টপিকঃ অডিটের ফাঁদে কয়েক হাজার কোটি টাকা

অডিটের ফাঁদে কয়েক হাজার কোটি টাকা

ঢাকা : মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে অডিট বা নিরীক্ষার ফাঁদে আটকে আছে কয়েক হাজার কোটি টাকা। ইঁদুর-বিড়াল খেলার মতো সময় পার হয়ে যাচ্ছে কিন্তু অডিট শেষ হচ্ছে না। প্রথম দফা অডিটে কেবল গ্রামীণফোনের রাজস্ব ফাঁকি ধরা পড়েছিল তিন হাজার ৩৪ কোটি টাকা। উচ্চ আদালতের নির্দেশে সেই অডিট প্রক্রিয়া বাতিল হয়ে যায়। নতুন অডিটও শুরু হয়েছে এক বছরের বেশি সময় আগে। সময় যাচ্ছে, অডিট আর শেষ হচ্ছে না।

আগের বার অডিট ফার্মকে অফিসেই ঢুকতে দেয়নি বাংলালিংক। পরে বিটিআরসি বাংলালিংকের নাম অডিটের তালিকা থেকে ‘বাদ’ই দিয়ে দিয়েছে। নতুন করে নাম ঢুকিয়েছে রবির। গত মার্চে রবির অডিট শুরু হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় পার হলেও শেষ হয়নি অডিট। নতুন করে অডিট ফার্মগুলোকে সময় বাড়িয়ে দিয়েছে বিটিআরসি।

২০১১ সালে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) মোবাইল ফোন সেবাদানকারী কোম্পানিগুলোর অডিটের উদ্যোগ নেয়। ওই সময় দুইটি অডিট ফার্ম নিয়োগ দেয় বিটিআরসি। তখন অডিট ফার্মকে দুই দফা অফিসে ঢুকতেই দেয়নি বাংলালিংক। যদিও গ্রামীণফোনের অডিট শেষ করে ফার্মটি। এতে গ্রামীণফোন তিন হাজার ৩৪ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে বলে ধরা পড়ে। পরে অবশ্য অডিটের ভিত্তি নিয়েই প্রশ্ন তুলে আদালতে যায় গ্রামীণফোন। তখন হাইকোর্ট থেকে ওই অডিটের উপর স্থিতাবস্থা দেয়া হয়। তখন থেকেই আন্তর্জাতিক কোম্পানি দিয়েই অডিটের দাবি জানিয়ে আসে মোবাইল অপারেটররা। পরে তাদের দাবি অনুযায়ী বিদেশি ফার্ম যুক্ত করা হয়।

নতুন করে অডিটের উদ্যোগে বাংলালিংকে বাদ দিয়ে গ্রামীণফোনের সঙ্গে রবির নাম যুক্ত করে বিটিআরসি। যদিও বিটিআরসি বলছে, সব প্রতিষ্ঠানেরই অডিট হবে। কোনোটা আগে, কোনোটা পরে।

চমকের নেপথ্যে নির্বাচন