সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন নিয়াজ মূর্শেদ (০৩-০৮-২০১৬ ১২:১৬)

টপিকঃ 'শান্তির দূত' জাকির নায়েকের সাথে বৈঠকে বসতো জেএমবির সদস্যরা

ঠেলার নাম যে বাবাজি সেটা নিশ্চয়ই হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন 'শান্তির দূত' হিসেবে পরিচিত জাকির নায়েক।

ডা. জাকির নায়েক অবশ্য সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমি শান্তির দূত'।

http://www.sylhetview24.com/news/detail … nal/67124\

তাঁর বক্তব্য অন্যদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করে—এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে জাকির নায়েক বলেন, ‘আমার বক্তব্য প্রসঙ্গের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়...আমি শান্তির দূত।’

http://www.prothom-alo.com/internationa … 7%E0%A6%95

আপডেট : ২ আগস্ট, ২০১৬ ১০:০১

জাকির নায়েকের সঙ্গে বৈঠকে বসতো জেএমবির সদস্যরা
অনলাইন ডেস্ক



ঢাকার গুলশনে হামলার পর জঙ্গিদের উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগে বিতর্কিত ইসলামী বক্তা জাকির নায়েকের নাম আলোচনা আসে। তবে ভারতের জেএমবি (জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ) জঙ্গিদের ক্ষেত্রে বিষয়টা শুধু জাকিরের বক্তৃতা শুনে অনুপ্রাণিত হওয়ায় সীমাবদ্ধ ছিল না। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াগড় বিস্ফোরণে অভিযুক্ত জঙ্গিদের একাংশ বিহারের কিষাণগঞ্জে জাকির নায়েকের সঙ্গে বহু গোপন বৈঠকও করেছিল। আবার এই কিষাণগঞ্জে জাকিরের প্রকাশ্য সভায় বাধ্যতামূলকভাবে হাজির হওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ ও অাসামের জেএমবি সদস্যদের জরুরি নির্দেশ দেয় নেতৃত্ব। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ হিসেবে তাকে দেশদ্রোহ ও বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে অভিযুক্ত করার বিষয়টি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছেন। সাম্প্রতিককালে জঙ্গি সন্দেহে আটককৃতদের মধ্যে যারা জাকিরের বক্তৃতায় উদ্বুদ্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে, তাদের তালিকা তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। সে ক্ষেত্রে খাগড়াগড় মামলায় উঠে আসা তথ্য প্রাসঙ্গিক হতে পারে বলে গোয়েন্দারা মনে করছেন।

গোয়েন্দা সূত্রের খবর, ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার খাগড়াগড়ে জেএমবির আস্তানায় বিস্ফোরণের মাস কয়েক আগে কিষাণগঞ্জে সভা করেন জাকির নায়েক। ওই সংগঠনের সব সদস্যদের সভায় থাকতে নির্দেশ দিয়েছিল শেখ রহমতুল্লা ওরফে সাজিদ, গোয়েন্দারা যাকে জেএমবির বর্ধমান মডিউলের প্রধান বলে চিহ্নিত করেন।

জাকিরের ওই সভায় বর্ধমানের ইউসুফ গাজি ও রেজাউল করিম, বর্ধমানের একটি হাইস্কুলের আরবি শিক্ষক জিয়াউল হক, বিস্ফোরক জোগানদার আমজাদ আলি শেখ ওরফে কাজলের মতো জেএমবির সদস্যরাও হাজির ছিল। খাগড়াগড় মামলায় আটক আসামের হাতুড়ে ডাক্তার শাহনুর আলম জেরায় তা জানিয়েছে।

এক কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তায় ভাষ্য, ‘‘কিষাণগঞ্জে জাকির নাইকের সঙ্গে সাজিদ, ইউসুফ গাজিসহ জেএমবির সদস্যরা একাধিক গোপন বৈঠক করে। তা না হলে জাকিরের প্রকাশ্য সভায় বাধ্যতামূলক উপস্থিতির নির্দেশ জারি করার কী দায় ছিল?’’

জাকির নায়েক অবশ্য জানিয়ে আসছেন, তার অসংখ্য ভক্ত গোটা দুনিয়ায় ছড়িয়ে রয়েছে আর তাদের মধ্যে কেউ যদি তার বক্তৃতা থেকে জঙ্গি কাজকর্মের অনুপ্রেরণা পায়, সেটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়।

তবে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের একাংশ বলছেন, জাকির নায়েকের সব বক্তৃতা যে প্রকাশ্য, তা নয়। তার কিছু বক্তৃতার ভিডিও রেকর্ডিং করে সিডি ও পেন ড্রাইভের মাধ্যমে সে সব গোপনে প্রচার করা হয়। সেই সব বক্তৃতার ভাষা যথেষ্ট উস্কানিমূলক।

নদিয়া-মুর্শিদাবাদে এমন প্রচারে বড় ভূমিকা নিয়েছিল খাগড়াগড় কাণ্ডের আর এক আটক গিয়াসউদ্দিন মুন্সি। তার তত্ত্বাবধানেই ২০১০ সালে নদিয়ার কালীগঞ্জের মির্জাপুর গ্রামে একটি আস্তানা তৈরি করেছিল জেএমবি। কিন্তু গ্রামের মানুষ জোট বেঁধে সেই আস্তানা ভেঙে দেন। পরে গিয়াসউদ্দিন ওই এলাকায় গোপনে জাকিরের বক্তৃতার ভিডিও রেকর্ডিং প্রচার করেছিল। এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার কথায়, ‘‘গিয়াস বলত, আমরা না হয় খারাপ। উনি তো পণ্ডিত মানুষ। উনি যা বলছেন, আমরাও কিন্তু সেই কথা বলছি।’’

এক তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রশ্ন, ‘‘গণ্ডগোল কিছু না-থাকলে বক্তৃতার ভিডিও রেকর্ডিং সিডিতে বা পেন ড্রাইভে নিয়ে ল্যাপটপে জুড়ে গোপনে প্রচার করা হবে কেন?’’

