টপিকঃ শরীরের মারাত্মক ক্ষতি ওয়াইফাই ব্যবহারে

গোটা বিশ্ব আজ ইন্টারনেটের জালে আবদ্ধ। এখন ইন্টারনেট ছাড়া বর্তমান জীবন ভাবাটাই দায় হয়ে পড়েছে ।আর ওয়াইফাই'র দৌলতে তা আরও হাতের মুঠোয়। কিন্তু, এই ওয়াইফাই কি শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়? এত বেশি ওয়াইফাই ব্যবহারের কোনো প্রভাব কি আমাদের শরীরে পড়ে না? উত্তর হল হ্যাঁ। কারণ, কোনো ডিভাইস-এর সঙ্গে ওয়াইফাইকে কানেক্ট করতে হলে কেবল লাগে না। WLANএর মাধ্যমে তা কানেক্ট করা হয়। এই WLAN সিগন্যাল বা ইলেক্ট্র ম্যাগনেটিক ওয়েভ মানব শরীরের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। বরং এর জেরে মানব শরীরের বৃদ্ধির ক্ষতি হয়।শুধু প্রাণী নয়, উদ্ভিদও এর প্রভাব থেকে বাঁচতে পারে না। WLANএর সিগন্যালের ফলে যে ল্যুপ সৃষ্টি হয়, তার প্রভাব অত্যন্ত ক্ষতিকর।এর ফলে যে সমস্যাগুলি দেখা দিতে পারে তা হলো মনোযোগের সমস্যা,
ঘুমের সমস্যা, মাঝেমধ্যেই মাথা যন্ত্রণা, কানে ব্যথা ও ক্লান্তি।ওয়াইফাই'র ব্যবহার আর ফলে আমাদের যে  শরীরিক সমস্যা দেখা
দিতে পারে তা সমাধানের কিছু উপায় নিম্নে তুলে ধরা হলো
১। ঘুমানোর সময় ওয়াইফাই কানেকশন বন্ধ রাখুন
২। যখন ব্যবহার করছেন না ওয়াইফাই বন্ধ রাখুন
৩। বেডরুম বা রান্নাঘরে ওয়াইফাই'র রাউটার বসাবেন না।
৪। মাঝেমধ্যে কেবল-এর সাহায্যে ফোন ব্যবহার করুন। ওয়াইফাই বন্ধ রাখুন সে সময়ে।
বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা গেছে, উক্ত পদক্ষেপের মাধ্যমে ওয়াইফাই'র কু-প্রভাব কমানো সম্ভব। তাই আপনাদের বাড়িতে ওয়াইফাই থাকলে, আপনারাও এখনি শুরু করুন ।

Re: শরীরের মারাত্মক ক্ষতি ওয়াইফাই ব্যবহারে

কি করব ভাই বলেন?আমি না হয় ওয়াইফাই বন্ধ রাখব কিন্তু পাশের ফ্ল্যাট কিংবা উপর/নীচের ফ্ল্যাট কি পাশের বিল্ডিং অন্তত গোটা বিশেক SSID ঘুরে বেড়াচ্ছে।

আমাদের দেশের সকল রাজনীতিবিদদের প্রতি আকুল আবেদনঃ- "আপনারা আপনাদের পরিবারকে যতটুকু ভালবাসেন,জনগনের টাকাকে যতটুকু ভালবাসেন তার চেয়েও কিঞ্চিত পরিমান কম হলেও এই দেশটাকে ভালবাসুন।দেশের মানুষদের ভালবাসুন।দেখবেন সব কিছু ঠিক হয়ে গেছে"।

Re: শরীরের মারাত্মক ক্ষতি ওয়াইফাই ব্যবহারে

শম্পা লিখেছেন:

৪। মাঝেমধ্যে কেবল-এর সাহায্যে ফোন ব্যবহার করুন। ওয়াইফাই বন্ধ রাখুন সে সময়ে।

ওয়াইফাই বন্ধ রেখে কেবলের সাহায্যে মোবাইলে কিভাবে ইন্টারনেট কানেক্ট করবো, মনে মনে সেটাই চিন্তা করছি।   whats_the_matter

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: শরীরের মারাত্মক ক্ষতি ওয়াইফাই ব্যবহারে

এক্সপার্ট অপিনিয়ান আশা করছি এখানে।

এম. মেরাজ হোসেন
IQ: 113
http://www.iq-test.cc/badges/4774105_3724.png

Re: শরীরের মারাত্মক ক্ষতি ওয়াইফাই ব্যবহারে

ওয়াইফাই ওয়েব আদৌ শরীরের কোন ক্ষতি করে কিনা এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। নতুন তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত এসব চিলে কান নিয়ে গেছে টাইপ দাবি। অতএব এব্যাপারে কিছু বলছিনা।

বরং অন্য কিছু তথ্য দিই.

