মতো জোড়া। এরা হাঁসের মতোই জলে স্বাচ্ছন্দে ভাসতে পারে এবং চমৎকার সাঁতার কাটতে পারে। একই ভাবে এরা আকাশেও অনায়াসে দীর্ঘক্ষণ উড়তে পারে। বাতাস থাকলে এক-দুইবার ডানা ঝাপটিয়ে স্বচ্ছন্দে আকাশে ঘুরে বেড়াতে পারে।


মৃত্যু উজাগর – বাঁকা চাঁদ, শূন্য মাঠ, শিশিরের ঘ্রাণ -
কখন মরণ আসে কে বা জানে – কালীদহে কখন যে ঝড়
কমলের নাম ভাঙে – ছিঁড়ে ফেলে গাংচিল শালিকের প্রাণ
জানি নাকো;- তবু যেন মরি আমি এই মাঠ – ঘাটের ভিতর,

----- জীবনানন্দ দাশ -----


মাছ এদের প্রধান খাদ্য। উপকূলের আবর্জনা ঘেঁটে ছোট ছোট পোকামাকড় খায়। এরা মানুষকে খুব একটা ভয় পায় না। মানুষের দেয়া খাবার এরা অনায়াসে লুফেনে। টেকনাফ - সেন্টমার্টিনে চলাচল করা জাহাজের টুরিস্টরা জাহাজ থেকে চিপ্স ছুড়ে দেয় এদের খাওয়ার জন্য। এই চিপ্সের লোভে এরা প্রায় সারাটা পথ জাহাজের সাথে সাথে উড়ে যায় আর কর্কষ গলায় ডেকে যায়।


এদের বহু প্রজাতি রয়েছে। তাদের অধিকাংশই পরিযায়ী পাখি। শুকনো শেওলা দিয়ে এরা পাথরের খাঁজে বাসা বাঁধে। সাধারণত দু থেকে তিনটি ডিম পাড়ে। এদের ডিম খাদ্য হিসেবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই সমাদৃত।


একদিন এই দেহ ঘাস থেকে ধানের আঘ্রাণ থেকে এই বাংলায়
জেগেছিল; বাঙালী নারীর মুখ দেখে রূপ চিনেছিলো দেহ একদিন;
বাংলার পথে পথে হেঁটেছিলো গাঙচিল শালিখের মতন স্বাধীন;

----- জীবনানন্দ দাশ -----


ছবি তোলার স্থান : বঙ্গোপসাগর, টেকনাফ, বাংলাদেশ।
ছবি তোলার তারিখ : ২৭/০১/২০১২ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১২৩

Re: পাক-পাখালি

গাঙচিল (Gull, Seagull)


https://i.imgur.com/XEPqwGbh.jpg

গাঙচিল মাঝারি আকারের পাখি। এরা সাধারণত নদী বা উপকূলীয় এলাকায় জলের ধারে বসবাস করে।

এদের গায়ের রং হয় ধূসর বা সাদা, মাথা ও পাখায় কালো ছোপ দেখা যায়। এদের পা গুলি মোটামুটি লম্বা এবং পায়ের পাতা হাঁসের পায়ের পাতার মতো জোড়া। এরা হাঁসের মতোই জলে স্বাচ্ছন্দে ভাসতে পারে এবং চমৎকার সাঁতার কাটতে পারে। একই ভাবে এরা আকাশেও অনায়াসে দীর্ঘক্ষণ উড়তে পারে। বাতাস থাকলে এক-দুইবার ডানা ঝাপটিয়ে স্বচ্ছন্দে আকাশে ঘুরে বেড়াতে পারে।


মৃত্যু উজাগর – বাঁকা চাঁদ, শূন্য মাঠ, শিশিরের ঘ্রাণ -
কখন মরণ আসে কে বা জানে – কালীদহে কখন যে ঝড়
কমলের নাম ভাঙে – ছিঁড়ে ফেলে গাংচিল শালিকের প্রাণ
জানি নাকো;- তবু যেন মরি আমি এই মাঠ – ঘাটের ভিতর,

