সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রুপকথা (২৫-০৪-২০১৬ ১৭:০২)

টপিকঃ শিশু ও নারী নির্যাতন বেড়েই চলছে !

দিন দিন আমরা সভ্য হচ্ছি নাকি অসভ্য আর বর্বর হচ্ছি? এর কারন কী ? কারন বিচারহীনতা আর মানুষ এইসব কর্মে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে আকাশ সাংস্কৃতি আর অবাধ ইন্টারনেটই দায়ী

শিশু

২৫০টির বেশি মানবাধিকার সংগঠনের জোট শিশু অধিকার ফোরামে বলছে, গত ৭ মাসে বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ২৮০টি। শিশু অধিকার ফোরামের পরিচালক আব্দুছ সহীদ মাহমুদ বলেন, গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১৯৯টি। আর ২০১৩ সালে ১৭০টি এবং ২০১২ সালে ছিল ৮৬টি। এই সংখ্যা পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এর বাইরেও থাকতে পারে। এই শিশুদের মধ্যে বস্তি এলাকায় বসবাসকারীর সংখ্যা বেশি। যাদের বাবা-মা দুজনেই আয়ের জন্য বাইরে কাজে যান তাদের সংখ্যাও কম নয়। শিশুরা ধর্ষণের শিকার হন প্রতিবেশীদের দ্বারা। এছাড়া পথশিশুরাও বিভিন্ন সময় যৌন নির্যাতনের শিকার হন। যারা কাউকে কিছু বলতে পারেন না। আবার বলেও কোনো প্রতিকার হয় না।

নারী

নারী নির্যাতনের সংখ্যা কি দিন দিন বাড়ছে? নাকি ঘটনাগুলো গণমাধ্যমে আসছে বেশি? ২০১৪ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে নারী নির্যাতন বেড়েছে অর্ধেকের বেশি। কারণ কী? অনেক কিছু। কিন্তু তার মধ্যে যেটি সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হবে তা বিচারহীনতা। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাল্টিসেক্টরাল প্রকল্পের অধীনে নির্যাতিত নারী ও শিশুদের সেবায় গঠিত সরকারের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে ২০০০ সাল থেকে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে প্রকল্পটির পরিচালক আবুল হোসেন বলছেন, নির্যাতনের ঘটনাগুলো আগের মতোই ঘটে চলেছে। তবে তা প্রকাশ পাচ্ছে আগের তুলনায় বেশি। তিনি বলেন, আমাদের হিসাব মতে, সংখ্যা আসলে বাড়েনি বরং মানুষের প্রকাশ বেড়েছে। সাম্প্রতিককালে মিডিয়ার কারণে খবরগুলো আসছে। বিষয়গুলো ঘটার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ কমিউনিটিতে সেটা জানাচ্ছে।

দেশের বৃহত্তম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক তাদের সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫৫টি জেলা থেকে নির্যাতনের ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গত বছরের জুন মাসে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৪ সালে ২ হাজার ৮৭৩টি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।  পরের বছর সংখ্যাটি ৫ হাজার ৮টিতে পৌঁছায়। এই এক বছরে নারীর প্রতি প্রায় সব ধরনের সহিংসতাই বেড়েছে। এই প্রতিবেদনে দেখা যায়, দরিদ্র নারীরা সচ্ছল নারীদের থেকে বেশি (৫৪ শতাংশ) সহিংসতার শিকার হয়েছেন।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত নারী নির্যাতনের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫ সাল থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত অর্থাৎ গত ১১ বছর দুই মাসে বিভিন্নভাবে নির্যাতন, হত্যা ও আত্মহত্যা করেছেন ৫৬ হাজার ৬৫৬ জন নারী। পরিষদ যৌতুক, বাল্যবিবাহ, ধর্ষণ ও অন্যান্য নির্যাতনের পর হত্যা, নির্যাতনের কারণে আত্মহত্যা এবং অন্যান্যসহ মোট ৩৪টি নির্যাতনের তথ্য সংগ্রহ করে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১০৫ জন। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে তিনজনকে। আর গত বছর পারিবারিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটে ৩৭৩টি। এর মধ্যে ২১২ জনকেই স্বামী হত্যা করেন। বছরটিতে ৫৪ জন নারী বিভিন্ন কারণে আত্মহত্যা করেন।



- See more at: http://www.dhakatimes24.com/2016/04/05/ … rXVA4.dpuf

Re: শিশু ও নারী নির্যাতন বেড়েই চলছে !

dontsee আমরা আকাশ সাংস্কৃতির বলেই কি শিশু ও নারী নির্যাতন বেড়েই চলছে