টপিকঃ প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

`এক সময়ে যৌনতার রাণী ছিলাম': তসলিমা 

নির্বাসিত নারীবাদী লেখিকা তসলিমা নাসরিন বলেছেন, “এক সময় আমি ব্যক্তিত্ববানদের পেছনে ঘুরেছি। ব্যক্তিত্বহীনরা আমার পেছনে ঘুরেছে। আমি দৈহিক সম্পর্কে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ি। বুড়ো, মাঝ বয়সী ও প্রবীণ বন্ধুদের নিয়ে দেহজ খেলায় মেতে উঠি। কিন্তু এখন দেহজ খেলায় মত্ত থাকার বয়স নেই। সুখের পায়রারা আজ কেউ আমার পাশে নেই।”

তসলিমা আরো বলেন, প্রায় দেড় যুগ ধরে তিনি নির্বাসনে দিনযাপন করছেন। মৌলবাদীদের আর্শীবাদপুষ্ট বিএনপি সরকারও তাকে দেশে ফিরতে দেননি। স্বাধীনতা পক্ষের শক্তি হিসাবে দাবী করা আওয়ামী লীগ সরকারও তাকে দেশে ফেরার সুযোগ দেননি। তিনি এখন ক্লান্ত। দেশে ফিরতে চান। দেশেই বাকিটা জীবন কাটাতে চান।

তসলিমা নাসরিন আগের মতো এখন আর লিখতেও পারছেন না বা লিখছেন না। ‘উতল হাওয়া, ‘আমার মেয়ে বেলা’, ‘ভ্রমর কইও যাইয়া’, বা ‘ক’ -এর মতো বই আর আসছে না। আগের মতো কাব্যও নেই, কবিতাও না। একাধিক স্বামী ও একাধিক পুরুষের সাথে তার দেহজ সম্পর্কের কথা তিনি বেশ রসিয়ে রসিয়ে লিখেছেন। কিন্তু আজকাল বয়সের কারণে নারী হিসেবে আর এই সম্পর্ক অব্যাহত রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

তসলিমা এখন হতাশ, চোখের নিচে কালি পড়েছে, চামড়ায় বয়সের চাপ, শরীরের মধ্যে নানারকম ব্যথাতো আছেই। একাকিত্ব তাকে আরও পঙ্গু করে দিচ্ছে। এমনি অবস্থায় বিদেশের কোথাও থিতু হতেও পারছেন না। দেশে ফেরাও তার জন্য দিন দিন কঠিন হয়ে গেছে। যেই মৌলবাদীদের ভয়ে তিনি দেশ ছেড়ে ছিলেন, সেই ভয় এখনও তাকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে তিনি তুলে ধরলেন তার এখনকার বিস্তারিত জীবনানুভুতি। সাক্ষাতকারটি সার-সংবাদ পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

প্রশ্ন: আপনার কাছে একটা প্রশ্ন। এই যে লেখালেখি করলেন, এর মূল উদ্দেশ্য কি ছিল, দেহের স্বাধীনতা না চিন্তার স্বাধীনতা?

তসলিমা: প্রশ্নটা আপেক্ষিক। আসলে আমিতো পেশায় ছিলাম চিকিৎসক। আমার বাবা চেয়েছিলেন তার মতো হতে। আমিও অধ্যাপক ডা. রজব আলীর মতো একজন খ্যাতিমান চিকিৎসক হই। শৈশবে, কৈশোর এবং যৌবনে আমি অনুভব করি, নারীরা আমাদের সমাজে ক্রীতদাসীর মতো। পুরুষরা তাদের ভোগ্যপণ্যের মতো ব্যবহার করে। এ কারণেই বিষয়গুলো নিয়ে প্রথমে লেখালেখির কথা ভাবি।

প্রশ্ন: স্বাধীনতার দাবিতে কি আপনার এই লড়াই?

