সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রহস্য মানব (০৮-০৬-২০১৪ ১৪:২৯)

টপিকঃ প্রজন্ম গুন গুন "প্রিয় গান " পর্ব-২

হ্যালো ... ফোরামিক !
সবাই কেমন আছেন ?  নিশ্চয় ভালো , আর আপনাদের মনকে আরেকটু ভালো করতে সপ্তাহ শেষে আমি রমা আবার চলে আসলাম নিয়ে আপনাদের প্রিয় আয়োজন
প্রজন্ম গুন গুন “প্রিয় গান ”
অনেক অনেক কথা হবে , গল্প হবে , আড্ডা হবে আর সাথে তো থাকছেই ৫ টি প্রিয় গান সো হোয়াই লেট ! গেট রেডি সেট গো !!
গত ৫ তারিখে চলে গেল বাংলাদেশের রক মিউজিক ধারার জনক আজম খানের ৩য় মৃত্যু বার্ষিকী আজকে তাই আমাদের আয়জন সাঁজানো হয়েছে রক বা ব্যান্ড মিউজিক নিয়ে আশাকরি আপনাদের ভালো লাগবে কেমন ...তো সাথে থাকুন আর পড়তে থাকুন প্রজন্ম গুন গুন “প্রিয় গান ” আর নিচের পোষ্ট বক্সে আপনার কমেন্ট লিখে পোষ্ট করে দিন আমাদের কাছে ...

বাংলা রক মিউজিকের পিতা বা জনক হিসাবে যাকে সশ্রদ্ধায় স্মরন করা হয় তিনি আমাদের আজম খান খুব সাধারন এবং সাদা মাটা  মনের একজন মানুস । তিনি ছিলেন একজন মুক্তি যোদ্ধা এবং জনক এক নতুন ধারার সঙ্গীতের জনক !
মাহাবুবুল হক খান তথা আজম খান ২৮ ফেব্রুয়ারী ১৯৫০ সালে জন্ম গ্রহন করেন ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন সঙ্গীত প্রেমি ।১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের তত্বাবধানে সেক্টর-২ এ পাকিস্তানি আর্মিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিয়োজিত ছিলেন। স্বাধীন বাংলায় ১৯৭২ সালে তিনি গঠন করেন বাংলাদেশের প্রথম ব্যান্ড “উচ্চারন” এবং  সেই বছরেই তার প্রথম কনসার্ট প্রচারিত করা হয় বাংলাদেশ টেলিভিশনে।তার উল্লেখযোগ্য গানের মাঝে ওরে সালেকা  ওরে মালেকা , বাংলাদেশ , অনামিকা চুপ , আলাল আর দুলাল উল্লেখ যোগ্য। মহান এই গায়ক ব্যাক্তিগত জীবনে ছিলেন দুই কন্যা ইমা খান , অরনি খান এবং এক পুত্র হৃদয় খানের সফল পিতা ।
দীর্ঘদিন যকৃতের ক্যান্সারে অসুস্থ থাকার পর ৫ জুন ২০১১ সালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ,তার এই মৃত্যু মাসে জাতি তাকে সশ্রদ্ধায় স্মরন করছে

গুরু তোমায় সালাম

সত্যি একজন অসাধারন ব্যাক্তিত্ব , তো আপনারা পড়ছেন প্রজন্ম গুন গুন  “প্রিয় গান” এরপর আমরা পড়ে নিবো একে একে ৫ টি ব্যান্ড দলের ইতিহাস শুনবো এবং দেখবো ৫ টি প্রিয় গান আর সাথে আমি রমাতো আছিই big_smile



