টপিকঃ অনীশ - হুমায়ূন আহমেদ (কাহিনী সংক্ষেপ)

https://previews.pdf-archive.com/2017/05/04/onish/preview-onish-1.jpg
বইয়ের নাম : অনীশ
লেখক : হুমায়ূন আহমেদ
লেখার ধরন : মিসির আলি বিষয়ক উপন্যাস
প্রকাশনা : অনুপম প্রকাশনী
প্রথম প্রকাশ : ১৯৯২ ইং
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৫৯


পাঠকদের মনে রাখতে হবে আমার লেখা অন্যসব কাহিনী সংক্ষেপের মতো এই কাহিনী সংক্ষেপটিও স্পয়লার দোষে দুষ্ট। এই কাহিনী সংক্ষেপে সম্পূর্ণ বইয়ের মূল কাহিনীর ধারাবাহিক বর্ননা করা হয়েছে। প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাই এখানে উল্লেখ আছে।

কাহিনী সংক্ষেপ:
অসুস্থ মিসির আলি ভর্তী হয়েছেন হাসপাতালে। সেখানেই ঘটনাচক্রে পরিচয় হয় রূপা নামের এক মহিলার সাথে। রূপা তার জীবনের এক বিচিত্র কাহিনী লিখা ডায়রি দেন মিসির আলিকে পড়তে। ডায়রি পড়ে মিসির আলি জানতে পারেন। পিতা ছাড়া রূপা বড় হয়েছে তার মায়ের সাথে। তার মা ছিল মানসিক ভারসাম্যহীন। কলেজে পড়ার সময় রূপা মার সাথে রাগ করে ৫ দিন তার বান্ধবীর বাড়িতে লুকিয়ে থাকে। ৫ দিন পরে বাড়ি ফিরলে মা রূপাকে ইমোশনালি ব্ল্যাক মেইল করে আগে থেকে ঠিক করে রাখা এক এতিম ছেলের সাথে বিয়ে দিয়ে দেন।


ছেলেটি বিয়ের পরেই রূপাকে অবিশ্বাস করতে শুরু করে। ৫ দিন রূপা কোথায় ছিল সেটাই তার সন্দেহের কারণ। বিয়ের দু’মাস পরেই রূপা পেগনেন্ট হয়। তার স্বামী সন্দেহ করে এই সন্তানের পিতা অন্য কেউ। তার স্বামী বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। বলে যায় বাচ্চাটা মারা গেলে সে ফিরে আসবে। বাচ্চাটা জন্মের পরে রূপা খুব অসুস্থ হয়ে পরে। কিছুদিনের মধ্যেই তার বাচ্চাটা মারা যায়। কিন্তু এরপর থেকেই রূপা তার মৃত বাচ্চার কান্না শুনতে পারে। দিনের পর দিন এভাবে চলতে থাকে। বছর খানেক পরে রূপা তার মৃত বাচ্চার মা ডাক শুনতে পায়। বছর তিনেক পরে বাচ্চাটির কথা শুনতে পায়।


মিসির আলি এতটুকু পড়েই বুঝতে পারে রূপার বাচ্চাটি জীবিত আছে। রূপার মা কোথাও বাচ্চাটিকে লুকিয়ে রেখেছেন। বিচিত্র কোন কারণে রূপা আর তার বাচ্চার মধ্যে একধরনের টেলিপ্যাথি যোগাযোগ তৈরি হচ্ছে। মিসির আলির বক্তব্য শুনে রূপা তার বাচ্চাটিকে খুঁজে পায়।
-------------------------------------------------------------- সমাপ্ত --------------------------------------------------------------

আমার লেখা অন্যান্য কাহিনী সংক্ষেপ
ভয়ংকর সুন্দর – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
সবুজ দ্বীপের রাজা – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
পাহাড় চূড়ায় আতঙ্ক – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ভূপাল রহস্য – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
খালি জাহাজের রহস্য – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
মিশর রহস্য – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

তিতাস একটি নদীর নাম – অদ্বৈত মল্লবর্মণ

ফার ফ্রম দ্য ম্যাডিং ক্রাউড - টমাস হার্ডি

কালো বিড়াল - খসরু চৌধুরীর

মর্নিং স্টার - হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড
ক্লিওপেট্রা - হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড

১৯৭১ – হুমায়ূন আহমেদ
অচিনপুর – হুমায়ূন আহমেদ
অয়োময় – হুমায়ূন আহমেদ
অদ্ভুত সব গল্প – হুমায়ূন আহমেদ
আজ আমি কোথাও যাব না – হুমায়ূন আহমেদ
আজ চিত্রার বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ
আজ দুপুরে তোমার নিমন্ত্রণ – হুমায়ূন আহমেদ
গৌরীপুর জংশন – হুমায়ূন আহমেদ
হরতন ইশকাপন – হুমায়ূন আহমেদ

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।