তাসলিমা: আমি প্রথমত নারীর জরায়ুর স্বাধীনতার দাবি তুলি। একজন পুরুষ যখন চাইবে, তখনই তার মনোস্কামনা পূর্ণ করতে ছুটে যেতে হবে। এটা তো হতে পারে না। অথচ তখন ছুটে না গেলে জীবনের সব পূণ্য নাকি শেষ হয়ে যাবে। চিন্তার স্বাধীনতা না থাকলে ভালো লেখক হওয়া যায় না।

দেহের স্বাধীনতার বিষয়টা গৌণ। তবে একেবারে ফেলনা নয়। পুরুষই একচেটিয়া মজা লুটবে, নারী শুধু ভোগবাদীদের কাছে পুতুলের মতো হয়ে থাকবে, এটা মেনে নিতে পারিনি।

প্রশ্ন: আপনি পরিকল্পিতভাবে নিজেকে আলোচিত করে তোলেন। আজ বাংলা সাহিত্যে বা বাংলাদেশের সাহিত্য জগতে আপনি তো চরমভাবে অবহেলিত।

তাসলিমা: আমি একটা আলোড়ন সৃষ্টি করেছি। সত্য কথা সাহিত্যে অনেকের জন্য কষ্টদায়ক হয়। আমি আমার বহু স্বামী ও ভোগ্য পুরুষদের নামধাম প্রকাশ করে দেয়ায় অনেক বন্ধু আমাকে এড়িয়ে চলেন।
বাংলা সাহিত্যের অনেক দামি দামি পুরুষও চান না যে আমি দেশে ফিরি। এক সময় আমার বিপক্ষে ছিল কট্টর মৌলবাদীরা। এখন প্রগতিশীল অনেক সাহিত্যিকও বিপক্ষে। কারণ এদের নষ্ট মুখোশ আমি খুলে দিয়েছি।

প্রশ্ন: আপনি চিকিৎসক থাকলেই ভালো করতেন। মিডিয়াতে কেন এলেন? সাহিত্যেই বা কেন?

তাসলিমা: আমি নারীর অধিকার নিয়ে ভেবেছি। কিন্তু এখন মনে হয় আমি মানবিকভাবে আশ্রয়হীন। আর এ কারণেই আমি অন্য স্রোতে সুখ খুঁজেছি। পরিবার হারালাম, স্বামী সন্তান হলো না, ঘর-সংসার হলো না। তখন দৈহিক সম্পর্কে নেশাগ্রস্ত না থেকে আর কোনো পথ খোলা ছিলো না।

প্রশ্ন: এখন আপনি কী চান?

তাসলিমা: অনেক কিছু। আমার হারিয়ে যাওয়া জীবন, যৌবন, ভোগ-উপভোগ, স্বামী-সন্তান, পরিবার-পরিজন। কিন্তু দিতে পারবেন কি? আজ আমি নিজ দেশের কাউকে দেখলে কুণ্ঠিত ও লজ্জিত হই। খ্যাতি, অর্থ, পুরস্কার সবই আছে, তবুও মনে হয় আমি ভীষণ পরাজিত। দিনে হইচই করে কাটাই, রাত হলে একাকিত্ব পেয়ে বসে। আগের মতো পুরুষদের নিয়ে রাতকে উপভোগ করার মতো শরীর মন কোনোটাই নেই।

প্রশ্ন: এখন কেমন পুরুষ বন্ধু আছে?

তাসলিমা: এক সময় অনেক ব্যক্তিত্ববানদের পেছনে আমি ঘুরেছি। ব্যক্তিত্বহীনরা আমার পেছনে পেছনে ঘুরেছে। আজকাল আর সুখের পায়রাদের দেখি না। মনে হয় নিজেই নিজেকে নষ্ট করেছি।

পরিচিত হয়েছি নষ্ট নারী, নষ্টা চরিত্রের মেয়ে হিসেবে। লেখালেখি করে তাই এসব পুরুষদের উপর আমার রাগ, ঘৃণা ও অবহেলাকে প্রকাশ করেছি। যৌনতার রানী হিসেবে প্রকাশিত হলাম, অথচ এই রানীর কোনো রাজাও নেই প্রজাও নেই। এই জন্য আজ হতাশায় নিমজ্জিত আমি।

প্রশ্ন: ধর্ম-কর্ম করেন?

