টপিকঃ যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

https://scontent-a-sin.xx.fbcdn.net/hphotos-xpf1/t1.0-9/10448251_866802040014181_1558538714122427935_n.jpg

পৃথিবীর আনাচে কানাচে লুকিয়ে থাকা হাজারো বিস্ময়ের অন্যতম একটি নাম ডেড সি বা মৃত সাগর। ডেড সি এমন একটি সাগর যে সাগরের পানিতে কেউ ডুবে না। এমনকি কেউ ডুবতে চাইলেও ডুবতে পারে না।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে পৃথিবীর সকল খাল, বিল, পুকুর, নদী, সাগরের পানিতে মানুষসহ যেকোনো জিনিস সহজেই ডুবে যায় কিন্তু ডেড সির পানিতে ডুবে না কেন? কি রহস্য আছে এই পানিতে?

এটি একটি অভিশপ্ত স্থান। কেননা ডেড সি’তে কোন মাছ নেই, কারণ এই সাগরের পানিতে কোনও মাছ বাস করতে পারে না। তেমনিভাবে এর পাশে জর্ডান নদীতেও কোনও মাছ নেই।

এই সাগরের পানিতে কোন উদ্ভিদ বা মাছ বাঁচতে পারে না বলেই মূলত এই সাগরকে ডেড সি বা মৃত সাগর বলা হয়ে থাকে।  ইসলামের ইতিহাসে হযরত লুত (আঃ) নবীর উম্মতের সমকামিতার অপরাধে এই সাগরে তার উম্মত কে শাস্তি দিয়েছিলেন মহান আল্লাহ তাই তাকে অভিশপ্ত সাগর বলে আমরা জানি

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

পানির সারফেস টেনশন বেশি বলেই ডুবছেনা।

এম. মেরাজ হোসেন
IQ: 113
http://www.iq-test.cc/badges/4774105_3724.png

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ

মানুষও তো সেখানের বিনোদন করা জায়গা পাইছে.....

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

কোন কিছু না ডোবার আসল কারণটা বলুন ।

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

Raza420 লিখেছেন:

ইসলামের ইতিহাসে হযরত লুত (আঃ) নবীর উম্মতের সমকামিতার অপরাধে এই সাগরে তার উম্মত কে শাস্তি দিয়েছিলেন মহান আল্লাহ তাই তাকে অভিশপ্ত সাগর বলে আমরা জানি

এটা কি স্বীকৃত কোন গ্রন্থে আছে নাকি শুধুই কিংবদন্তি?

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

http://journalbd.com/11951

এখান থেকে নেয়া মনে হয়

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন Raza420 (১০-০৮-২০১৪ ১৯:১০)

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

ছবি-Chhobi লিখেছেন:

শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ

মানুষও তো সেখানের বিনোদন করা জায়গা পাইছে.....

যারা ইসলাম সম্পর্কে জানে না তাদের জন্য  বিনোদন করার জায়গা।

আশিফ শাহো লিখেছেন:
Raza420 লিখেছেন:

ইসলামের ইতিহাসে হযরত লুত (আঃ) নবীর উম্মতের সমকামিতার অপরাধে এই সাগরে তার উম্মত কে শাস্তি দিয়েছিলেন মহান আল্লাহ তাই তাকে অভিশপ্ত সাগর বলে আমরা জানি

এটা কি স্বীকৃত কোন গ্রন্থে আছে নাকি শুধুই কিংবদন্তি?

