টপিকঃ বান্দরবান ভ্রমণ – “শেষ পর্ব”

বান্দরবান ভ্রমণ – “শেষ পর্ব”

https://fbcdn-sphotos-c-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xap1/t31.0-8/p180x540/10644742_10203451030734422_8480150362921309019_o.jpg

ঘোষণা : আমার মত অনিয়মিত অলস একজনের পক্ষে কিছুতেই এত বিশাল একটা লেখা শেষ করা সম্ভব হতো না। লেখার শুরুতে আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে এবারের লেখাটা মাঝ পথে ছেড়ে দিবো না, অবশ্যই পুরো লেখাটা শেষ করব। প্রতিশ্রুতি দেয়ার পরেও নিশ্চয়ই আমি সিরিজটি শেষ করতে পারতাম না। তাহলে কি করে আমি এই অসাধ্য সাধন করলাম? এর পিছনে বিশাল একটা ধাক্কা কাজ করেছে। আমাদের “জলকণা” আপু প্রতিনিয়ত আমাকে পেছন থেকে ধাক্কাতে ধাক্কাতে এই লেখাটার শেষ পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন। এতো ধাক্কার পরেও পুর লেখাটা শেষ হতে সময় লেগেছে প্রায় ৭ মাস, আরো পরিস্কার করে বলতে গেলে ২০৪ দিন। লেখাটি প্রকাশ করা শুরু করি ৯ই ফেব্রুয়ারি ২০১৪ইং তারিখে, আর শেষ করছি আজ ৩১শে আগস্ট ২০১৪ইং তারিখে।   শুধু মাত্র “জলকণা”আপুর এই ধাক্কার করণে ফোরামে পুরো সিরিজটি আমি “জলকণা” আপুকে উৎসর্গ” করলাম।

২৫ জানুয়ারি রওনা হয়ে ২৬ তারিখ সকালে পৌছাই খাগড়াছড়ি। একটি মাহেন্দ্রা গাড়ি রিজার্ভ করে নিয়ে সারা দিনের জন্য বেরিয়ে পড়ি খাগড়াছড়ি ভ্রমণে। একে একে দেখে ফেলি “আলুটিলা গুহা”, “রিছাং ঝর্ণা”, “শতবর্ষী বটবৃক্ষ” আর “ঝুলন্ত সেতু”।
পরদিন ২৭ জানুয়ারি খাগড়াছড়ি থেকে রাঙ্গামাটির দিকে রওনা হই একটি চান্দের গাড়ি রিজার্ভ করে। পথে থেমে দেখে নিই “অপরাজিতা বৌদ্ধ বিহার”। ২৭ তারিখ দুপুরের পরে পৌছাই রাঙ্গামাটি। বিকেল আর সন্ধ্যাটা কাটে বোটে করে কাপ্তাই লেক দিয়ে “সুভলং ঝর্ণা” ঘুরে।
২৮ তারিখ সকাল থেকে একে একে দেখে এলাম ঝুলন্ত সেতু, রাজবাড়ি ও রাজবন বিহার। দুপুরের পরে বাসে করে রওনা হয়ে যাই রাঙ্গামাটি থেকে বান্দারবানের উদ্দেশ্যে। রাতটা কাটে বান্দরবানের “হোটেল ফোরস্টারে”।
পরদিন ২৯ তারিখ সকালে একটি জিপ ভাড়া করে নিয়ে চলে যাই নীলগিরিতে। নীলগিরি থেকে ফেরার পথে দেখে নিলাম শৈলপ্রপাত। বিকেলটা কাটিয়ে দিলাম নীলাচলে সূর্যাস্ত দেখে।
৩০শে জানুয়ারি সকালের নাস্তা সেরে চলে গেলাম মেঘলাতে। মেঘলা ঘুরে সেখান থেকে ফিরে দুপুরের খাবার সেরে বেরিয়ে পরি স্বর্ণ মন্দির দেখতে। স্বর্ণ মন্দির দেখা শেষে আমরা মন্দির থেকে নেমে চললাম সাঙ্গু নদের দিকে........



নদী বা নদ ভ্রমণ মানেই অথই জল আর নৌভ্রমণের ছবি, কিন্তু না.... আমাদের এবারের সাঙ্গু নদ ভ্রমণে জল আর নৌকোর কোন সম্পর্ক নেই। তাহলে ভাবছেন আমরা সাঙ্গু নদে সাঁতার[ কাটবো? নাহ, এবার আমরা পায়ে হেঁটে বেড়াবো সাঙ্গু নদের বুকে, ঠিকই পড়েছেন হেঁটে বেড়াব।

https://fbcdn-sphotos-a-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xpa1/t31.0-8/p600x600/1534859_10203451030374413_4581343900710974780_o.jpg

জানুয়ারির সময়ে পাহাড়ি সাঙ্গুর কোন স্রোত থাকে না, জল চলে যায় তলানিতে। জল এতটাই কমে যায় যে কোথাও কোথাও হাঁটুর নিচে নেমে যায়। সমস্ত প্রকার নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

https://fbcdn-sphotos-f-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xap1/t31.0-8/p600x600/10608600_10203451031494441_6620622891943172959_o.jpg

নদের বুকে জেগে উঠে কাদা-বালুময় তলদেশ। সেখানে বিকেলে খেলা চলে ফুটবল আর আর নানান গ্রাম্য খেলা, চড়ে বেড়ায় গৃহপালিত পশুরা।

https://scontent-b-kul.xx.fbcdn.net/hphotos-xpf1/t31.0-8/q88/p180x540/10471568_10203451032174458_8941875852453812465_o.jpg



স্বর্ণ মন্দির থেকে ফেরার পথে আমরা বাজারের কাছের ঘাট দিয়ে নিচে নদে নেমে আসি। নৌভ্রমণের কোন সুযোগ নেই বলে পায়ে হেঁটে বিকেলটা কাটাবো নদের বুকে। হেঁটে হেঁটে আমরা অনেকটা পথে এগিয়ে যাই।

https://fbcdn-sphotos-a-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xaf1/t31.0-8/q83/p180x540/10626419_10203451033374488_7112393587296278152_o.jpg


https://fbcdn-sphotos-e-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xap1/t31.0-8/q86/p180x540/10495299_10203451030814424_5264743560904830379_o.jpg


https://scontent-a-kul.xx.fbcdn.net/hphotos-xpf1/t31.0-8/p600x600/10462425_10203451032774473_4503336722661803696_o.jpg



https://fbcdn-sphotos-c-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xpa1/t31.0-8/p600x600/10580755_10203451033694496_7616693379196286265_o.jpg


https://fbcdn-sphotos-b-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xpa1/t31.0-8/q82/p600x600/10496068_10203451035134532_9186411844930620359_o.jpg

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নেমে আসে। আমরা নদের তলদেশ ছেড়ে সিঁড়ি বেয়ে উঠে আসি আদিবাসীদের পাড়াগুলিতে। সেখান থেকে ফিরে আসি বান্দরবানের বার্মিজ মার্কেটে।
https://fbcdn-sphotos-e-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xap1/t31.0-8/q82/p600x600/10448626_10203451033934502_4530607797882931089_o.jpg



আজ রাতেই ফিরবো আমরা ঢাকার পথে, তাই শেষ সময়টাতে শপিং করতে ব্যস্ত হয়ে পরে মেয়েরা। আমি একা একা হাঁটেতে হাঁটতে চলে যাই বাজারের অনেকটা ভেতরে।

https://scontent-b-kul.xx.fbcdn.net/hphotos-xpf1/t31.0-8/p600x600/10557564_10203451035734547_7505837638193543762_o.jpg

বান্দরবানের মুন্ডির নাম শুনেছেন হয়ত, আমি সেটা চেখে দেখেছি, সুপ টাইপ নুডলস বা নুডলস টাইপ সুপ। খেতে ভালো হতে হতে খারাপ বা খারাপ হতে হতে ভালো। পরে আমার দেখা দেখি ইস্রাফীলও মুন্ডি চেখে দেখেছে। রেস্টুরেন্টে দেখলাম চমৎকার একটা প্রাইজ লিস্ট লেখা আছে, আইটেমগুলি সত্যি অসাধারণ।

https://fbcdn-sphotos-d-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xap1/t31.0-8/p600x600/1077427_10203451035374538_2776505519697975314_o.jpg


মুন্ডি পর্ব শেষ করে আমরা গেলাম শুটকি বাজারে, কিনতে না দেখতে। নানা ধরনের শুটকি রয়েছে এখানে। আপনারাও দেখেন আমাদের সাথে, আর শুটকি দেখতে দেখতে বিদায় বান্দরবানের এবারের ভ্রমণ থেকে।

https://fbcdn-sphotos-e-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xap1/t31.0-8/p600x600/10644608_10203451036174558_5171539673401513233_o.jpg



https://fbcdn-sphotos-c-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xfa1/t31.0-8/p180x540/10580913_10203451036974578_1500479297061472548_o.jpg
{ছুড়ি শুটকি}


https://fbcdn-sphotos-f-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xap1/t31.0-8/p180x540/1932550_10203451037534592_3602511465623443565_o.jpg
{শাপলাপাতা শুটকি}


https://fbcdn-sphotos-h-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xfp1/t31.0-8/p180x540/10604107_10203451039814649_8301114647010099925_o.jpg
{বাঁশ পাতা শুটকি}



https://scontent-b-kul.xx.fbcdn.net/hphotos-xpf1/t31.0-8/p180x540/10623777_10203451038174608_9123769750333065618_o.jpg
{হাঙ্গর ছানার শুটকি}


https://scontent-b-kul.xx.fbcdn.net/hphotos-xpf1/t31.0-8/p600x600/10562528_10203451039374638_2625523271192399585_o.jpg
{অক্টপাশের শুটকি}


https://fbcdn-sphotos-c-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xaf1/t31.0-8/p600x600/10548681_10203451041014679_8589684010078770022_o.jpg
{চিংড়ি গুরা শুটকি}


https://fbcdn-sphotos-e-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xpa1/t31.0-8/p600x600/10404028_10203451040494666_6090723336547238879_o.jpg
{এইটা কি? কেচকি না মলা-ঢেলা?}



ওহ হো শেষ কথাটা বলি শুধু – আমাদের টিকি কাটা ছিল রাতের এসি বাসের। দুপুরে খাওয়ার সময় রি-সং সং রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার (মহিলা ম্যানেজারের জন্য কি আলাদা কোন কিছু আছে) এসে আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমরা কবে ঢাকা ফিরবো। আমি জানাই আজ রাতের টিকেট কেটেছি। তখন সে যানতে চায় আজ রাতের খাবার আমরা কোথায় খাবো। আমি জানাই ওদের রেস্টুরেন্টেই খাবো সন্ধ্যার পরে। আমরা যে কবারই বান্দরবান যাই সব সময় ওদের রেস্টুরেন্টে খাওয়া দাওয়া করি বলে আমাদের মুখটা হয়তো ওদের চেনা হয়ে গেছে। সন্ধ্যার পরে যখন খাবার খেতে এসেছি তখনও বেশী রাত হয়নি বলে সবাই ঠিক করলো আজ ভাত খাবে না। সুপ, নুডলস, চিকেন ফ্রাই দিয়ে খাওয়া শেষ করবে। অর্ডার শেষে যখর খাবার এলো তখন দেখলাম চিকেন আর ভ্যাজিটেবল মিলিয়ে একটা অন্যরকম ডিস এসেছে, যেটা আমরা অর্ডার দেই নি। তখন ম্যানেজার এসে জানলো রেস্টুরেন্টের পক্ষ থেকে এই ডিসটা আমাদের জন্য বিশেষ ভাবে পরিবেশন করা হয়েছে সম্মান দেখানোর জন্য।

এমন অভাবনীয় সমাদরে আমরা অবাক!!!


এই সিরিজের মোট ১৫টি পর্ব হয়েছে। এই ১৫টি পর্ব সফল ভাবে লিখে শেষ করার সমস্ত কৃতিত্ব “জলকণা” আপুর, এই সিরিজটি “জলকণা” আপুকে উৎসর্গ করা হল।

পূর্বের পর্বগুলি -
খাগড়াছড়ির পথে”।
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব”।
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – আলুটিলা গুহা”।
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – রিছাং ঝর্ণা”।
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – শতবর্ষী বটবৃক্ষ”।
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – ঝুলন্ত সেতু”।
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – অপরাজিতা বৌদ্ধ বিহার”।
রাঙ্গামাটি ভ্রমণ – সুভলং ঝর্ণা ও কাপ্তাই হ্রদে নৌবিহার”।
রাঙ্গামাটি ভ্রমণ – ঝুলন্ত সেতু, রাজবাড়ি ও রাজবন বিহার”।
বান্দরবান ভ্রমণ – নীলগিরি”।
বান্দরবান ভ্রমণ – শৈলপ্রপাত”।
বান্দরবান ভ্রমণ – নীলাচল”।
বান্দরবান ভ্রমণ – মেঘলা”।
বান্দরবান ভ্রমণ – স্বর্ণ মন্দি”।


প্রথম প্রকাশ : ঝিঁঝি পোকা
https://fbcdn-sphotos-a-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash3/249083_10201394970614204_700541791_n.jpg

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: বান্দরবান ভ্রমণ – “শেষ পর্ব”

শুটকি কিছু আমাদেরকে পার্সেল করতেন । আনেননি? নাকি?

সুন্দর ভ্রমণ পর্বটি সুন্দরভাবে শেষ করতে পেরেছেন সেজন্য অনেক শুভকামনা ।

আর আমরা যে সব সময়ই কমেন্ট করে উৎসাহ দিলাম সেটার কি হলো  thinking sad

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: বান্দরবান ভ্রমণ – “শেষ পর্ব”

ছবি-Chhobi লিখেছেন:

শুটকি কিছু আমাদেরকে পার্সেল করতেন । আনেননি? নাকি?

মরুভূমির জলদস্যু লিখেছেন:

মুন্ডি পর্ব শেষ করে আমরা গেলাম শুটকি বাজারে, কিনতে না দেখতে।

  shame নো শুটকি।

ছবি-Chhobi লিখেছেন:

সুন্দর ভ্রমণ পর্বটি সুন্দরভাবে শেষ করতে পেরেছেন সেজন্য অনেক শুভকামনা ।

মেলা কষ্টে শেষ করলাম আপু।

ছবি-Chhobi লিখেছেন:

আর আমরা যে সব সময়ই কমেন্ট করে উৎসাহ দিলাম সেটার কি হলো

ওরে সেইটা আর বলতে  love
পার্টলি সবগুলিইতো আপনাদেরই দেয়া, “জলকণা” আপুকে মুঠ করে গুচ্ছ হিসাবে ধরায়ে দিলাম আরকি।  wink

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: বান্দরবান ভ্রমণ – “শেষ পর্ব”

নেক্সট টাইম গেলে অবশ্যই শুঁটকি আনবেন  big_smile big_smile big_smile সুন্দর কাহিনী কিন্তু শেষ হয়ে গেল  sad sad

এক টুনিতে টুনটুনালো সাত রানির নাক কাঁটালো

Re: বান্দরবান ভ্রমণ – “শেষ পর্ব”

RubaiyaNasreen(Mily) লিখেছেন:

নেক্সট টাইম গেলে অবশ্যই শুঁটকি আনবেন  big_smile big_smile big_smile সুন্দর কাহিনী কিন্তু শেষ হয়ে গেল  sad sad

শুটকি!! কক্ষণ না  shame
আরো কত কাহীনি বাকি  dream

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আরণ্যক (৩১-০৮-২০১৪ ২০:২৩)

Re: বান্দরবান ভ্রমণ – “শেষ পর্ব”

দারুণ দারুণ।

সুন্দর সিরিজের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।  hug  সাথে জল আপুকেও। wink

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: বান্দরবান ভ্রমণ – “শেষ পর্ব”

আরণ্যক লিখেছেন:

দারুণ দারুণ।

সুন্দর সিরিজের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।  hug  সাথে জল আপুকেও। wink

স্বাগতম আপনাকে আরণ্যক ভাই।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন Jol Kona (০১-০৯-২০১৪ ১৬:২৪)

Re: বান্দরবান ভ্রমণ – “শেষ পর্ব”

ফাইনালি  yahoo  পর্ব শেষ হইছে আমরা পার্টি দেয়া যায় এখন!  wink

lol2 দস্যু ভাইয়া টো দেখি স্যতি স্যতি  আমার নাম  দিয়া দিছে!!   blushing  থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু!   lol
আজ ভোর  চার টার দিকে বসে পড়ছি!  নাম দেখে হাসতে হাসতে আমি শেষ! কমেন্ট করতে গেছি তো দেখি পেইজ গায়েব! এরপর ফোরাম ডাউন দেখায়! ৩০ মিনিট ট্রাই করে পরে ঘুমাতে গেলাম!

পার্টলি সবগুলিইতো আপনাদেরই দেয়া, “জলকণা” আপুকে মুঠ করে গুচ্ছ হিসাবে ধরায়ে দিলাম আরকি।

lol মুঠ করে গুচ্ছ ধরায় দিছেন না! wink এই কথার শোধ নিব তো দাঁড়ান! ছেড়ে দিব নাকি ভাবছেন!  বাচ্চা বইলা মুঠা মুঠা গুচ্ছ গুচ্ছ নাহ!!!  hehe

কথা সেটা না; আসল কথা হইল জলের নিম  গাছের ডালে সামনে সবাই সিধা wink  lol lol2 বাকিটা বুঝে নেন!  hehe

যাক প্রসঙ্গে আসি!
ছবি গুলা তো ভালাই হইছে!  dream

শুটকি দেখতে তো সুন্দর! কিন্তু গন্ধ গুলা তো  sick ......আউ!!! dontsee 
স্টিং রের বাচ্চাও শুটকি!!!  হাঙর, অক্টোপাস এরও শুটকি! 
এটা কি দেখলাম!  worried

আবার গুইসাপের মাংস  sick ,মুরগির চাটনি!  thinking এটা কি জিনিস ইন্টারেস্টিং জিনিস মনে হইতেছে!  roll


এইবার বলেন আসল কথা, সাঙ্গু নদে গেছেন কবে? যেই টাইমে পানি নাই! P কম  কম  পানি big_smile নদীর মাঝে হেটে হেটে না হয় ঘুরে আসব কখন সুযোগ হইলে!  hehe tongue_smile
আমার পানি ভয় লাগে  roll।  এক লালাখাল ঘুরতে গিইয়া যত দোয়াদরুদ ছিল সব অই এক নদীতে পড়ে আসছি!!  dontsee প্রথম পানির মাঝে নামছি কিনা! 



কয়কদিনের ব্রেক দিলাম দস্যু ভাইয়া!  tongue আমি লিস্ট নিয়া আসতেছি! এরপরে কোন কোন ভ্রমন কাহিনী বাকি আছে!  tongue_smile hehe lol

আরণ্যক ভাইয়া লিখেছেন:

সাথে জল আপুকেও।  wink

থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু  wink

Re: বান্দরবান ভ্রমণ – “শেষ পর্ব”

Jol Kona লিখেছেন:

এইবার বলেন আসল কথা, সাঙ্গু নদে গেছেন কবে?

তারিখ লেখা আছে। এতো দেখি সারা রাত রামায়ন শুনে ভোড়ে বলে সীতা কার বাপ!!  thinking
 

Jol Kona লিখেছেন:

স্টিং রের বাচ্চাও শুটকি!!!  হাঙর, অক্টোপাস এরও শুটকি!

কোন সন্দেহ নাই।

Jol Kona লিখেছেন:

আবার গুইসাপের মাংস  sick ,মুরগির চাটনি!  thinking এটা কি জিনিস ইন্টারেস্টিং জিনিস মনে হইতেছে!  roll

আমি যদিও চেস্ট করি নাই, পরের বার গেলে  wink

Jol Kona লিখেছেন:

এক লালাখাল ঘুরতে গিইয়া যত দোয়াদরুদ ছিল সব অই এক নদীতে পড়ে আসছি!!

  lol2 lol2
মজাদার মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১০

Re: বান্দরবান ভ্রমণ – “শেষ পর্ব”

অফটপিকঃ

আহারে ভাইয়া! হাস্তেছেন!  tongue_smile আমিও অবশ্য পাড়ে ফিরার পর হাসতেছিলাম!   hehe tongue

https://fbcdn-sphotos-g-a.akamaihd.net/hphotos-ak-xap1/v/t1.0-9/10641297_1499546536955970_4947701941476496869_n.jpg?oh=33aa5f3b2329874b292257e696e88f8d&oe=547A4834&__gda__=1416609805_89394a2ecde57f1f39facc1515ccd2ba

ভয় একটু কাটার পর ফার্স্ট ক্লিক ক্লিক!  tongue_smile 
ভয় না কাটলে ওইখানে চিল্লাচিল্লি লাগায় দিতাম! যদিও আমাকে বলা হইছিল নামার পর বেশি খারাপ লাগলে যেন বলি! নামারপর ১০ মিনিট তো আমি পুরাই পাথর হয়ে বসে ছিলাম  dontsee এর মধ্যেই দোয়াদরুদ সব পড়া হইতেছিল!  blushing

ভাবিরা ফার্স্ট যখন গেছে তখন তাদের ছবিতে দেখলাম তারা নদীর মধ্যে দাপায় বেড়াইতেছে! আর আমি গেলাম তো দেখি পানি থৈ থৈ করতেছে! হইল কিছু!  roll
তার মানে শীত কাল হইল বেস্ট ঘুরার জন্য :S  পানি কম ভঁয় লাগবে কম!  blushing

১১

Re: বান্দরবান ভ্রমণ – “শেষ পর্ব”

Jol Kona লিখেছেন:

তার মানে শীত কাল হইল বেস্ট ঘুরার জন্য :S  পানি কম ভঁয় লাগবে কম!

হে নদী, জল, সমদ্র, গ্রাম ইত্যাদির জন্য শীতই বেস্ট। পাহার দেখার জন্য বর্ষা, তবে ট্রেকিং এর জন্য শীত কাল  hairpull

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।