সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন নিয়াজ মূর্শেদ (০১-১২-২০১৬ ১২:১৮)

টপিকঃ রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্ক তলানীতে

সাংস্কৃতিক দিক থেকে বাংলাদেশের মানুষ ভারতমুখী বিধায় আরেক প্রতিবেশী মিয়ানমারের ব্যাপারে বরাবরই বাংলাদেশিরা উদাসীন। আমাদের রাজনীতি ভারতমুখী বিধায় মিয়ানমার যে আমাদের আরেক প্রতিবেশী রাষ্ট্র অনেকে জানেই না। শুধু ভারত, ভারত, ভারত নিয়ে অত্যধিক ব্যস্ত থাকায় আমাদের দেশের ব্যাপারে বার্মিজরা কি ধারনা পোষন করে সেটা আমরা জানতে মোটেই আগ্রহী নই। আর এতেই  বার্মিজরা বাংলাদেশিদের জঙ্গী ও বাংলাদেশকে জঙ্গীবাদের স্বর্গরাজ্য মনে করে। আর এতেই দুঃসহ অন্ধকার নেমে এসেছে বাঙ্গালী বংশোদ্ভূত রোহিঙ্গাদের জীবনে যারা বার্মিজ দৃষ্টিতে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী।

https://s22.postimg.org/mqa2fo7pt/15134530_1113792922052287_1066079245446362666_n.jpg

https://s15.postimg.org/czc09f9yj/15253387_1113792865385626_2096836699447740201_n.jpg

https://s16.postimg.org/4tn5cvbqt/15109438_1113792862052293_4651997858290335819_n.jpg



মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কড়া প্রতিবাদ বাংলাদেশের

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর বর্বর নির্যাতনের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বুধবার বিকালে ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত মিউ মিন্ট থানকে ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুল আহসান এ প্রতিবাদের কথা জানান।

এসময় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের হাতে একটি প্রতিবাদ পত্রও তুলে দেয়া হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বেরিয়ে রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুল আহসান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের বিষয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছি। অবিলম্বে এসব বন্ধ করার জন্য বলেছি।

জবাবে বার্মার রাষ্ট্রদূত খবরের কাগজে প্রকাশিত এসব সংবাদকে বানোয়াট বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, প্রকৃত অর্থে এমন কিছুই হচ্ছে না।

https://dailyreports24.com/bangla/%E0%A … %E0%A7%87/

Re: রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্ক তলানীতে

এটার একটা শেষ দেখা উচিত।  shame

<?php echo "... করি বাংলায় চিৎকার"; ?>

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন নিয়াজ মূর্শেদ (০১-১২-২০১৬ ১২:১১)

Re: রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্ক তলানীতে

roll


http://www.channelnewsasia.com/image/2946122/1468162237000/large16x9/768/432/myanmar-protests.jpg

http://ichef.bbci.co.uk/images/ic/528xn/p02sbyrr.jpg

http://www.humanosphere.org/wp-content/uploads/2016/09/REUTERS-Rohingya-panel-protests.jpg

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন নিয়াজ মূর্শেদ (১৩-০৯-২০১৭ ০১:২৯)

Re: রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্ক তলানীতে

donttell

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নেই, সবাই বাঙালি অনুপ্রবেশকারী: সেনাপ্রধান

বণিক বার্তা অনলাইন | ১১:৩৭:০০ মিনিট, মার্চ ২৮, ২০১৭

http://bonikbarta.net/bangla/uploads/news/2017/03/base_1490683641-1.jpg

মিয়ানমারের সংঘাত কবলিত রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা মুসলিমদের নাগরিকত্বের দাবি নতুন করে প্রত্যাখ্যান করলেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হাইং। রাখাইন রাজ্যে কোনো রোহিঙ্গা নেই, স্থানীয়রা বাঙালি অনুপ্রবেশকারী বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

স্থানীয় সময় সোমবার (১৭ মার্চ) দেশটির সশস্ত্র বাহিনী দিবসে দেয়া ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বকে ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছি, আমাদের দেশে কোনো রোহিঙ্গা নেই। রাখাইন রাজ্যের বাঙালিরা মিয়ানমারের নাগরিক নন। তারা সবাই বাইরে থেকে এদেশে এসে বসবাস করছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কি করা উচিত সে ব্যাপারে আইন অনুযায়ী আমাদের দায়িত্ব আছে। আমাদের সার্বভৌমত্বকে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও বর্ণবৈষম্যজনিত সংকট থেকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব আমাদের।’

গত বছরের ৯ অক্টোবর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কয়েকটি সীমান্ত পোস্টে সন্ত্রাসীদের হামলায় নয় সীমান্তরক্ষী নিহত হন। এর পর থেকেই রাজ্যের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোয় অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। ছড়িয়ে পড়ে সংঘাত। শরণার্থী হন অসংখ্য রোহিঙ্গা।

স্থানীয় রোহিঙ্গাদের ওপর রাষ্ট্রীয় মদদে পরিচালিত এসব বর্বর নির্যাতন ও সম্ভাব্য মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘের তদন্ত প্রস্তাবের নিন্দা জানান দেশটির সেনাপ্রধান। এর আগে দেশটির নোবেল বিজয়ী গণতন্ত্রকামী নেত্রী অং সাং সু চি’র নেতৃত্বাধীন কমিশনও এ প্রস্তাবের সমালোচনা করেছিল।

দীর্ঘদিন দেশটি সামরিক শাসনের অধীনে ছিল। মিয়ানমারে বর্তমানে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় থাকলেও রাষ্ট্র পরিচালনায় সেনাবাহিনীর প্রভাব সুস্পষ্ট। সেনা ও গণতান্ত্রিক উভয় সরকারই রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিতে নারাজ। দেশটির শাসনযন্ত্র বরাবরই তাদের বাঙালি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে এসেছে।

সম্প্রতি মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর নির্যাতনের বিষয়টি তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল। অন্যদিকে বাস্তুচ্যুত মুসলিম রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিক কফি আনানের নেতৃত্বাধীন কমিশন। তাদের নাগরিকত্ব দেয়ার পাশাপাশি সব রকমের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়েছে।



রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত ইয়াঙ্গি লি। মিয়ানমার সরকার হয়তো দেশটির ভূখণ্ড থেকে সব রোহিঙ্গাকে বের করে দিতে চাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। আর এর মাধ্যমে দেশটি মানবতা বিরোধী অপরাধ করছে বলেও তার মত।

মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র মতে, এখন পর্যন্ত সীমান্ত পেরিয়ে শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে প্রবেশ করা রোহিঙ্গার সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ৯৪৮ জন। অন্যদিকে জাতিসংঘের মতে, গত তিন মাসে অন্তত ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছেন।

http://bonikbarta.net/bangla/news/2017- … %E0%A6%A8/