একটা সাধারন রাউটার সর্বসাকুল্যে ৫ ওয়াট এর মত শক্তি খরচ করে। আমার ঘরে পুরান রাউটারটার ওয়াট মাপলাম...
রাউটার লাগানোর আগে
https://s29.postimg.org/p6qusmt13/screenshot_515.jpg

রাউটার লাগিয়ে, চালুদিয়ে, ওয়াইফাই ব্রডকাস্ট শুরুকারার পরে
http://s29.postimg.org/7xadu137b/screenshot_516.jpg

ডিফারেন্স ৩.৬ ওয়াট। এই ওয়াটের ৯০ ভাগ যায় অনবোর্ড সার্কিট/সিপিওর পেছনে।

ট্রান্সমিটার থেকে যে ওয়াইফাই সিগনাল বেরুয় তা ২৪৫৪ মে:হা: ফ্রিকুয়েন্সির, এবং সর্বোচ্চ পাওয়ার ২০ ডিবিএম। ২০ ডিবিএম হল ১০০ মিলিওয়াটের সমতুল্য। যেখানে একটা সাধারন সেলফোনের ট্রান্সমিট পাওয়ার ৩৫/৪০ ডিবিএম!

এরপর এই ১০০ মিলিওয়াটের সম্পুর্ন শক্তি আপনার দিকে আসছেনা। রাউটারের ওয়াই ফাই এন্টেনা হয় অমনি-ডাইরেক্টশনাল। মানে এন্টেনা থেকে ৩৬০ ডিগ্রি সবদিকে। আপনি যদি এন্টেনা থেকে মাত্র ২ মিটার দুরে থাকেন। আপনার শরীরে মোট শক্তি আসবে ২মিটার রেডিয়াসের গোলকপৃষ্ঠে আপনার শরীরের দৈর্ঘ্য X প্রস্থের সমান। কতটুকু? অংক না করে অনুমান করছি ৮০ ভাগের একভাগের মত হবে... দুই মিটার না হয়ে রাউটার থেকে ৪মিটার দুরে দাড়ালে সেটা হবে ৩/৪শত ভাগের একভাগ। মানে রাউটারথেকে ৪মিটার দুরে ১০০মিলিওয়টারে চারশ ভাগের এক ভাগ শক্তি আপনার শরীরের দিকে নির্গত হবে। কত? ০.২৫ মিলিওয়াট।

এর পর বায়ু মাধ্যমে যেকোন রেডিও সিগনালের কার্যকর শক্তি ধারন সম্ভবত দুরত্ব বর্গের সমানুপাতিক। অতএব নির্গত .২৫ মিলিওয়াএর একটা ছোট অংশ আপনার শরীরে এসে পৌছবে।

এর পর ২.৪ গি:হা ফ্রিকুয়েন্সি যথেস্ট ছোট ওয়েব লেন্থ। মানে ওয়েব আমার শরীরে লেগে কিছুটা বিকিরিত হবার পর। বাকি পুরোটাই আমার শরীর ভেদকের চলে যাবে। খুবই ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র অংশ আমার শরীরের ক্ষতি সাধনে ব্যায় হবে। সেই শক্তি ০.০০...০১ ওয়াট কতটা শক্তিশালী তা তুলনা করতে আগের শক্তি সম্পর্কিত টপিক গুলো দেখুন! আমি বলছিনা কোন ক্ষতি হয়না। হয়তো হয়। তবে আমি মোটেও ভীত নই।

Re: শরীরের মারাত্মক ক্ষতি ওয়াইফাই ব্যবহারে

সদস্য ভাই  hug
মোবাইলেরটা মনে হয় মোটামুটি প্রমাণিত। তারপরও সেই জিনিস ঘুমানোর টাইমেও মাথায় পাশে না রাখলে চলে না। সারাদিন তো সাথে আছেই। আর এইসব ছোটখাটো ওয়াফাই নিয়া চিন্তা করার টাইম কই!

