সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আউল (০৩-০৮-২০১৮ ১৫:২১)

টপিকঃ জনগন কে জিম্মি করে দাবি আদায়!!

পরিবহন ধর্মঘট এর ফলে ৬,৬০০ হজ যাত্রীদের হজ পালন অনিশ্চিত , যাত্রী সংকটে ১০ টি হজ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে , আরও ৬ টি বাতিল হতে পারে! ২০১৪ সালে যখন পেট্রোল বোমা মারা হয়েছে তখন পরিবহন নিরাপত্তার কথা বলে ধর্মঘট করেনি, এখন কেন?

পুরো দেশে পরিবহন মালিকরা পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে, জনগন কে জিম্মি করে, এখন দাবি দিবে শত,সংবাদে আসবে পিছু হটলো সরকার,এখন নিরাপত্তাহিনতার কথা বলছে - কিন্তু ২০১৪ সালে আগুন সন্ত্রাস এর সময়ে নিরাপত্তাহিনতায় ভুগে নাই, এখন ভুগছেন! কারন এখন তাদের নেতার পদত্যাগ দাবি করছে, ২০১৪ সালে তাদের নেতার পদত্যাগ দাবি করেনি, আর এখন লাইসেন্স, চেক করছে, জনগন কে জিম্মি করে পরিবহন মালিকরা ব্যবসা করছে করবে, প্রশাসন তাদের কিছু করবে না, কারন তারা প্রশাসনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত ,

তারা নৈরাজ্য করে তাদের অপকর্ম ঠিক বহাল রাখবে, কেউ তাদের কিছু করতে পারিনি পারবেও না, তাদের নেতাকে বাঁচাতে ও নৈরাজ্য ও মানুষ হত্যা বহাল রাখতে, এখন হয়ত এই আন্দোলন কে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য, এক শ্রেণীর উপদেষ্টা ও বুদ্ধিজীবী বলবেন, এই আন্দোলনের সাথে জামাত-বি এন পি জরিত, শুরু হবে আন্দোলন বন্ধের সকল কলাকৌশল, হামলা, মামলা, আক্রমন, ...... বন্ধ হবে আন্দোলন গ্রেফতার/ গুম/ আহত / নিহত হবে আনেক নিরীহরা,

বন্ধ হবে আন্দোলন চলতে থাকবে সড়কে খুন / হত্তা, ২/১ দিন লেখালিখি, তারপর আরেকটা খুন, তারপর ......

এখন কোটি কোটি মানুষ পরিবহনএর কাছে জিম্মি ,
চাওয়া মাত্র তাদের মর্জি মাফিক ভাড়া দিতে হবে,

কিছু মাস আগে সরকার, চিটিং , বাসের বিরুদ্ধে অভিযান এ নামে, তারপর পরিবহন মালিকরা পরিবহন বন্ধ করে, সংবাদে আসে পিছু হটলো সরকার,

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পরবর্তী মন্ত্রী সভায় পরিবহন আইন করা হবে, ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আর এই আইন করা হলে, হয়ত পরিবহন মালিকরা আবার ধর্মঘট করে বলবে এই আইন মানি না, তখন আবার শুরু হবে নৈরাজ্য

"We want Justice for Adnan Tasin"