সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রুপকথা (৩০-০৫-২০১৬ ০৯:৩৭)

টপিকঃ জিয়াউর রহমানের ৩৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী

http://www.sheershanewsbd.com/assets/images/news_images/2016/05/30/president-ziaur-rahman_129658.jpg

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী আজ সোমবার। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে শহীদ হন তিনি।
সেক্টর কমান্ডর, জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের পর তাকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

তিনি বহু গুনী ছিলেন বলেন দেশবাসি এখনও তাকে শ্রদ্ধাভরে স্বরন করেন

- দেশপ্রেমিক
- বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তা
- মুক্তিযোদ্ধা
- বীর উত্তম
- সেক্টর কমান্ডার
- জেড ফোর্সের অধিনায়ক
- স্বাধীনতার ঘোষক
- বিএনপির প্রতিস্ঠাতা
- সেনা প্রধান ইত্যাদি

স্বাধীনতার পরবর্তি কিছু কর্মকান্ডের জন্য তাকে নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে অনেক তর্ক বিতর্ক আছে বা হচ্ছে, যে যাই বলুক, ১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী খন্দকার মুসতাকের ক্ষমতা দখলের পর দেশের যে অবস্থার সৃস্টি হয়েছিলো, সেই সময়ে তিনিই শুনেছি কা্ন্ডারীর ভুমিকা পালন করেন, আচ্ছা সেই সময়ে তিনি যদি যদি এগিয়ে না আসতো তবে সেই সময়ে কি হতো?

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী যখন পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র বাঙালীদের ওপর বর্বরের মতো ঘৃণ্য হামলা চালায়। সে রাতে পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে পূর্ব পাকিস্তানের জনপ্রিয় বাঙালি নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বন্দী হন।[৬] পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ চলে যান আত্মগোপনে। জনগণ তখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে। এই সঙ্কটময় মুহূর্তে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকায় পশ্চিম পাকিস্তানী বাহিনীর বর্বর আক্রমণের পর জিয়াউর রহমান পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাথে সম্পর্ক ত্যাগ করে বিদ্রোহ করেন[৭][৮] এবং ২৭শে মার্চ[৯][১০][১১] তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।[৮][১২][১৩]

অনুবাদ: আমি,মেজর জিয়া, বাংলাদেশ লিবারেশন আর্মির প্রাদেশিক কমাণ্ডার-ইন-চিফ, শেখ মুজিবর রহমানের পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি। আমি আরো ঘোষণা করছি যে, আমরা শেখ মুজিবর রহমানের অধীনে একটি সার্বভৌম ও আইনসিদ্ধ সরকার গঠন করেছি যা আইন ও সংবিধান অনুযায়ী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাদের সরকার জোট-নিরপেক্ষ নীতি মেনে চলতে বদ্ধপরিকর। এ রাষ্ট্র সকল জাতীর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবে এবং বিশ্বশান্তির জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। আমি সকল দেশের সরকারকে তাদের নিজ নিজ দেশে বাংলাদেশের নৃশংস গণহত্যার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি। শেখ মুজিবর রহমানের সরকার একটি সার্বভৌম ও আইনসম্মত সরকার এৰং বিশ্বের সকল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পাবার দাবিদার।[১৪] https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C … E%E0%A6%A8