টপিকঃ হা! হা! হি! হি! - ৪৬

#একদিন নন্দলাল তার গাড়িটি ঠেলেঠুলে রাস্তা থেকে নিচে নামিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। পাশে একটা সাইনবোর্ডে ইংরেজিতে লেখা, ‘নন্দলাল ইজ জাস্ট স্ট্যান্ডিং দেয়ার।’ ঠিক ওই পথ ধরেই যাচ্ছিল হীরালাল। নন্দলালের এ অবস্থা দেখে তো হীরালাল অবাক। হীরালাল নন্দলালকে জিজ্ঞেস করল, ‘রাস্তা থেকে নেমে তুমি কী করছ এখানে?’
নন্দলাল বলল, ‘এবার আমি নোবেল পুরস্কার জেতার চেষ্টা করছি। তুমি বিরক্ত কোরো না তো! যাও এখন।’
হীরালাল বলল, ‘কিন্তু সেটা কীভাবে? তুমি তো দেখছি এক সাইনবোর্ড লাগিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে আছ।’
নন্দলাল বলল, ‘বোকার মতো কথা বলো কেন। তুমি জানো না যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে আউটস্ট্যান্ডিং, তারাই কেবল নোবেল পায়। তাই তো আমি আউটস্ট্যান্ডিং হয়েই দাঁড়িয়ে আছি। এই যাহ্, তোমাকে বুদ্ধিটা দিয়ে তো ভুলই করে ফেললাম মনে হয়।’


#একদিন নন্দলাল বিলের ধারে বসে আছে। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে নন্দলালকে জিজ্ঞেস করল, ‘ভাই, এই বিলের গভীরতা কেমন হবে, বলতে পারেন?’ নন্দলাল একবাক্যেই বলে দিল, ‘হবে হয়তো এক ফুটের কাছাকাছি!’ এ কথা শুনে লোকটি তো তাজ্জব বনে গেল। সে আবারও নন্দলালকে জিজ্ঞেস করল, ‘মশাই, আপনি এত নিশ্চিত হলেন কী করে যে এই বিলের গভীরতা মাত্র এক ফুট? আপনি কি কখনো এই বিলে নেমেছিলেন?’ নন্দলাল বলল, ‘না, আমি কখনো এ বিলে নামিনি। তবে একটু আগে একটা হাঁসকে নামতে দেখেছি। কিন্তু হাঁসটার শুধু পা দুটোই জলে ডুবে ছিল। গভীরতা বেশি হলে তো পুরো হাঁসেরই ডুবে যাওয়ার কথা ছিল, তাই না!’

#নয়ন একদিন প্রিয়াকে নিয়ে এক গাইনী ডাক্তারের কাছে গেলো (কেনো গেলো জিজ্ঞেস করবেন না, আমি জানি না)। সেখানে গিয়ে সে দেখলো এক মা তার মেয়েকে ডাক্তারের কাছে দেখাতে নিয়ে এসেছে। ডাক্তার মেয়েকে পরীক্ষা করে বললো, “আপনার মেয়ে মা হতে চলেছে।”
মাঃ অসম্ভব! আমার মেয়ের এখনো বিয়েই হয় নি! কিরে ডাক্তার কি বলছে!
মেয়েঃ না, মা। আমি তো কোনো পুরুষ মানুষের দিকে তাকাইও না!
ডাক্তার কিছুক্ষণ মা আর মেয়েকে দেখে জানালার ধারে গিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকতে লাগলো। কিছুক্ষণ পর মা বলল, “কি হলো ডাক্তার?”
ডাক্তারঃ আমি দেখছি, বাইরে কোনো তিনজন পন্ডিত ব্যক্তি এখানে আসছেন কি না আর পুব আকাশে কোনো তারা দেখা যাচ্ছে কি না। কারন শেষবার যখন এই ধরনের ঘটনা ঘটে তখন পুব আকাশে তারা দেখা গিয়েছিলো আর তিনজন জ্ঞানী ব্যক্তি সেই বাচ্চাটাকে দেখতে গিয়েছিলো!

#আমাদের নাজমুল হুদা ভাই এক সময় কলেজের শিক্ষক ছিলেন। এক সময় তিনি আবিষ্কার করলেন, বাথরুমের আয়নায় লিপস্টিকযুক্ত ঠোটের চিহ্ন। উনি বুঝতে পারলেন এটা ছাত্রীদের কাজ। ব্যাপারটা মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়ার আগেই তিনি একদিন কলেজের সকল লিপস্টিক দেওয়া ছাত্রীদের জড়ো করে বাথরুমে নিয়ে গেলেন। তিনি বললেন, “তোমরা জানো না, আয়না থেকে এই দাগগুলো পরিষ্কার করা কতটা কষ্টকর!” কতটা কষ্টকর, সেটা তিনি দেখানোর জন্য কলেজের সুইপারকে ডাকলেন।
সুইপার প্রথমে ব্রাশকে কমোডের পানি দিয়ে পরিষ্কার করে আয়না ঘষা শুরু করলো। সেদিন থেকে আয়নাতে আর কোনো লিপস্টিকযুক্ত ঠোটের চিহ্ন পাওয়া গেলো না।

#সান্টু আর মন্টু গাড়ি করে যাচ্ছিল। চালকের আসনে ছিল মন্টু।
সান্টু: কিরে, এত জোরে গাড়ি চালাচ্ছিস কেন?
মন্টু: দোস্ত, গাড়ির ব্রেক ফেইল হয়ে গেছে!
সান্টু: আরে গাধা, তাহলে গতি বাড়াচ্ছিস কেন? গতি কমা!
মন্টু: না, না! যে করেই হোক, অ্যাকসিডেন্ট হওয়ার আগে আগে বাড়ি পৌঁছতে হবে!

ঝামেলা'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: হা! হা! হি! হি! - ৪৬

lol2

সময় পেলে একটু  ঘুরে আসবেন আমার সাইট থেকে-

http://times4droid.blogspot.com/

Re: হা! হা! হি! হি! - ৪৬

পুরাতন জোকস এর ভিড়ে নতুন জোকস এর ছোঁয়া পেলাম... ধন্যবাদ...

Re: হা! হা! হি! হি! - ৪৬

notlistening notlistening notlistening notlistening notlistening

Re: হা! হা! হি! হি! - ৪৬

kidding আগে হাইসা লই

জীবনের উদ্দেশ্য মইনাস প্রাপ্তি

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

Re: হা! হা! হি! হি! - ৪৬

ঝামেলা লিখেছেন:

# গ্রাম থেকে এক বন্ধু এসেছে ঢাকায় বাল্যবেলার বন্ধুর বাসায়। বাসায় এসে দেখে বন্ধু নেই। বন্ধুর সুন্দরী স্ত্রী কি করবেন বুঝতে পারছেন না। এক রুমের বাসা, স্বামী নেই,,,
.....................................................
বন্ধুর স্ত্রীঃ মুখে ভেংচি কেটে বললেন- যে রাতের বেলা একটা মামুলি কোল বালিশ টপকিয়ে আসতে পারে না, সে হাই জাম্পে জয়ী হবে!!!!!!!!



সত্যি কথা বলতে প্রথম জোকস ভয়ানকভাবে অশ্লীল বলেই মনে হয়েছে আমার কাছে !!!!! ফোরামে এই ধরনের কিছু আমি মোটেই আশা করি নাই !


নয়ন প্রিয়া এবং গাইনি ডাক্তারের জোকসটা বুঝলাম না  worried

   নেই, আছে এবং নৈবচ নৈবচ . . . . .
   দেশ, দশ, দুনিয়া তথা বিশ্ব ব্রম্মান্ড হইতে নহে ষাইফ ঋাষেল আপাতত ফেসবুক হইতে আনা গাইয়েবুন

Re: হা! হা! হি! হি! - ৪৬

প্রথমটার অনেক নকল বাজারে আগেই বেরিয়ে গেছে।
বাকীগুলা নিয়া কনফিউজড angry বুঝছি কিনা।

আমার মৃত্যু নেই কারণ আমি মানুষ।
আল্লাহ মানুষকে অমর বানিয়েছেন তবে এ দেহের মৃত্যু হবে।

facebookকে