সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন RubaiyaNasreen(Mily) (১৫-০৩-২০১৫ ০৮:৫৭)

টপিকঃ শ্যাম রাজার দেশে দ্বিতীয় পর্ব

প্রথম পর্ব #   http://forum.projanmo.com/topic50603.html



পটে আঁকা পাতায়া


ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে গেলাম আমরা চারজন । থাইল্যান্ডের পর্যটকদের জন্য অন্যতম সেরা আকর্ষণ হল পাতায়া। এখানে দেখার মত আছে অনেক কিছুই। যদিও পাতায়া বিখ্যাত তার বিচ আর নাইট লাইফ অ্যাকটিভিটির জন্য কিন্তু এখানে এছাড়াও আছে অনেক আকর্ষণীয় স্থান।
হাঁটতে হাঁটতেই পৌঁছে গেলাম গালফ অফ থাই এর  তীরে ওয়াকিং স্ট্রিট এ । প্রচুর মানুষজন রাস্তায় ঘোরাফেরা করছে আর কেনাকাটাও করছে ।  দুপাশে সারি সারি দোকান । আমরাও টুকটাক কেনাকাটা করলাম ।
এরপর হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছে গেলাম সাগর তীরে ।  পানিতে পা ভেজাতে ভেজাতে ভাবছিলাম এই ঢেউ টাই হয়ত একটু আগেই এসেছে কক্সবাজার থেকে । দূরে দেখা যাচ্ছে ওয়াচ টাওয়ার ।

https://fbcdn-sphotos-e-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xfp1/v/t1.0-9/10254999_10203955325625784_2656533971410575439_n.jpg?oh=d5c2a4008de38356c4ce8ab3ef9d7d8b&oe=557B281B&__gda__=1437890430_355598eff421a967ac20b4278c76090d

সৈকত থেকে ফিরে আমরা ফুটপাথ ধরে হাঁটছিলাম ।প্রচুর পর্যটক রাস্তায় ।

কিছুদুরে দেখি আমাদের রাস্তার ধারের চটপটির দোকানের মত দোকানে কি যেন বিক্রি হচ্ছে।স্থানীয়  লোকজনরাই কিনছে বেশি। কাছে গেলাম দেখার জন্য ভাবলাম চটপটা কিছু হলে কিনব । কাছে  আসছিলাম আর কেমন যেন একটা গন্ধ পাচ্ছিলাম । গিয়ে দেখি হরেক রকম পোকামাকড় ভাজা । 

https://fbcdn-sphotos-a-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xaf1/v/t1.0-9/36982_1548022662787_7281911_n.jpg?oh=64293e4229572ac07150edf0b9a61114&oe=5583927C&__gda__=1433962114_ae406799e8f60a445ebc8252e1ec93fc

হলিউডের সালমা  হায়েক এর কথা মনে হল।উনি নাকি সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য পোকামাকড় খান। ইশ!!ভাবলেই গা গুলিয়ে উঠে।
তাড়াতাড়ি ওখান থেকে সরে আসলাম ।সন্ধ্যা সন্ধ্যাই ওখানে রাতের খাবার খেয়ে হোটেলে ফিরে গেলাম । ফেরার পথে আমার ভাই কি এক ঘড়ি দেখে সেটাই কিনবে বলে বায়না ধরে বসল । প্যান্টের বেল্ট /    এর মাঝে ঝুলিয়ে পরতে হয় । দামাদামিতে না বনায় কিনে দিলাম না ব্যাস হপ হয়ে ভুরু কুঁচকে হোটেলে ফিরল ।

পরের দিন সারাবেলা ঘুরার প্যাকেজ হোটেল থেকেই ঠিক করে ফেলাম ।তারপর লবিতে বসে কিছুক্ষণ আড্ডা মেরে গেলাম ঘুমাতে ।
সকাল সকাল নাস্তা খেয়ে বের হয়ে পরলাম ।টুরিস্ট বাস অপেক্ষা করছিল ।প্রায় জনা বিশেক পর্যটক  নিয়ে গাইড মিঃ পি রওয়ানা দিলেন মাদাম নং নুচ গার্ডেনে । বিশাল এলাকা জুড়ে এই ট্রপিক্যাল বাগানটি ।মাদাম নং নুচ নামে এক মহিলা ব্যাক্তিগত উদ্যোগে তৈরি করেছেন এই দর্শনীয় বাগান টি ।

https://fbcdn-sphotos-f-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xap1/v/t1.0-9/10339655_10203955324505756_1946761553893694403_n.jpg?oh=b7c6e937d6df2de112be4e345752e608&oe=5570DA7B&__gda__=1434403630_7c92552687496ec840c6a15f241a6db7
 

প্রায় পাঁচশত একর জায়গা জুড়ে এই বাগান। গাছের প্রকার ও  বিন্যাস  অনুযায়ী এই বাগানের আবার নয়টি ভাগ আছে ।ভাগ গুলো হল :

১# ফ্রেঞ্চ গার্ডেন   ২# ইউরোপিয়ান গার্ডেন  ৩# স্টোনএজ গার্ডেন  ৪# ক্যাকটাস এবং রসাল (সাকুলেন্ট) গার্ডেন 

৫# ভ্যারিএগেশন প্লান্টস   ৬# অ্যান্ট (পিঁপড়া ) টাওয়ার   ৭# বাটারফ্লাই হিল   ৮# অর্কিড গার্ডেন এবং ব্রমেলিয়াড প্রদর্শন(ডিসপ্লে) গার্ডেন এবং     ৯# ফ্লাওয়ার ভ্যালী ।   

http://i.imgur.com/4pZTkBt.jpg


হরেক রকম ফুল আর গাছপালা ঘেরা এই বাগান । অনেক মেধা আর পরিশ্রমের ফলে গড়ে উঠেছে এই দৃষ্টিনন্দন বাগানটি।


https://fbcdn-sphotos-e-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xpa1/v/t1.0-9/10277516_10203955323985743_3719860633018650803_n.jpg?oh=6ed761937b1f999794ec76459455dc59&oe=5574937E&__gda__=1438505576_26f3437540a9ad9ad0afa7ae533fcd37


এখানকার অন্যতম আকর্ষণ হল পটারি  ।  মাটির তৈরি পট বা ঘড়া দিয়ে গাড়ি ,হাতি, টুকটুক সব কিছু বানিয়েছে ।


https://fbcdn-sphotos-b-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xap1/v/t1.0-9/10314038_10203955324065745_6946864105464031815_n.jpg?oh=e738209c5f05bf16b4e9fc590f933964&oe=55B3D40D&__gda__=1433845336_ddf57fd08229e51ad74b66f1b3d16b30


সামনের চত্বরেই শিকলে বাধা জলজ্যান্ত বাঘমামা ।পঞ্চাশ বাথ এর বিনিময়ে তাকে ধরে ছবি  তোলা যায় ।তবে আমরা কেউ ছবি তোলায় আগ্রহী ছিলাম না ।

অর্কিড এর বাগান পার হয়ে সামনে এগিয়ে গেলাম ।গাইড মিঃ পি  প্রতিটি জায়গার বর্ণনা দিতে দিতে দলবল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।


https://fbcdn-sphotos-h-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xpa1/v/t1.0-9/10345930_10203955327945842_2881581890053943543_n.jpg?oh=14e0a909546336f7e41428f3a65a7874&oe=557436B2&__gda__=1434936740_c2ddaa2721f866340c9cb550fe2646b9
                   
চলার পথে থরে থরে সাজানো ফুলের মেলা ।


https://fbcdn-sphotos-d-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xpf1/v/t1.0-9/10258548_10203955326305801_1109492869086362355_n.jpg?oh=be7814a063bef8046008bfba94635042&oe=5585FD12&__gda__=1434211437_b32c86f3ce9f689dff33819291231d9c
     



https://fbcdn-sphotos-d-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xpa1/v/t1.0-9/34155_1548060143724_101158_n.jpg?oh=35c1b3aae35f0d3fc001e507885d949a&oe=558B0E36&__gda__=1434868267_77901f340bef59bf6722cc4c877b6b34


এখানে এলিফ্যান্ট শো হয় দর্শনার্থীদের জন্য । গ্যালারীতে গিয়ে বসে দেখলাম হাতিদের কসরত । দুই দলে ভাগ হয়ে ফুটবল ম্যাচ খেলছিল হাতি মহাশয়রা ।সে এক মজার খেলা ।
 

https://fbcdn-sphotos-g-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xaf1/v/t1.0-9/35083_1548063903818_6116377_n.jpg?oh=7ee15bb18194e82bbca08ccc2ab3d1c5&oe=55889CCF&__gda__=1433762353_d9a9d7e96ded0b4194384c9cd8a444f1



থাইল্যান্ড এর প্রতিটা দর্শনীয় স্থানেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয় । পর্যটকদের  সামনে তারা সেই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজের দেশের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিকে তুলে ধরে । নং নুচ গার্ডেন ও এর বাতিক্রম না ।এখানেও সাংস্ক্রতিক  অনুস্থান হয় ।আমরা সবাই গ্যালারীতে বসে দেখলাম ওদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা ।

https://fbcdn-sphotos-g-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xfa1/v/t1.0-9/10373724_10203955328585858_3255475916058032532_n.jpg?oh=054e87ecd760e9e5f4b277edc185f94a&oe=55858746&__gda__=1433730219_334d1088c43311ddd6dd0a7edcf2a402



এরপর আমরা গেলাম হাতির পিঠে চড়ে পুরো এলাকাটা ঘুরে দেখতে ।

https://scontent-sin.xx.fbcdn.net/hphotos-xaf1/v/t1.0-9/35083_1548063943819_6658313_n.jpg?oh=f8f7df1170086cd437c5089b854c5577&oe=55BE75EF
     

আমার কাছে  পুরো এলাকাটিকে মনে হল যেন পটে আঁকা ছবি ।এত কালারফুল ,সবকিছুই  প্রকৃতির রঙে রঙ্গিন ।
এরপর যথারীতি কিউরিও শপ এ গেলাম ।একসেট পাথর বসান হাতি কিনে  ফেললাম । ওখানে শপ এর বাইরে দুই জন করে মেয়ে বসে আছে এবং পঞ্চাশ বাথ এর বিনিময়ে আপনি ইচ্ছে করলে ওদের সাথে ছবি তুলতে পারবেন।


https://fbcdn-sphotos-h-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xpa1/v/t1.0-9/34595_1548073424056_866054_n.jpg?oh=0f397f58a37bc62b37c86b8a205e5713&oe=5575F51B&__gda__=1434373894_f65fe0a7eb0eeded41efc41f53d0c1ec


ঘোরাফেরা শেষ হলে ওখান থেকেই হালকা খাবার খেয়ে বের হয়ে গেলাম  জেমস গ্যালারী তে । ইচ্ছে ছিল লাঞ্চ করে তারপর যাব কিন্তু জেমস গ্যালারী আবার     টায় বন্ধ হয়ে যায় । তখন   বাজে তাই হোটেলে না ফিরেই গেলাম সরাসরি জেমস গ্যালারীতে।       
জেমস গ্যালারী মূলত গহনার দোকান কিন্তু এখানেও প্রচুর পর্যটক আসে । শুধুমাত্র গহনা কেনার জন্য নয় বরং এখানে যে  প্রদর্শনীটি হয় তা দেখার জন্য । 


https://fbcdn-sphotos-a-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xaf1/v/t1.0-9/10329193_10203955324985768_3912592736837294126_n.jpg?oh=8704e5da37f95e3df9513a71923539a5&oe=5573D826&__gda__=1437849746_39abbcf32e291dc33eeedf1688fa46d8


জেমস গ্যালারীতে পৌঁছানোর পর ওরা আমাদের নিয়ে গেল একটা প্রায় অন্ধকারাচ্ছন্ন রুম এ ।গিয়ে দেখি একটা খোলা টয় ট্রেন অপেক্ষা করছে। আমরা সহ আরও কয়েকজন দর্শনার্থী ওঠার পর ট্রেন চলতে শুরু করল গুহার ভিতর ।
লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো এর মাধ্যমে আর দুইপাশে ম্যানিকুইন এর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হল খনি আর পাথর উত্তোলনের ইতিহাস ।  থাইল্যান্ড তার আমেথিস্ট খনির জন্য বিখ্যাত । কিভাবে এই পাথর উত্তলন করা হয় এবং আগের উত্তলন প্রক্রিয়া আর বর্তমান   প্রক্রিয়া সব কিছুই দেখান হল। কিন্তু আফসোস এখানে ছবি তোলা নিষেধ । সব শেষে ট্রেন এসে থামল মুল শোরুমের  দ্বারপ্রান্তে । 
ট্রেন থেকে নেমে আমরা ভিতরে প্রবেশ করলাম । ইশ!! কত্তশত গহনা ! কি সুন্দর কারুকাজ আর কত বড়ই না শোরুমটা । আমার তো অনেক কিছু কিনতে ইচ্ছা হচ্ছিল বাট ...ট্যাঁকের জোর থাকলে তো ।
কি আর করা একজোড়া দুল কিনেই ক্ষান্ত দিলাম ।আবার আসিব ফিরে জেমস গ্যালারীর তীরে ...মনে মনে এমন একটা পণ করতে করতে বের হয়ে আসলাম ।ততক্ষণে খিধেয় পেট চোঁ চোঁ করছে,তাই হোটেল এ  ফিরে গেলাম খাবার খেতে । ফিরতে ফিরতে প্রায় সন্ধ্যা । রুমে বসে খাবার অর্ডার করলাম । আর খানাদানা শেষ করে দিলাম ঘুম ।

ঘুম থেকে উঠে দেখি সোয়া সাতটা বাজে । কেয়া আপুকে তাড়া দিলাম বের হবার জন্য । একটু হাটাহাটি করে খেয়ে আসব এমন টাই প্ল্যান ছিল । কিন্তু আপুর জ্বর আসায় আমরা তিন জনেই গেলাম খাবার খেতে । তখন সন্ধ্যাই বলা চলে সাত কি সাড়ে সাত বাজে । ভাইটা ঘ্যানঘ্যান করছিল ওর সেই ঘড়ির জন্য  সাথে ভাগ্নির ওকালতি ,তাই বের হলাম । হাটতে  হাঁটতে পাচ মিনিটে পৌঁছে গেলাম ওয়াকিং স্ট্রিট এ। ওখানেই ভাল ভাল রেস্তরাঁ আছে । 

https://scontent-sin.xx.fbcdn.net/hphotos-xaf1/v/t1.0-9/36982_1548022542784_6671176_n.jpg?oh=cad279db41779e48b857555ce9eaf943&oe=556FF913


কিন্তু ওই রাস্তায় হাটতে আমি খুব একটা স্বস্তি পাচ্ছিলাম না ।মনে হচ্ছিল তাড়াতাড়ি খেয়ে ভাগি । হাই বিটের মিউজিক আর অনেক পর্যটকের ভীর তবে কেউ কাউকে ধাক্কা দিচ্ছে না বা বিরক্ত করছে না । কি দেখলাম কাল বিকেলে আর এখন কি অবস্থা । ঝটপট ঢুকলাম এক জাপানি রেস্তরাঁয় ।


https://scontent-sin.xx.fbcdn.net/hphotos-xfa1/v/t1.0-9/35871_1548075384105_8168582_n.jpg?oh=f24daee5324898139c74e7758405d823&oe=55814BAE


তারপরও দুই কিশোর কিশোরী কে নিয়ে ওখানে বেশিক্ষণ না থেকে ঝটপট ফিরে এলাম হোটেলে আর ফেরার পথে কিনে নিলাম ভাইজানের সেই ঘড়ি  । ............... (চলবে)

এক টুনিতে টুনটুনালো সাত রানির নাক কাঁটালো

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: শ্যাম রাজার দেশে দ্বিতীয় পর্ব

এই পর্বের বর্ণনা আর ছবিগুলো অসাধারণ হয়েছে thumbs_up দেখে চোখ আর মন দুইই জুড়োলো smile

ইট-কাঠ পাথরের মুখোশের আড়ালে,
বাধা ছিল মন কিছু স্বার্থের মায়াজালে...

Re: শ্যাম রাজার দেশে দ্বিতীয় পর্ব

সকালেই মনটা জুড়িয়ে দিলা আপু
ধন্যবাদ

খুব সুন্দর ছবি আর কাহিনী smile

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: শ্যাম রাজার দেশে দ্বিতীয় পর্ব

এই পর্বটা অসাধারণ হয়েছে।
মাদাম নং নুচ গার্ডেনে ছবি গুলি খুব ভালো হয়েছে। এখানে যাইনি, আবার কখনো পাতায়া গেলে অবশ্যই যাব।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: শ্যাম রাজার দেশে দ্বিতীয় পর্ব

আপনার এই রকম সুন্দর বর্ণনা পড়ে আর ছবি দেখে মনে হচ্ছে একবার বেরাতে না গেলেই নয়। বরাবরের মত খুবি ভালো হয়েছে।  পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা।

করি করি করে যাক শেষ পর্যন্ত নিবন্ধন করেই ফেলেছি।

Re: শ্যাম রাজার দেশে দ্বিতীয় পর্ব

ছবিগুলো দেখেই যেন মন আরও ভাল হয়ে গেল।আপু সুন্দর ছবিগুলোর সাথে সুন্দর বর্ণনা অসাধারন লেগেছে এই পর্বটি thumbs_up

অন্যের কাছ থেকে যে ব্যবহার প্রত্যশা করেন আগে নিজে সে আচরন করুন।

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: শ্যাম রাজার দেশে দ্বিতীয় পর্ব

বর্ণনা অনেক সুন্দর হয়েছে।  clap

Re: শ্যাম রাজার দেশে দ্বিতীয় পর্ব

সব্বাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ চমতকার সব মন্তব্বের জন্য  smile

এক টুনিতে টুনটুনালো সাত রানির নাক কাঁটালো

Re: শ্যাম রাজার দেশে দ্বিতীয় পর্ব

বাহ! কত দেশ ঘুরেছেন। খুব সুন্দর লাগলো অাপনার অভিজ্ঞতা।

১০

Re: শ্যাম রাজার দেশে দ্বিতীয় পর্ব

Shoumik লিখেছেন:

বাহ! কত দেশ ঘুরেছেন। খুব সুন্দর লাগলো অাপনার অভিজ্ঞতা।


ধন্যবাদ  smile

এক টুনিতে টুনটুনালো সাত রানির নাক কাঁটালো