সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন shimul265 (০৬-১০-২০১৬ ১৪:৪৮)

টপিকঃ ১৬ বই পড়ুন-জীবন বদলে যাবে, বললেন বিল গেটস

১৬ বই পড়ুন-জীবন বদলে যাবে, বললেন বিল গেটস

বিল গেটস বিশ্ববাসীর কাছে একজন আইডল। তিনি টানা কয়েকবার বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনী নির্বাচিত হয়েছেন। বিল গেটসের মুখের কথা অনেক ব্যবসায়ী বাইবেল মনে করেন। কারণ অনেক কষ্ট করে ছোট ব্যবসায়ী থেকে আজ এতো বড় ব্যবসায়ী হয়েছেন বিল গেটস।

টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্যবসায়ী জীবন নিয়ে অনেক কথা বলেছেন বিল গেটস। তিনি ১৬টি বইয়ের সুপারিশ করেন। বিল গেটস মনে করেন, একজন সফল মানুষ হতে হলে প্রত্যেককে এই বইগুলো পড়া দরকার। তিনি নিজেও অনেকবার পড়েছেন বইগুলো। নিচে তার পছন্দের ১৬টি বই এর বর্ণণা দেওয়া হলো-

টাপ ডান্সিং টু ওয়ার্ক-ওয়ারেন বাফেট অন প্রাকটিক্যালি এভরিথিং, ১৯৬৬-২০১২- ক্যারল লোমিস

ফরচুন ম্যাগাজিনের সাংবাদিক ক্যারল লোমিস অয়ারেন বাফেটের জীবনের ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা নিয়ে বইটি লিখেছেন। ফরচুন ম্যাগাজিনে বইটির খণ্ড খণ্ড অংশ প্রকাশিত হয়েছে।

বিল গেটস বলেন, যারা বইটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বে তারা দুটি বিষয় খুব ভালোভাবে জানতে পারবেন।

প্রথমত, বইটিতে ওয়ারেন বাফেটের ব্যবসায়িক পরিকল্পনাগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পরিকল্পনা কিভাবে প্রয়োগ করতে হবে এবং লক্ষ্যে কিভাবে অবিচল থাকতে হবে সবকিছু জানা যাবে বইটি থেকে। তাছাড়া ওয়ারেন বাফেটের জীবন সম্পর্কেও নানা তথ্য জানা যাবে।

দ্বিতীয়ত, ওয়ারেন বাফেটের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা খুবই নিখুঁত। বিল গেটস বলেন, ‘ওয়ারেন বাফেটের মত নিখুঁত ব্যবসায়ী পরিকল্পনাকারী আমি আমার জীবনেও দেখিনি। ব্যবসা সম্পর্কে তার খুব পরিষ্কার ধারণা আছে।’

মেকিং দি মডার্ন ওয়াল্ড: ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড ডিম্যাটেরিয়ালাইজেশন-ভাকলাভ স্মিল

বিল গেটস বলেন, আমি ভাকলাভ স্মিলের দারুন ভক্ত। তিনি পরিবেশ বিজ্ঞানের একজন প্রফেসর। তার শক্তি ও আবিষ্কার নিয়ে দারুণ জ্ঞান আছে। শক্তি ও আবিষ্কারের ইতিহাস বিষয়ে লেখালেখি করেন তিনি।

বিল গেটস আরও বলেন, ‘তার লেখাগুলো জাগতিক বা সংসারিক বলে মনে হবে। কিন্তু আসলে সেগুলো হলো পৃথিবীর বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত। তিনি সব সময় চিন্তা করেছেন, সামান্য উপকরণ ব্যবহার করে গরিব জনগণ কিভাবে ভালোভাবে বাঁচতে পারে এবং তাদের জীবন আরও সহজ হয়। গত ১০০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশের জীবন মান অনেক উন্নত হয়েছে। আর গত ৫০ বছরে মানুষের জীবনের প্রযুক্তিগত বড় পরিবর্তন এসেছে।’

দি সিক্সথ এক্সিনশন: অ্যান আনন্যাচারাল হিজটরি-এলিজাবেথ কোলবার্ট

নিউ ইয়র্কের নামে একটি বই লিখে জনপ্রিয় হয়েছিলেন এলিজাবেথ কোলবার্ট। তারই শেষ বই দি সিক্সথ এক্সিনশন।

বিল গেটস বলেন, ‘আজ মানুষের জন্য জীববৈচিত্র ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। বড় বড় পিচঢালা রাস্তা নির্মাণ করছে। মহাশূণ্যে বিচরণ করছে হাজার হাজার মহাকাশ যান। অতিরিক্ত মাছ ধরা ও কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে নদী ও সাগর বিষাক্ত হচ্ছে। এভাবে যদি জীববৈচিত্র নষ্ট হয়ে যায় তাহলে পৃথিবী একদিন মানুষের বসবাসের জন্য উপযোগী থাকবে না।

এই বইতে বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতি যেমন করেছে ঠিক তেমন মানুষের ক্ষতির সম্ভাবনাও বেড়ে গেছে। তাই আগামীতে মানুষের জীবন যেমন সহজ হবে তেমন কঠিনও হবে।

দি বেটার অ্যাঞ্জেল অব আওয়ার ন্যাচার: হোয়াই ভায়োলেন্স আর ডিক্লেইন-স্টিভেন পিনকার

স্টিভেন পিনকার তার এ বইতে ভায়োলেন্স নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। সম্প্রতি বছরগুলোতে কিভাবে ভায়োলেন্স বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিভাবে এ থেকে বাঁচা যায় তা নিয়েও আলোচনা করেছেন তিনি।

বইটি বিল গেটসের পছন্দের বইগুলোর মধ্যে অন্যতম।

তিনি বলেন, ‘বইটি পড়ে তার মানবিক কাজ করার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। একজন মানুষকে তার পৃথিবী ও জীবন সম্পর্কে জানতে হবে ও মানবিক কাজ করতে হবে।’

দি ম্যান হু ফেড দি ওয়াল্ড-লিওন হেসার

নরম্যান বোরলাউগ বিখ্যাত মার্কিন কৃষিবিজ্ঞানী এবং শান্তিতে নোবেল বিজয়ী। তাকে সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয়। বোরলাউগ পাঁচজনের মধ্যে একজন যিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার, প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এবং কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল তিনটি পদক লাভ করেছেন। এছাড়াও তিনি ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা পদ্মভূষণ লাভ করেন।

লিওন হেসারের এই বইতে নরম্যান বোরলাউগকে নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। একজন মানুষের মানবিক আবিষ্কার বিল গেটসকে অনুপ্রাণিত করেছে।

বিল গেটস বলেন, ‘হয়তো অনেকে নরম্যান বোরলাউগের নাম আজ ভুলে গেছে। কিন্তু এ পৃথিবীতে তার অবদান ভোলার মত নয়। তিনি যত মানুষের খাবার যুগিয়েছেন ইতিহাসে তার মত মানুষ আর একটিও নেই। অন্য কথা বাদ দিলেও শুধু ভারত ও পাকিস্তানে নতুন বীজ আবিষ্কারের মাধ্যমে বিলিয়ন মানুষ আজ খাবার পাচ্ছে।’

বিজনেস অ্যাডভানচারস: টুয়েলভস ক্লাসিক টেলস ফরম দি ওয়াল্ড অফ অয়াল স্ট্রিট-জন ব্রোকস

১৯৯১ সালে বিল গেটস ওয়ারেন বাফেটকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তার পছন্দের বই কোনটি। তখন ওয়ারেন বাফেট তার কাছে থাকা ‘বিজনেস অ্যাডভানচারস’ বইয়ের কপিটি পাঠিয়ে দেন। তখন থেকে বিল গেটস সে বইটির ভক্ত। এখন এতোদিন পর অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু বিল গেটসের কাছে সেই বইটির আবেদন তেমনি আছে।

জন ব্রুকের বিজনেস অ্যাডভানচারস বইটি নিউ ইয়র্কের বড় বড় কয়েকজন ব্যবসায়ীর জীবন কাহিনী নিয়ে লেখা। বইটি পড়লে ব্যবসার প্রাথমিক ধারণাগুলো পাওয়া যাবে।

বিল গেটস বলেন, ‘প্রত্যেক ব্যবসায়ীর জন্য একটি মানবিক বিষয় থাকে। আপনার কাছে উপযুক্ত পণ্য, পণ্য উৎপাদিত প্ল্যান ও সঠিক মার্কেটিং প্ল্যান থাকলেও সঠিক জনবল না থাকলে মানুষের কাছে আপনার সেবা পৌঁছাতে পারবেন না। মানুষের মানুষের সেবা করার জন্য ভালো মানুষ হতে হয়।’

ওয়ারেন বাফেট আর বিল গেটস এ বইকে বিলিয়নারদের জন্য ‘পুদিনা পাতা’ হিসেবে মনে করছেন। পুদিনা পাতা খেলে যেমন শরীরের কোনও অসুখ থাকলে নিমিষেই শেষ হয়ে যায় তেমনি এই বই পড়লে একজন ব্যবসায়ীর ব্যবসায়িক পরিকল্পনা পরিবর্তন হবে এবং সে ব্যবসায়ীকে সঠিক লক্ষ্যে যেতে সাহায্য করবে।

দি বুলি পুলপিট: থিওডোর রুজভেল্ট, উইলিয়াম টাফ্ট ও সাংবাদিকতা সত্যযুগ-ডরিস কারেনস গুডউইন

দি বুলি পুলপিট বইটিতে থিওডোর রুজভেল্ট ও উইলিয়াম টাফ্ট সম্পর্কে লেখা হয়েছে। আর সে সময়ের সাংবাদিকতার সম্পর্কেও তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

বিল গেটস বলেন, ‘কিভাবে সামাজিক পরিবর্তন হচ্ছে? এটা কি একক কোনও নেতার দ্বারা পরিবর্তন হচ্ছে নাকি এই সামাজিক পরিবর্তনের পেছনে অন্য কোন ফ্রেমওয়ার্ক কাজ করছে তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে।’

বিল গেটসের এই বইটি পড়ার পরামর্শ দেওয়ার কারণ হলো, বইটি পড়লে সামাজিক পরিবর্তনের সাথে প্রকাশনা সংস্থা বা সাংবাদিকতা কি কাজ করে তা জানা যাবে। আর মিডিয়া কিভাবে একজন সাধারণ মানুষকে রাতারাতি জনপ্রিয় করে দেয় তাও জানা যাবে।

গ্রামি সিনসনের উপন্যাস ‘দি রোজি প্রজেক্ট’

দি রোজি প্রজেক্ট গ্রামি সিনসনের একটি উপন্যাস। যদিও বিল গেটস উপন্যাস খুব একটা পছন্দ করেন না। তারপরও তিনি এটি পড়েছিলেন। বইটি হাস্যরসে পরিপূর্ণ। তিনি মনে করেন এই বইটিও সবার পড়া উচিত।

ইউলা বিসের ‘দি ইম্মিউনিটি’

বলা হয় শূন্যতা হলো সকল আবিষ্কারের মূল উপকরণ। কোনও কিছুর অভাব থাকলেই সেটি আবিষ্কার করে বিজ্ঞানীরা। তবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক আছে। বইটিতে লেখক এ বিষয়ে কিছু যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন।

তিনি বিষয়টি আমেরিকার বিভিন্ন দম্পতিদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে তার বইয়ে যুক্তিতর্ক ও দার্শনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেছেন। তিনি দাবি করেন, এটা অনেক সময় ভালো ছাড়া খারাপ ফলাফলও বয়ে আনে। যেমন কোনও দম্পতি তাদের সন্তানকে সময় না দিলে তা সমাজের জন্য ভয়ংকর হয়ে দাঁড়াতে পারে।

জো স্টুডওয়েলের ‘হাউ এশিয়া ওয়ার্ক’

জো স্টুডওয়েল ছিলেন দি ফাইনান্সিয়াল টাইমসের বিজনেস জার্নালিস্ট। তিনি এশিয়ার উন্নয়ন নিয়ে গবেষণা করতেন। এশিয়ার কোথায় কোথায় ভালো অর্থনৈতিক স্ট্রাকচার গড়ে উঠছে আবার কোথায় কোথায় অর্থনৈতিক স্ট্রাকচার ভেঙে পড়ছে সেগুলো গবেষণা করা তার প্রধান কাজ।

হাউ এশিয়া ওয়ার্ক বইটিতে তিনি এশিয়ার বিভিন্ন দেশের উন্নতি ও অবনতি নিয়ে লিখেছেন। বইটি পড়ে কিছু কিছু পয়েন্ট তুলে ধরেছেন বিল গেটস। যেমন তিনি বলেন, ‘একটি দেশের উন্নতির জন্য নিচের বৈশিষ্টগুলো থাকতে হবে। যেমন এক, কৃষকদেরকে চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদে লিপ্ত করতে হবে যেন তারা চাষাবাদে উৎসাহ পায়। দুই, প্রতিবছর ফসল থেকে আয়ের কিছু অংশ সেটিকে প্রক্রিয়াজাত করার মেশিনপত্র কেনার কাজে ব্যবহার করতে হবে। তিন, প্রত্যেক সেক্টরকে অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান দিয়ে সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

ডারেল হুফের হাউ টু লে উইথ স্টাটিসটিকস

ডারেল হুফের হাউ টু লে উইথ স্টাটিসটিকস বইটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিলো। বিল গেটস বইটির অনেক প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমানে টুইটার ও ফেসবুকের নিউজ ফিডগুলোর তুলনা কিভাবে দেখানো যায় সেটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত বইটিতেই সুন্দরভাবে বর্ণনা করা হয়েছিলো।

জেরেমি স্মিথের ‘এপিক মিজারস’

জেরেমি স্মিথের এপিক মিজারস বইটিতে ক্রিস্টফার জেএল মারির জীবন কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি সারাজীবন জনগণের সেবার জন্য ব্যয় করেছিলেন। সারাবিশ্বের রোগজীবাণু নিয়ে গবেষণা করে তিনি তার গ্লোবাল বারডন অব ডিজিজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন।

বিল গেটস বলেন, ‘যারা ক্রিস্টফার জেএল মারির সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চায় তাদের অবশ্যই জেরেমি স্মিথের এপিক মিজারস বইটি পড়ার দরকার। বইটিতে আরও আলোচনা করা হয়েছে কিভাবে একজন মানুষ তার সিদ্ধান্ত নেবে। আর এ সিদ্ধান্ত তার উপর প্রভাব ফেলবে।

মার্ক মিওডোনিকের স্টাফ ম্যাটার

আমরা সবাই স্টিলের র‌্যাজার, গ্লাস কাপ ও পেপারনোটবুক ব্যবহার করি। কিন্তু আমরা জানি না কিভাবে এগুলো তৈরি করা হয়েছে।

মার্ক মিওডোনিক বইটিতে আরও দেখিয়েছেন কেন এই বস্তুগুলো আবিষ্কারের পেছনে বিজ্ঞানের অবদান কতটুকু। আর এই বস্তুগুলোর প্রতি বিজ্ঞানের আগ্রহও অনেক বেশি।

বিল গেটস বলেন, ‘বইটির কার্বন ব্যবহারের বর্তমান অতীত ও ভবিষ্যতের অধ্যায়টি আমার খুবই ভালো লেগেছিল।’

বাবর আজমের টানা ৩ শতকের রেকর্ড!



অ্যালি বোরসের হাইপারবল অ্যান্ড হাফ

হাইপারবল অ্যান্ড হাফ বইটিতে অ্যালি বোরসের জীবনের উত্থান পতন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। হাস্যরস দিয়ে তার জীবনের বিভিন্ন দিকে আলোচনা করা হয়েছে। তাই বইটি সবার ভালো লাগবে। অনেক কাহিনী ও চিত্রও আঁকা হয়েছে বইটিতে।

বিল গেটস বোরসের জীবন সংগ্রামের বিষয়টি পড়ে খুব অনুপ্রানিত হয়েছেন। তাই তিনি মনে করেন, একজন সফল ব্যবসায়ী হতে হলে বোরসের মত মানুষের জীবন বৃত্তান্ত অবশ্যই সবার পড়া দরকার।

রান্ডাল মুনরোর হোয়াট ইফ

রান্ডাল মুনরোর হোয়াট ইফ বইটি বিজ্ঞানভিত্তিক। বইটিতে গহ্বর নিয়ে যুক্তিক আলোচনা করা হয়েছে। তাছাড়া নাসাসহ অন্যান্য বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানের আলোচনাও ঠাঁই পেয়েছে বইটিতে। বিল গেটস মনে করেন এই বইটিই একজন মানুষের কল্পনার জগত বাড়াতে সাহায্য করবে।

ভাকলাভ স্মিলের ‘সুড উই ইট মিট’

বিল গেটস বলেন, ‘ভাকলাভ স্টিল বইটিতে দেখিয়েছেন কিভাবে প্রকৃতি তার বাস্তুসংস্থান রক্ষা করে। এই পৃথিবীতে যত পানি আছে তার মধ্যে প্রায় ৯০ ভাগ পানি আমরা ব্যবহার করি। এই পানিকে সবুজ পানি বলি। আর মজার ব্যাপার হলো এই পানির বেশিরভাগই জলীয়বাষ্পের মাধ্যমে ফিরে যায়। অর্থাৎ এই পানি আমাদের পৃথিবী ব্যবহার করতে পারে না।

Re: ১৬ বই পড়ুন-জীবন বদলে যাবে, বললেন বিল গেটস

খুব ভাল পোস্ট।

Re: ১৬ বই পড়ুন-জীবন বদলে যাবে, বললেন বিল গেটস

চমৎকার পোস্ট