টপিকঃ কিভাবে যে কোন চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিবেন ?

যে পদের জন্য ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছেন হয়ত আপনি তার পুরোপুরি যোগ্য। কিন্তু তারপরও ইন্টারভিউ বোর্ডের সামনে আপনার সামান্য একটু ভুলে ফসকে যেতে পারে চাকরি। তাই ওই সময় কিছু বিষয়ের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

ইন্টারভিউয়ের ক্ষেত্রে যে সব ভুল এড়িয়ে চলা প্রয়োজন, সেগুলোরই ছোট্ট একটা ফিরিস্তি তুলে ধরা হল—

চোখে চোখ রেখে কথা বলা

ইন্টারভিউয়ের সময় গ্রহণকারীর বিশ্বাস ও আস্থা গড়তে চোখে চোখ রেখে কথা বলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নয়ত আপনার আত্মবিশ্বাস ও সততার অভাবটি পরিস্ফুট হয়ে উঠবে। যদি আপনি কারো চোখে চোখ রেখে কথা বলতে না পারেন তাহলে বাসায় আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিয়মিত অনুশীলন করতে পারেন। নিজের চোখে চোখ রেখে কথা বলার চর্চাই আপনাকে এগিয়ে দেবে চাকরির দৌড়ে।

পদ সম্পর্কে না জানা

আপনি যে পদের জন্য ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছেন সে সম্পর্কে ভালোভাবে না জেনে যাওয়া নেতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হয়। এ জন্য যাওয়ার আগে অবশ্যই ভালোভাবে আপনার পদ এবং কোম্পানি সম্পর্কে জেনে যাবেন। তবে হ্যাঁ, ইন্টারভিউ বোর্ডে কোম্পানি বা তাদের পলিসি সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানার জন্য প্রশ্ন করতে পারেন। কিন্তু খেয়াল রাখবেন এটা যেন অতিরিক্ত পর্যায়ে না যায়

আগের সহকর্মী ও প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অভিযোগ

এটা সবসময় মাথায় রাখবেন নতুন চাকরির ইন্টারভিউয়ের ক্ষেত্রে কখনই আগের প্রতিষ্ঠান বা এর কর্মীদের সম্পর্কে নেতিবাচক কোনো টিউমেন্ট করবেন না। এ ধরনের অভিযোগ কিন্তু তাদের ওপর নয়, বরং আপনার ওপরই নেতিবাচক মনোভাবের সৃষ্টি করবে। এ সব ক্ষেত্রে তাই কূটনৈতিকভাবে প্রশ্নের উত্তর দেওয়াই উত্তম পদ্ধতি।

অমনোযোগী থাকা

যিনি আপনার ইন্টারভিউ নিচ্ছেন তার দিকে মনোযোগ দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে নিয়োগকর্তা আপনার ওপর সন্তুষ্ট হবেন।

অস্পষ্টতা

কখনই অনিশ্চিত বা অস্পষ্ট উত্তর দেবেন না। এটা প্রশ্নকর্তার মনে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করবে। নিয়োগকর্তাকে আপনার দিকে টানার সহজ উপায় হচ্ছে স্পষ্ট উত্তরের মাধ্যমে তার বিশ্বাস অর্জন।

ভাল লাগলে ঘুরে আসুন বাংলাদেশের নতুন এবং ভিন্ন ধর্মী অনলাইন মার্কেট প্লেস http://www.shopingmol.com

Re: কিভাবে যে কোন চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিবেন ?

  “যাবৎ জীবেৎ সুখং জীবেৎ, ঋণং কৃত্ত্বা ঘৃতং পিবেৎ যদ্দিন বাচো সুখে বাচো, ঋণ কইরা হইলেও ঘি খাও.