সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন Jol Kona (২১-০২-২০১৪ ২২:৩৯)

টপিকঃ মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

সবাইকে কেমন আসেন?
জল'স কিচেনে স্বাগতম!  tongue_smile

গত ক্লাসে আমরা দেখেছি কি করে সন্দেশ বানাতে হয়! নানান বাহারের(!) সন্দেশ

তাহা দেখিয়া এক খাদক মিষ্টি খাইবার ইচ্ছা পোষণ করিয়া ছিলেন। তাহাকে বলা হইয়াছিল বউ খুঁজিয়া লইয়া তাহাকে দিয়ে বানাইয়া তারপর খাইতে! উনার কথাটা এত বেশি মনঃপুত হইয়াছিল উনি এখন বউ খুঁজিয়া বেড়াচ্ছেন!
তো উদাদার পরামর্শ অনুয়ায়ী, "বন্ধুর" হবু বউ এর ঠিকানা নিয়ে তাকে ভাগিয়ে বিয়ে করে ফেলেন! এসে পরে এই রেসেপি গুলো প্রিন্ট আউট নিয়ে গিয়ে তার হাতে ধরায় দিবেন। বুঝতে অসুবিধা হইলে এসে জিজ্ঞাসা করে যাবেন 3:) আমরা টিপস বাতলে দিব  ঠিকাচ্ছে!
( আমার ফ্রি পাবলিসিটি হইয়া যাবে  )

আর আমরা দেখব কি ভাবে মিষ্টি তৈরি করতে হয়। তাইলে  শুরু করা যাক! আজকের মিঠাই-মন্ডা রেসেপি!
রান্নার শুরু করার প্রথমে যা যা লাগে তা তো জোগার করে নিবেনই tongue সেগুলো আর বললাম না!


১/ রেশমি জিলাপি

উপকরণ:
১) ময়দাঃ ২ কাপ,
২) খাওয়ার সোডাঃ সিকি চা চামচ,
৩) মাষকলাই ডালঃ ২৫০ গ্রাম,
৪) চালের গুঁড়াঃ সিকি কাপ,
৫) চিনি ৩ কাপ,
৬) পানিঃ  দেড় কাপ( প্রয়োজনে কম বা বেশি),
৭) গোলাপজলঃ ১ টেবিল-চামচ,
৮) ঘি বা তেলঃ ভাজার জন্য, পরিমাণমতো।

প্রণালি:
(১) ডাল ৪-৫ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে, যেন খোসা না থাকে।
(২) ডাল মিহি করে বেটে নিতে হবে। চালের গুঁড়া ও ময়দা পানি দিয়ে ঘন করে গুলে ডালের সঙ্গে মিশিয়ে ৫-৬ ঘণ্টা ঢেকে রাখতে হবে।
(৩) মিশ্রণকে ভালোভাবে ফেটিয়ে চিকন ফানেলে ভরে বা একটি মোটা কাপড় ছিদ্র করে বড় ফ্রাইপ্যানে ঘি ও তেল গরম করে আড়াই প্যাঁচে দিয়ে জিলাপি মাঝারি আঁচে মচমচে করে ভেজে সিরায় দিতে হবে।
(৪) জিলাপি টসটসে হলে ঝাঁজরিতে করে উঠিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

http://2.bp.blogspot.com/-Kpm1pBpK00M/UCmsaW7ccvI/AAAAAAAAAxk/Wp7AXvkaGWk/s640/Jilapi-1-2.jpg



২/ গোলাপ জাম (ছবিসহ তৈরির প্রনালী দেখতে এইখানে যান)


উপকরণঃ
২) মাওয়া দেড়ঃ কাপ,
২) ছানাঃ ১ কাপের চার ভাগের ১ ভাগ,
৩) ময়দাঃ ৩ টেবিল চামচ,
৪) খাওয়ার সোডাঃ ১ চা চামচের চার ভাগের ১ ভাগ,
৫) এলাচ গুঁড়াঃ ১ চা চামচের চার ভাগের ১ ভাগ ,
৬) ঘি/তেলঃ ভাজার জন্য প্রয়োজনমতো

ছানা তৈরিঃ
দুধ ১ কেজি, সাদা ভিনেগার আধা কাপ ও পানি আধা কাপ একসঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। দুধ জ্বাল করে একটা বলক তুলে নিতে হবে। এখন চুলা বন্ধ করে ভিনেগার মেলানো পানিটা ঢেলে দিতে হবে। ছানা ঠান্ডা হলে কাপড়ে ছেঁকে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

মাওয়া তৈরিঃ
গুঁড়া দুধ আধা কাপ, আইসিং সুগার ২ টেবিল চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ, গোলাপ জল ১ চা চামচ। সব একসঙ্গে মিলিয়ে চালনি দিয়ে চেলে নিতে হবে।

সিরা তৈরিঃ
চিনি ২ কাপ, পানি ২ কাপ।  এক সাথে সব জ্বাল দিয়ে  সিরা বানাতে হবে।

প্রণালীঃ
(১) মাওয়া গ্রেট করে নিতে হবে। ছানা মোথে নিয়ে মাওয়ার সঙ্গে মেলাতে হবে।
(২) ময়দা, খাওয়ার সোডা ও এলাচ গুঁড়া একসঙ্গে মিলিয়ে নিয়ে মাওয়ার মিশ্রণ ও প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে নরম ও মসৃণ খামির বানাতে হবে।
(৩) ইচ্ছামতো আকার দিয়ে বড় বা ছোট ছোট বল বানিয়ে অল্প আঁচে অল্প গরম তেলে ছেড়ে সোনালি করে ভেজে নিতে হবে।
(৪) সিরায় (গরম) দিয়ে আধা ঘন্টা রেখে পরিবেশন করতে পাবেন।

http://www.bikanervala.co.nz/media/catalog/product/cache/1/image/9df78eab33525d08d6e5fb8d27136e95/g/u/gulab_jamun.jpg


৩/ চমচম

উপকরণঃ
১) পুরু ছানাঃ ২ কাপ
২) সুজিঃ ১ টেবিল চামচ
৩) ময়দাঃ ২ টেবিল চামচ
৪) ঘিঃ ১ চা চামচ
৫) বেকিং পাউডারঃ সামান্য

ছানা তৈরিঃ
দুধ ১ কেজি, সাদা ভিনেগার আধা কাপ ও পানি আধা কাপ একসঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। দুধ জ্বাল করে একটা বলক তুলে নিতে হবে। এখন চুলা বন্ধ করে ভিনেগার মেলানো পানিটা ঢেলে দিতে হবে। ছানা ঠান্ডা হলে কাপড়ে ছেঁকে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

সিরা তৈরিঃ
চিনি আধা কেজি, পানি ১ কেজি, দুধ ১ টেবিল চামচ। চিনি ও পানি জ্বাল করে সিরা বানিয়ে নিতে হবে। সিরা ফুটে উঠলে দুধ দিয়ে ময়লা কাটতে হবে। ওপর থেকে ময়লা তুলে নিতে হবে।

প্রণালীঃ
(১) প্রথমে চপিং বোর্ডের ওপর ছানা খুব করে মোথে নিতে হবে।
(২) ময়দা, সুজি, বেকিং পাউডার ও ঘিসহ ময়ান দিয়ে নিতে হবে।
(৩) মোথে রাখা ছানার সঙ্গে ময়দার মিশ্রণ মিলিয়ে মসৃণ খামির বানাতে হবে।
(৪) হাতের তালুতে তেল মেখে ছোট ছোট চমচমের আকার দিয়ে বানিয়ে রাখা সিরায় ২ ঘন্টা অল্প আঁচে জ্বাল দিতে হবে।

http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/thumb/c/c5/BD_Porabarir_Chamcham.JPG/800px-BD_Porabarir_Chamcham.JPG


৪/ কালোজাম

উপকরণঃ
১) ছানা: দেড় কাপ
২) মাওয়া: আধা কাপ
৩) ময়দা: আধা কাপ
৪) ঘি: ১ টেবিল চামচ
৫) গুঁড়া চিনি: ১ টেবিল চামচ
৬) খাওয়ার সোডা: সামান্য
৭) লাল রং সামান্য

ছানা তৈরিঃ
দুধ ১ কেজি, সাদা ভিনেগার আধা কাপ ও পানি আধা কাপ একসঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। দুধ জ্বাল করে একটা বলক তুলে নিতে হবে। এখন চুলা বন্ধ করে ভিনেগার মেলানো পানিটা ঢেলে দিতে হবে। ছানা ঠান্ডা হলে কাপড়ে ছেঁকে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

মাওয়া তৈরিঃ
গুঁড়া দুধ আধা কাপ, আইসিং সুগার ২ টেবিল চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ, গোলাপ জল ১ চা চামচ। সব একসঙ্গে মিলিয়ে চালনি দিয়ে চেলে নিতে হবে।

সিরা তৈরিঃ
চিনি ৪ কাপ, পানি ৪ কাপ, এলাচ ৪-৫ টা, গোলাপ জল ১ চা চামচ। সব একসঙ্গে মিলিয়ে জ্বাল করে সিরা বানাতে হবে। প্রয়োজনে দুধ দিয়ে ময়লা কেটে নিতে হবে।

প্রণালীঃ
(১) শুকনা ময়দায় ঘি ও চিনি দিয়ে ময়ান দিতে হবে।
(২) মাওয়া ঝুরি করে নিতে হবে। খাওয়ার সোডা সামান্য পানিতে গুলে নিতে হবে।
(৩) ময়দা, ছানা, মাওয়া, খাওয়ার সোডা ও রং মিলিয়ে ভালো করে মেখে মসৃণ খামির বানাতে হবে।
(৪) ছোট ছোট কালো জাম বানিয়ে ডুবোতেলে অল্প আঁচে লাল করে ভেজে (কালোজাম কড়া করে ভাজতে হবে) গরম সিরায় ছাড়তে হবে।
(৫) ৮-১০ মিনিট জ্বাল করে চুলা বন্ধ করে রেখে দিতে হবে।
(৬) ঠান্ডা হলে সিরা থেকে তুলে মাওয়ায় গড়িয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে পারবেন।

http://images.peekncook.com/Content/Index_Photos/kalo_jaam.jpg



৫/ পানতোয়া

উপকরণঃ
১) ছানাঃ ১ কাপ
২) ময়দাঃ ২ টেবিল চামচ
৩) মাওয়াঃ সিকি কাপ
৪) ঘিঃ ১ টেবিল চামচ
৫) চিনিঃ ২ টেবিল চামচ
৬) বেকিং পাউডারঃ ১ চিমটি


পুরের জন্যঃ
১ চা চামচ চিনি, ১ চা চামচ মাওয়া এবং আধা চা চামচ এলাচগুঁড়া সব একত্রে মিলিয়ে নিয়ে পুর বানতে হবে।

শিরার জন্য
৩ কাপ চিনি ও ৫ কাপ পানি মিশিয়ে সেই চিনি পানি জ্বাল করে পাতলা শিরা বানাতে হবে। প্রয়োজন হলে ১ টেবিল চামচ দুধ দিয়ে ময়লা কেটে নিতে হবে

প্রণালীঃ
(১) ছানা ভালোভাবে মাওয়া দিয়ে মথে নিতে হবে। ময়দায় ঘির ময়ান দিয়ে চিনি মেলাতে হবে।
(২) প্রথমে অল্প ছানার সঙ্গে বেকিং পাউডারটা মিলিয়ে পরে সব ছানার সঙ্গে মেলাতে হবে।
(৩) ছানা, মাওয়া ও ময়দার মিশ্রণ দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে মসৃণ খামি বানাতে হবে। ইচ্ছামতো ছোট বা বড় বল বা লম্বা পানতোয়া হালকা বাদামি করে ভেজে তুলতে হবে।
(৪) পানতোয়া বানানোর সময় ভেতরে পুর দিতে হবে।
(৫) ভাজা পানতোয়া শিরার মধ্যে দিয়ে ১০ মিনিট জ্বাল করতে হবে। ৫-৬ ঘন্টা পর পরিবেশন করতে হবে।

https://fbcdn-sphotos-a-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash3/t1/553858_319908058102690_582502770_n.jpg

৬/ রাজভোগ-১

উপকরণঃ
১) ছানা ১ কাপ
২) ময়দা ১ চা চামচ
৩) সুজি ১ চা চামচ

ছানা তৈরিঃ
দুধ ১ কেজি, সাদা ভিনেগার আধা কাপ ও পানি আধা কাপ একসঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। দুধ জ্বাল করে একটা বলক তুলে নিতে হবে। এখন চুলা বন্ধ করে ভিনেগার মেলানো পানিটা ঢেলে দিতে হবে। ছানা ঠান্ডা হলে কাপড়ে ছেঁকে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

মাওয়া তৈরিঃ
গুঁড়া দুধ আধা কাপ, আইসিং সুগার ২ টেবিল চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ, গোলাপ জল ১ চা চামচ। সব একসঙ্গে মিলিয়ে চালনি দিয়ে চেলে নিতে হবে।

পুরের জন্যঃ
মাওয়া ৩ টেবিল চামচ, এলাচ গুঁড়া আধা চা চামচ, গোলাপ জল পরিমাণমতো। মাওয়া ও এলাচগুঁড়া একসঙ্গে মিলিয়ে গোলাপজল দিয়ে মেখে নিতে হবে।

প্রণালীঃ
খুব ভালো করে ছানা মোথে নিয়ে ময়দা ও সুজি দিয়ে হালকা হাতে আবার মোথে নিতে হবে। ছানার মিশ্রণ ১২-১৪ ভাগ করে মাওয়ার মিশ্রণের পুর দিয়ে ছোট ছোট বল বানাতে হবে। পরে চিনির সিরায় দিতে হবে।

সিরা তৈরিঃ
চিনি ৪ কাপ, পানি ৪ কাপ, সামান্য জাফরান। চিনি ও পানি জ্বাল দিয়ে সিরা করে নিতে হবে (পাতলা সিরা হবে)। প্রয়োজনে দুধ দিয়ে ময়লা কেটে নিতে হবে। এখন সিরা পাতলা কাপড় দিয়ে ছেঁকে নিয়ে চুলায় বসাতে হবে। সঙ্গে জাফরান দিতে হবে। এবার ছানার বল দিয়ে বেশি আঁচে ৪-৫ মিনিট জ্বাল করে নিতে হবে। ওপর থেকে এক কাপ গরম পানি ছড়িয়ে দিয়ে আবারও ৫ মিনিট জ্বাল দিতে হবে। বলগুলো ফুলে দ্বিগুণ আয়তন হলে চুলা বন্ধ করে দিতে হবে।

https://fbcdn-sphotos-h-a.akamaihd.net/hphotos-ak-prn2/t1/988322_570946392960905_599726080_n.jpg


৭/ চিনিহীন রসগোল্লা

উপকরণঃ
১) ছানাঃ ১ কাপ
২) সুগার ফ্রি ১ চা চামচ
৩) ময়দা ১ চা চামচ
৪) সুজি আধা চা চামচ
৫) এলাচের গুঁড়া সামান্য
৬) বেকিং পাউডার সামান্য
৭) গরুর দুধ আধা কেজি

ছানা বানানোর পদ্ধতিঃ
দুধ চুলায় দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। ফুটে উঠলে চুলা থেকে নামিয়ে কিছুক্ষণ পর ছানার পানি অথবা টক দই দিয়ে ছানা বানাতে হবে, যতক্ষণ দুধ ও ছানা আলাদা হয়ে সবুজ আভা দেখা না যায়। কিছুক্ষণ পর ছানা ভালো করে ধুয়ে পাতলা কাপড়ে টাঙিয়ে রাখতে হবে। ছানার পানি ঝরে গেলে পছন্দমতো মিষ্টি ও সন্দেশ বানানো যায়।

প্রণালীঃ
(১) ছানার পানি ভালো করে ঝরিয়ে ছানা বাতাসে শুকিয়ে নিতে হবে।
(২) ছানা হাত দিয়ে মিহি করে নিতে হবে।
(৩) ময়দা, এলাচ, সুজি, বেকিং পাউডার একসঙ্গে মিশিয়ে ছানা দিয়ে মাখিয়ে ১০-১২ ভাগ করে গোল করে রাখতে হবে।
(৪) তিন কাপ পানি চুলায় দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ছানার গোল্লা দিয়ে ৩০-৩৫ মিনিট চুলায় জ্বাল দিতে হবে।
(৫) মাঝেমধ্যে রসগোল্লা পানিতে ডুবিয়ে দিতে হবে। পানি কমে এলে পানি দিতে হবে।
(৬) রসগোল্লা চুলা থেকে নামিয়ে অল্প পানিতে সুগার ফ্রি গুলিয়ে রসগোল্লায় দিতে হবে।
(৭) পাঁচ-ছয় ঘণ্টা শিরায় ভিজিয়ে রাখতে হবে।



৮/ মালাইভোগ

[img]উপকরণ:[/img]
১) ছানাঃ ১ কাপ,
২) গুঁড়া দুধঃ ২ টেবিল-চামচ,
৩) সুজিঃ ১ চা-চামচ,
৪) ময়দাঃ ১ টেবিল-চামচ,
৫) বাটার অয়েলঃ  আধা চা-চামচ,
৫) বেকিং পাউডার এক চিমটি,
৬) চিনিঃ ৩ কাপ,
৭) পানিঃ ৬ কাপ,
৮) মালাইঃ সিকি কাপ,
৯) ক্ষীরসাঃ সিকি কাপ,
১০) এলাচ গুঁড়াঃ সামান্য।

সিরা: ৩ কাপ চিনি, ৬ কাপ পানি একসঙ্গে চুলায় দিয়ে ফুটে উঠলে মিষ্টিগুলো দিতে হবে।

প্রণালি:
(১) মালাই, ক্ষীরসা, এলাচ গুঁড়া একসঙ্গে ব্লেন্ডারে অথবা মিক্সিতে মিক্স করে রাখতে হবে।
(২) ময়দা, বাটার অয়েল, বেকিং পাউডার একসঙ্গে ময়ান দিয়ে সুজি ও গুঁড়া দুধ দিয়ে কিছুক্ষণ মাখিয়ে রাখেই দেই।
(৩) এবার ছানা দিয়ে আবার মাখতে হবে। মিশ্রিত ছানা ১২ ভাগ বা ইচ্ছামতো ভাগ করে গোল্লা বানিয়ে হাত দিয়ে চ্যাপ্টা করে সিরায় ছাড়তে হবে।
(৩) ২০ থেকে ২২ মিনিট ঢাকনা দিয়ে ঢেকে জ্বাল দিতে হবে।  চুলা বন্ধ করে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট ঢেকে রাখতে হবে।
(৪) মিষ্টিগুলো চার-পাঁচ ঘণ্টা সিরায় ভিজিয়ে রেখে সিরা থেকে উঠিয়ে টিস্যু পেপারের ওপর কিছুক্ষণ রেখে দিন।
(৫) এরপর মাঝখানে চিরে দুই ভাগ করে মালাই ক্ষীরসার মিশ্রণের প্রলেপ দিয়ে ওপরে কিশমিশ দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।


৯/ বাদামের রসে মিষ্টি

উপকরণঃ
১। কাজুবাদাম কুচি ১ চা চামচ
২। পেস্তাবাদাম কুচি ১ চা চামচ
৩। কাঠবাদাম কুচি ১ চা চামচ
৪। কাজুবাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ
৫। গুঁড়োদুধ ২ কাপ
৬। চিনি আধা কাপ
৭। ছোট ছোট সাদা মিষ্টি ১ কাপ

প্রণালিঃ
আধা লিটার পানিতে দুধ গুলিয়ে চুলোয় দিন। দুধ ফুটে উঠলে চিনি দিন। একটু ঘন হয়ে এলে বাদাম বাটা দিয়ে নাড়ুন। আরও ঘন হয়ে এলে মিষ্টি দুধে ছেড়ে দিন। মাখা মাখা করে নামিয়ে ফেলুন। পরিবেশনের আগে ডিশটি ফ্রিজে রেখে দিন। কাজু, পেস্তা ও কাঠবাদাম কুচি ছিটিয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন।


৯/ ক্রিম জাম

উপকরণঃ
১। ছানা দেড় কাপ
২। মাওয়া আধা কাপ
৩। ময়দা আধা কাপ
৪। ঘি ১ টেবিল চামচ
৫। মাওয়ার সোডা সিকি চা চামচ
৬। খাওয়ার লাল রং সামান্য
৭। ক্রিম ১ কাপ
শিরার উপকরণঃ
৮। চিনি ৪ কাপ
৯। পানি ৭ কাপ
১০। তরল দুধ আধা কাপ
১১। গোলাপ এসেন্স সামান্য
ভাজার উপকরণঃ
১২। ঘি ১ কাপ
১৩। তেল ১ কাপ