১)সোলসঃ
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যান্ড দল হিসাবে পরিচীত সোলস গঠিত হয় ১৯৭২ সালে চিটাগাং এ,  সে সময় সোলসের সাথে উল্লেখযোগ্য ভাবে জড়িত ছিলো যারা তারা হলেন তপন চৌধুরি , কুমার বিশ্বজিত,পিলু খান , নকিব খান এবং আইয়ুব বাচ্চু ,আইয়ুব বাচ্চু ১৯৭৬ সাল থেকে ১৯৯১ সাল প্রর্যন্ত সোলসের সাথে কাজ করেন ।১৯৮০ সালে সোলসের মাধ্যমে রিলিজ হয় বাংলাদেশের প্রথম ব্যান্ড এলবাম সুপার সোলস এবং  একই বছরে প্রকাশ করা হয় যৌথ এলবাম SHOKING BLUE এই এলবামের সবগুলো গান পৌছে যায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে এর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য কুমার বিশ্বজিৎ এর “তোরে পুতুলের মতো করে সাজিয়ে” পিলু খানের “মন শুধু মন ছুয়েছে “ নকিব খানের “মুখরিত জীবন ” ১৯৯৩ সালে সোলসের সাথে যুক্ত হয় পার্থ বড়ুয়া এবং ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত সোলসের ৬ষ্ঠ এলবাম “আজ দিন কাটুক গানে” পার্থ বড়ুয়ার “কেনো এই নির্সঙ্গতা” শ্রোতাদের কাছে তাকে করে তুলে জনপ্রিয় .........তো এই ছিলো সোলসের গল্প আর এই জনপ্রিয় ব্যান্ডের এই গানটি থাকছে আপনাদের জন্য দেখতে থাকুন শুনতে থাকুন আর থাকুন টপিকে যার নাম প্রজন্ম গুন গুন “প্রিয় গান”

২)এল আর বিঃ
                   বাংলাদেশের ব্যান্ড জগতের অন্যতম নাম আইয়ুব বাচ্চু এবং এল আর বি , এল আর বি নামটা আসে মূলত অষ্ট্রলিয়ান ব্যান্ড ‘ লিটল রিভার ব্যান্ড ‘ থেকে আইয়ুব বাচ্চু এই নামটাকে একটু মোডিফাই করে নামকরন করেন “লাভ রান ব্লাইন্ড”
আইয়ুব বাচ্চু তার ব্যান্ড জীবন শুরু করেন জেমসের সাথে ব্যান্ড ফিলিংসে এবং এরপর তিনি যুক্ত হন সোলসের সাথে , সোলসের সাথে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ১৯৯১ সালে তিনি ঢাকা আসেন এবং গঠন করেন বাংলাদেশের অন্যতম ব্যান্ড এল আর বি ! এল আর বি প্রথম এলবাম প্রকাশ করে ১৯৯২ সালে এল আর বি -১ নামে একই বছর প্রকাশ করা হয় এল আর বি -২ এবং ২০১২ সাল প্রর্যন্ত এল আর বি ১১ টা এলবাম প্রকাশ করে যার মধ্যে সুখ , কষ্ট, স্বপ্ন , মন চাইলে মন পাবে অন্যতম এল আর বির অসংখ্য জন প্রিয় গানের মাঝে সেই তুমি কেন এত অচেনা হলে , মন চাইলে মন পাবে , তারা ভড়া রাতে , তিন পুরুষ , অন্যতম এছাড়াও আইয়ুব বাচ্চু বিভিন্ন মিক্সড এলবাম এবং চলচিত্রেও কাজ করেন রেসেন্টলি তাকে আকিজ গ্রুপের এনার্জি ড্রিংক্স টাইগারের মডেল হিসাবেও কাজ করতে দেখা যায়। এল আর বির অন্যতম প্রধান দুই ভোকালিস্ট আইয়ুব বাচ্চু এবং এস আই টুটুল পরবর্তিতে ২০০০ সালে এস আই টুটুল এল আর বি ছেড়ে চলে যান এবং ২০০৩ সালে তিনি একক ভাবে গড়ে তোলেন তার ব্যান্ড ফেস টু ফেস...
তো চলুন ঝটপট শুনে ফেলি এই দলের এই গানটি...

৩) নগর বাউলঃ
                    কেউ যদি প্রকৃত পক্ষ্যেই সঙ্গীত নিয়ে কাজ করতে চাই , তবে সে যেন জেমসকে পাঠ করে তার জন্য জেমস একজন জীবন্ত আখ্যান অপরিসীম একাত্নতা,অধ্যাবসায় , ধৈর্য , ত্যাগ আর পরিশ্রমের সমন্বয়ে গঠিত একটি নাম জেমস আর নগর বাউল।
ফারুক মাহাফুজ আনাম ,জেমস ২রা অক্টোবর ১৯৬৪ সালে নওগা জেলায় জন্ম গ্রহন করেন তার বাল্যকাল কাটে রাজশাহী এবং চট্রগ্রামে তার বাবা ছিলেন চট্রগ্রাম শিক্ষ্যা বোর্ডের চ্যায়ারম্যান ।খুব ছোট থেকেই জেমসের  সঙ্গীতের প্রতি ছিল অকৃত্রিম ভালবাসা সেই সুবাদে ১৯৭৩ সালে ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় তার গীটারে হাতে খড়ি হয় পরবর্তিতে বাসা থেকে বাবা-মা বিষয়টাকে ভালোভাবে না দেখলে এবং প্যাচা প্যাচি শুরু করলে ১৯৭৪ সালে তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান এ সময় তার দিন কাটে আজিজ বোর্ডিং এ এবং এখানেই তিনি গঠন করেন ফিলিংস নামের অন্যতম ব্যান্ড  এওসময় তার সাথে যুক্ত হন বাংলাদেশের ব্যান্ড জগতের অন্যতম আরেক কর্নধর আইয়ুব বাচ্চু কিন্তু ১৯৭৬ সালে আইয়ুব বাচ্চু দল ছেড়ে  সোলসে যোগ দিলে ফিলিংসে ভাঙ্গন দেখা যায় তখন এর হাল ধরেন পাবলো , জেমস এবং স্বপন। ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয় ফিলিংসের প্রথম এলবাম স্টেশন রোড কিন্তু এই এলবাম তেমন হিট হলো না তবে এর বেশ কিছু গান পেয়েছিল জনপ্রিয়তা তার মধ্যে অন্যতম “রুপসাগর”আমায় যেতে দাও” অন্যতম এর ৩ বছর পর ১৯৮৯ সালে প্রকাশিত হয় ফিলিংসের ২য় এলবাম “জেল থেকে বলছি”
এই এলবামটি ফিলিংসকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ব্যান্ডগুলোর সাথে একই সারিতে এনে দেয়, এরপর তাকে  আর পেছন ফিরে তাক্তে হয়নি ১৯৯০ সালে ফিলিংস নাম পরিবর্তন করে হয়ে উঠে নগর বাউল এবং নগর বাউল প্রকাশ করে   “লেইস ফিতা লেইস” ১৯৯৬ সালে যা আজো সবার কাছে জন প্রিয়তার তুঙ্গে এরপর ধিরে ধিরে আসে
কালেকশন অব ফিলিংস (১৯৯৮) দুষ্টু ছেলের দল (২০০১)আমি তোমাদেরই লোক (২০০৩) জনতা এক্সপ্রেস (২০০৫) তুফান (২২০৬) 
এছাড়াও জেমস বিভিন্ন মিক্সড এলবাম এবং বাংলা সিনেমাতেও কাজ করেন তার অন্যতম বাংলা সিনেমার গানের মাঝে “মিরা বাই” , “ মা ”অন্যতম কাজ করেন , ২০০৪ সালে জেমস প্রিতমের কম্পোজিশনে বলিউডে গ্যাংস্টার মুভিতে গান করেন এর পর ২০০৬ সালে  চল চলে মুভিতে ও লামহে নামক গান করেন এবং ২০১৩ সালে ওয়ার্নিং থ্রি ডিতে বেবাসি নামক গানটি করেন  গানের পাশাপাশি জেমস দুটি টিভি কমার্শিয়াল এডো করেন ২০০০ সালে পেপসিতে এবং ২০১১ তে এনার্জি ড্রিংক্স ব্লাক হোর্সে।ব্যাক্তিগত জীবনে জেমস দুই কন্যা জানাত এবং জাহান আর এক পুত্র ডানেশের জনক...তো এই ছিল এক সংগ্রামী শিল্পি এবং নগর বাউলের গল্প , এবার চলুন শুনে ফেলি নগর বাউলের একটি চমৎকার গান

৪) আর্কঃ
নগর বাউলের মতো অনেক চড়ায় উতরায় পেরোতে হয়েছে ব্যান্ড আর্ককেও ,১৯৯১ সালে আশিকুজ্জামান টুলুর তত্বাবধানে গঠিত হয় ব্যান্ড দল আর্ক ,আর্কের অন্যতম সদস্যদের মধ্যে তখন ছিলেন হাসান , পঞ্চম ,বালাম এবং সুমন পরবর্তিতে হাবীব ওয়াহিদ অতিথী হিসাবে আর্কের সাথে কিবোর্ড বাঁজিয়েছেন।
১৯৯১ সালে আর্কের প্রথম এলবাম প্রকাশিত হয় “মুক্তিযুদ্ধ” যা সুপার ডুপার ফ্লপ খায় ।
এরপর ১৯৯৫ সালে আর্ক চুক্তি বদ্ধ হয় সাউন্ডটেকের সাথে এবং ১৯৯৬ সালে প্রকাশ করে সাউন্ড টেকে তত্বাবধানে আর্কের ২য় এলবাম “তাজমহল” এই এলবামটি শুধু সুপার ডুপার হিটই করে নি সাথে বাংলাদেশের শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় একটি ব্যান্ড দল হিসাবে পরিচীতও করে তোলেছে এই এলবামের হিট গান গুলোর মধ্যে “সুইটি” “একাকী” অন্যতম এরপর ১৯৯৭ সালে প্রকাশ পায় আর্কের ৩য় এলবাম জন্মভূমি এই এলবামের “যারে যা ” “অভিমানে নয় ” “এই দূর পরবাসে” গানগুলো আর্ককে নিয়ে যায় জনপ্রিয়তার তুঙ্গে।
১৯৯৯ সালে আর্ক স্বাধীনতা নামে একটা এলবাম প্রকাশ করে এবং একই বছর হাসান আর্ক ছেড়ে স্বাধীনতা নামে আলাদা ব্যান্ড গঠন করে এবং পঞ্চম আলাদা ভাবে পঞ্চম ব্যান্ড গঠন করে তোলে আর বালাম একক ভাবে সঙ্গীতে জড়িয়ে পড়ে পরবর্তিতে বালাম-১ এলবামের মাধ্যমে আত্নপ্রকাশ করে।
তিন প্রধান সদস্যকে হারিয়ে আর্ক একেবারে মুখ থুবরে পড়ে হাসানের পূর্বে কম্পোজিশন করা কয়েকটি গান নিয়ে ২০০২ সালে আর্ক তার শেষ এলবাম “বৃহষ্পতি” প্রকাশ করে জেমসের সাথে , এলবামটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
এর ঠিক ১০ বছর পর আর্ক আবার পুনর্গঠন দল হিসাবে ফিরে আসে এ সময় ১০ বছর পর দলে যুক্ত হয় হাসান কিন্ত পঞ্চম আর বালাম আর ফিরে আসে না ।
১০ বছর পর ১৬ নভেম্বর ২০১২ তে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে আর্ক “ওল্ড ইজ গোল্ড ” শিরোনাম কনসার্টের মাধ্যমে আবার ফিরে আসে।
এই ছিল আর্কের চড়ায় উতরায়ের ইতিহাস ...এখন থাকছে এই দলের এই গানটি আপনাদের জন্য দেখতে থাকুন শুনতে থাকুন আর চোখ রাখুন টপিকে যার নাম প্রজন্ম গুন গুন “প্রিয় গান” আর গানের পরেই ফিরে আসছি আমি রমা আপনাদের জন্য আরেকটি ব্যান্ডকে নিয়ে

৫) রেনেসাঃ
              ১৯৭৮ সালে অন্যতম কর্নধর নকীব খানের তত্বাবধানে গঠিত হয় অন্যতম ব্যান্ড দল রেনেসা , ভিন্ন ধারার সুর আর সঙ্গীত রেনেসাকে এনে দিয়েছে জনপ্রিয়তা রেনেসার অসংখ্য কিছু প্রিয় গানের মধ্যে  “হৃদয়” “আচ্ছা কেন মানুষ গুলো এমন হয়ে যায়” “ভালো লাগে” অন্যতম
রেনেসার এই গানটি দিয়ে শেষ করছি আমাদের আজকের আয়োজন প্রজন্ম গুন গুন প্রিয় গান বাকি থেকে গেলো অনেক প্রিয় প্রিয় ব্যান্ডের নাম , অনেক প্রিয় প্রিয় গান সেই গুলো নিয়ে  আগামীতে আবার কথা হবে সবাই সেই প্রর্যন্ত অনেক অনেক ভালো থাকুন , সুস্থ থাকুন আর শুনতে থাকুন বেশি বেশি করে বাংলা গান আর থাকুন প্রজন্ম গুন গুনের সাথে! আপাততো আমি রমা বিদায় নিচ্ছি আপনাদের কাছ থেকে  টা টা বাই বাই  !

আজ যে শিশু বাই  রেনেসা

* সকল তথ্য উপাত্তের উৎস উইকিপিডিয়া

মানুষ মাত্রই মরন শীল , কিন্ত নশ্বর নয় ।।

Re: প্রজন্ম গুন গুন "প্রিয় গান " পর্ব-২

ব্যান্ড দলগুলোর রহস্যগুলো পড়ে দারুন লাগলো।  thumbs_up

গাই বাংলার জয়গান

Re: প্রজন্ম গুন গুন "প্রিয় গান " পর্ব-২

অনেক কিছু জানা গেল রমা  smile

এক টুনিতে টুনটুনালো সাত রানির নাক কাঁটালো

Re: প্রজন্ম গুন গুন "প্রিয় গান " পর্ব-২

খুবই চমৎকার  thumbs_up

"We want Justice for Adnan Tasin"

Re: প্রজন্ম গুন গুন "প্রিয় গান " পর্ব-২

RubaiyaNasreen(Mily) লিখেছেন:

অনেক কিছু জানা গেল রমা  smile

ধন্যবাদ আপু , এটলিস্ট কেও তো মূল্যায়ন করলো  smile

আউল লিখেছেন:

খুবই চমৎকার  thumbs_up

ধন্যবাদ আউল ভাই।

মানুষ মাত্রই মরন শীল , কিন্ত নশ্বর নয় ।।

Re: প্রজন্ম গুন গুন "প্রিয় গান " পর্ব-২

রহস্য মানব লিখেছেন:
RubaiyaNasreen(Mily) লিখেছেন:

অনেক কিছু জানা গেল রমা  smile

ধন্যবাদ আপু , এটলিস্ট কেও তো মূল্যায়ন করলো  smile

কথাটা সবার বেলাই প্রযোজ্য.......... কে কাকে মূল্যায়ন করে তুমিও বল । আর তুমিও বা কতটুক কর হুম । রাগ করলে মাইর খাবা কিন্তু । হুদাই কি প্রজন্ম এভাবে ঝিমিয়ে গেছে তুমিই বলো....... প্রজন্ম বাচানোর কত চেষ্টাই তো করতেছি । কই কেউ তো আমার সাথে একমত হয়ে এগিয়ে আসে না ।

চিন্তা কর সাইফ রাসেলের কি সুন্দর টপিকটা । কে কে দেখেছে আর কে কে মন্তব্য করেছে না তুমি দেখেচো হুম কও কও । মাইন্ড করলে খবর আছে

তোমার টপিকটা হতে অনেক কিছু জানা গেল । গানগুলোও সুন্দর যদিও এই টপিকে শুনিনি । কারণ নেট স্লো
এত কষ্টের টপিকে + মাস্ট না অবশ্যই smile

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: প্রজন্ম গুন গুন "প্রিয় গান " পর্ব-২

ইদানিং বেশ কিছু নতুন তরূনীরা গান গায়, যা দেখলে গা জ্বালা করে, বুঝতে কস্ট হয় তারা কি বাংলাগান গাচ্ছে না কি চাইনিজ গান গাচ্ছে, আর শরীরটাকে এমন ভাবে মোচড়াতে থাকে মনে হয় যেন প্রতিবন্দি, এদের ভীড়ে ভালো ভালো গান গুলো হারিয়ে যাচ্ছে

"We want Justice for Adnan Tasin"