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

বিডি-প্রতিদিন/০২ আগস্ট, ২০১৬/মাহবুব

http://www.bd-pratidin.com/abroad-paper … /02/160777

Re: 'শান্তির দূত' জাকির নায়েকের সাথে বৈঠকে বসতো জেএমবির সদস্যরা

পুরোটাই ভুয়া নিউজ ছেপেছে আনন্দবাজার। ডা. জাকিরের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমানিত হলে, ভারত সরকার বসে থাকতো না। এরআগেও আনন্দবাজার উদ্দেশ্যমূলক নিউজ করেছিলো, যার কোনটাই প্রমানিত হয় নি। ইতিমধ্যেই ডা. জাকিরকে ক্লিয়ারেন্স দিয়েছে মহারাষ্ট্র গোয়েন্দা বিভাগ।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন নিয়াজ মূর্শেদ (১২-০৮-২০১৬ ২০:৩৫)

Re: 'শান্তির দূত' জাকির নায়েকের সাথে বৈঠকে বসতো জেএমবির সদস্যরা

বায়তুল মাল প্রচারনা চালিয়ে লাখো মানুষের বহু টাকা আত্মসাত করেছে এই শান্তির দূত।  angry

তিন বছরে জাকির নায়েকের কাছে আসে ৬০ কোটি রুপি  surprised
অনলাইন ডেস্ক | আপডেট: ১৮:৩৬, আগস্ট ১২, ২০১৬



জাকির নায়েকের ব্যাংক হিসাবে গত তিন বছরে বিদেশ থেকে ৬০ কোটি রুপি জমা হয়েছে। তিনটি দেশ থেকে তাঁর ব্যাংক হিসাবে এই অর্থ পাঠানো হয়। পরে এই অর্থ জাকির নায়েকের পরিবারের সদস্যদের পাঁচটি ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়। মুম্বাই পুলিশের তদন্তে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
খবর দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

খবরে বলা হয়, নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘তদন্তে জাকির নায়েকের ব্যাংক হিসাবের লেনদেনের সব তথ্য–প্রমাণ পাওয়া গেছে। কিন্তু আমরা এখনো জানি না কি কাজে এই অর্থ এসেছে। আমরা তদন্ত করেছি এবং অর্থ লেনদেনের এই তথ্য পেয়েছি। এই অর্থ পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়েছিল।’

তবে ওই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, ওই অর্থ জাকির নায়েকের এনজিও ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (আইআরএফ) জন্য আসেনি। ওটা তাঁর জন্য এসেছে। পুলিশ এখন জাকির নায়েক ও আইআরএফের আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এ বিষয়ে আইআরএফের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবে পুলিশ।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘অর্থ আয়ের উৎস এবং অর্থ জমাদানকারীদের সঙ্গে জাকির নায়েকের সম্পর্ক কী, তা জানতে আমরা তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারি।’
খবরে বলা হয়, জাকির নায়েক প্রতিষ্ঠিত আইআরএফ এবং আইআরএফ এডুকেশনাল ট্রাস্ট—দুটি সংস্থাই ‘শিক্ষামূলক’ এনজিও হিসেবে ভারতে বিদেশি অনুদান প্রাপ্তির আইনের (এফসিআরএ) আওতায় নিবন্ধিত হয়েছে। কিন্তু দুটি সংস্থাই বিদেশি অনুদানের অর্থ ‘ধর্ম এবং ধর্ম সম্পর্কিত’ কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যয় করছে বলে জানা গেছে।

তবে জাকির নায়েকের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বলেছে, ‘এখানে কোনো অবৈধ লেনদেন হয় না। সংস্থার ব্যাংক হিসাবে অর্থ আসে এবং আইআরএফ ২০১৫ সাল পর্যন্ত সব আয়কর পরিশোধ করেছে। যত অর্থ এসেছে, তার সবই ‘সাদা’ এবং এ বিষয়ে সব তথ্যই রাখা হয়েছে।’
সূত্র জানিয়েছে, জাকির নায়েক প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক স্কুলের ব্যাংক হিসাবও খতিয়ে দেখছে মুম্বাই পুলিশ। ব্যাংকের হিসাব পর্যালোচনা ও অর্থ স্থানান্তরের তথ্যসহ একটি পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন সম্প্রতি কমিশনার ডি ডি পদসালগিকারের কাছে পেশ করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়, গত ১ জুলাই ঢাকার গুলশানে একটি রেস্তোরাঁয় হামলাকারীদের দুজন জাকির নায়েকের বক্তব্যে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন—এমন অভিযোগ ওঠার পর তাঁর কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখা শুরু করে ভারত। মহারাষ্ট্র সরকার মনে করে, জাকির নায়েক তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক উসকানি ছড়াচ্ছে।

এ ছাড়া জাকির নায়েক প্রতিষ্ঠিত আইআরএফ এবং আইআরএফ এডুকেশনাল ট্রাস্ট ভারতে বিদেশি অনুদান প্রাপ্তি আইন (এফসিআরএ) লঙ্ঘন করেছে কি না, তা তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটিতে জাকির নায়েকের প্রতিষ্ঠিত পিস টিভির সম্প্রচারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

http://www.prothom-alo.com/internationa … A%E0%A6%BF