টপিকঃ মধু সেবনের ১২ টি আশ্চর্য উপকারিতা

Al-Amin Honey

মধুর উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সকলেই কমবেশি জানি। আমরা "মধুর উপকারিতা" লিখে যদি গুগল এ সার্চ করি তাহলেও আমরা অনেক ওয়েবসাইট পেয়ে যাব। যেখান থেকে আমরা শত শত উপকারিতা সম্পর্কে জানতে পারবো। কিন্তু আমি অনেক ওয়েবসাইট/ব্লগ সার্চ করে অনেক উপকারিতা এর ভেতর বাচাই করে তার ভেতর থেকে মাত্র ১২ টি উপকারিতা সম্পর্কে আজকে এখানে বলবো ইনশাআল্লাহ্‌। এই ১২ টি উপকারিতা সম্পর্কে জানলে আপনি অনেক উপকৃত হবেন। তবে মনে রাখবেন, মধুর উপকারিতা শুধুমাত্র এই ১২ টির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নই। মধুতে আছে জানা-অজানা অসংখ্য উপকারিতা।

আরও জানুনঃ মৌমাছি সম্পর্কে ১০ টি বিস্ময়কর তথ্য

মধুতে মানবদেহের জন্য এতটাই উপকার রয়েছে, যার সম্পর্কে সাত আসমান এর উপর থেকে স্বয়ং আল্লাহ্‌ তায়ালা এই ব্যাপারে বিস্তারিত বলেছেন এবং রাসূল (সাঃ) নিজে মধু পছন্দ করতেন ও তার (সাঃ) উম্মাত এর জন্য সুন্নাত হিসেবে রেখে গেছেন কিয়ামত পর্যন্ত।

এখন ব্যাপারটা আরও স্পষ্ট হয়ে গেল। তবে মনে রাখতে হবে যে, মধুর উপকার সঠিক ভাবে পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে খাঁটি মধু নির্বাচন করতে হবে। যদিও খাঁটি মধু পাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য তবে অসম্ভব নই। আপনি আপনার এলাকা থেকে খাঁটি মধু সংগ্রহ করতে পারেন অথবা অনালাইন থেকেও বিশ্বাসযোগ্য ওয়েবসাইট থেকে কিনতে পারেন। তবে আপনারা চাইলে Al-Amin Honey (আল-আমিন মধু) থেকেও খাঁটি মধু কিনতে পারেন। এখানে শতভাগ নিশ্চয়তার সাথে ১০০% খাঁটি মধু পাবেন ইনশাআল্লাহ্‌।

মধু চিকিৎসা বিজ্ঞান একটি অন্যতম উপাদান। মুধুকে বলা হয় সর্বরোগের ওষুধ। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- মধুর ব্যবহার সবখানে।

আসুন জেনে নিই মধুর ১২ টি আশ্চর্য উপকারিতা সম্পর্কে

ওজন কমায় মধু
প্রতিদিন সকালে মধু খেলে শরীরের বাড়তি ওজন কমে। বিশেষ করে যদি সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খাওয়া হয়, তাহলে ওজন কমে কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়া প্রতিদিন নিয়মিত মধু খেলে পাকস্থলী পরিষ্কার থাকে, শরীরের বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায়

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়
ঘুমানোর আগে এক চামচ মধু খেলে তা মস্তিষ্কের কাজ সঠিক ভাবে চালাতে খুব সাহায্য করে। এতে মস্তিষ্কের শক্তি তথা বুদ্ধি বাড়ে। যেকোনো কাজে মস্তিষ্ক আগের চেয়ে বেশি সক্রিয় হয়। যাদের মাথা খাটিয়ে কাজ করতে হয়, তাদের জন্য মধু এনে দেয় নতুন উদ্যম ও সৃষ্টিশীলতা।

আয়ু বৃদ্ধি করে
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নিয়মিত যারা মধু ও সুষম খাবারে অভ্যস্ত, তারা তুলনামূলক বেশি কর্মক্ষম।

শক্তি বাড়াতে মধু
মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি। এই প্রাকৃতিক চিনি শরীরে শক্তি যোগায় এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের মিষ্টির প্রতি ঝোক রয়েছে, তারা অন্য মিষ্টি খাবারের বদলে মধু খেতে পারেন।

হৃৎপিণ্ডের সমস্যার ঝুঁকি হ্রাস করতে মধু
মধুর সাথে দারচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। রক্তনালী পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। মধু ও দারচিনির এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হৃদরোগের ঝুকি অনেকাংশে কমে যায়।

ব্যথা নিরাময়ে
শরীরের জোড়ায় জোড়ায় ব্যথা থাকলে তা থেকে দ্রুত মুক্তি মেলে মধু খাওয়ার মাধ্যমে। যে অবাঞ্ছিত রসের কারণে বাতের জন্ম, সেই রস অপসারাণে মধু বিশেষ ভূমিকা রাখে। ফলে বাতের ব্যাথা সেরে যায়।

হজমে সাহায্য করে
মধু পেটের অম্লীয়ভাব কমিয়ে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। হজমের সমস্যা অনেকাংশে দূর করার জন্য প্রতিবার ভারী খাবারের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। ভালো ফলের জন্য প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খেতে পারেন।

রক্ত পরিষ্কার করে
এক গ্লাস হালকা গরম পানির সাথে এক বা দুই চামচ মধু এবং এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খেতে পারেন। এটা রক্ত ও রক্তনালী পরিষ্কার করে।

হাঁপানি রোধে
আধা গ্রাম গুঁড়া গোলমরিচের সাথে সমপরিমাণ মধু এবং আদা মিশিয়ে দিনে অন্তত তিন বার খেলে হাঁপানির সমস্যা অনেকটা দূর হয়।

গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি
হজম সমস্যার সমাধানেও কাজ করে মধু। একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন তিন বেলা দুই চামচ করে মধু বেশ উপকারী। এতে করে গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি মেলে সহজেই।

ত্বক নমনীয় করে
মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। হিউম্যাকটেন্ট যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত।

কাশি নিরাময়ে
দীর্ঘমেয়াদী হোক আর স্বল্পমেয়াদী হোক, যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিতে পারেন।

সূত্রঃ bd24live.com

Founder & CEO at Tarbiyah Shop
খাঁটি মধুর একটি নির্ভরযোগ্য উৎস
Buy Pure Honey