১০১

Re: পাক-পাখালি

বন বাটান

https://i.imgur.com/QuD3Q3wh.jpg

Common Name : Wood Sandpiper
Binomial name : Tringa glareola

ছবি তোলার স্থান : মশাখালী, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ।
ছবি তোলার তারিখ : ২৫/১২/২০১৬ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১০২

Re: পাক-পাখালি

বন বাটান

https://i.imgur.com/Oe25Xz5h.jpg

Common Name : Wood Sandpiper
Binomial name : Tringa glareola

ছবি তোলার স্থান : মশাখালী, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ।
ছবি তোলার তারিখ : ২৫/১২/২০১৬ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১০৩

Re: পাক-পাখালি

কসাই পাখি

https://i.imgur.com/ENTgETOh.jpg

অন্যান্য ও আঞ্চলিক নাম : **** কসাই, বাঘাটিকি
Common Name : Long-tailed shrike, rufous-backed shrike, black-headed shrike, Shrike
Binomial name : Lanius schach

মাঝারি আকারের মাংসাশী পাখি। পৃথিবীতে ৩১ প্রজাতির কসাই দেখতে পাওয়া যায়। এদের অদ্ভুত শিকার ধরার এবং সংরক্ষণ করার প্রবণতার জন্য এদের নাম হয়েছে কসাই। এরা শিকার ধরে ঠিক কসাইয়ের দোকানে মাংস গাঁথার মত করে শিকারকে কাঁটা বা অন্য কোন চোখা জিনিসে গেঁথে রাখে। কসাই পাখি বিভিন্ন পোকামাকড় থেকে শুরু করে ইঁদুর, টিকটিকি, ছোট পাখি ইত্যাদি শিকার করে। অর্থাৎ তাদের শিকারোপযোগী সব কিছুই তারা খায়।
সূত্র : উইকি

ছবি তোলার স্থান : মশাখালী, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ।
ছবি তোলার তারিখ : ২৫/১২/২০১৬ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১০৪

Re: পাক-পাখালি

বাঁশপাতি / সবুজ বাঁশপাতি / পত্রিঙ্গা
https://i.imgur.com/37btJkWh.jpg

কোথাও কোথাও একে 'সুইচোরা', 'নরুন চেরা' বলে ডাকা হয়।
Common Name : Green Bee-eater
Binomial name : Merops Orientalis

ছবি তোলার স্থান : মশাখালী, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ।
ছবি তোলার তারিখ : ১২/২৫/২০১৬ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১০৫

Re: পাক-পাখালি

কসাই পাখি

https://i.imgur.com/fZlnACsh.jpg

অন্যান্য ও আঞ্চলিক নাম : **** কসাই, বাঘাটিকি
Common Name : Long-tailed shrike, rufous-backed shrike, black-headed shrike, Shrike
Binomial name : Lanius schach

মাঝারি আকারের মাংসাশী পাখি। পৃথিবীতে ৩১ প্রজাতির কসাই দেখতে পাওয়া যায়। এদের অদ্ভুত শিকার ধরার এবং সংরক্ষণ করার প্রবণতার জন্য এদের নাম হয়েছে কসাই। এরা শিকার ধরে ঠিক কসাইয়ের দোকানে মাংস গাঁথার মত করে শিকারকে কাঁটা বা অন্য কোন চোখা জিনিসে গেঁথে রাখে। কসাই পাখি বিভিন্ন পোকামাকড় থেকে শুরু করে ইঁদুর, টিকটিকি, ছোট পাখি ইত্যাদি শিকার করে। অর্থাৎ তাদের শিকারোপযোগী সব কিছুই তারা খায়।
সূত্র : উইকি

ছবি তোলার স্থান : মশাখালী, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ।
ছবি তোলার তারিখ : ২৫/১২/২০১৬ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১০৬

Re: পাক-পাখালি

সবুজ বাঁশপাতি

https://i.imgur.com/xrfKcRVh.jpg

অন্যান্য ও আঞ্চলিক নাম : বাঁশপাতি, পত্রিঙ্গা, সুইচোরা, নরুন চোরা।
Common Name : Green Bee-eater
Binomial name : Merops Orientalis

সবুজ বাঁশপাতি বাংলাদেশের সহজ লভ্য একটি ছোট আকারের শিকারী পাখি। এই পাখি জলের ধারে বন-জঙ্গলে দলবদ্ধভাবে বসবাস করে। । ‘ট্রিউ ট্রিউ’ করে তীক্ষ্ম শব্দে ডাকে।

সবুজ বাঁশপাতির ইংরেজি নাম Green Bee-eater, তবে পোকামাকড় ধরে খেলেও এটি মূলত মৎস-শিকারী পাখি। ছোট ছোট মাছ ধরে এরা খায়। বিশেষ করে চাষের জমিতে যখন অল্প জল জমে সেখানে তাকা ছোট মাছ শিকার করে এরা দলবেঁধে।

সবুজ বাঁশপাতি লম্বায় প্রায় ৮ ইঞ্চির মতো হয়। এদের গড়ন ছিপছিপে । এদের গাত্রবর্ণ উজ্জ্বল সবুজ বলেই নাম হয়েছে “সবুজ বাঁশপাতি” । সবুজের মাঝে মস্তক ও পৃষ্ঠদেশের ঊর্ধাংশে সোনালি পালক রয়েছে এদের। ঠোট সুচালো ও কৃষ্ণবর্ণ এবং একটু বাঁকানো।

সবুজ বাঁশপাতির চোখের দুই পাশে 'কাজলরেখা' রয়েছে, যা ঘাড়ের সঙ্গে মিশে গেছে। পাখিটির চিবুক ও গলায় কাছে রয়েছে নীল ছটা আর গলার নিচে আছে মালার মতো কালো টান। সবুজ বাঁশপাতির লেজের মাঝ বরাবর দুটি পালক দুই ইঞ্চি পরিমাণ বর্ধিত। উজ্জ্বল সবুজ রং আর এই লেজের বর্ধিত পালকের কারণে খুব সহজেই এদের চেনা যায়।

পাখিরা সাধারণত গাছে তাদের বাসা বানায়, কিন্তু সবুজ বাঁশপাতি গাছে বাসা বাধতে জানে না। এরা নদীর কূলে বা খাড়া মাটির ঢালে গর্ত করে বাসা বানায়। গর্তের গভীরে স্ত্রী পাখিটি ধবধবে সাদা রংয়ের ৫ থেকে ৭টি ডিম পারে। স্ত্রী-পুরুষ দুজনেই ডিমে তা দেয়। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটতে ২১ থেকে ২৭ দিন সময় লাগে।

ছবি তোলার স্থান : মশাখালী, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ।
ছবি তোলার তারিখ : ২৫/১২/২০১৬ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।