টপিকঃ সৈনিক জীবন

সৈনিক জীবন
গিনি
পোশাকি সৈনিক দেখি তরুণের মন তড়পায়।
হতে চায় সৈনিক সে, ভাবে হবে শক্তিমান দৃরতায়।
চক চকে লোহার টুপি , হাতে বন্দুক, ভারি বুট,
সে এক বলিষ্ঠ রুপ, অবাক সুন্দর তায়।
ঢোলক, বাঁশী, ঝন ঝনে যখন বিদীর্ণে
তখন সে অতি দর্পে জনপদে তালে হাঁটি যায়।
এ এক স্বপন কেন হয় না সত্য ?
যোগ দেয় সেনা দলে।
প্রস্তুত সুম্মুক্ষে যুদ্ধ আসি দাঁড়ায়।
যুদ্ধ তরী কত জনে সাগর পারে ছাড়ি
দিগন্তে মিলায়।
নিকটেই শুনা যায় বোমা গুলি ধায়।
বাঁকার তৈরী হয়, এ যেন রোমাঞ্চ ময়।
এখন দিন রাতির শেষ নাই পরি থাকে গাড়ায় ।
দিন দুই গত হয় এই বুঝি যুদ্ধ শেষ,
যাবে ফিরে ঘরে শুনাবে কাহিনী কত সেই পরিবেশ।
কিছু পরে গগন ভেদী কি শব্দ হয়,
আকাশ ছেয়ে কালো ভাবে আসে সময় না দেয়।
বিকট শব্দে মাটি কেঁপে উঠে, ছিটকায়ে পরে,
কে যেন চিতকারে,চালাও বন্দুক , ঐ ওরা আসে।
বন্ধু যে ছিল সাথে, ছিল পাশে লুটায়ে পরে,
তারি রক্ত স্রোত ছোটে পায়ের নীচে।
গুলি যেন এলোমেলো কোথা থেকে আসে?
পালাও ,পালাও বলে সবে দেয় দৌড়।
এ গর্ত থেকে অন্য গর্তে পরে, যদি যান বাঁচে।
সারা রাত একি ভাবে পরে থাকে কত,
আধা মরা, হাত ছেঁড়া, পা মোরা, মৃত শত।
জল পানের চেষ্টা নাই, প্রকৃতির ডাকে শরীর ভেজা।
সম্মুখে যাওয়ার পথ বন্ধ, পীছে যাওয়ার উপায় নাই।
কারে দিবে হাঁক, শুধু এ টুকু বলা,
“ ফিরাও আমারে ত্বরা, যুদ্ধ বিভীষিকাময়।
জীবন কি এতোই উচ্ছিষ্ট, যা ক্ষনিক কৌশলে কেড়ে লয়!”