----- জীবনানন্দ দাশ -----


মাছ এদের প্রধান খাদ্য। উপকূলের আবর্জনা ঘেঁটে ছোট ছোট পোকামাকড় খায়। এরা মানুষকে খুব একটা ভয় পায় না। মানুষের দেয়া খাবার এরা অনায়াসে লুফেনে। টেকনাফ - সেন্টমার্টিনে চলাচল করা জাহাজের টুরিস্টরা জাহাজ থেকে চিপ্স ছুড়ে দেয় এদের খাওয়ার জন্য। এই চিপ্সের লোভে এরা প্রায় সারাটা পথ জাহাজের সাথে সাথে উড়ে যায় আর কর্কষ গলায় ডেকে যায়।


এদের বহু প্রজাতি রয়েছে। তাদের অধিকাংশই পরিযায়ী পাখি। শুকনো শেওলা দিয়ে এরা পাথরের খাঁজে বাসা বাঁধে। সাধারণত দু থেকে তিনটি ডিম পাড়ে। এদের ডিম খাদ্য হিসেবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই সমাদৃত।


একদিন এই দেহ ঘাস থেকে ধানের আঘ্রাণ থেকে এই বাংলায়
জেগেছিল; বাঙালী নারীর মুখ দেখে রূপ চিনেছিলো দেহ একদিন;
বাংলার পথে পথে হেঁটেছিলো গাঙচিল শালিখের মতন স্বাধীন;

----- জীবনানন্দ দাশ -----


ছবি তোলার স্থান : বঙ্গোপসাগর, টেকনাফ, বাংলাদেশ।
ছবি তোলার তারিখ : ২৭/০১/২০১২ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১২৪

Re: পাক-পাখালি

গাঙচিল (Gull, Seagull)


https://i.imgur.com/GBt1u2kh.jpg

গাঙচিল মাঝারি আকারের পাখি। এরা সাধারণত নদী বা উপকূলীয় এলাকায় জলের ধারে বসবাস করে।

এদের গায়ের রং হয় ধূসর বা সাদা, মাথা ও পাখায় কালো ছোপ দেখা যায়। এদের পা গুলি মোটামুটি লম্বা এবং পায়ের পাতা হাঁসের পায়ের পাতার মতো জোড়া। এরা হাঁসের মতোই জলে স্বাচ্ছন্দে ভাসতে পারে এবং চমৎকার সাঁতার কাটতে পারে। একই ভাবে এরা আকাশেও অনায়াসে দীর্ঘক্ষণ উড়তে পারে। বাতাস থাকলে এক-দুইবার ডানা ঝাপটিয়ে স্বচ্ছন্দে আকাশে ঘুরে বেড়াতে পারে।


মৃত্যু উজাগর – বাঁকা চাঁদ, শূন্য মাঠ, শিশিরের ঘ্রাণ -
কখন মরণ আসে কে বা জানে – কালীদহে কখন যে ঝড়
কমলের নাম ভাঙে – ছিঁড়ে ফেলে গাংচিল শালিকের প্রাণ
জানি নাকো;- তবু যেন মরি আমি এই মাঠ – ঘাটের ভিতর,

----- জীবনানন্দ দাশ -----


মাছ এদের প্রধান খাদ্য। উপকূলের আবর্জনা ঘেঁটে ছোট ছোট পোকামাকড় খায়। এরা মানুষকে খুব একটা ভয় পায় না। মানুষের দেয়া খাবার এরা অনায়াসে লুফেনে। টেকনাফ - সেন্টমার্টিনে চলাচল করা জাহাজের টুরিস্টরা জাহাজ থেকে চিপ্স ছুড়ে দেয় এদের খাওয়ার জন্য। এই চিপ্সের লোভে এরা প্রায় সারাটা পথ জাহাজের সাথে সাথে উড়ে যায় আর কর্কষ গলায় ডেকে যায়।


এদের বহু প্রজাতি রয়েছে। তাদের অধিকাংশই পরিযায়ী পাখি। শুকনো শেওলা দিয়ে এরা পাথরের খাঁজে বাসা বাঁধে। সাধারণত দু থেকে তিনটি ডিম পাড়ে। এদের ডিম খাদ্য হিসেবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই সমাদৃত।


একদিন এই দেহ ঘাস থেকে ধানের আঘ্রাণ থেকে এই বাংলায়
জেগেছিল; বাঙালী নারীর মুখ দেখে রূপ চিনেছিলো দেহ একদিন;
বাংলার পথে পথে হেঁটেছিলো গাঙচিল শালিখের মতন স্বাধীন;

----- জীবনানন্দ দাশ -----


ছবি তোলার স্থান : বঙ্গোপসাগর, টেকনাফ, বাংলাদেশ।
ছবি তোলার তারিখ : ২৭/০১/২০১২ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১২৫

Re: পাক-পাখালি

গাঙচিল (Gull, Seagull)


https://i.imgur.com/N6jterLh.jpg

গাঙচিল মাঝারি আকারের পাখি। এরা সাধারণত নদী বা উপকূলীয় এলাকায় জলের ধারে বসবাস করে।

এদের গায়ের রং হয় ধূসর বা সাদা, মাথা ও পাখায় কালো ছোপ দেখা যায়। এদের পা গুলি মোটামুটি লম্বা এবং পায়ের পাতা হাঁসের পায়ের পাতার মতো জোড়া। এরা হাঁসের মতোই জলে স্বাচ্ছন্দে ভাসতে পারে এবং চমৎকার সাঁতার কাটতে পারে। একই ভাবে এরা আকাশেও অনায়াসে দীর্ঘক্ষণ উড়তে পারে। বাতাস থাকলে এক-দুইবার ডানা ঝাপটিয়ে স্বচ্ছন্দে আকাশে ঘুরে বেড়াতে পারে।


মৃত্যু উজাগর – বাঁকা চাঁদ, শূন্য মাঠ, শিশিরের ঘ্রাণ -
কখন মরণ আসে কে বা জানে – কালীদহে কখন যে ঝড়
কমলের নাম ভাঙে – ছিঁড়ে ফেলে গাংচিল শালিকের প্রাণ
জানি নাকো;- তবু যেন মরি আমি এই মাঠ – ঘাটের ভিতর,

----- জীবনানন্দ দাশ -----


মাছ এদের প্রধান খাদ্য। উপকূলের আবর্জনা ঘেঁটে ছোট ছোট পোকামাকড় খায়। এরা মানুষকে খুব একটা ভয় পায় না। মানুষের দেয়া খাবার এরা অনায়াসে লুফেনে। টেকনাফ - সেন্টমার্টিনে চলাচল করা জাহাজের টুরিস্টরা জাহাজ থেকে চিপ্স ছুড়ে দেয় এদের খাওয়ার জন্য। এই চিপ্সের লোভে এরা প্রায় সারাটা পথ জাহাজের সাথে সাথে উড়ে যায় আর কর্কষ গলায় ডেকে যায়।


এদের বহু প্রজাতি রয়েছে। তাদের অধিকাংশই পরিযায়ী পাখি। শুকনো শেওলা দিয়ে এরা পাথরের খাঁজে বাসা বাঁধে। সাধারণত দু থেকে তিনটি ডিম পাড়ে। এদের ডিম খাদ্য হিসেবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই সমাদৃত।


একদিন এই দেহ ঘাস থেকে ধানের আঘ্রাণ থেকে এই বাংলায়
জেগেছিল; বাঙালী নারীর মুখ দেখে রূপ চিনেছিলো দেহ একদিন;
বাংলার পথে পথে হেঁটেছিলো গাঙচিল শালিখের মতন স্বাধীন;

----- জীবনানন্দ দাশ -----


ছবি তোলার স্থান : বঙ্গোপসাগর, টেকনাফ, বাংলাদেশ।
ছবি তোলার তারিখ : ২৭/০১/২০১২ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।