টপিকঃ নিশীতের পেঁচা

নিশীতের পেঁচা
গিনি

মৃণাল তার স্ত্রী সুর্দসনিকে নিয়ে গাড়ি করে বাড়ির দিকে ফিরছে, প্রায় মধ্য রাত|সামনের সিটে চালক আর কেয়ারটেকার রমেন|তার বোন জামাইকে হাসপাতালে ভর্তি করে গলি পথে কিছু দুর যাওয়ার পর দুই যুবক মোটরসাইকেল দিয়ে পথ রোধ করে|তাদের হাতে অস্ত্র বলতে শুধু হাত করা|গাড়ি থেকে নামার ঈশারা করে| মৃণাল নামার সাথে সাথে এক যুবক,` এতো রাতে কোথা থেকে!`এদিকে রমেনও পাশে এসে দাড়ায়|যুবকদ্বয় একটু ধারনা করতে পারে সাধারন মানুষ নয়|মৃণাল বলে,`বোন জামাই অস্বুস্থ তাকে হাসপাতালে রেখে ফিরছি, আর আমার কাকা পুলিশ চীফ|`

ইতিমধ্যে ঐ এলাকার নৈশ্য প্রহরীরা জমা হয়|তখন এক যুবক বলে,`ও ,রতন তোমরা আইছো`|যাও এই সাহেবেরে গলির মাথা পর্যন্ত দিয়া আসো|`
রতন গাড়ির সামনের সিটে বসে| গাজার এটেল দূর্গন্ধে গাড়ি ভরে যায়|প্রধান রাস্তা আসার পর রতন নম্সকার করে নেমে যায়|
মৃণাল পিছনের সিটে মাথাটা এলিয়ে চোখ বন্ধ করে, তার কানে আসে-হুত হুতুম আর চোখের সামনে দুটি বড় বড় চোখ এই নিশি রাতে জ্বল জ্বল করে যায়|

Re: নিশীতের পেঁচা

বুঝলাম না কিছুই surprised

মৃন্ময় মানব

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন গিনি (১৩-০২-২০১৮ ০০:১১)

Re: নিশীতের পেঁচা

প্রায় ২২/২৩ বছর পূর্বে ঢাকার অভিজাত এলাকার একটি ঘটনা।

আমার দুলাভাই অসুস্থ হন এবং গুলশানের এক হাসপাতালে ভর্তি হন। আমরা স্বামী-স্ত্রী ও আমাদের একজন কর্মী সেখানে যাই রাত ৯ টা বাজে। এর মধ্যে কখন রাত ২ টা হয় জানা নেই। বেবী ত্যাস্কি দারানো ছিল। আমার ভাগিনা সহ ৪ জন উঠি এবং ভাগিনাকে বনানির ১১ নং রাস্তার বাসায় নামাই। প্রায় ৪/৫ টা বাড়ি যাওয়ার পর দুই আরোহী এক মটর সাইকেলে হাঁতে পুলিশের হাত কড়া আমাদের পথ রুখে। একটু চেচামেচি হয়। পাড়ার নৈশ প্রহরীরা ছুটে আসে। আমি তাদের বলি কেন এতো রাতে ভ্রমণ করছি সাথে সাথে জানতে চাই তারা পুলিশ কিনা এবং আমার চাচার কথা বলি। তখন তারা হাসে এবং একজন নৈশ প্রহরীকে আমাদের সাথে বেবি ট্যাক্সি করে বড় রাস্তা পর্যন্ত যেতে বলে। ঐ নৈশ প্রহরীর শরীর থেকে গাজার গন্ধ হচ্ছিল।
এর নিশাচর । সেদিন আমরা ভাগ্যের জোরে রক্ষা পাই। কিন্তু ঐ সকল রাতের জন সুযোগ পেলেই আঘাত আনবে। পরে জানি ঐ ধরেনের মটর সাইকেল আলারা রাতে সকল দুষ্কর্ম ঐ এলাকায় করে আর নৈশ প্রহরীরা ওদের সাথি। এরা পেচার মত রাত ভর খাদ্যের সন্ধানে থাকে।
কিছু টা হলেও কি বুঝাতে পারলাম। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

Re: নিশীতের পেঁচা

এটা গল্পে খোলসা করলেই হতো neutral

ডিজিটাল বাংলাদেশে ত আর সাক্ষরের নিয়ম চালু নাই।সবটায় দেখি বায়োমেট্রিক।তাই আর সাক্ষর দিতে পারলাম না।দুঃখিত।