টপিকঃ মহামারি রুখতে এইডসের টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ

মরণঘাতি ভাইরাস এইচআইভি। এই রোগের কোন চিকিৎসা এর আগে উদ্ভাবিত হয়নি। কিন্তু এইচআইভি ভাইরাস প্রতিরোধে নতুন টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করা হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। পাঁচ হাজার ৪শ’ মানুষের ওপর এ টিকা প্রয়োগ করা হবে। দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রায় ৭০ লাখ মানুষ এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত। এ কারণেই ওই অঞ্চলে টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হচ্ছে। এ টিকাতে মানুষ এইচআইভি ভাইরাস    
প্রতিরোধের সক্ষমতা অর্জন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০০৯ সালে থাইল্যান্ডে এইডস এর একটি টিকার পরীক্ষামূলক ব্যবহারের ভিত্তিতেই এবারের টিকাটি পরীক্ষা করা হচ্ছে। ওই পরীক্ষায় প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষকে এইচআইভি থেকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকাতেও টিকা প্রয়োগে ৪ বছরের মধ্যে ফল পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ১৯৮৩ সালে এইচআইভি ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই এর একটি কার্যকর টিকা তৈরির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু মারণ ব্যাধি রুখতে চূড়ান্ত সফলতায় পৌঁছতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। সাম্প্রতিক গবেষণায় চূড়ান্ত সাফল্য পাওয়ারই আশা করা হচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় শুরু হওয়া নতুন টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগের আওতায় এইচআইভি আক্রান্তদেরকে বছরে ৫ টি টিকা দেওয়া হবে।   এইডসের মহামারি রুখতে নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এই টিকা সফলতা পেলে এইডসের মহামারি ঠেকানো যাবে।

Re: মহামারি রুখতে এইডসের টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ

মহামারি রুখতে এইডসের টিকার পরীক্ষা নিরীক্ষা না করে, এইডস যে কারনে হয় তা রোধ করলেই তো হয়

Re: মহামারি রুখতে এইডসের টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ

ওয়াচডগ লিখেছেন:

মহামারি রুখতে এইডসের টিকার পরীক্ষা নিরীক্ষা না করে, এইডস যে কারনে হয় তা রোধ করলেই তো হয়

যেমনঃ রক্তদান, না জেনে অন্যের ব্যবহার করা সিরিঞ্জ ব্যবহার করা, বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা না করা অথবা HIV নিয়ে জন্ম না নেওয়া? নাকি শুধু বিবাহ বহির্ভুত কর্মকান্ডের কথা বোঝাতে চাচ্ছেন?

এই ব্যাক্তির সকল লেখা কাল্পনিক , জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিল পাওয়া গেলে তা সম্পুর্ন কাকতালীয়, যদি লেখা জীবিত অথবা মৃত কারো সাথে মিলে যায় তার দায় এই আইডির মালিক কোনক্রমেই বহন করবেন না। এই ব্যক্তির সকল লেখা পাগলের প্রলাপের ন্যায় এই লেখা কোন প্রকার মতপ্রকাশ অথবা রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না।