Re: শরীরের মারাত্মক ক্ষতি ওয়াইফাই ব্যবহারে

সদস্য_১ লিখেছেন:

ওয়াইফাই ওয়েব আদৌ শরীরের কোন ক্ষতি করে কিনা এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। নতুন তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত এসব চিলে কান নিয়ে গেছে টাইপ দাবি। অতএব এব্যাপারে কিছু বলছিনা।

বরং অন্য কিছু তথ্য দিই.

একটা সাধারন রাউটার সর্বসাকুল্যে ৫ ওয়াট এর মত শক্তি খরচ করে। আমার ঘরে পুরান রাউটারটার ওয়াট মাপলাম...
রাউটার লাগানোর আগে
https://s29.postimg.org/p6qusmt13/screenshot_515.jpg

রাউটার লাগিয়ে, চালুদিয়ে, ওয়াইফাই ব্রডকাস্ট শুরুকারার পরে
http://s29.postimg.org/7xadu137b/screenshot_516.jpg

ডিফারেন্স ৩.৬ ওয়াট। এই ওয়াটের ৯০ ভাগ যায় অনবোর্ড সার্কিট/সিপিওর পেছনে।

ট্রান্সমিটার থেকে যে ওয়াইফাই সিগনাল বেরুয় তা ২৪৫৪ মে:হা: ফ্রিকুয়েন্সির, এবং সর্বোচ্চ পাওয়ার ২০ ডিবিএম। ২০ ডিবিএম হল ১০০ মিলিওয়াটের সমতুল্য। যেখানে একটা সাধারন সেলফোনের ট্রান্সমিট পাওয়ার ৩৫/৪০ ডিবিএম!

এরপর এই ১০০ মিলিওয়াটের সম্পুর্ন শক্তি আপনার দিকে আসছেনা। রাউটারের ওয়াই ফাই এন্টেনা হয় অমনি-ডাইরেক্টশনাল। মানে এন্টেনা থেকে ৩৬০ ডিগ্রি সবদিকে। আপনি যদি এন্টেনা থেকে মাত্র ২ মিটার দুরে থাকেন। আপনার শরীরে মোট শক্তি আসবে ২মিটার রেডিয়াসের গোলকপৃষ্ঠে আপনার শরীরের দৈর্ঘ্য X প্রস্থের সমান। কতটুকু? অংক না করে অনুমান করছি ৮০ ভাগের একভাগের মত হবে... দুই মিটার না হয়ে রাউটার থেকে ৪মিটার দুরে দাড়ালে সেটা হবে ৩/৪শত ভাগের একভাগ। মানে রাউটারথেকে ৪মিটার দুরে ১০০মিলিওয়টারে চারশ ভাগের এক ভাগ শক্তি আপনার শরীরের দিকে নির্গত হবে। কত? ০.২৫ মিলিওয়াট।

এর পর বায়ু মাধ্যমে যেকোন রেডিও সিগনালের কার্যকর শক্তি ধারন সম্ভবত দুরত্ব বর্গের সমানুপাতিক। অতএব নির্গত .২৫ মিলিওয়াএর একটা ছোট অংশ আপনার শরীরে এসে পৌছবে।

এর পর ২.৪ গি:হা ফ্রিকুয়েন্সি যথেস্ট ছোট ওয়েব লেন্থ। মানে ওয়েব আমার শরীরে লেগে কিছুটা বিকিরিত হবার পর। বাকি পুরোটাই আমার শরীর ভেদকের চলে যাবে। খুবই ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র অংশ আমার শরীরের ক্ষতি সাধনে ব্যায় হবে। সেই শক্তি ০.০০...০১ ওয়াট কতটা শক্তিশালী তা তুলনা করতে আগের শক্তি সম্পর্কিত টপিক গুলো দেখুন! আমি বলছিনা কোন ক্ষতি হয়না। হয়তো হয়। তবে আমি মোটেও ভীত নই।

থ্যাংক ইউ, এত ভালোমত এক্সপ্লেইন করার জন্য

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত