টপিকঃ অদৃশ্য শেকড়

অদৃশ্য শেকড়
গিনি
দরজায় বেল বাজে।
হেনা নিজেই দরজা খুলে। এক জন বৃদ্ধ দাঁড়ায়ে। কাঙ্গালের মত জামা, জুতা। একটা পুঁটলি কাঁধে, একটা বস্তা মত হাতে। বলে, " হেনা সেন?"
হেনা-"হ্যা", আপনি?"
বৃদ্ধ-" আমার নাম ভবেশ সেন। ইন্টারনেটের ফ্যামালি ট্রি খুঁজে দেখলাম আমি আর তুমিই শুধু সেন বংশের শেষ পাত্র বা জন এখনো জীবিত।"
হেনা-" একটু দারান!" বলে ভিতরে যায় এবং মিনিট ২ পরে এসে বৃদ্ধের হাতে ১০০ টাকা দিয়ে বলে," আমি একা থাকি। থাকার জায়গা নাই। দুঃখিত।"
বৃদ্ধ-" আমি থাকার জন্য আসি নাই। সেন পরিবারের কিছু আমানত তোমার কাছে দিব বলে এসেছি। ডাক্তার বলেছে আমার আর সময় নাই। এই পুঁটলিতে কিছু গহনা আর সম্পত্তির কাগজ পত্র আছে। আর ঐ বস্তায় প্রায় ২ কোটি টাকা আছে। ইচ্ছা করেই ওটাকে ঐ রকম দুর্গন্ধ মাখিয়ে এনেছি। ও শুধু গন্ধ কোনো ময়লা নাই, নইলে এতো পথ চোর, ডাকাতের জন্য পাড়ি দিতে পারতাম না। এ গুলা তুমি সযত্নে রাখো। সেন বংশের শেষ চিনহ।"
হেনা স্বপ্ন কি না বুঝতে পারেনা। তাঁর টাকার কত প্রয়োজন। কিন্তু ও ত বলল যত্নে রাখতে। তাঁর মানে খরচ ত সাবধানে করতে হবে। এ সবে আমার দাদা দাদি এবং তার পূর্বের মানুষের ছোঁয়া। হেনা আবেগে আপ্লুত হয়ে বৃদ্ধ কে ঘরে আস্তে বলবে,
হেনা কিছু বলার আগেই বৃদ্ধ বড় বড় পা ফেলে সীমানার আর দৃষ্টির বাহিরে যায়। হেনা দ্রজার উপড়েই বসে পরে।

Re: অদৃশ্য শেকড়

আপনার গল্পগুলো এত ছোট কেন? পড়তে না পড়তেই শেষ হয়ে যায়।একটু বড় করে লিখুন না দাদা smile

ডিজিটাল বাংলাদেশে ত আর সাক্ষরের নিয়ম চালু নাই।সবটায় দেখি বায়োমেট্রিক।তাই আর সাক্ষর দিতে পারলাম না।দুঃখিত।

Re: অদৃশ্য শেকড়

চেষ্টা করবো।