টপিকঃ বেলুন

বেলুন
গিনি

ছোট রাবারের ভিতর অধিক বাতাস ভরিয়া দিলেই বেলুন।এখন সহজেই ঠেলিয়া উপরের দিকে দেওয়া যায় এবং ইহাই আনন্দ দেয়।

কিছু মানুষের জীবনও এক প্রকার হাল্কা। তাহাকে ইচ্ছামত উপরে কিম্বা নীচে দেওয়া যায়, ইহাতে রাষ্ট্রের, সমাজের বা পরিবারের কোনই আসে যায় না।

মনু বেলুন বিক্রয় করে। বহু রঙের ও ঢঙ্গের। এক প্রকার মাচায় আটকাইয়া, ঘারে করিয়া হাঁটিয়া বেড়ায়। ১৫ বৎসর বয়স থেকে শুরু প্রায় ১০ বৎসর যাবত ইহা করিয়া আসিতেছে। ইহাতে তাহার দিনের খাওয়ার খরচ হয়। বস্ত্রের জন্য দানের উপর ভরসা।
এখন তাহার পূর্ণ যৌবন।
চঞ্চলা মেয়ে দেখলে আনন্দ আসে। মনে হয় একটা বেলুন এমনি দিয়া আসে। সাহস হয় না। তাহার আসা হয় একদিন এই কাজ ছাড়িয়া দোকানে কাজ নিবে। তারপর নিজে দোকান দিবে। তারপরঐ যে মিষ্টি হাসির মেয়েটিকে নিয়ে থাকবে ঐ নতুন টিনের ঘরে। না না চিন্তায় পথে হাটে। দেখে ঐ ত সেই মেয়েটি আজ গলার মালাটি দুলিয়ে তার দিকেই ছুটে আসছে। কেমন যেন লোম গুলা দাঁড়ায়ে যাচ্ছে। মালাটা বড় চিক চিক করছে। সে হাত বাড়ায়।

বড় এক খানা ট্রাক দ্রুত চলে যায়।
চিৎকার শোনা গেল ধর ধর।
বেলুন বেশ কিছু ফাটিয়ে গেছে, কিছু বাতাসে নড়চড় করিতেছে।

পুলিশের একটি ফাইল হইলো "অজ্ঞাত নামা"। বছর কিছু পরে ফাইলটি অতিরিক্ত হিসাবে পোড়ানো হবে।

Re: বেলুন

sad
জীবনটা বোধ করি এমনই। sad
সময়ফুরোলে পোড়া ফাইলের ছাই হয়ে যায় সকলে sad

ডিজিটাল বাংলাদেশে ত আর সাক্ষরের নিয়ম চালু নাই।সবটায় দেখি বায়োমেট্রিক।তাই আর সাক্ষর দিতে পারলাম না।দুঃখিত।