টপিকঃ সমালোচনামূলক পোস্ট.....

একটি বিশ্লেষনধর্মী পোষ্ট..... অথবা এটি কবিতার সমালোচনাও ধরে নিতে পারেন। লিখছি প্রায় চার বছর হলো...... প্রথমে হয়ত ছন্দ চিনতাম না তাল লয় এখনো চিনিনা ভাল করে..... হয়তো আমার ছোট মগজওয়ালা মাথাতে ঢুকাতেও পারছি না। আমার লেখালেখির পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান আমার গুণমুগ্ধ পাঠক। যাদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণায় আজ পর্যন্ত আমি লিখে যাচ্ছি। চলার পথে অনেকেই অনেক কিছু শিখিয়েছেন বুঝিয়েছেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অবদান শ্রদ্ধেয় বড় ভাই Abdur Rahman সাহেবের । তিনিই আমাকে বলতে গেলে হাতে ধরিয়ে ছন্দ শিখিয়েছেন এবং এখনো শিখাচ্ছেন। উনাকে প্রায়ই বিরক্ত করি এখানে। কোনদিন তিনি বিরক্ত হননি। তিনি পুলিশ কর্মকর্তা...... এত ঝামেলার মাঝে থেকেও তিনি আমাকে অনেক সময় দিয়েছেন এবং দিয়ে যাচ্ছেন। তার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা আর ভালবাসা-শ্রদ্ধা। তার অবদান কোনদিন ভুলবনা।

এত কিছু শিখার পরও কবিতা/ছড়া লিখতে গিয়ে হোঁচট খাই। মাথায় কুলায় না । শব্দ খুঁজে পাই না। তবে আল্লাহর রহমতে একটা ছড়া কিংবা কবিতা নিরবে আধাঘন্টা কিংবা একঘন্টা কিংবা দশ বিশ মিনিটেও লিখে ফেলি। জানি এর মান ভার হবে না বা হচ্ছে না তবুও আমি যা লিখি তা ফেলে রাখিনা। অনেকের কাছে শুনেছি একটি কবিতা লিখতে একমাস সময়ও লেগে গেছে। কিন্তু আমি আবার ফেলে রাখা কবিতায় আর ছন্দ ফিরিয়ে আনতে পারিনা। যা লিখি সাথে সাথে শেষ না করলে সেটা আর লিখাই হয়না। আমার শব্দ চয়ন ভাষা সব আমার মন থেকেই সংগ্রহ করি। আপামর পাঠক আমার ছড়া কবিতাগুলো পড়লেই বুঝতে পারেন যে কবিতার লাইন শব্দ কতটা সহজ ছিল। এবং আমি পাঠকের মনে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছি। সবার ভালবাসায় আমি সিক্ত।

আমি শুধু আমার কথাই লিখি না পাঠকের মনের কথাই আমার লেখায় উঠে আসে। আর আমার সব লেখাইযে ভাল হবে তাও কিন্তু নয়। হাজারটা লেখার মাঝে হয়তো দু একটা লেখা মনের মত হয়ে যায়।

আমি ভীষন কল্পনা প্রিয়...... হাঁটতে চলতে বসতে আশেপাশে ছড়ানো ছিটানো আল্লাহর সৃষ্টির সবই আমার ভাল লাগে। অনুভব করি মনের ভিতর থেকে। কখনো স্পর্শ করি সুন্দর।

আজ এমনই একটি সুখকর দিন অথবা বলতে পারেন আমার লেখার জন্য পজিটিভ একটা দিক। সেদিন সামুতে পোষ্ট করেছিলাম একটা ছড়া যা এখানে পোস্ট করেছি। একজন পাঠক মন্তব্য করেছিলেন "ছন্দের মিল পেলাম না, আর একটু চিন্তা করে যদি লিখতেন তবে ভাল হতো..." আমি নিরাশ হয়ে উত্তর দিলাম আপনি কেনো ছন্দের মিল পেলেন না বুঝলাম না । এক লাইন পর পরই তো ছন্দ মিশানো। যাই হোক তারপর আরো মন্তব্য এসেছে সবই ছিল পজিটিভ।......... গতকাল হঠাৎ চোখে পড়ল একজন শ্রদ্ধেয় ডাক্তার সাহেবের কমেন্ট। প্রথমে ভয়ই পেয়েছিলাম হয়তো নেগেটিভ কিছু হবে তা না হলে এত বড় মন্তব্য কেইবা লিখতে বসে....... তখন বুকে তৃষ্ণা গলা শুকিয়ে আসছিল ভয়ে। তারপরও সাহস নিয়ে মন্তব্যটা পড়লাম । পড়ে আমার ভুল ধারণা পাল্টে গেলো মুহুর্তেই । এত সুখকর মুহুর্ত বুঝি ছিল তখনই...... স্বস্তির নি:শ্বাস ফেললাম। আনন্দে চোখে জল এসে গেলো। বাচ্চাদেরকে বললাম দেখো বাবা একজন তোমার মায়ের লেখা কবিতায় কি সুন্দর কমেন্ট করেছেন। বাচ্চারাও খুব খুশি হলো।
আমি এখানেই স্বার্থক......... যাই হোক উনার মন্তব্যটা হুবুহ এখানে তুলে ধরলাম

