টপিকঃ স্বাধীনতার মার্চ আর আমাদের কান্না

১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে আমাদের কামাল ভাই বাবা-মা, ভাই-বোন সবাইকে হারিয়েছেন। সবাইকে মহান স্বাধীনতার মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলেন, দেশের স্বাধীনতার কথা বলেন। দেশের গর্ব করেন। কামাল ভাই খুলনা এলাকার সর্বজনবিদিত মুক্তিযোদ্ধা হয়েও কোন মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট নেননি। যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ১৯৭১ এ পরিবারের প্রাণপ্রিয় সবাইকে হারিয়েছেন প্রাণপ্রিয় দেশের মানচিত্রের জন্য,  সেই মহান মুক্তিযোদ্ধা সেদিন আমার বাসায় এসে নিজে কাঁদলেন, আমাদের কাঁদালেন দেশের এ হতভাগ্য বার্ণ ইউনিটে পোড়া মানুষের কথা বলতে বলতে, ৭১ এর গণহত্যার ন্যায় মানুষ হত্যার কথা বলতে বলতে, হতভাগ্য এ দেশে ৩০ লক্ষ শহীদ মুক্তিযোদ্ধারা কথা বলতে বলতে, ২ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত হারানোর কথা বলতে বলতে। স্বাধীন এ দেশে ৮২ দিনের অবরোধে হাজারো সর্বশান্ত হওয়া ব্যবসায়ীর ন্যায় নিজের ও জাতির ভবিষ্যৎ ধ্বংস হওয়ার কথা বলতে বলতে। আজ অবরোধের ৮৩ তম দিন। ৮৩তম অবরোধের দিনে বাসায় এসে অঝোরে কেঁদে বললেন, গত ৮৩ দিনের অবরোধে কামাল ভাইয়ের প্রায় ১০০০ কর্মচারীর ১০০ কোটি টাকার ২টি রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে গেছে। দিশেহারা কামাল ভাই তার ১০০০ কর্মচারীর অসহায় কান্না বন্ধ করতে চেয়েছিলেন কিন্তু পারেননি। আমাদের ক্ষমতালোভী রাজনীতিবিদদের আগুনে পুঁড়ে জীবন দেয়া ১২১ জন অসহায় মানুষের পরিবারের কান্না, আহাজারি আর আর্তনাদেও সে কান্না থামাতে পারেননি। তাই কামাল ভাইয়ের প্রশ্ন এ অবস্থা আর কত কাল? স্বাধীন মুসলিম দেশের আপামর জনগণ কেন আজ সন্ত্রাস আর নিরাপত্তাহীনতার ঘেরাটোপে বন্দি? স্বাধীন বাংলাদেশে আমাদের রাজনীতিবিদদের ক্ষমতার আগুনে ৭১ এর গণহত্যার ন্যায় আর কত বাবা-মা, ভাই-বোন পরিবার হারাবে। এ দেশে তো হানাদার নেই, আমরা তো সবাই বাংলাদেশী। এ দেশ আমাদের সবার, শুধু রাজনীতিবিদদের নয়। মুক্তিযোদ্ধাদের এদেশ কান্নার জন্য নয়, হউক শুধুই আনন্দের-----------------।

Re: স্বাধীনতার মার্চ আর আমাদের কান্না

ঠিকই বলেছেন ভাই, আপনার কথার সাষে আরো যোগ করে বলতে চাই - বাংলাদেমের ভালো যারা চায়না তারা সব সময়েই চায়না এই দেশের উন্নয়ন , সেই রকম একটা সংবাদ পড়ুন ,

http://www.sheershanewsbd.com/2015/03/30/74534

শীর্ষ নিউজ ডেস্ক : ফাইনালের এক দিন আগেই আইসিসি’র সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামালকে ভারতের নারায়ণস্বামী শ্রীনিবাসন জানিয়েছিলেন যে, বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দিতে তাকে দেওয়া হবে না।

সোমবার এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার রাতে আইসিসি’র জনা কয়েক সদস্যকে নিয়ে বেসরকারি বৈঠক করেন শ্রীনিবাসন। সেখানেই বলে দেন কামালকে যে, আইসিসি’র কোড অব কন্ডাক্ট ভাঙ্গার অভিযোগে আপনাকে আমরা ট্রফিটা দিতে দেব না।

কামাল অবাক হয়ে প্রশ্ন করেন, মিস্টার শ্রীনিবাসন, আজকের দিনে আইসিসি প্রেসিডেন্ট কে? শ্রীনি বলেন, আপনি। কালকে আইসিসি প্রেসিডেন্ট কে থাকবে? শ্রীনি বলেন আপনি।

তাই যদি হয় তা হলে আমি বিশ্বকাপ তুলে দেব না কেন? শ্রীনি তখন বলেন, উত্তরটা আপনাকে আগেই দেওয়া আছে।

এই সময় নাকি তীব্র বাদানুবাদের সৃষ্টি হয়। শ্রীনি এই বিতর্ক নিয়ে এবিপিতে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে রাজি হননি। বলেন, “এটা থাক। বাংলাদেশ ম্যাচে কী হয়েছিল আপনারা সবাই খেলা দেখেছেন। আমি এর মধ্যে ঢুকব না।”

শোনা যাচ্ছে, মুস্তাফা কামাল মোটেও সহজে হার মানেননি।  তর্কাতর্কির মধ্যে আইসিসি প্রেসিডেন্ট রীতিমতো আইসিসি চেয়ারম্যানকে শাসান। “আপনি এমন কোনও বেআইনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। তা হলে আইসিসি-র গঠনতন্ত্র বদলাতে হবে।” শ্রীনি তাতেও প্রভাবিত নন দেখে তাঁকে বলা হয়, “এতে কিন্তু আগুন জ্বলে যাবে। আপনি বুঝতে পারছেন না কী করতে যাচ্ছেন!”

কিছু পরে বাংলাদেশ বোর্ড প্রেসিডেন্টও শ্রীনির সঙ্গে দেখা করে তাঁদের তীব্র আপত্তির কথা জানান। বাংলাদেশের তরফে বলা হয় আইসিসি-কে আড়ালে আবডালে বলা হয় ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল। আজকের পর থেকে তো আরওই বলবে। শ্রীনি তাতেও কর্ণপাত করেননি। তাঁর সঙ্গে আইসিসি-র অন্য কর্তারাও না।

আইসিসি-র সমস্ত অভ্যাগত, বিশেষ অতিথি সবাই বসলেন এমসিজি মাঠের তিন নম্বর গেটের চার তলায়। ওখানে আইসিসি-র ভিভিআইপি বক্স।

আর তিনি আইসিসি প্রেসিডেন্ট কিনা বসলেন ছয় নম্বর গেটে একা একটা বক্সে।

তিন নম্বর গেটটাকে যদি ক্লাব হাউস কল্পনা করা যায়, তিনি মুস্তফা কামাল বসেছিলেন ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের দিকের গেটে। তার পর সরে এলেন আইসিসি বক্সের নীচের গ্যালারিতে। ওখানে বসেই দেখলেন পুরস্কার বিতরণ শুরু হচ্ছে।

নারায়ণস্বামী শ্রীনিবাসন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্কের হাতে  ওয়ার্ল্ড কাপ তুলে দেওয়ার সময় পর্যন্ত তিনি অবশ্য আর অপেক্ষা করেননি। অপমানে আগেই বেরিয়ে যান।

জানা হল না গোটা এমসিজি যখন শ্রীনিবাসনের নাম ঘোষণা হতেই বিদ্রুপে ফেটে পড়ল, তখন তিনি আইসিসি প্রেসিডেন্ট কোথায় ছিলেন?

বাংলাদেশ ক্রিকেটমহল তাদের দেশের আইসিসি প্রেসিডেন্টকে পুরস্কার বিতরণ থেকে কার্যত সাসপেন্ড করায় অত্যন্ত উত্তেজিত। কারণ, আইসিসি’র গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিশ্বকাপ তুলে দেওয়ার কথা কামালের। আইসিসি প্রেসিডেন্টের।

“এটা ওরা করতে পারে না। কতগুলো বাজে লোক জুটে এটা করল যা সম্পূর্ণ আইনবিরুদ্ধ,” রোববার একলা বসে বললেন কামাল। “এদের সঙ্গে কী করে এক বক্সে বসব, তাই আলাদা বসে রয়েছি,” বললেন তিনি।

শোনা গেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমতি পেলে এ নিয়ে আইসিসির কাছে বাংলাদেশ সরকারও অভিযোগ জানাতে পারে। চূড়ান্ত ছবিটা বোঝা যাবে সোমবার যে, কোথাকার জল কোথায় গড়ায়।

ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচের পর আইসিসি প্রধানের আম্পায়ারিং নিয়ে তীব্র কটূক্তি ডেভ রিচার্ডসন-সহ আইসিসি কর্তারা কেউ ভুলতে পারছেন না। তাঁরা মনে করেন, এর ফলে প্রতিষ্ঠানের পরিষ্কার অবমাননা হয়েছে।

আইসিসি প্রেসিডেন্টের পাল্টা বক্তব্য, কেন তিনি কী বলেছেন তা তো আগে তাঁকে জবাবদিহি করে তাঁর বক্তব্য শুনতে হবে। এক্সিকিউটিভ বোর্ড তাঁর বক্তব্য খতিয়ে বিচার করে গঠনতন্ত্র বদলাবে, তবে তো তাঁকে সরানোর প্রশ্ন। রাতে দেখা হতে বললেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলব। ঢাকা ফিরে আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলব, তার পর দেখছি।” শোনা গেল প্রয়োজনে আইসিসি-র বিরুদ্ধে তিনি মামলা করতে পারেন।

কিন্তু এত অপমানিত যখন, মাঠে এলেন কেন? বাংলাদেশ ক্রিকেট মহলের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি বললেন, “আসাটা আইনজীবীর পরামর্শে যে, আমি তখন সশরীরে মাঠে অথচ আমাকে প্রাইজ দিতে ডাকেনি।” বাংলাদেশে ইতিমধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে যে তাদের লোককে গা-জোয়ারি করে ভারত আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে সরিয়ে রাখছে। এতে ক্রিকেট মহলের ভারত-বিরোধী অসন্তোষ আরও বাড়ার কথা।

মুস্তাফা কামালের আম্পায়ারিং নিয়ে মন্তব্য করা অত্যন্ত অসমীচীন হয়েছে এটা যাঁরা মনে করেন তাঁদেরও বক্তব্য, আইসিসি কেন তা হলে ওঁকে শো কজ করল না? বেসরকারি বৈঠক করে এ ভাবে বাদ দেওয়াটা তো বে আইনি? সেই দাদাগিরি ভারত করবে কেন? আর তাদের করতে দেওয়াই বা হবে কেন?

বিশ্বকাপ ফাইনাল যেমন একতরফা হল, এই ম্যাচটা তত সহজে নিষ্পত্তি হবে বলে মনে হয় না।

ভারতের বাংলাদেশ সফর করার কথা আগামী জুনে। কিন্তু দু’দেশের ক্রিকেট প্রশাসনিক সম্পর্ক যেমন তিক্ততার স্তরে পৌঁছেছে, তাতে সফরটা হবে কি না এই মুহূর্তে ঘোরতর অনিশ্চিত।

শীর্ষ নিউজ ডটকম/আনসারী

৩০ মার্চ - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/03/3 … B2jvj.dpuf