টপিকঃ পরীক্ষা নিয়ে সন্তানের দুশ্চিন্তায় অভিভাবকরা

মূল্যবোধ, নৈতিকতা, সততা, সৃজনশীলতা, মনন, ভদ্রতা, শিষ্টাচার ও দেশপ্রেম সৃষ্টিতে শিক্ষানীতিতে ব্যর্থতা যথেষ্ট রয়েছে। জাতির মূল্যবোধ দিনে দিনে কমে যাওয়ার পেছনে শিক্ষা ক্ষেত্রের দুর্বলতা ও শিক্ষকদের মানসম্পন্ন চরিত্রের অভাব সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেশে চলমান শিক্ষাব্যবস্থা পুরোটাই পরীক্ষা কেন্দ্রিক। উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করতেই একজন শিক্ষার্থীর চারটি পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। আর প্রথম শ্রেণি থেকে শুরু করে প্রতিটি শ্রেণিতে অংশ নিতে হয় কমপক্ষে ছয়টি পর্বের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায়। একটি পরীক্ষা শেষ হতে না হতেই আরেকটি পরীক্ষার সূচি ঘোষণা হয়ে যায়। পরীক্ষার এই বোঝা মাথায় নিয়ে ভীত হয়ে পড়ছে শিশু শিক্ষার্থীরা। পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ হতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিতে হয় একজন শিশু শিক্ষার্থীকে। এই পরীক্ষায় পাস করা বা ভালো ফল করার প্রস্তুতি শুরু হয় বছরের শুরু থেকেই। মূল ক্লাস বাদ দিয়ে স্কুলগুলোতে শুরু হয় কোচিংয়ের নামে বাড়তি পড়াশোনা। দিতে হয় একাধিক মডেল টেস্ট। ভালো ফল করানোর জন্য শিক্ষার্থীর ওপর স্কুল কর্তৃপক্ষের চাপিয়ে দেয়া বাড়তি বোঝার চাপে ভীত হয়ে পড়ছে শিশুরা। এত পরীক্ষার আয়োজনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছেন অভিভাবকরাও। পরীক্ষা নিয়ে সন্তানের দুশ্চিন্তায় অভিভাবকরা এখন বিপাকে। ব্যবসায়ী মকবুল হোসেনের ছোট মেয়ে লিমা। পড়ছে রাজধানীর একটি নামিদামি স্কুলে। চলতি নভেম্বরেই তার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। ৯ বছর বয়সেই প্রথম পাবলিক পরীক্ষায় লড়তে হচ্ছে এই শিশুটিকে। কোচিং ক্লাস-পরীক্ষা নিয়ে পুরোটা বছরই কাটছে ব্যস্ততায়। একটু বিশ্রাম পায়নি। সকালে স্কুলের কোচিং, বিকালে অন্য এক শিক্ষকের কোচিংয়েই কেটেছে তার পুরো ৯ মাস। অবসর বা খেলাধুলার সুযোগ পায়নি বা দেয়া হয়নি। পড়া মুখস্ত করানোর জন্য স্কুলে শিক্ষকের চাপ, বাসায় বাবা-মায়ের চাপ। সব মিলে ভালো নেই শিশুটি।  দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরি করার নামে বিরামহীন পরীক্ষা-নিরীক্ষার ভারে ভীত শিক্ষার্থীরা।

শিশুদের সক্ষমতার কথা বিবেচনা করা হয় না। চাপিয়ে দেয়া হয় একের পর এক পরীক্ষা আর বিশাল পাঠ্যক্রমের বোঝা।

 
জিপিএ-৫ অর্থ জিপিএ-৫ হওয়া উচিত। জিপিএ-৫ পেয়ে কোন কলেজে ভর্তি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হতে না পারার অর্থ জিপিএ-৫ অবমাননা করা। শিক্ষাক্ষেত্রে মানের পতন রোধ রাখতে হবে।
যোগ্যতা অনুযায়ী,  পরীক্ষার খাতায় লেখা অনুযায়ী জিপিএ-৫ পাওয়ার মতো  নম্বর দেয়া উচিত।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আউল (২০-১১-২০১৪ ১২:১৩)

Re: পরীক্ষা নিয়ে সন্তানের দুশ্চিন্তায় অভিভাবকরা

গত ১৮ই নভেম্বর চ্যানেল আইয়ের খবরে দেখলাম উত্তরার উত্তরার মাইলস্টোন সহ দেশের নামি দামি স্কুল গুলো শীর্ষ স্থান দেখাবার জন্য, তারা জেএসসি পরীক্ষার হলে তাদের ছাত্র ছাত্রীদেরকে প্রকাশ্যে প্রশ্নের উত্তর গুলো বলে দিচ্ছে , এই যদি নামিদামি স্কুলের চরিত্র হয় তবে সাধারন স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা কি শিখবে? সংবাদ

"We want Justice for Adnan Tasin"