" ডঃ এম এ আলী বলেছেন: কবিতাটি পাঠকালীন খুবই ভাল লাগছিল ও একটি মরমী অনুভুতি জাগছিল । ভাল লাগার কথা জানান দেয়ার জন্য মন্তব্য লিখার স্থানে যাওযার পথে অনেক ভাই এর রেখে যাওয়া চিহ্ন পেরিয়ে আসার সময় কবিতাটির ছন্দের উপর একটি শব্দের প্রতি চোখ ক্ষনিকের জন্য আটকে যায়। তাই ভেবে নিলাম শুধু ভাল লাগল না বলে কবিতাটি কেন ভাল লাগল সে সম্পর্কেও দু একটি কথা বলব । প্রথমেই ভাবতে হলো কবিতার ছন্দ মাপার যন্ত্রটা কি তা একটু জানা দরকার । এ প্রসংগে মনে হলো বংলা কাব্যের ছন্দের যাদুকর সতেন্দ্রনাথ দত্তের কাব্য সম্ভারেই এর সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে । জানি সতেন্দ্রনাধের ছন্দের ধারে কাছে যাওয়া কোন কবির কাছে বেশ দু:সাধ্য কাজ তবে ছন্দ শিখতে কোন আপত্তি নেই । অনেক দিন পড়া হয়না তথাপী বুক সেলফ থেকে সতেন্দ্রনাথের কাব্য গ্রন্থ খুজে এর মধ্য থেকে চারটি কবিতা বেছে নিয়ে দেখলাম ছন্দ নির্ণয়ের মাপকাঠি কেমন হওয়া উচিত । তারপর হাতের কাছেই থাকা Nicholas Birns রচিত Modern Bengali Poetry পুস্তক ভুক্ত বাংলা কবিতার ছন্দ বিষয়ক দিক গুলিকেও আবার একটু দেখে নিলাম । কবিতার ছন্দ মূল্যায়ন বিষয়ক কিছু তাত্বিক দিক হৃদয়ে ধারণ করে এ কবিতাটির ছন্দ বিশ্লেশনের প্রতি একটু মনযোগী হলাম । জানিনা আমাদেরই এক ভাই কেন এর মধ্যে কোন ছন্দ খুজে পেলেন না । তবে একটি কবিতার মূল্যায়ন এটা পাঠকের একান্তই নিজস্ব ব্যাপার, উনার দৃষ্টি ভংগীতে হয়তবা উনি যতার্থ । যাহোক, উনার প্রতি যথাযথ সম্মান রেখে এখানে শুধুই আমার নিজস্ব পর্যালোচনা ও মূল্যায়নের কথাই বলছি ।কবিতার ছন্দ যেহেতু একটি রিদম, শব্দ বিন্যাস, ধ্বনিতাত্বিক উচ্চারণ ( phonetic sound), চরণ বিন্যাস, চরনপ্রান্ত শব্দের বর্ণ মিল ( যেমন প্রতি দুইলাইন অন্তর এমন কি তা প্রতি পংক্তি বা লাইনেও হতে পারে ) ইত্যাদি বৈশিষ্ট মন্ডিত, তাই এ আংগীকেই এর ছন্দ মুল্যায়ন করা হয়েছে ।

একটি কবিতা সব্যসাচী পাঠকের কন্ঠে যেমন শুনাবে সেটিই যদি আমার মত সাধারণ কেও পাঠ বা আবৃত্তি করে তাহলে এর মধ্যে বিশাল মাপের গুনগত পার্থক্য হওয়াটাই স্বাভাবিক । যাহোক, ফিরে আসি এ কবিতাটিতেই ।

কবিতাটিকে বাংলা কবিতার ছন্দের যাদুকর সতেন্দ্রনাথ দত্তের নিম্মে দেয়া কয়েকটি কালজয়ী ছন্দময় কবিতার সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে । দেখা গেল এ কবিতার মধ্যে সতেন্ত্রনাথের কবিতার মত ছন্দের একটি অপুর্ব মিল । নীচে সেই কবিতাগুলির কিয়দংশ দেখানো হলো ।

http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/ali2016/ali2016-1459859015-2dab337_xlarge.jpg

‘শুকরিয়া জানাই প্রভুর তরে’ কবিতাটির প্রতিটি লাইনই ছন্দময় দেখতে পাওয়া যায় । এমনকি একটি শব্দের সাথে পরের শব্দ প্রয়োগের ক্ষেত্রে রয়েছে ছন্দময় সাযুজ্য়তা এবং অর্থবহ মিল পরিনামে একটি ছন্দময় পংক্তির । ‘বৃষ্টি পরে টাপুর টুপুর “ যেমনি একটি বিখ্যাত ছন্দময় কবিতার পংক্তি তেমনি ভাবে ‘আরেকটি প্রভাত এলো ফের’ও গ্রামাটিকেলী একটি অর্থবহ কবিতার ছন্দময় পংক্তি । এই ছন্দময় পংক্তিটির অর্থ বুঝার জন্য পরের পংক্তিতে যেতে হচ্ছেনা । এমনিতেই এটা হয়ে উঠেছে ছন্দময় । ছন্দের দাবীদার অনেক কবিতায় যা সচরাচর দেখতে পাওয়া যায়না । অনেক কবিতাতেই একটি শব্দ প্রয়োগের পর ব্যাবহৃত আর একটি শব্দের সামঞ্জস্যতা দেখা যায়না, মনে হয় পৃথিবীর দু প্রান্তের দুটি শব্দ এনে প্রয়োগ করা হয়েছে , কবির মনোজগতে তা সঠিক হলেও পাঠককে তা অনিচ্ছাকৃতভাবে (রিলাকটেন্টলী ) গ্রহণ করতে হচ্ছে । অনেক সময় অনেক কবিতার ছন্দ খুজতে গিয়ে শেষ প্রান্তে পৌঁছে নিজের ভাললাগার ছন্দটিই যায় হারিয়ে , তবে এটা কোন মতেই কবির দৈনতা নয় নিশ্চয়ই পাঠক হিসাবে তা আমারই দৈনতা, সঠিকভাবে তা অনুভবের দুর্বলতা ।

‘শুকরিয়া জানাই প্রভুর তরে’ কবিতাটির গঠণটিও ( structure)বেশ বৈশিষ্টময়, প্রতিটি চার শব্দ বিশিষ্ট পঙক্তি নিয়ে চার লাইন এর স্তবক নিয়ে কবিতাটি বিন্যস্ত । তাছাড়া শব্দ চয়ন ও বিন্যাসও চমৎকার ফলে এর এলাইনমেন্ট খুবই ব্যাল্যান্সড ও গন্ডিবদ্ধ হয়েছে । আগের লাইনটি হতে পরের লাইনটি অস্বাভাবিক বড় বা লম্বা হয়ে যাইনি । যেমনটি অনেক কবিতায় দেখা যায় । একটি ছন্দময় কবিতার এরূপ স্ট্রাকচারাল গঠণ বেশ প্রয়াস সাধ্য ।

কবিতাটির শিরনামের সাথে এর ভাবার্থের রয়েছে দারুন একটি সামঞ্জস্য। কবিতার নামকরণের স্বার্থকতা এখানেই যা ইদানিংকার অনেক কবিতাতেই পাওয়া যায়না । যেমন ধরুন একটি কবিতাটির নাম হলো ইচ্ছে কিন্তু কবিতা পাঠের শেষ প্রান্তে গিয়ে দেখা গেল এতে যা আছে যতসব অনিচ্ছা । যাহোক, শব্দ প্রয়োগ ও বিন্যাস , বিসদৃশ্য অসামঞ্জস্যপুর্ণ শব্দের অনুপস্থিতি , ছন্দের গাথুনী ও ভাষা , সুবিন্যস্ত গঠন এবং পরিশেষে বিশ্ব স্রস্টার প্রতি বিশ্বাস ও ভক্তি প্রকাশময়ী এক মোহময়ী ভাবের আবেশে পাঠকের মনে এনে দেয় এক মরমী আধ্যাতিক জগতের সাথে বিধাতা সৃষ্ট এ সুন্দর পৃথিবী অবলোহনের অপুর্ব অনুভুতি । যেমনটি কবি বলেছেন :
সবুজ পাতা ভেজা মাটি
দেখতে থাকি মুগ্ধ হয়ে
আল্লাহ তোমার সৃষ্টির সুন্দর
থাকে আমার হৃদয় ছুঁয়ে।
এ চরণ কটি পাঠে মনোমধ্যে নিম্মে দেয়া ছবির মত একটি দৃশ্যই ভেসে উঠে ।

http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/ali2016/ali2016-1459859120-5559ef4_xlarge.jpg

সবুজ পাতা ভেজা মাটি দেখতে থাকি মুগ্ধ হয়ে

অবশেষে বলতে চাই সবদিক মিলিয়ে এটি একটি স্বার্থক কবিতা । এরকম একটি সৃজনশীল কবিতা রচনা নি:সন্দহে বেশ প্রয়াসসাধ্য কাজ । যে কোন কবির সৃজনশীল কাজ বেশ প্রয়াস সাধ্য, তাদের কাজকে মূল্যায়নের সময় এ কথাটি মনোমধ্যে ধারণ করে নেয়াটাই স্বাভাবিক । কবিতাটির উপর আমার ভাল লাগার অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে এর কলেবর এতখানি হয়ে যাবে ভাবতে পারিনি , মনে হলো ‘একটি কবিতার পর্যালোচনা শীর্যক’ পৃথক একটি পোষ্ট দিয়ে দেই । কিন্ত সামুর পাতায় সবেমাত্র এই সেদিন প্রবেশ করেছি , এখানকার পরিবেশের সাথে এখনও ভাল করে পরিচিত হয়ে উঠতে পারিনি । পোষ্ট দিয়ে কবিকেই না অবার বিরম্বনা/বিব্রত অবস্থায় ফেলে দিই, সে ভাবনায় পৃথক পোষ্ট দেয়া হতে বিরত থাকলাম ।

এক্ষেত্রে প্রাসংগিক বিধায় বলতে চাই বাংলা কাব্যের জগতে ছন্দের যাদুঘর সতেন্দ্রনাথ দত্তের কিছু কবিতাতেও ছন্দের আবহ তৈরী বেশ কস্টকর, তবু তা ছন্দের জগতে অতুলণীয়। কবিতা পাঠের সময় পাঠক মনে একটি রিদম তৈরী করে নিতে হয় । যেমনটি দেখা যাবে উপরে প্রদর্শিত তার ‘চম্পা’ কবিতাটিতে । যথাযথ রিদম নিয়ে সঠিক ভাবে ধ্বনি বা উচ্চারণের ফলে এ কবিতাটি ছন্দময় কাব্যের জগতে স্থান করে নিয়েছে আপন কাব্যগুণে।

তবে আমি এখানে অতি বিনয়ের সহিত ছোট্ট একটি প্রস্তাবনা কবির প্রতি রাখতে চাই ,তিনি যদি তার কবিতাটিতে মাত্র গুটি কয়েক বর্ণ পরির্তন বা বাদ দেন তাহলে এর ছন্দের মান আরো বৃদ্বি পেতে পারে বলে ধারনা । যেমন :
আল্লাহ তোমার সৃষ্টির সুন্দর
থাকে আমার হৃদয় ছুঁয়ে।
এখানে ‘সৃষ্টির’ শব্দটি হতে ‘র’ বর্ণটি ছেটে দিলে এটি আরো বেশী ছন্দময় হয়ে উঠবে বলে আমার বিশ্বাস । যাহোক এটা একান্তই কবির নিজস্ব ব্যপার ।সবশেষে বলতে চাই কবিতা এমন একটি বিষয় একে যে যেভাবে পারে তার মনের মাধুরী মিশিয়ে বিশ্লেষণ করতে পারে । তবে একজন কবি তার অপুর্ব সৃজনশীল কবিতার জন্য অবশ্যই সর্বমহলে সমাদৃত ও প্রসংসার যোগ্য। যাহোক, এরকম একটি স্বার্থক কবিতা উপহার দেয়ার জন্য কবির প্রতি রইল উষ্ণ অভিনন্দন ।
===================================

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: সমালোচনামূলক পোস্ট.....

hum

  “যাবৎ জীবেৎ সুখং জীবেৎ, ঋণং কৃত্ত্বা ঘৃতং পিবেৎ যদ্দিন বাচো সুখে বাচো, ঋণ কইরা হইলেও ঘি খাও.

Re: সমালোচনামূলক পোস্ট.....

আমি ছাড়া কেউ দেখি সমালোচনা করতেছে না

  “যাবৎ জীবেৎ সুখং জীবেৎ, ঋণং কৃত্ত্বা ঘৃতং পিবেৎ যদ্দিন বাচো সুখে বাচো, ঋণ কইরা হইলেও ঘি খাও.

Re: সমালোচনামূলক পোস্ট.....

সমালোচক লিখেছেন:

আমি ছাড়া কেউ দেখি সমালোচনা করতেছে না

ধন্যবাদ .......

লাগবে করা আর .........

সবাই ভাল থাকুন sad

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: সমালোচনামূলক পোস্ট.....

এ্যাত্ত কড়া সমালোচনার পর কারো কি আর কিছু বলার থাকতে পারে?  hehe

পরিবেশ প্রকৌশলী'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত