টপিকঃ সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশের বৈপ্লবিক অগ্রগতি

হেমন্তের সোনালী রোদের সঙ্গে উত্তরি বাতাসে কাশফুলের দোলা প্রকৃতিতে শীত আসার বারতা জানিয়ে দেয়। আর শীত এলে কব্জি ডুবিয়ে সবজি খাওয়ার জন্য তৈরি হয় বাঙালি। দেশে রীতিমতো সবজি বিপ্লব ঘটেছে গত এক যুগে। সবজি উৎপাদনে বিশ্বের নজর কেড়েছে বাংলাদেশ। সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান সারাবিশ্বে তৃতীয়। আর এই সাফল্যের নেপথ্যে আছে লাখো কৃষকের নিরলস শ্রম-ঘাম, যা থেকে আসছে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রাও। এখন দেশে দুশো প্রজাতির সবজি চাষ হচ্ছে যার ৯০ ভাগ বীজ দেশেই উৎপাদিত হয়। এ সবজি রপ্তানি করে বিশ্বের ৫০টি দেশের বাজারও দখল করে বছরে আয় হচ্ছে প্রায় সাড়ে ছ’শ কোটি টাকা। গত বছর দেশে এক কোটি ৩৮ লাখ টন সবজি উৎপাদন হয়েছে। এবছর ছাড়িয়ে যেতে পারে দু’কোটি টন। শুধু শীতেই নয় সবজি উৎপাদন হচ্ছে বছর জুড়ে। আর গত এক দশকে সবজির আবাদি জমির পরিমান বেড়েছে ৫ শতাংশ হারে যা বিশ্বের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের কৃষি ও খাদ্য সংস্থা। উৎপাদনের এই অগ্রগতি আরও সামনের দিকে নিয়ে যেতে চায় দেশের কৃষকেরা। জিডিপিতে শস্য ও সবজি খাতের অবদান হচ্ছে এক দশমিক ৯১ শতাংশ। আর্থিক মূল্য হবে এক লাখ ১৫ লাখ ৬৬৯ কোটি টাকা। এবার বাম্পার ফলনের কারণে এ বছর জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির হার আরও বাড়বে।