টপিকঃ বিষ

বিষ
গিনি
পশু-পাখি, পোকামাকড় এবং মানবজাতির মধ্যে শারীরিক বিশেষ তফাত হইলো প্রানীকুলের জীবন রখ্যার জন্য বিষ কিংবা বিভিন্ন অংগ আছে যাহা মানুষের নাই|কিন্তু একটিতে সকলেই সমান তাহা হইলো অন্যের বিষ হইতে বাঁচানো|এখানে যে হেরে যায় তাহার সকল কিছু বিপন্ন্য|বিশেষ উল্লেখ্য যে, সর্প বিষের ভয়ে যখন সমস্ত পৃথিবী আতংকীত,তখন সে নিজেও জীহ্বা ধারা শুঁকিয়া কোনো কিছু ভক্ষন করে| কারন সেই ভয়।
ভাবার হইলো মানুষ অতি গোপনে এক প্রকার বিষ সারা জীবন বয়ে বেড়ায় যাহার অবস্থান নির্ণয় দুস্কর| আরও মানুষ অপর মানুষের বিষ কোথায় লুকানো তাহা মুখ দেখিয়া কোনো দিনও ধারনা ক্রিতে পারে না।
মারুফ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র সহপাঠী সখিনার প্রেমে ডুবে|নোট প্রত্র বিনিময় হয়, হাত ধরাধরি হয় এরই মধ্যে সেমিস্টার পরীক্ষা আসন্ন| সখিনার জন্য বিশ্ব বিদ্যালয়ের অনেকের কাছে যায়। নিজে না শিখিয়া সকল নোত স্খিনাকে দেয়। করিডোরে দাঁড়িয়ে যখন সকলে লেখা পড়া আলাপে ব্যস্ত তখ দুজন দুজনার দিকে তাকিয়ে থাকে। মারুফ বলে আর ভালো লাগেনা । কবে যে তোমাকে কাছে পাবো। তখন কিন্তু হাত ছাড়বোই না। দরজায় কেউ নারা দিলেও খুলবো না। স্খিনা মৃদু হেসে শুধু বলে, “দুষ্টু”। মারুফের হ্রদপিন্দ লাফায়। আহা কি মধুর লাগে। বন্ধুরা বলে ,” কিরে তোর চেহারা এমন হয়েছে কেন, কারো সাথে তেমন কথা বলিস না। আড্ডা তে আসিস না, সখিনা তোর খেলো বলে।”।
একদিন সখিনা একটা গাড়ি করিয়া আসে|বন্ধু মারফত মারুফ খবর পায় গাড়ির মালিকের সাথে সখিনার ঘনিস্ততার কথা|চন্চল মারুফ সখিনাকে প্রশ্ন করে|
সখিনা মাথা নিচু করে চাহুনি অন্য দিকে নিয়ে বলে,`ও আমার স্বামী..|`
মারুফ হোস্টেল ছেরে বাসায় আসে|বড়ভাই হাসপাতালে লইয়া যায়|মানসিক ডাক্তার তাকে হাসপাতালে ভর্তী করে|চিকতসা চলে|মারুফ ভালো হয়|বিশ্ববিদ্যালয়ে আর যাওয়া হয় না|
কানে কানে আসে মারুফ বিদেশে গিয়েছে, কিন্তু আসলে কেউ জানেনা সে কোথেয়!
এই বিষ দেখা শুনার বাহিরে। কিন্তু ইহার ব্যপ্তি আকাশের সীমানার ও পারে। ইহাতে শারীরিক কোন ভেদা ভেদ নাই। এই বিষ কোথা হইতে কোথায় বিস্তার লাভ ক্রিলো তাহা আজও অজানা।
যে কষহীন অদৃশ্য বিষ অন্তরে ছড়াইয়া গিয়াছে তাহার বিকৃতি স্থায়ী রুপ লইয়াছে|