তাসলিমা: মাঝেমধ্যে মনে হয় সব ছেড়ে নামাজ-রোজা করি, তাওবা করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করি। কম্যুনিস্টরাও তো এক সময় বদলে যায়। আমার জন্ম ১২ ই রবিউল আউয়াল, মহানবীর জন্মদিনে। নানী বলেছিলেন, আমার নাতনী হবে পরহেজগার। সেই আমি হলাম বহু পুরুষভোগ্য একজন ধর্মকর্মহীন নারী। বলা তো যায় না, মানুষ আর কত দিন বাঁচে। আমার মা ছিলেন পীরের মুরীদ। আমিও হয়ত একদিন বদলে যাবো।

প্রশ্ন: বিয়ে-টিয়ে করবার ইচ্ছে আছে কি?

তাসলিমা: এখন বিয়ে করে কি করবো? পুরুষটিই বা আমার মধ্যে কি পাবে? সবই পড়ন্ত বেলায়। যে বিয়ে করবে, সে যদি আমার মধ্যে যৌন সুখ না চায়, সন্তান না চায়, এমন মানব পেলে হয়ত একজনকে সঙ্গী করার কথা ভাবতেও পারি।

প্রশ্ন: আপনি কি একেবারে পুরিয়ে গেছেন?

তাসলিমা: না, তা ঠিক নয়। তবে পুরুষতো শত বছরেও নারীকে সন্তান দেয়। মেয়েরা তো পারে না। আমার এখনও রজস্রাব বন্ধ হয়নি। মেশিনারি ঠিক আছে। তবে নতুন বা আনকোরাতো নয়, লক্কর ঝক্কর মেশিনারির মতো আরকি? পুরুষদেরও বয়স বাড়লে খাই খাই বেড়ে যায়। এতটা মেটানো তো আর এই বয়সে সম্ভব হবে না।

প্রশ্ন: বয়স বাড়লে পুরুষেদের সেক্স বাড়ে এটা কিভাবে বুঝলেন?

তাসলিমা: কত বুড়ো, মাঝ বয়সী ও প্রবীণ বন্ধুদের নিয়ে দেহজ খেলায় মেতেছি, এটা আমার জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি।

প্রশ্ন: রাত যখন বিশ্বকে গ্রাস করে, আপনার ঘুম আসছে না- তখন আপনার বেশি করে কি মনে পড়ে?

তাসলিমা: খুব বেশি মনে পড়ে আমার প্রথম প্রেম, প্রথম স্বামী, প্রয়াত কবি রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহকে। অনেক কাঁদি তার জন্য। পেয়েও হারালাম তাকে। রাগ হয়েছিল বিয়ের রাতেই। আমি তো ডাক্তার তার পুরুষদণ্ডে ক্ষত দেখি। বুঝতে পেরেছিলাম যাকে জীবন দিয়ে ভালবাসি, সে বেশ্যাবাড়ি যায়। সিপিলিস-গনোরিয়ায় আক্রান্ত সে। তবু তাকে বলি, আজ বাসর রাতে যৌনকেলি হবে না। তোমার শরীরে রোগ। এখন আমার শরীরে তুমি ঢুকলে আমিও এ রোগে আক্রান্ত হবো। তোমাকে সুস্থ করে তুলবো, তারপর হবে আমাদের আনন্দ বাসর।

কিন্তু পুরুষতো জোর করতে চাইলো, ব্যর্থ হয়ে চলে গেলো পতিতার বুকেই।

প্রশ্ন: অন্য স্বামীদের কথা মনে পড়ে না?

তাসলিমা: তারা এমন উল্লেখযোগ্য কেউ নন। তাদের মুরোদ আমি দেখেছি। তার চেয়ে বহু বন্ধুর মধ্যে আমি দেখেছি, কেমন উন্মত্ত তেজ। ওদের স্মৃতি মনে পড়ে মাঝে মধ্যে।

প্রশ্ন: দেশে ফিরবেন না?

তাসলিমা: দেশই আমাকে ফিরতে দেবে না। আর কোথায় যাবো? বাবা-মা-ভাই-বোন সবাইকে আমি লেখাতে জবাই করে দিয়েছি। আসলে নেশাগ্রস্তই ছিলাম, অনেক কিছু বুঝিনি। আজ আত্মীয়-স্বজনও আমাকে ঘৃণা করে। মরার পর লাশ নিয়ে চিন্তা থাকে, আমার নেই। যে কোন পরীক্ষাগারে দেহটা ঝুলবে। ছাত্রদের কাজে লাগবে।
(সংগৃহীত)
কি আর নিজের থেকে লিখবো? নাস্তিকদের প্রভু, নারীদের কলংক -এর একটি কথাই আমার চোখে লাগছে মাঝেমধ্যে মনে হয় সব ছেড়ে নামাজ-রোজা করি, তাওবা করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করি। কম্যুনিস্টরাও তো এক সময় বদলে যায়। আমার জন্ম ১২ ই রবিউল আউয়াল, মহানবীর জন্মদিনে। নানী বলেছিলেন, আমার নাতনী হবে পরহেজগার। সেই আমি হলাম বহু পুরুষভোগ্য একজন ধর্মকর্মহীন নারী। বলা তো যায় না, মানুষ আর কত দিন বাঁচে। আমার মা ছিলেন পীরের মুরীদ। আমিও হয়ত একদিন বদলে যাবো।
আজ আর আপসোস করে লাভ কি? এরই নাম স্বাধীনতা, ধর্মের গন্ডির মধ্যে না থাকা। আসলে এই লেখাটা পড়লেই বুঝা যায়া নাস্তিক্যতাকে কেন গ্রহণ করে। খা্জ্জানি বেশি তাই, ধর্মের বাইরে গিয়ে যত ইচ্ছা, ছোট, বড়, কালো, সাদা, মোটা, চিকন.......সবগুলো দিয়েই খাজ্জাইয়া দেখতে চায়। খাজ্জানী শেষ তাই তওবার কথা উচ্চারিত।

ইসলামী বই ৩৪টি ভাষায় ফ্রি ডাউনলোড For A Nice Islami Page ইসলামী জীবন

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

ইয়ে, কোথায় পেয়েছেন, সেটার নির্ভরযোগ্য সূত্র দিন। না হলে এখানের নাস্তিক সমাজ আপনাকে ছিঁড়েখুঁড়ে খেয়ে ফেলতে পারে  lol2
তবে, যাইহোক, এভাবে বলবেন না। দেশ কারো একার না। ভিন্নমতের জন্য কাউকে বিতাড়নের কী অধিকার আছে আমাদের? জানের উপর হুমকি দেয়াটা বাড়াবাড়ি! আমার তসলিমার জন্য মায়াই লাগছে। হয়তো একাকীত্বে ভুগছেন কিংবা মিডলাইফ ক্রাইসিস। উনাকে দেশে ফিরতে দেয়া উচিত। ধর্মবিশ্বাসের ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন একটা চরম ভুল। সংখ্যাগরিষ্ঠতা কখনো কখনো খুব ভুল এবং নিষ্ঠুর একটা হাতিয়ার!

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

নাস্তিক তওবা করুক, সে দুআই করি

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

সূত্র কি?  whats_the_matter

এম. মেরাজ হোসেন
IQ: 113
http://www.iq-test.cc/badges/4774105_3724.png

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

abdulmostafa2906  লিখছেন

" বেশ্যাদের উপমা, নারীদের কলংক, মানুষরূপী ডাইনির "

এডমিনরা/মডুরা কি নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন, নাকি?
পোষ্টদাতা, ধর্মের মোড়কে খিস্তি খেউড় করবেন, আর সবাই চুপ করে থাকবেন।
পোষ্টদাতার মানষিকতা, আর তিনি কোন লেভেলের মানুষ অনেকেই বুঝে গেছেন আগেই্‌।
সম্মাননা -ঋনাত্মক চিহ্ন দেখলেই বোঝা যায়, dontsee dontsee তিনি আসলেই খুব জ্ঞানী, সর্বজ্ঞানী ও বিজ্ঞানী মানুষ.( shame shame)