পবিত্র কোরআন এ আছে

মেরাজ০৭ লিখেছেন:

পানির সারফেস টেনশন বেশি বলেই ডুবছেনা।

বিজ্ঞানি কথা কিন্তু ইসলাম এর সুন্দর ব্যাখ্যা দিয়েছে 

ছবি-Chhobi লিখেছেন:

http://journalbd.com/11951



এখান থেকে নেয়া মনে হয়

মুল কাহিনী ছাড়া কোন ব্যাখ্যার মানে হয় না। আমি মুল কাহিনী যোগ করে দিয়েছি

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

Raza420 লিখেছেন:

ইসলামের ইতিহাসে হযরত লুত (আঃ) নবীর উম্মতের সমকামিতার অপরাধে এই সাগরে তার উম্মত কে শাস্তি দিয়েছিলেন মহান আল্লাহ তাই তাকে অভিশপ্ত সাগর বলে আমরা জানি

মি: রাজ ফোর টুয়েন্টি আপনার এই তথ্যের সূত্র উল্লেখ করুন। না হয় টপিকটি ট্রাশে নিতে বাধ্য হবো।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন Raza420 (১০-০৮-২০১৪ ১৯:৩৫)

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

মৃত সাগর ("Sea of Salt"; আরবি: ألبَحْر ألمَيّت, al-Baḥrᵘ l-Mayyitⁱ, "Dead Sea")এর পশ্চিমে পশ্চিম তীর এবং ইসরায়েল , পূর্বে জর্ডান । জিবুতির আসাল হ্রদের পর এটি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ লবণাক্ত পানির প্রাকৃতিক আধার। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ৪২০ মিটার(১,৩৭৮ ফিট) নিচে এটি পৃথিবীর নিম্নতম স্থলভূমি ।[২] এর লবণাক্ততা শতকরা ৩০ ভাগ এবং এটি সমুদ্রের পানির চাইতে ৮.৬ গুণ বেশি লবণাক্ত ।[৩] ইসলাম ধর্মে মৃত সাগরের এলাকাকে পয়গম্বর হযরত লূতের (আঃ) জামানার সমকামী গোষ্ঠীর আবাসস্থল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সমকাম পরিত্যাগ করে লুত(আঃ)-এর আনুগত্য স্বীকারে অসম্মত হওয়ার কারণে এই স্থান উল্টে দিয়ে এ জাতিকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছিল।

wikipedia.org সূত্র

ইসলাম ধর্ম দর্শনে

ইসলাম ধর্মে এ অঞ্চলকে হযরত লূত (আঃ) এর অনুসারীদের আবাসস্থল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে । সমকামের দরুণ এই জাতিকে আল্লাহ ধ্বংস করে দিয়েছিলেন । আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত ফেরেশতারা ভূমি উল্টে এ জাতিটিকে মাটি চাপা দেন । আল-ক্বুরআনে সূরা রুম এ ঘটনা উল্লেখ করা আছে । এর দরুন এ এলাকা কে বিশ্বের সবচেয়ে নিচু এলাকা বলে আখ্যা দেয়া হয়েছে

১০

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

বাংলা উইকিপেডিয়া কে দেখি পুরা ধর্মীয় সাইট বানিয়ে ফেলেছে  hairpull । মূল উইকি তে এর কিছুই নাই http://en.wikipedia.org/wiki/Dead_Sea

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১১

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

বাংলা উইকিপেডিয়া কে দেখি পুরা ধর্মীয় সাইট বানিয়ে ফেলেছে  hairpull । মূল উইকি তে এর কিছুই নাই http://en.wikipedia.org/wiki/Dead_Sea

আল-ক্বুরআনে সূরা রুম এ ঘটনা উল্লেখ করা আছে । এটা কি মিথ্যা নাকি?

সুরা আরাফে ৮৪ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন:অতএব দেখ,গোনাগারদের পরিণতি কেমন হয়েছে। এ ভুখন্ডটি লুত সাগর বা ডেড সী বা মৃত সাগর নামে পরিচিত।এর ভুভাগ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক নীচে অবস্হিত।এর একটি বিশেষ অংশে নদীর আকারে আশ্চর্য ধরণের পানি বিদ্যমান।এ পানিতে কোন মাছ,ব্যাঙ জীবিত থাকতে পারে না।এমনকি কোন মানুষ সেই পানিতে ডুবেও না বরং ভাসতে থকে।

সুরা হুদে ৭৭-৭৮ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন:’’এবং আমার প্রেরিত ফেরেশতা লুতের নিকট পৌছিল,তাদের আগমনে তিনি শংকিত,বললেন,আজকের দিনটি বড়ই কঠিন ও লুতের কওম হন্তদন্ত হয়ে দৌড়ে তাদের কাছে এল,এরা পূর্ব থেকেই দুষ্কর্র্মশীল কওম।’’ লুত (আ:)এর বধু ছিল কাফের।

সুরা আরাফের ৮০ ও ৮১ নং আয়াতে বলা হয়েছে:এবং আমি লুতকে প্রেরণ করেছি।যখন সে স্বীয় সম্প্রদায়কে বলল:তোমরা কি এমন অশ্লীল কাজ করছ,যা তোমাদের আগে সারা বিশ্বের কেউ করেনি?তোমরা তো কামবশত: পুরুষদের কাছে গমণ কর নারীদের ছেড়ে।বরং তোমরা সীমা ছাড়িয়েছ।


ইসলাম ধর্মে:
ডেড সি বা মৃত সাগরের কথা ইসলাম ধর্মে বেশী বলা হয়েছে। এই স্থানটি এরূপ হওয়ার কারণ হিসেবে আল কুরআনের তথ্য গুলো সবচেয়ে বেশী সত্য, সঠিক ও বিশ্বাসযোগ্য। ইসলাম ধর্মে এ অঞ্চলকে হযরত লূত (আঃ) এর অনুসারীদের আবাসস্থল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে । লূত (আঃ) এর উম্মতগণ এই এলাকায় বসবাস করতো। তখন এই স্থানটি ছিল স্বাভাবিক এবং মানুষ বসবাসের জন্য খুবই উপযোগী। তৎকালীন সময়ে লূত (আঃ) এর অনুসারীরা চরম পাপে লিপ্ত হয়েছিল। তারা সমকামিতার মতো নির্লজ্জ পাপে মশগুল হয়ে পড়েছিল। সমকামের এই কঠিন পাপাচারের কারণে এই জাতিকে মহান আল্লাহ তায়ালা ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। লূত (আঃ) তার অনুসারীদের বারবার পাপ কাজ হতে বিরত থাকার আদেশ প্রদান করে ব্যর্থ হলে এই জাতির পাপের প্রতিদান স্বরূপ আল্লাহ তার ফেরেশতাদের প্রেরণ করেন তাদের কঠিন শাস্তি প্রদান করার জন্য। আল্লাহর আদেশে ফেরেশতারা এসে এই জাতিকে ধ্বংস করার জন্য এই স্থানের ভূমিকে উল্টে দেন, ফলে পাপিষ্ঠ জাতিটি মাটি চাপা পড়ে ধ্বংস হয়ে যায়। মাটি উল্টে দেওয়ার কারণে এখানের ভূমি নিচে নিমে যায়। বর্তমান বিজ্ঞানীরা অনুসন্ধান করে প্রমাণ পেয়েছেন যে, বর্তমানে এই স্থানটি পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু স্থান। মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের সূরা রুম এ লূত (আঃ) এর জাতির এই পাপিষ্ঠ ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

১২

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

সোজা কথা পানিতে লবণের মাত্রা (ঘনত্ব) অত্যধিক বেশি। যার কারণে বস্তু (মানুষ) দ্বারা অপসারিত পানির ওজন বস্তু থেকে বেশি হওয়ায় ডুবে না।

আলহামদুলিল্লাহ!

১৩

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

আরিফ হাসান লিখেছেন:

সোজা কথা পানিতে লবণের মাত্রা (ঘনত্ব) অত্যধিক বেশি। যার কারণে বস্তু (মানুষ) দ্বারা অপসারিত পানির ওজন বস্তু থেকে বেশি হওয়ায় ডুবে না।

তাহলে মানুষ নিজেই পুকুর তৈরি করে লবন পেলে পুকুরে ভেসে থাকার ব্যাবস্তা করত এতে করে বিনোদন করার ব্যাবস্তা হত এবং টাকা ও ইনকাম হত।

বিজ্ঞান কি  কোথাও আলাদা  ভাবে  লবন পেলে পরীক্ষা করে দেখেছে  যে পুকুরে বা নদীতে ভেসে থাকা যায় । যদি এই রকম পৃথিবীর অন্য কোথা ও দেখাতে পারেন তাহলে প্রমান দেন  ।

১৪ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন amilee.2008 (১০-০৮-২০১৪ ২৩:৫৭)

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

Raza420 লিখেছেন:

পৃথিবীর আনাচে কানাচে লুকিয়ে থাকা হাজারো বিস্ময়ের অন্যতম একটি নাম ডেড সি বা মৃত সাগর। ডেড সি এমন একটি সাগর যে সাগরের পানিতে কেউ ডুবে না। .....এখন প্রশ্ন হচ্ছে পৃথিবীর সকল খাল, বিল, পুকুর, নদী, সাগরের পানিতে মানুষসহ যেকোনো জিনিস সহজেই ডুবে যায় কিন্তু ডেড সির পানিতে ডুবে না কেন? কি রহস্য আছে এই পানিতে?

এটি একটি অভিশপ্ত স্থান। কেননা ডেড সি’তে কোন মাছ নেই, কারণ এই সাগরের পানিতে কোনও মাছ বাস করতে পারে না। তেমনিভাবে এর পাশে জর্ডান নদীতেও কোনও মাছ নেই।

এই সাগরের পানিতে কোন উদ্ভিদ বা মাছ বাঁচতে পারে না বলেই মূলত এই সাগরকে ডেড সি বা মৃত সাগর বলা হয়ে থাকে।  ইসলামের ইতিহাসে হযরত লুত (আঃ) নবীর উম্মতের সমকামিতার অপরাধে এই সাগরে তার উম্মত কে শাস্তি দিয়েছিলেন মহান আল্লাহ তাই তাকে অভিশপ্ত সাগর বলে আমরা জানি

যদি এর পানি মিঠা হতো... তবুও মানুষ ডুবে যেত না, মাছ, গাছ কিছুই জন্মাতো না, তাহলে বুঝতাম সত্যি রহস্য আছে।।
নাহলে এমনিই সামুদ্রিক লবনাক্ত পানিতে মানুষ ডুবে যায় না/কম ডুবে মরে ,আর ডেড সি তে তীব্র লবনাক্ত পানি, তাই না
এটা ছোটো বেলায় পড়েছি।

প্রজন্ম ফোরাম

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৫

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

amilee.2008 লিখেছেন:

যদি এর পানি মিঠা হতো... তবুও মানুষ ডুবে যেত না, মাছ, গাছ কিছুই জন্মাতো না, তাহলে বুঝতাম সত্যি রহস্য আছে।।
নাহলে এমনিই সামুদ্রিক লবনাক্ত পানিতে মানুষ ডুবে যায় না/কম ডুবে মরে ,আর ডেড সি তে তীব্র লবনাক্ত পানি, তাই না
এটা ছোটো বেলায় পড়েছি।

মৃত সাগর ছাড়া কোন সাগরে মানুষ ডুবে না  সব সাগরেই মানুষ ডুবে যায় । মারা যাবার অনেক পর মানুষ ভেসে উঠে ।

১৬

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

Raza420 লিখেছেন:

মৃত সাগর ছাড়া কোন সাগরে মানুষ ডুবে না  সব সাগরেই মানুষ ডুবে যায় । মারা যাবার অনেক পর মানুষ ভেসে উঠে ।

মিঠা পানির থেকে লোনা পানিতে ডুবে যাওয়ার প্রবনতা কম,পানি যত বেশি লবনাক্ত এবং বেশি ঘনত্ত্ব হবে, সেখানে কোনোকিছু ডুবে যাওয়ার প্রবনতা ততই কমবে, এই ডুবে যাওয়া ও ভেসে থাকা সেই তরলের ঘনত্ত্বের উপর নির্ভর করে,
একটু বই ঘাটেন, এ তথ্য পেয়ে যাবেন,

প্রজন্ম ফোরাম

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৭

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

amilee.2008 লিখেছেন:

মিঠা পানির থেকে লোনা পানিতে ডুবে যাওয়ার প্রবনতা কম,পানি যত বেশি লবনাক্ত এবং বেশি ঘনত্ত্ব হবে, সেখানে কোনোকিছু ডুবে যাওয়ার প্রবনতা ততই কমবে, এই ডুবে যাওয়া ও ভেসে থাকা সেই তরলের ঘনত্ত্বের উপর নির্ভর করে,
একটু বই ঘাটেন, এ তথ্য পেয়ে যাবেন,

থাকলে বাস্তব প্রমান দেখান ।

১৮

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

Raza420 লিখেছেন:
amilee.2008 লিখেছেন:

মিঠা পানির থেকে লোনা পানিতে ডুবে যাওয়ার প্রবনতা কম,পানি যত বেশি লবনাক্ত এবং বেশি ঘনত্ত্ব হবে, সেখানে কোনোকিছু ডুবে যাওয়ার প্রবনতা ততই কমবে, এই ডুবে যাওয়া ও ভেসে থাকা সেই তরলের ঘনত্ত্বের উপর নির্ভর করে,
একটু বই ঘাটেন, এ তথ্য পেয়ে যাবেন,

থাকলে বাস্তব প্রমান দেখান ।

ধুর মশাই বুরবক এর মত তর্ক করেন কেন?
নিচে লিংক দিলাম ভালো করে পড়ে বাড়ীতে নিজে পরীক্ষা করে দেখুন।
তারপর নাহয়, আবার ফোরামে এসে বকুম-বকুম করবেন।
https://explorable.com/salt-water-egg-experiment

প্রজন্ম ফোরাম

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মেরাজ০৭ (১১-০৮-২০১৪ ০০:৪৭)

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

https://encrypted-tbn3.gstatic.com/images?q=tbn:ANd9GcTF0ymzOJbxFHH0MFORK0ilI62cEyKxmpJ0d186j7YnWom1HdpU
ডেড সিতে মানুষকে এরকম একটি পোকা মনে করুন। এই পোকা সারফেস টেনশনের ফলে পানিতে ভেসে আছে। এগুলা তো ফিজিক্স ১০১, বেসিক জ্ঞান।

এম. মেরাজ হোসেন
IQ: 113
http://www.iq-test.cc/badges/4774105_3724.png

২০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন হৃদয়১ (১১-০৮-২০১৪ ০১:২৯)

Re: যে সাগরে মানুষ ডুবতে পারে না - একটি অভিশপ্ত স্থান

@মেরাজ০৭ - সারফেস টেনশান নিয়ে পড়ে যা বুঝলাম ওটার সাথে এই ভেসে থাকার কোনও সম্পর্ক নেই। এভাবে ভেসে থাকার পিছনে কাজ করছে Buoyancy, যেটা আর্কিমিডিসের তত্বের সাথে সম্পর্কিত। বিষয়টা দেখলাম বেশ সহজ।

Raza420 লিখেছেন:

থাকলে বাস্তব প্রমান দেখান ।

চীনে "ডেড সি" এর মতো একটি হ্রদ আছে।

http://www.chinadeadsea.com/usa/service.html

Sprawl your limbs and lie on your back in the middle of the Yuncheng Salt Lake,the "China Dead Sea",and you will be pushed to the surface of the water by a unique buoyant force as if you were riding in a boat.

"No ship should go down without her captain."

হৃদয়১'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত