সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (০৯-১১-২০১৬ ১৪:২৯)

টপিকঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

সব ধরনের জরিপ কে কাচ-কলা দেখিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ের পথে ট্রাম্প

>>ট্রাম্প ২৪৪টি ও হিলারি ২১৫টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেয়েছেন। প্রেসিডেন্ট হতে হলে ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের মধ্যে ২৭০টি পেতে হবে।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

>>ট্রাম্প ২৪৪টি ও হিলারি ২১৫টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেয়েছেন। প্রেসিডেন্ট হতে হলে ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের মধ্যে ২৭০টি পেতে হবে।

264 already

Calm... like a bomb.

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (০৯-১১-২০১৬ ১২:৫৫)

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

invarbrass লিখেছেন:

264 already

এখন 267


>> ট্রাম্প জয়ে সবচেয়ে বেশী লাভবান হবে হলো US কমেডি শো গুলো। আগামী চার বছর ধরে ট্রাম্প প্রচুর কনটেন্ট দেবে । শুধু ট্রাম্প এর সাপ্তাহিক কর্মকাণ্ড নিয়েই ৩০ মিনিট সুন্দর ভাবে টানা যাবে।

>> ট্রাম্প  জয়ে সবচেয়ে বেশী হবে পরিবেশের । কারণ গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলে কিছু আছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না।

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

প্যাথেটিক ব্যাপার হচ্ছে যে, হাউজেও রিপাব্লিকানরা জিতে গিয়েছে। সিনেটেও জেতার পথে। সবচেয়ে ক্ষমতাধর প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছে হারামীটা। তবে হ্যাঁ, যদি আইন বিষয়ে লেখাপড়া করে পাশ করার পর দীর্ঘদিন রাজনীতি করে সিনেটে আসা সিনেটররা যদি টাকা আর চাপার জোরে ক্ষমতায় আসা হারামীটাকে মানতে না পারে, তাহলে ট্রাম্প বিল-টিল পাশ করাইতে ভালোই ঝামেলায় পড়বে।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

অমার আগে থেকেই মনে হচ্ছিল এই ব্যাটাই জিতবে
হে: হে: তাই অগে থেকেই সিগ্নেচারে......

  “যাবৎ জীবেৎ সুখং জীবেৎ, ঋণং কৃত্ত্বা ঘৃতং পিবেৎ যদ্দিন বাচো সুখে বাচো, ঋণ কইরা হইলেও ঘি খাও.

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

https://img1.steemit.com/0x0/https://pbs.twimg.com/media/CnvHsw3WEAE_plO.jpg

টিপসই দিবার চাই....স্বাক্ষর দিতে পারিনা......

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

জিতা গেছে sad

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (০৯-১১-২০১৬ ১৪:২২)

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

ভোটের  পার্থক্য মাত্র 0.5% । ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের পার্থক্য বিশাল
http://i.imgur.com/9tSUW22.jpg

1 hour, 15 minutes and 33 seconds after:

শো টাইমের এনিমেটেড কার্টন । যার বাংলা টাইটেল দেওয়া যায় "ট্রাম্প এর প্রতিশোধ" । সেই রকমের গতকাল ট্রাম্পকে পচানো হয়ে ছিল
https://www.youtube.com/watch?v=bCo_XypJJus

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

DNC had it coming...
বার্ণী স্যাণ্ডার্সকে নিয়ে যে কারবার করেছিলো, তারই প্রায়শ্চিত্তঃ এখন দিতে হচ্ছে...
হিলারীর জায়গায় বার্ণী থাকলে ০.৬% ভোটের গ্যাপটা উল্টো দিকে থাকতেও পারতো...

এক বছরে দুই ব্রেক্সিট...  lol
হাফিংটনে দেখলাম, চল্লিশোর্ধ আর স্বল্পশিক্ষিতরা মূলতঃ ট্রাম্পকে ভুটিয়েছে, আর অপেক্ষাকৃত তরুণ ও উচ্চশিক্ষিতরা হিলারীর হারু পার্টিকে...

যাক, অবশেষে অনলাইনে gop, লালপরী-নীলপরী, গাধা-হাতি-র বিরক্তিকর কেচ্ছা শেষ হলো...  hug

Calm... like a bomb.

১০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সদস্য_১ (১১-১১-২০১৬ ২১:২০)

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

invarbrass লিখেছেন:

হিলারীর জায়গায় বার্ণী থাকলে ০.৬% ভোটের গ্যাপটা উল্টো দিকে থাকতেও পারতো..

সহমত। এবারের ভোটে মোট ভোট দিয়েছে ৫৭% ভাগের মত ভোটার। অন্য দিকে কী স্টেট গুলোতে হিলারী হারছে ১% এর কম ভোটে। বার্ণী থাকলে আমিই ভোট দিতে যেতাম। আজকালকার যুগে ডেমোক্রেটের পরাজয় গানিতিক ভাবে ব্যাখ্যা করা কঠিন!  neutral

invarbrass লিখেছেন:

হাফিংটনে দেখলাম, চল্লিশোর্ধ আর স্বল্পশিক্ষিতরা মূলতঃ ট্রাম্পকে ভুটিয়েছে, আর অপেক্ষাকৃত তরুণ ও উচ্চশিক্ষিতরা হিলারীর হারু পার্টিকে...

একমত না। শিক্ষার দিক দিয়ে পার্থক্যটা অমন কিছু আহমারী না। হিলারীকে ভোট দেয়া রেট, হাইস্কুল বা কম শিক্ষিত ৪৫% এসোসিয়েট ৪৩% এবং কলেজ গ্রাজুয়েট ৪৫%। প্রায় একই বলা যায়। হ্যা পোস্ট গ্রাজুয়েটদের মধ্যে হিলারীর সাপোর্টার বেশী ছিল। যদিও পোস্ট গ্রাজুয়েট হতে হতে কেউ আর তরুণ থাকে না!  roll

আমার মতে আসল পার্থক্যটা অন্যখানে। আজাইরাতে দিয়েছিলাম.... আমি যা বলতে চাইছি কোন আর্টিক্যালে সেটা দেখলামনা, অতএব ছবিটাআমাকেই মডিফাই করতে হল (দু-রং রেজুলেশ্যন বানানো), ফাইনাল রেজাল্টা দেখুন... চিত্রটা হল কেন্দ্র বাই কেন্দ্র হিসেবে ট্রাম্প (লাল) হিলারী (নীল) জয় করা ভোট কেন্দ্রগুলো।

http://s17.postimg.org/dt1c5ji3z/screenshot_28.jpg

পপুলার ভোট কাউন্ট অনুযায়ী ছবির লাল এবং নীল সমান হওয়ার কথা! কিন্তু ছবি দেখে আমার মনে হয়না ১০ শতাংশও ব্লু হবে! কেন?

উত্তর হল, ছবিটা দেয়া হয়েছে যায়গা (আয়তন) অনুয়ায়ী। ছবিতে নীল ১০ শতাংশের কম যায়গা হলেও সেই যায়গাটুকুর মধ্যে ৫০% এর বেশী লোকের বসবাস!

আমার ভাষায় বললে মুলত বস্তি বাসীরা হিলারীর সাপোর্টার! বস্তির ক্রুড সংঙ্গা হল ১০০ স্কয়ার ফুট (রুম ১০ বাই ১০ ফুট) যায়গায় তিন জনের বেশী লোকের বসবাস! সে হিসবে... ভার্টিক্যাল স্পেস ইগনোর করলে, সমস্ত এপার্টম্যান্ট বিল্ডং হল বস্তি! এমনকি ট্রাম্প টাওয়ারও বস্তি তা যতই বিলাশ বহুল হোক!! প্রতিটা শহরই বস্তি!!! "পার্সোনাল-স্পেস", "পার্সোনাল-ফ্রীডম" শব্দগুলো যাদের কাছে অর্থহীন...  donttell

১১

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

ভোটের  পার্থক্য মাত্র 0.5% । ইলেকটোরাল কলেজ ভোটের পার্থক্য বিশাল
http://i.imgur.com/9tSUW22.jpg

1 hour, 15 minutes and 33 seconds after:

শো টাইমের এনিমেটেড কার্টন । যার বাংলা টাইটেল দেওয়া যায় "ট্রাম্প এর প্রতিশোধ" । সেই রকমের গতকাল ট্রাম্পকে পচানো হয়ে ছিল
https://www.youtube.com/watch?v=bCo_XypJJus

https://www.youtube.com/watch?v=k8TwRmX6zs4
এর চেয়েও ভাল ডকুমেন্টারী স্টাইলে কোন জায়গায় জানি দেখেছিলাম।

পরিবেশ প্রকৌশলী'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১২

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

ট্রাম্প জেতার পরে ম্যাট তাইবী কি লিখে তা নিয়ে ব্যাপক আগ্রহান্বিত ছিলাম। আইসা পড়ছে... প্রথম প্যারাগ্রাফেই মধ্যম অঙ্গুলী  lol

Calm... like a bomb.

১৩

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

ট্রাম্প  জিতেছে বলে সবাই হায়! হায়! করছে কিন্তু বাস্তবে কি হতে পারে তা নিচে পড়ুন big_smile

ট্রাম্পের প্রথম দিনের কাল্পনিক ওভাল অফিস মিটিংঃ

ট্রাম্পঃ আমাদের এক্ষনি ISIS কে ধ্বংস করা উচিৎ, এই মুহূর্তেই।
সিআইএঃ আমরা সেটা করতে পারবো না, স্যার। আমরা ISIS কে টার্কি, সৌদি, কাতার এবং আরও অনেককে সাথে নিয়ে একসাথে গড়ে তুলেছি।
ট্রাম্পঃ ডেমোক্র্যাটরা ওদের গড়ে তুলেছে।
সিআইএঃ না স্যার, আমরা (CIA) ওদের গড়ে তুলেছি। ISIS কে আমাদের খুব দরকার। নাহলে আমরা ন্যাচারাল গ্যাস লবি থেকে ফান্ডিং হারাবো।

ট্রাম্পঃ তাহলে পাকিস্তানকে ফান্ডিং করা বন্ধ করো। ওদেরকে নিয়ে ইন্ডিয়াকে ডিল করতে দাও।
সিআইএঃ সেটাও করা যাবেনা স্যার।
ট্রাম্পঃ কেন?
সিআইএঃ ইন্ডিয়া তাহলে বেলুচিস্থানকে পাকিস্থান থেকে আলাদা করে ফেলবে।
ট্রাম্পঃ করুক, আমার কিছু যায় আসে না।
সিআইএঃ তাহলে কাশ্মীরে শান্তি চলে আসবে। তারা আমাদের অস্ত্র কেনা বন্ধ করে দেবে। ইন্ডিয়া সুপারপাওয়ার হয়ে যাবে। ইন্ডিয়াকে কাশ্মীরে ব্যাস্ত রাখার জন্য আমাদের পাকিস্থানকে ফান্ডিং করে যেতেই হবে।

ট্রাম্পঃ ওকে ওকে, তাহলে তালিবানকে ধ্বংস করো।
সিআইএঃ স্যার, সেটাও করা পসিবল না। রাশিয়াকে ৮০'র দশকে চেক দিয়ে রাখতে আমরা তালিবানকে সৃষ্টি করেছিলাম। এখন তারা পাকিস্থানকে ব্যাস্ত রেখেছে।
ট্রাম্পঃ আমাদের তাহলে মিডিল ইস্টের যেসব সরকার টেরোরিস্টদের স্পন্সর করছে তাদেরকে ধ্বংস করা উচিৎ। সৌদিকে দিয়ে শুরু করা যাক, কি বলো?
সিআইএঃ স্যার সেটা আরও অসম্ভব। আমরা ওইসব সরকারকে ক্ষমতায় এনেছি কারণ তাদের তেল আমাদের দরকার। এসব সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে হবে, নাহলে দেশগুলিতে ডেমোক্রেসি চলে আসবে। ডেমোক্রেসি চলে আসলে সর্বনাশ। তখন তাদের তেল সব তাদের নিজস্ব ব্যবসায়ীদের হাতে চলে যাবে। আমরা তেল হারাবো, স্যার।

ট্রাম্পঃ তাহলে চলো ইরান আক্রমণ করি।
সিআইএঃ সম্ভব না স্যার।
ট্রাম্পঃ কেন?
সিআইএঃ তাদের সাথে আমাদের আলোচনা চলছে।
ট্রাম্পঃ কিসের আলোচনা?
সিআইএঃ আমরা আগে তাদের স্টিলথ ড্রোনগুলি ফিরিয়ে আনতে চাই। আমরা যদি এক্ষনি তাদের আক্রমণ করি তাহলে রাশিয়া তাদেরকে সাহায্য করবে এবং আমাদের সৈন্যকে নিমেষে ধ্বংস করে ফেলবে; যেমন সিরিয়াতে করেছিলো। তাছারা ইসরাইলকে চেক দিয়ে রাখতে আমাদের ইরানকে দরকার আছে।

ট্রাম্পঃ তাহলে ইরাককেই আবার আক্রমণ করা যাক।
সিআইএঃ স্যার, আমাদের বন্ধুরা (ISIS) অলরেডি ইরাকের এক তৃতীয়াংশের দখল নিয়ে রেখেছে।
ট্রাম্পঃ পুরো ইরাক কেন নয়?
সিআইএঃ কারণ আমাদের ইরাকের শিয়া সরকারকে দরকার ISIS কে চেক দিয়ে রাখার জন্য।

ট্রাম্পঃ ওকে ওকে, কিন্তু আমি মুসলিমদের আমেরিকায় ঢোকা বন্ধ করতেছি।
সিআইএঃ স্যার, সেটা আপনি করতে পারবেন না।
ট্রাম্পঃ কেন?
সিআইএঃ তাহলে আমাদের দেশের স্থানীয় জনগণ বেশী সাহসী হয়ে যাবে, তাদের মনে কোন ভয় থাকবে না। তাদেরকে এত সাহসী হতে দেয়া যাবেনা, ভয়ে রাখতে হবে।

ট্রাম্পঃ আমি চাই সব অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদের তাদের দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হোক।
সিআইএঃ ওরা চলে গেলে আপনার ওয়াল কে বানাবে, স্যার? এতো কম মুল্যের শ্রমিক আর পাবেন কোথায়?

ট্রাম্পঃ তাহলে H1B ভিসাধারিদের অবৈধ করা হোক।
সিআইএঃ স্যার, সম্ভব না।
ট্র্যাম্পঃ কেন? কেন? কেন?
সিআইএঃ তাহলে আমাদের হোয়াইট হাউজের কাজগুলো পর্যন্তও ইন্ডিয়া থেকে কম মুল্যে আউটসোর্স করতে হবে।

ট্র্যাম্পঃ তাহলে আমি প্রেসিন্ডেন্ট হইলাম কি বালটা ফেলাইতে?
সিআইএঃ এঞ্জয় করুন স্যার, হোয়াইট হাউজ এঞ্জয় করুন। বাকিটা আমরা দেখতেছি।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৪ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সদস্য_১ (১১-১১-২০১৬ ২১:২২)

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

তাহলে আমি প্রেসিন্ডেন্ট হইলাম কি বালটা ফেলাইতে?

ওবামার প্রথম (০৮) নির্বাচন প্রচরনায় বড় প্রমিজ গুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল "উপযুক্ত" আনডকুমেন্টেড ইমিগ্রান্টদের জন্য "একটা ব্যাবস্থা" করা। প্রমিজটা ছিল সিম্পল এবং ছোট খাট। কারন, তিনি বলেননি সকল আনডকুমেন্টেড ইমিগ্রান্টদের গ্রীন-কার্ড দিয়ে দেবেন। বরং "উপযুক্ত" মানে হল যারা  আমেরিকায় দীর্ঘ্য দিন যাবৎ আছেন, নিয়মিট টেক্স দেয়, যাদের পরিবার আছে এবং আমেরিকায় জন্মগ্রহন করা সন্তানের পিতা-মাতা। শুধু মাত্র ঐ জাতীয় ক্লাসের আনডকুমেন্টেড ইমিগ্রান্টদের ডকুমেন্ট দেয়া হবে (গ্রীন কার্ড না!!) যাতে করে পর্যায় ক্রমে তারা গ্রীন কার্ড পেতে পারেন।

খুবই ছোট্ট প্রমিজ। প্রমিজ যেটা করতে আইনত কোন বাধা নেই, যেটা করলে আখেড়ে আমেরিকার লাভই হত। ওবামার মত একজন তুখড় রাজনৈতিক প্রসিডেন্ট, সত্যি সত্যি তার নিজের মন থেকে নিষ্ঠাবান ভাবে প্রানপন চেষ্টা করেছেন তার সেই ছোট্ট প্রমিজটা রাখতে। অথচ দীর্ঘ্য আট বছর চেষ্টা করেও তিনি সেটা করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত তার এক্সিকিউটিভ পাওয়ার ব্যাবহার করে করা রুল জারী করলেন, সেটাও দুদিন পর সিনেটে ব্লক করে দেয়া হল। আগেই বলেছি, আজকের দিনে প্রসিডেন্টের ক্ষমতা খুবই সীমিত। 