প্রজন্ম নোংরা, কুলষিত করাই যে তার এক মাত্র লক্ষ্য, আর আপনারা কবে বুঝবেন। worried worried
যাই হোক please, take care of him, give him a special treatment

প্রজন্ম ফোরাম

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

এমিলি, তো তাতে কী হলো? সবার কথাই শুনুন। নইলে নিজেরটা যে ঠিক তা কীভাবে বুঝবেন? ধন্যবাদ।

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

abdulmostafa2906 লিখেছেন:

`
কি আর নিজের থেকে লিখবো? নাস্তিকদের প্রভু, নারীদের কলংক -এর একটি কথাই আমার চোখে লাগছে মাঝেমধ্যে মনে হয় সব ছেড়ে নামাজ-রোজা করি, তাওবা করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করি। কম্যুনিস্টরাও তো এক সময় বদলে যায়। আমার জন্ম ১২ ই রবিউল আউয়াল, মহানবীর জন্মদিনে। নানী বলেছিলেন, আমার নাতনী হবে পরহেজগার। সেই আমি হলাম বহু পুরুষভোগ্য একজন ধর্মকর্মহীন নারী। বলা তো যায় না, মানুষ আর কত দিন বাঁচে। আমার মা ছিলেন পীরের মুরীদ। আমিও হয়ত একদিন বদলে যাবো।
আজ আর আপসোস করে লাভ কি? এরই নাম স্বাধীনতা, ধর্মের গন্ডির মধ্যে না থাকা। আসলে এই লেখাটা পড়লেই বুঝা যায়া নাস্তিক্যতাকে কেন গ্রহণ করে। খা্জ্জানি বেশি তাই, ধর্মের বাইরে গিয়ে যত ইচ্ছা, ছোট, বড়, কালো, সাদা, মোটা, চিকন.......সবগুলো দিয়েই খাজ্জাইয়া দেখতে চায়। খাজ্জানী শেষ তাই তওবার কথা উচ্চারিত।

আপনার ভাষা অত্যন্ত নোংরা আর এর নাম স্বাধীনতা বলতে আপনি কি বুঝাতে চাইছেন?

এক টুনিতে টুনটুনালো সাত রানির নাক কাঁটালো

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

`এক সময়ে যৌনতার রাণী ছিলাম': তসলিমা  লিখে গোগল করুন পাবেন সূত্র

ইসলামী বই ৩৪টি ভাষায় ফ্রি ডাউনলোড For A Nice Islami Page ইসলামী জীবন

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

উদাসীন লিখেছেন:

এমিলি, তো তাতে কী হলো? সবার কথাই শুনুন। নইলে নিজেরটা যে ঠিক তা কীভাবে বুঝবেন? ধন্যবাদ।

না ভাই প্রবলেমটা সেটা নয়।
কোনো এক পোষ্টে আমি  semen কে বাংলা ভাষায় যা বলে আর কি, সেই বাংলা শব্দ টি লিখেছিলাম
তাতেই হই হই রব পড়ে গেছিল। তখন নাকি, সেটা থেকেই খুব গন্ধ বেরুচ্ছিলো প্রজন্ম ফোরামে।

প্রজন্ম ফোরাম

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

স্পর্শকাতর বিষয়ে সূত্র না দেওয়াতে মাইনাস দিতে বাধ্য হলাম।

আর গুগল করে কোন অথেন্টিক সূত্র পেলাম না সে আসলে এটা তসলিমা বলেছেন।

তাও আবার এটা দেড় বছর আগে পাবলিশ হয়েছে ফেবুতে ।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১১

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

কিছু বদ পোলাপাইন ইচ্ছা কইরা এই রকম গুজব ছড়ায় আর আপনার মত সহজ-সরল (প্লাস কিছু বেকুব) মানুষ সেটা বিশ্বাস করে লাফাতে থাকে।
সোজা কথায় আপনাদের হাসির পাত্র বানানো হয়।

১২

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

abdulmostafa2906 লিখেছেন:

`এক সময়ে যৌনতার রাণী ছিলাম': তসলিমা  লিখে গোগল করুন পাবেন সূত্র

"গোগল" করে সব উগাবুগা ভূঁইফোর নিউজ সাইটের এড্রেস পেলাম। তাসলিমা নাসরিন নিজে লিখেছেন বা বলেছেন এমন কোথায় পেলামনা। এরকম সূত্র না দিয়ে উগাবুগা "গোগল করুন" বলায় মাইনাচ খান।

এম. মেরাজ হোসেন
IQ: 113
http://www.iq-test.cc/badges/4774105_3724.png

১৩

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

মেরাজ০৭ লিখেছেন:

"গোগল" করে সব উগাবুগা ভূঁইফোর নিউজ সাইটের এড্রেস পেলাম। তাসলিমা নাসরিন নিজে লিখেছেন বা বলেছেন এমন কোথায় পেলামনা। এরকম সূত্র না দিয়ে উগাবুগা "গোগল করুন" বলায় মাইনাচ খান।

গুগল করে দেখুন। এই বলে সবাই কে বোকা বানাচ্ছেন।  hairpull hairpull

প্রজন্ম ফোরাম

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

শেষ লাইন দু'টো যথেষ্ট অশ্লীল ও আপত্তিকর। thumbs_down

Calm... like a bomb.

১৫ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন abdulmostafa2906 (১১-০৭-২০১৪ ০০:৫৭)

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

এডমিনরা/মডুরা কি নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন, নাকি?

আর তেল পাবে কোথায়? শাহবাগে, আর তসলিমা সারা বিশ্বে ব্যবহার করেছে না! তাই..........
সে যাই হোক একটা কৌতুক বলি ঠিক কৌতুকও বলা যায় না,
একটি পিচ্চি বাচ্চা ছোট একটি কুকুর এর বাচ্চার সাথে খেলছে। পিচ্চির হাতে ছোট পুতুল। কুকুরটির সাথে খেলছে, কিন্তু যখনি কুকুরটি তার সাথে খেলে(পুতুলটি কামড়ে ধরে) তখনি ম্যাঁ ম্যাঁ করে চিৎকার করে বাচ্চাটি।

ইসলামী বই ৩৪টি ভাষায় ফ্রি ডাউনলোড For A Nice Islami Page ইসলামী জীবন

১৬

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

abdulmostafa2906 লিখেছেন:

খা্জ্জানি বেশি তাই, ধর্মের বাইরে গিয়ে যত ইচ্ছা, ছোট, বড়, কালো, সাদা, মোটা, চিকন.......সবগুলো দিয়েই খাজ্জাইয়া দেখতে চায়। খাজ্জানী শেষ তাই তওবার কথা উচ্চারিত।

আপনি হুজুর মানুষ হয়ে রমজান মাসে সময় এমন অশ্লীল মন্তব্য করেন কিভাবে সেটা চিন্তা করছি।

এম. মেরাজ হোসেন
IQ: 113
http://www.iq-test.cc/badges/4774105_3724.png

১৭

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

মোস্তফা ভাইজান......এম্নে লিংক ছাড়া এমন গাঁজাখুরি পোষ্ট দিয়া হাসির পাত্রে পরিনত হইয়েননা। নিজের চরকায় তেল দেন......তাসলিমার ধমর্ বিশ্বাস নিয়া আপ্নার বিচলিত না হলেও চলবে। তাসলিমা নাস্তিক হইলেও ইসলামের কিছু আসবে যাবেনা......আর ও এবছর হজ্বে গেলেও ইসলামে কোন ফায়দা হবেনা......

টিপসই দিবার চাই....স্বাক্ষর দিতে পারিনা......

১৮

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

নিঞ্জা ভাইরাস নাকি হে ?

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৯

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

ফারহান খান লিখেছেন:

নিঞ্জা ভাইরাস নাকি হে ?

নাহ, নিঞ্জা এত খারাপ নহে  shame

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

২০

Re: প্রসঙ্গ: নাস্তিকদের ধর্মগুরুর তওবা

চটি লেখা শেয়ার করা abdulmostafa2906 কে দ্রুত নিষিদ্দ করার দাবী জানাচ্ছি।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত