সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (১০-১০-২০১৬ ২২:৫৯)

টপিকঃ বাটলারকে খোলা চিঠি

প্রিয় বাটলার বাবু,
খোলা চিঠি দিলাম তোমার কাছে। তোমার ক্যাপ্টেন মরগ্যান এখন কোথায় কেমন আছে? আমি জানিনা। এক মুঠো কেক পায়না হুসেইন, দুঃখ ঘোঁচে না। বাটলার বাবু। এ চিঠি পাবে কিনা জানিনা আমি। এ চিঠি পাবে কিনা জানিনা।

বাটলার সাহেব, প্রথম লাইনগুলো একটা বিখ্যাত গানের প্যারোডি। দয়া করে ইগনোর করো। আসলে কি লিখতে কি লিখে ফেলি, নিজেও বুঝি না। আমি বাংলাদেশের অত্যন্ত কম ক্রিকেট জ্ঞান সম্পন্ন একজন নাগরিক। এতোটাই কম যে, একসময় খেলা দেখলে সবসময় ব্যাটসম্যানকে সাপোর্ট করতাম। কোন দলকে সেভাবে সাপোর্ট করতাম না। প্রিয় ব্যাটসম্যান ছিলো ভারতের রাহুল দ্রাবিড়। তবে এই দৃশ্যপটে পরিবর্তন আসলো, যখন বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে শুরু করলো। আমি খেলা দেখি। ব্যাটিং-বোলিং যাই হোক না কেন দেশকে সাপোর্ট করি। খারাপ খেললে গালি দেই। ভালো খেললে আনন্দ পাই। হেরে গেলে কাঁদি। মাঝে মাঝে উত্তেজনার টেনশনে ঘামতে থাকি। টেনশনে এতো ঘামতাম যে, মাঝে আমার মা আমার খেলা দেখার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

২০০৩ সালে আমি সবে ইউনিভার্সিটিতে ঢুকি ঢুকবো করছি। সে সময় মনেহয় তোমার দাড়িগোঁফও ঠিকমতন গজায়নি। তো সেই সালের বিশ্বকাপ হয় সাউথ আফ্রিকাতে। আর সবাইকে অবাক করে দিয়ে কেনিয়ানরা সেমিফাইনাল খেলে। তাদের খেলার সবচেয়ে চোখে পড়ার মতন দিক ছিলো তাদের উদযাপন। প্রতিটি উইকেট, প্রতিটি চার/ছয়, প্রতিটি জয়, প্রতিটি ম্যাচ তারা উদযাপনের মাধ্যমে তাড়িয়ে উপভোগ করতো। একেবারে বাঁধন হারা উল্লাস যাকে বলে। সেই উল্লাস-উদযাপনকে কিন্তু তখন তোমার মতন সাহেবরা বলেছিলো এক্সেলেন্ট। দে আর ইনজয়িং দেমসেলভস। আমরাও সেগুলো দেখে খুব মজা পেয়েছিলাম। ওদের বিরুদ্ধে হারার পরে বড় দলগুলোর কেউই কিন্তু বলে নাই যে, ওরা পসা। ওরা অভদ্র। ওদের উদযাপন করা আমার ভালো লাগে নাই smile

বেশ কিছুদিন আগে, পাকিস্তান নামক নরকের কীটের দলটা বাংলাদেশ সফর করতে আসে। তারা ওয়ানডে সিরিজে গু-হারা হারলেও টেস্টে বেশ ভালো করে। সেই ভালোর মধ্যেও ভেজাল তৈরী করেছিলো তাদের ওহাব রিয়াজ নামক একজন ফাস্ট বোলার। খুব সম্ভবত ঐদিন সে আলবেন ডি-এস না খেয়ে আসার কারণে চুলকাচ্ছিলো, তাই হুদাই বাংলাদেশের ব্যাটিং এর সময় গায়ে পড়ে সাকিবের সাথে একটা ভ্যাজাল তৈরী করার চেষ্টা করে। মাথামোটা হইলে যা হয় আরকি। ততোদিনে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব জেনে গিয়েছে যে, বাংলাদেশ দলে দুইটা প্লেয়ার মারাত্বক ধরনের ঘাড় ত্যাড়া। একটা সাকিব। আরেকটা তামিম। এদের স্লেজ করলে, এরা ছেড়ে কথা বলেনা। কিন্তু ভোদাই ওহাব সেই কাজটিই করেছিলো। ফলাফল হিসেবে সে মাঠের মাঝখানে, ভরা মজলিসে সাকিবের এপিক ধাতানি খেয়েছিলো। সেই ধাতানি দেয়া দেখে, পাকিস্তানের এক জোকার টিভি অ্যাঙ্কর পারলেতো দুঃখে-রাগে, "দেখিয়ে কাহা আ গায়া হামারা ক্রিকেট কি এক বাংলাদেশি ক্রিকেটার হামে আঁখে দিখা রাহা হ্যায় " জাতীয় কথাবার্তা বলতে বলতে মূর্ছা যায়। মজার ব্যাপার হচ্ছে যে, খুলনা টেস্টে এতো কিছু হবার পরেও আমাদের ক্যাপ্টেন মুশফিকুর রহিম কিন্তু বলে নাই যে, "পাকিস্তান ওহাব রিয়াজের মতন ভোদাই প্লেয়ারদের দল। আমি হ্যান্ডশেক কলবো না ওদেল তাতে! "

আবার ভারতের কথাই ধরো। কতো কিছু যে করলো। ওয়ার্ল্ড কাপে নো-বল ডাকলো। আবার টি-টুয়েন্টি ওয়ার্ল্ড কাপে হুদাহুদি তাসকিনকে ব্যান করলো। আমাদের নরম-সরম মুস্তাফিজের কাটার খেলতে পারছিলো না জন্যে বাংলাদেশ সফরে এসে মেজাজ হারিয়ে ভারতের ক্যাপ্টেন ধোনি (দি আনটোল্ড স্টোরি) গাবরের মতন গুতা দিয়ে পিচের মাঝখানে ফেলে দিয়ে বেহায়ার মতন হাসতে থাকে। প্রতিটা ঘটনাই কিন্তু আমাদের ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাস্টিক মাশরাফির জন্যে হজম করা মারাত্বক কষ্টকর ছিলো। কিন্তু প্রতিবারই আমাদের ক্যাপ্টেন ঘটনাগুলো নিয়ে পানি ঘোলা করার কোন চেষ্টা না করে ক্রিকেটীয় সৌহার্দ্য বজিয়ে রেখেছে। জিতি আর হারি প্রতিবারই মাশরাফি তার ক্যাপের কোনা উঁচিয়ে ধরে প্রতিপক্ষ দলের প্লেয়ারদের সন্মান জানিয়েছে। হাত মিলিয়েছে। তোমাকে অবশ্য এসব কথা বলে লাভ হবে কিনা জানিনা। তোমরা ক্রিকেট খেলার আবিষ্কারক হতে পারো। তোমরা ক্রিকেট ইতিহাসে ইয়ান বোথামের মতন হয়তো দুই-একজন গ্রেট প্লেয়ারের জন্ম দিতে পারো। ভবিষ্যতেও হয়তো পারবে। তারা তোমার মতন মেকি ভদ্রতার মুখোশ পরে খেলাধুলাও হয়তো করবে। কিন্তু মাশরাফির মতন প্লেয়ার জন্ম দেবার মতন ক্ষমতা তোমাদের নাই। তোমরা বা তোমাদের তথাকথিত গ্রেটরা ক্রিকেট খেলে বা খেলেছে শরীর দিয়ে। মাশরাফি ক্রিকেট খেলে কলিজা দিয়ে, যেইটা তোমাদের দ্বারা সম্ভব না।   

টি-টুয়েন্টি ওয়ার্ল্ড কাপের ফাইনালের কথা মনে আছে বাটলার সাহেব?  ফাইনালে তোমাদের বোলার উইলি ওয়েস্ট ইন্ডিজের ছয় নাম্বার ব্যাটসম্যানকে আউট করার পরে ব্রাভোকে ভ্যাঙ্গিয়ে সামনের দিকে হাত ছুঁড়ে চ্যাম্পিয়ন ডান্সের ভঙ্গিমা যখন করে, তখন কি সেটা ভদ্রতার সীমানার ভিতরে ছিলো? তোমাদের আরেক ক্রিকেটার ফ্লিনটফতো স্লেজিংকে নিয়ে গিয়েছিলো শিল্পের পর্যায়ে। কিভাবে বাজে কথা সুন্দরভাবে হাসতে হাসতে বলতে হয়, সেটা উইন্ডিজের বিরুদ্ধে এক টেস্টে সে ভালোমতন দেখিয়ে গিয়েছে। তারপরেও তোমাদের কিছু হয়না। ম্যাচ রেফারি দেখে না। তোমাদের দিকে না তাকিয়ে নিজেরা নিজেরা সেলিব্রেট করলেও সেটা হয়ে যায় অভদ্রতা! বেয়াদবী!  আর তোমরা মেজাজ হারিয়ে "মাদার**র" বলে গালি দিলেও, "ইংলিশ জেন্টেলম্যানরা এমন করতেই পারেনা" বলে ম্যাচ রেফারি এড়িয়ে যায়! অবশ্য এ আর নতুন কি? কোন এক অ্যাশেজে মদ খেয়ে মাতাল হয়ে পিচের উপর মুতে দেয়ার পরেও যারা ভদ্র ক্যাটাগরিতে পরে, তাদের নিয়ে কিছু বলার নেই।


একটা অঘটনের মাধ্যমে প্রথম ওয়ানডে জিততে পেরেছো তার জন্যে শুকরিয়া করো। হারকে সহজভাবে নিতে শিখো। কারণ সামনে এভাবে আরও ম্যাচ তোমরা হারবে। মেকি ভদ্রতার মুখোশটা ধরে রাখার অভ্যাস করো। নতুবা তোমাদের কমেন্টেটোররা খুব একটা বেশিদিন "নরমালি হি ইজ ভেরি জেন্টেল। সামথিং মাস্ট হ্যাভ বিন সেইড টু হিম" জাতীয় ব্যাকাপ কথাবার্তা বলে পশ্চাৎদেশের ছালচামড়া বাঁচাতে পারবেনা।  তোমাদের সাত পুরুষের ভাগ্য যে, মাশরাফির মতন অসাধারণ বিনয়ী একজন মানুষকে প্রতিপক্ষের ক্যাপ্টেন হিসেবে পেয়েছো। আমরা আবার মাশরাফির মতন এতো বেশি বিনয়ী না। আমাদের বেশি ভদ্রতা শিখাতে আসার দরকার নেই। বেশি শিখাইতে আসলে পাবলিক তোমাদের জায়গামতন ভদ্রতা ** দিবে।

ভালো থেকো। শুভেচ্ছা নিও।

ইতি
একজন অভদ্র ক্রিকেটদর্শক।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: বাটলারকে খোলা চিঠি

চরম লিখেছেন big_smile

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

Re: বাটলারকে খোলা চিঠি

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

চরম লিখেছেন big_smile

মেজাজ খারাপ করে লিখলাম।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: বাটলারকে খোলা চিঠি

Jos Buttler warned after outburst during second Bangladesh-England ODI আর্টিকেলটি থেকে কোট করছি!

Bangladesh captain Mashrafe Mortaza and batsman Sabbir Rahman have both been fined 20 per cent of their match fees.

. . .

Both the Bangladesh players were found to have breached Article 2.1.7 of the ICC Code of Conduct which relates to "using language, actions or gestures which disparage or which could provoke an aggressive reaction from a batsman upon his/her dismissal during an international match".

Buttler was guilty of violating Article 2.1.4, which deals with "using language or a gesture that is obscene, offensive or insulting during an international match".

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: বাটলারকে খোলা চিঠি

অয়ন খান লিখেছেন:

Jos Buttler warned after outburst during second Bangladesh-England ODI আর্টিকেলটি থেকে কোট করছি!

Bangladesh captain Mashrafe Mortaza and batsman Sabbir Rahman have both been fined 20 per cent of their match fees.

. . .

Both the Bangladesh players were found to have breached Article 2.1.7 of the ICC Code of Conduct which relates to "using language, actions or gestures which disparage or which could provoke an aggressive reaction from a batsman upon his/her dismissal during an international match".

Buttler was guilty of violating Article 2.1.4, which deals with "using language or a gesture that is obscene, offensive or insulting during an international match".

সমস্যা হচ্ছে, পোস্ট-ম্যাচ হ্যান্ডশেকিং এর সময় গালি দেয়া হালাল হয়তো সাদাদের জন্যে। এটা যদি কালো চামড়ার কেউ করতো, তাহলে পোস্ট-ম্যাচ রুলস-রেগুলেশনে ফেঁসে যেতো  lol lol

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: বাটলারকে খোলা চিঠি

বাটলার আসতে চেয়েছে বলে এই সিরিজ হতে পারছে সেজন্য সে ধন্যবাদ পেতেই পারে তারমানে এই নয় "মাদার**র" বলে গালি দিলে আমরা চেয়ে চেয়ে দেখব। কোন এককালে আমরা তাদের কলোনী ছিলাম এদেশীয়রা (নেটিভ) বাঁটে পড়ে তাদের শোষনের স্বীকার হয়েছিলাম তাই আমরা সাদা চামড়া দেখলেই শুয়ে পড়ব এমন কলোনিয়াল হ্যাংওভারে থাকা বাটলারদের শোভা দেয় না। 

অয়ন ভ্রাতা কোন ধারা ভাঙলে কী শাস্তি সেটাও জানান নইলে এক ধারায় জরিমানা অন্য ধারায় কেবলই তিরস্কার কেমন যেন হয়ে যায় না।

hard to hate but tough to love

Re: বাটলারকে খোলা চিঠি

বলদামি করে আউট হওয়া এবং পরে আবার প্রতিপক্ষকে নিজের বলদামির জন্যে গালি দেয়া হচ্ছে শান্ত-শিষ্ট(!?) বাটলারের পুরানো অভ্যাস।

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদের মাঠেই শ্রীলঙ্কা একটা ওয়ানডে সিরিজ খেলার সময় বারবার নন-স্ট্রাইকিং এ থাকা শান্তশিষ্ট বাটলার ক্রিজ ছেড়ে বের হয়ে যাচ্ছিলো। তাকে পরপর দুই ম্যাচে এ ব্যাপারে সতর্ক করে শ্রীলঙ্কানরা। তারপরেও বলদ কথা না শোনায় রানআউট করে দেয়। এজন্যে বাটলার ব্যাপক রাগ করে স্লেজ করে ক্যাপ্টেন ম্যাথিউসকে তার ব্যাটিং এর সময়। এসময় তাকে চিটিং-পাক নামক শব্দটি বারবার ব্যবহার করতে দেখা যায়। তবে গেমের স্পিরিট ধরে রেখে এরকম শ্রুতিমধুর শব্দ চয়নের জন্যে আম্পায়ার শুধুমাত্র মৌখিকভাবে সতর্ক করেই বাটলার ছেড়ে দেয়  big_smile big_smile

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: বাটলারকে খোলা চিঠি

পাকিস্তান, ইন্ডিয়া, ইংল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়া এই চারটা দলকে আমি দেখতে পারিনা। বাটলার, বেয়ারস্টো, স্টোকসদের ছ্যাবলামী, ধারাভাষ্যকারদের পা-চাটামী আর ক্রিকইনফোতে কতিপয় বাংলাদেশীর কমেন্ট পইড়া মাথার ভিত্রে কি হইতেছিলে বুইঝ্যা লন angry ব্রিটদের মতো হিপোক্রেট জাতি খুব কমই আছে thumbs_down

ইট-কাঠ পাথরের মুখোশের আড়ালে,
বাধা ছিল মন কিছু স্বার্থের মায়াজালে...

Re: বাটলারকে খোলা চিঠি

আহা, ছোট মানুষ...মাফ করে দেন বাটলারকে  kidding hehe
আমার কাছে মনে হচ্ছে এটা বোধ হয় খেলারই অংশ। টানটান উত্তেজনার মশলা। ক্রিকেট ভদ্দরনোকের খেলা থেকে অনেক আগেই নির্বাসিত হয়েছে!  sad

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: বাটলারকে খোলা চিঠি

Gypsy Saleh লিখেছেন:

অয়ন ভ্রাতা কোন ধারা ভাঙলে কী শাস্তি সেটাও জানান নইলে এক ধারায় জরিমানা অন্য ধারায় কেবলই তিরস্কার কেমন যেন হয়ে যায় না।

আমিতো এত কিছু জানি না! আমি ঐ আর্টিকেল থেকে কোট করেছি মাত্র!

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১১

Re: বাটলারকে খোলা চিঠি

লোকজন বলতেসে যে, লেখাটা ইংরেজী করে ফেলতে। বাটলারের টুইটারে নাকি পোস্ট করবে। কারও হাতে সময় আছে অনুবাদ করার মতন?

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

১২

Re: বাটলারকে খোলা চিঠি

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

লোকজন বলতেসে যে, লেখাটা ইংরেজী করে ফেলতে। বাটলারের টুইটারে নাকি পোস্ট করবে। কারও হাতে সময় আছে অনুবাদ করার মতন?

জিনিসটা করলে ভাল হয়, আমি ইংরেজীতে এত ভাল না নাইলে ট্রাই দিতাম neutral

১৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সদস্য_১ (১১-১০-২০১৬ ১৯:২১)

Re: বাটলারকে খোলা চিঠি

লক্ষন দেখে মনে হচ্ছে বাটলার মিয়ার ছিছকাদুনে ব্যারাম আছে!
ভিডিও ঘেটে তার অতীত - আউট হবার প্রতিকৃয়া গুলো একত্র করতে পারলে ব্যাপারটা পরিস্কার হত। 'গ্রেটেস্ট ক্রাই বেবী অব ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড' জাতীয় খেতাব পেয়ে যাওয়া অসম্ভব কিছুনা!!