তো, ট্রাম্পের মত একটা উজবুক, সংবিধান বহির্ভুত আগডুম বাগডুম প্রমিজ যে রাখতে পারবেনা সেটা বোঝার জন্য পোষ্ট গ্রাজুয়েট ডিগ্রির প্রয়োজন নেই। আমার মনে হয়না ট্রম্পের প্রমিজের জন্য লোক তাকে ভোট দিয়েছে। বরং তাকে ভোট দেয়া হয়েছে বর্তমান রাজনৈতিক এবং "আপার ক্লাস সিটিজেন" দের গালে একটা চড় দেয়ার জন্য। ৮ নভেম্বর রাতেই সেই চড়টা দেয়া হয়েছে। ওদের বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে যে জনগন চাইলে একটা বাদরকেও প্রসিডেন্ট বানাতে পারে। অতএব দেশকে ধর্ষন করতে সাবধান। সন্দেহ নেই আগামী কয়েক বছর এর জন্য চড়া মুল্য দিতে হবে। কিন্তু ওয়াশিংটনের গালে চড় দিতে পারার মু্ল্য হিসেবে পুরোটাই সার্থক।

ট্রাম্পকে নিয়ে এখন কি করা যায় সেটা পরের সমস্যা। কয়েক মাস পর একটা অজুহাতে ট্রাম্পকে ইমপিচ করে ফেলেই ঝামেলা যাবে।  tongue



invarbrass লিখেছেন:

ট্রাম্প জেতার পরে ম্যাট তাইবী কি লিখে তা নিয়ে ব্যাপক আগ্রহান্বিত ছিলাম। আইসা পড়ছে... প্রথম প্যারাগ্রাফেই মধ্যম অঙ্গুলী  lol

ঠিকই আছে! ন্যায্য পাওনা। দে স্যুড বি লক্ড আপ!
ইলেশনের নিউজ কাস্টে সম্ভবত ডনা টেইলর (নাকি অন্য আরকে জন ঠিক খেয়াল নেই), ট্রাম্প জিতে যাবে বুঝতে পারার পর হতবাক হয়ে প্রশ্ন করেন "What do they want?" I was like.... bitch! first of all, we want people like you to realize the fact that regular people want something too. then second, we want all of you to be locked behind bars for lying to our face every morning! Freedom of speech/journalism my foot!!

দ্বিতীয় ইচ্ছেটা হয়তো পুরন হবেনা কিন্তু প্রথম ইচ্ছেটা ইতি মধ্যেই পুরন হয়েছে।

এমন কি নিউজে তখনও মিথ্যার পর মিথ্যা প্রচরনা চালিয়ে যাচ্ছিল, যে ট্রাম্প জিততে থাকার কারনে কিভাবে স্টক মার্কেটে ধস নামা শুরু হয়েছে, কিভাবে মার্কেট ইন্ডেক্স রাতের মধ্যেই ৭০০ পয়েন্ট নেমে গেছে ইত্যাদি ইত্যাদি। (আগের দিন আমি ধরেই নিয়েছিলাম হিলারী জিতবে, কোন কিছু বদলাবেনা, অতএব স্টক বিক্রি করার কারন নেই) পরদিন মোট লস হবে ধরে নিয়ে ঘুমোতে গেলাম, পর দিন... ইন্ডেক্স তো কমেই নি বরং ২৫০ পয়েন্ট বেড়েছে! আমি আবারও তাজ্জব হয়ে গেলাম। ঐ ব্যাটাদের নিউজ কাস্টের জন্য হুজুগে পরে সত্যি একটা ধস নামতে পারত! কি আর বলব।

১৫

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

সদস্য_১ লিখেছেন:

এমন কি নিউজে তখনও মিথ্যার পর মিথ্যা প্রচরনা চালিয়ে যাচ্ছিল, যে ট্রাম্প জিততে থাকার কারনে কিভাবে স্টক মার্কেটে ধস নামা শুরু হয়েছে, কিভাবে মার্কেট ইন্ডেক্স রাতের মধ্যেই ৭০০ পয়েন্ট নেমে গেছে ইত্যাদি ইত্যাদি। (আগের দিন আমি ধরেই নিয়েছিলাম হিলারী জিতবে, কোন কিছু বদলাবেনা, অতএব স্টক বিক্রি করার কারন নেই) পরদিন মোট লস হবে ধরে নিয়ে ঘুমোতে গেলাম, পর দিন... ইন্ডেক্স তো কমেই নি বরং ২৫০ পয়েন্ট বেড়েছে! আমি আবারও তাজ্জব হয়ে গেলাম। ঐ ব্যাটাদের নিউজ কাস্টের জন্য হুজুগে পরে সত্যি একটা ধস নামতে পারত! কি আর বলব।

শপিংয়ে বের হবার ওটাই তো মোক্ষম সুযোগ ছিলো। ইলেকশনের শক ওয়েভের কারণে নী জার্ক রিয়েক্সন হয়েছিলো - তবে মার্কেট ফল যে ক্ষণস্থায়ী হবে তা মোটামুটি সবাই জানতো। আমি নিশ্চিৎ অনেক চতুর ট্রেডার ঝোপ বুঝে কোপ মেরে দিয়েছে সেদিন। পাম্প এ্যাণ্ড ডাম্প, থেংকু প্রেয ট্রাম্প!  lol

Calm... like a bomb.

১৬

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

Donald Trump এর টিভি ও মুভি অভিনয় নীচের ভিডিওতে
https://www.youtube.com/watch?v=yosAVMB47-Y

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৭ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ইলিয়াস (১৭-১১-২০১৬ ০৯:১৫)

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

লোকটাকে এমনি ভোট দেয়নি পাবলিক: (এই অংশগুলো কিন্তু আমরা কখনও প্রচলিত মিডিয়াতে কাভার করতে দেখিনি)

১৮

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

পরিবেশ প্রকৌশলী লিখেছেন:

লোকটাকে এমনি ভোট দেয়নি পাবলিক:


জয় লাভ করার পর আর কোন মন্তব্যই কাজে আসে না,

"We want Justice for Adnan Tasin"

১৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন Gypsy Saleh (১৭-১১-২০১৬ ২২:৫৫)

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

পরিবেশ প্রকৌশলী লিখেছেন:

লোকটাকে এমনি ভোট দেয়নি পাবলিক: (এই অংশগুলো কিন্তু আমরা কখনও প্রচলিত মিডিয়াতে কাভার করতে দেখিনি)

সেটাই স্বাভাবিক কারণ আমেরিকার গনমাধ্যম প্রো এস্টাবলিশমেন্ট। তাই তারা হিলারিকে প্রায় জিতিয়েই দিয়েছিল। কিন্তু জনগন করেছে সদস্যদা যেমনটা বলেছেন

বরং তাকে ভোট দেয়া হয়েছে বর্তমান রাজনৈতিক এবং "আপার ক্লাস সিটিজেন" দের গালে একটা চড় দেয়ার জন্য। ৮ নভেম্বর রাতেই সেই চড়টা দেয়া হয়েছে। ওদের বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে যে জনগন চাইলে একটা বাদরকেও প্রসিডেন্ট বানাতে পারে। অতএব দেশকে ধর্ষন করতে সাবধান। সন্দেহ নেই আগামী কয়েক বছর এর জন্য চড়া মুল্য দিতে হবে। কিন্তু ওয়াশিংটনের গালে চড় দিতে পারার মু্ল্য হিসেবে পুরোটাই সার্থক।

অন্য দিকে ট্রাম্প অ্যান্টি-এস্টাবলিশমেন্ট আপনার শেয়ার করার ভিডিও তাই বলছে।

আমরা বেশিরভাগ সময়ই কোন মানুষকে এক দুইবার দেখেই তার সম্পর্কে একটা ধারণা করে ফেলি । এটা শুধু আমার বা দুই এক জনের না, এটা বেশিরভাগেরই চরিত্রগত বৈশিস্ট । মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এটার চমৎকার একটা নামও আছে, “Anecdotal fallacy” । সুতারাং, এটা যেহেতু একটা জেনারেল ফেনোমেনা, সো, বুদ্ধিমান কেউ চাইলে এই ট্রেন্ডটাকে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করতেই পারে এবং অনেকেই করে অহরহ। তবে ট্রাম্প ট্রেন্ডটা শুধু কাজেই লাগায় নি, বরং রীতিমতো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মতো বৃহৎ পরিসরে নিয়ে গেছে । ট্রাম্পের ইদানিংকার কথা বার্তাগুলা শুনলে দেখবেন, তার কথা এবং ব্যবহার অনেক চেঞ্জ হয়ে গেছে, অথচ মানুষ একইটাই । প্রতিদিন সকাল বিকাল করার তার পাগলাটে ব্যবহারগুলা গেলো কোথায়? ভাঁড়ামো, ভান বা বোকার অভিনয় করাও যে অন্যদের বোকা বানিয়ে সাফল্যের একটি অসাধারণ চাবি হতে পারে তার প্রমানই এই ধরনের চরিত্রের উত্থান।

উপরে মেহেদী ভাইয়ের শেয়ার করা ছবি দেখুন।

শার্লক সিরিজের প্রথম পর্বে (A Study in Pink) সিরিয়াল কিলার ক্যাব চালকের একটা ডায়ালগ আছে,

“I know how people think. I know how people think I think. I can see it all like a map inside my head. Everyone’s so stupid.”

ট্রাম্পের ক্ষেত্রেও এই কথাটা প্রযোজ্য । এখন নিজেই সিদ্ধান্ত নিন, ডাম্ব এবং স্টুপিড কে?

কৃতজ্ঞতা ঃ সাইফুল ইসলাম, কাজী রহমান

invarbrass লিখেছেন:

বার্ণী স্যাণ্ডার্সকে নিয়ে যে কারবার করেছিলো, তারই প্রায়শ্চিত্তঃ এখন দিতে হচ্ছে...
হিলারীর জায়গায় বার্ণী থাকলে ০.৬% ভোটের গ্যাপটা উল্টো দিকে থাকতেও পারতো...

হয়তো কিন্তু

আমেরিকাতে প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশন ৪ বছর অন্তর হয়। কিন্ত সেনেট এবং কংগ্রেস নির্বাচিত হয় দুবছর বাদে বাদে। ২০১০,১২,১৪-সব কটা বছরেই ডেমরা গোহারা হেরেছে। এবার ও তাই। ২০০৮ থেকে ২০১৬- রাজ্য সেনেটগুলিতে ডেমরা হারিয়েছে ২৫% বা ৯০০ ডেলিগেট। এগুলো হচ্ছে যখন ওবামা ডেমোক্রাটিক পার্টির মুখ।

ডেমোক্রাটিক পার্টর নীতি নির্ধারনেই ভুল আছে। নেতার অভাব আছে। এই ভুলগুলো সংক্ষেপে

– ওবামাকেয়ার। এই ইন্সুয়ারেন্স আইনের ধাক্কায়, সব মধ্যবিত্তের প্রিমিয়াম বেড়েছে ৪০-২০০%, কভারেজ কমেছে। এটি আদর্শবাদি এজেন্ডা হিসাবে ভাল-কিন্ত পেটে টান পড়লে কে আদর্শ শোনে? ডেমোক্রাটরা সক্রিয় ভাবে ওবামার বিরোধিতা করেনি গরীব ভোটের আশায়। কারন এতে লাভবান হচ্ছিল গরীবরা। কিন্ত আমেরিকাতে গরীবদের চেয়ে মধ্যবিত্ত বেশী।
https://www.wired.com/2016/11/class-pol … -politics/

ক্লিন্টন ফ্রিট্রেডের পক্ষপাতি ছিলেন। ন্যাফটা এবং গ্যাট এগ্রিমেন্টের ফলে আমেরিকার ম্যানুফ্যাকচারিং চলে গেছে মেক্সিকো এবং চীনে। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ পেনসিল্ভেনিয়া, ওহায়ো-ইত্যাদি নর্থ ওয়েস্ট বেল্ট। এবং সেইগুলি সুইং স্টেট।

ছোট খাট বিজনেস ওনাররা রেগুলেশনের চোটে ত্রস্থ। বড্ড বাড়াবারি রকমের রেগুলেশন বাড়িয়েছেন ওবামা সব বিজনেসে। ফলে অনেক বিজনেসে লাল বাতি জ্বলেছে। ছোট ছোট বিজনেস ক্লাস ডেমোক্রাটিক পার্টি থেকে সরে গেছে। বিজনেসের জন্য ট্রাম্প ভাল ।
এখন বিজনেসে ৩৫% ট্যাক্স -ট্রাম্প ওটা ১৬% করবে। রেগুলেশনের চাপে এই দেশে বিজনেসে ত্রাহি অবস্থা। সেটা কমলে দেশে ব্যবসা বাড়বে। ইম্পোর্ট ট্যারিফ বাড়ালে , আমেরিকাতে ম্যানুফ্যাকচারিং বাড়বে।

তারচেয়ে বড় কথা

ভার্মন্টের সেনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। উনি কিন্ত ডেমোক্রাট নন। ২০১৫ সালেও ডেমোক্রাটিক পার্টির সদস্য ছিলেন না। কিন্ত প্রেসিডেন্সিয়াল ক্যান্ডিডেট হওয়ার জন্য ২০১৫ সালে উনি পার্টি মেম্বারশিপ নেন।
চাপা ক্ষোভ ছিলই এস্টব্লিশমেন্টের বিরুদ্ধে। সেটাকে সম্বল করে গড়ে উঠল বার্নি বা বাস্ট মুভমেন্ট। বার্নি বোঝাতে সক্ষম হলেন-এই গণতন্ত্র আসলেই ব্যবসায়ীদের কাছে চুরি হয়ে যাওয়া গণতন্ত্র। যা শ্রমিকদের কথা ভাবে না। কাজ পাচার করে দেয় ভারত আর চীনে। বেকার বসে থাকে আমেরিকার দক্ষ শ্রমিক। অনেকটা ট্রাম্পের সাথে মিলে যায়।

কিন্ত বার্নি অনেকগুলো স্ট্রাটেজিক মিসটেক করেছেন। ডেমোক্রাটিক টিকিটে লড়ার মূল সমস্য হচ্ছে না উনি , না উনার সাপোর্টারদের অনেকে ডেমোক্রাটিক পার্টির রেজিস্টারড সাপোর্টার। ডেমোক্রাটিক পার্টিতে বাম বেস ১৫-৩০%। দক্ষিনের রাজ্যগুলিতে আরো কম। যেখানে হিলারি ক্লিনটন হচ্ছেন পার্টি ডার্লিং। এক্ষেত্রে উনার উচিত ছিল কালো, ল্যাটিনো এবং এশিয়ানদের মধ্যে ঢোকা। সেটা উনি করেন নি। উনি আমেরিকাতে ইনকাম অসাম্য নিয়েই লেজার ফোকাসড ছিলেন। ফলে ছোট ছোট রাজ্যগুলি যা সাদা চামড়ার লোক অধ্যুশিত-সেগুলো বাদ দিলে কোন বড় রাজ্যগুলিতে-যেখানে এশিয়ান বা ল্যাটিনো ভোট বেশী-সেখানে গোহারা হেরেছেন বার্নি প্রাইমারীতে।

আমেরিকাতে ত্রীস্তরীয় সিস্টেম। এখানে আইন বদলাতে গেলে কংগ্রেস এবং সেনেটের সাহায্য লাগে। সেখানে ডেমোক্রাটরা স ংখ্যলঘু। সুতরাং শুধু প্রেসিডেন্ট হলেই হবে না, আইন করতে কংগ্রেস এবং সেনেটেও জেতা দরকার। হিলারী ক্লিনটন এই ব্যপারে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। উনি উনার ক্যম্পেনের টাকা থেকে পার্টি ফান্ডে টাকা দিয়েছেন যারা সেনেট এবং কংগ্রেসে দাঁড়াচ্ছে। ফলে পার্টির সংগঠন হিলারীর পাশে ছিল। বার্নি তা করেন নি। বরং বার্নি ক্রমাগত ডিমোক্রাটিক পার্টিকেই গালাগাল করছিলেন তার হারের জন্য। এতে বার্নি এবং ডেমোক্রাট মেশিনারীর মধ্যে দূরত্ব বেড়েছে।
এর ফল হয়েছে এই যে ক্লোজড প্রাইমারী যেসব রাজ্যে হয়েছে,- অর্থাৎ যেখানে শুধু ডেমোক্রাটদের ভোটাধিকার ছিল, বার্নি শ্রেফ উড়ে গেছে। এবং এটাই বৃহৎ রাজ্যের সিস্টেম। ফলে ছোট ছোট রাজ্য যেখানে কক্কাস হয়-সেখানে প্রায় সব জিতেও বার্নির কোন লাভ হয় নি।

সর্বোপরি আমেরিকাতেও পলিটিক্সে মেয়েদের গ্লাস সিলিং ভাঙাটা সত্যিই আছে। সদস্যদা যেমনটা বলেছিলেন।

কৃতজ্ঞতা ঃ বিপ্লব পাল

hard to hate but tough to love

২০

Re: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী

পরিবেশ প্রকৌশলী লিখেছেন:

লোকটাকে এমনি ভোট দেয়নি পাবলিক: (এই অংশগুলো কিন্তু আমরা কখনও প্রচলিত মিডিয়াতে কাভার করতে দেখিনি)

যাঁর মুখ থেকে এমন অমৃত ঝরে তাঁর অতীত নিয়ে কাভার না করাটাই স্বাভাবিক...
https://www.youtube.com/watch?v=37zvOZ17eSE

Calm... like a bomb.