টপিকঃ ভেজাল বিরোধী অভিযানের পাশাপাশি দরকার সচতনতা এবং নৈতিকতার উন্নতি

সুস্বাদু খাবার তৈরিতে তেল একটি গুরুতপুর্ন আইটেম। আর এ রমজানকে সামনে রেখেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা দেশের নানা জায়গায় ভেজাল সয়াবিন তেলের রমরমা ব্যবসা শুরু করেছে। ভাজা শেষে অবশিষ্ট তেলটুকু রেখে দেওয়া হয় পরের দিনের জন্য, তেল কমে গেলে তাতে কিছু নতুন তেল যোগ করা হয় এবং এভাবেই চলতে থাকে। এই তেল দিনের পর দিন উচ্চ তাপমাত্রায় থেকে পারঅক্সাইড ও ট্রান্সফ্যাটে রূপান্তরিত হয়। খাবারের সাথে এগুলো খাওয়ার কারণে শরীরে অতিরিক্ত মাত্রায় কোলেস্টেরল তৈরি হয়। এছাড়া এই তেল বদহজম ও পেটের অন্যান্য গোলযোগ সৃষ্টিতে অদ্বিতীয়। এই তেল লিভারের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া নষ্ট করে দেয়। এ অবস্থা নিরসনে প্রয়োজন নিয়মিত ভেজাল বিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বাজারজাত তেলসমূহের পরীক্ষা-নিরীক্ষাকরণে বাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থার পদক্ষেপ নেওয়া। সরকার খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে আঞ্চলিক পর্যায়ে ছয়টি মেট্রোলজি ল্যাবরেটরি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি খাদ্যে ভেজালের অপরাধের শাস্তি ও জরিমানার বিধান আরো কঠোর করা হয়েছে। এরপরও আমাদের দরকার সচতনতা এবং নৈতিকতার উন্নতি। তা না হলে নিয়মিত ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে এবং আইন প্রয়োগে কঠোর করেও দেশ থেকে ভেজাল রাজত্বের অবসান ঘটানো সহজ হবে না।