প্রণালিঃ
(১) চিনি ও পানি জ্বাল দিয়ে তাতে দুধ দিয়ে শিরার ময়লা কেটে ছেঁকে রাখতে হবে।
(২) ময়দা ও ঘি একসঙ্গে ময়ান দিয়ে তাতে মাওয়া মেশান।
(৩)  এবার এক চা-চামচ পানিতে খাওয়ার সোডা মিশিয়ে তা ময়দার মিশ্রণের সঙ্গে মেলান। পরে ছানার সঙ্গে মিশ্রণটি ভালোভাবে মেখে সামান্য লাল রং মিশিয়ে কালোজামের আকার করে নিন।
(৪)  ঘি ও তেল একসঙ্গে অল্প গরম করে কালোজাম অল্প জ্বালে ভাজুন।
(৫) মিষ্টি ভেসে উঠলে কিছুক্ষণ ভেজে ঘি থেকে উঠিয়ে গরম শিরায় দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ফুটান।
(৬)  মিষ্টি চুলা থেকে নামিয়ে শিরাতে এক কাপ গরম পানি দিয়ে চার-পাঁচ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে শিরা থেকে উঠিয়ে নিন।
(৭) মিষ্টি ছুরি দিয়ে লম্বালম্বি চিরে ভেতরে ক্রিম লাগিয়ে পরিবেশন করুন।

১০/ স্পঞ্জ রসগোল্লা-১

উপকরণঃ
১) ১লিটার দুধ,
২) ৪ টে চা ভিনেগার,
৩) ১ চা চামচ ময়দা,
৪) ১কাপ চিনি

প্রণালীঃ
(১) প্রথমে দুধ জ্বাল দিতে হবে,ভিনেগার কাছেই রাখতে হবে।যখন দুধ প্রথম বলগ আসবে,চুলা বন্ধ করে ভিনেগার মিশিয়ে নাড়তে থাকতে হবে,একটু পরেই ছানা আর সবুজ পানি আলাদা হয়ে যাবে।ছানা আর পানি পুরোপুরি আলাদা হবে,আর পানি একটু সবুজ রং এর হবে।
(২) এবার একটা পাতলা গামছা একটা বড় পাতিলের উপর বিছিয়ে দিয়ে ছানার পাতিল থেকে পুরো ছানা গামছায় ছেঁকে নিতে হবে।পানিটা নিচের পাত্রে জমা হবে।
(৩) এবার গামছা সহ ধরে কলের নিচে নিয়ে গিয়ে ছানা কল ছেড়ে ঐ পানিতে ভাল করে কিছুক্ষণ ধুতে হবে।এতে ভিনেগারের গন্ধ চলে যায় আর ছানা ঠান্ডা হয়।
(৪) এবার গামছাটা বেঁধে কলের সাথে ১ ঘন্টা ঝুলিয়ে রেখে দিন।
(৫) এরপরে গামছাটা চিপে যতটুকু সম্ভব অতিরিক্ত পানি বের করে দিন।
(৬) একটা অনেক বড় ও পরিষ্কার থামায়,ছানা গুলো গামছা খুলে ধেলে দিন,এরপরের স্টেপ্ই জরুরী।
(৭) যেভাবে চিত্রে দেওয়া আছে,সেভাবে জোরে জোরে তালু দিয়ে চেপে ছানা মথতে হবে।ছানা মথার উপর পুরো রসগোল্লার স্বাদ নির্ভর করছে।কমপক্ষে ২০-২৫মিনিট এভাবে জোরে জোরে তালু দিয়ে মথতে হবে।একসময় ছানা একদম মিহি হয়ে যাবে,আঠালো হবে,হাতে তেল তেল উঠবে।যদি নরম মিহি ছানা না হয়,রসগোল্লা নরম হবেনা।
(৮) এবার ছোট গোল গোল করে(প্রায় একটা মার্বেলের সমান) বল বানাতে হবে।বল বানাতে ছানা অল্প একটু নিয়ে,হাতের দুই তালু দিয়ে চেপে মসৃণ করে নিয়ে এরপর দুই তালুর মাঝে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বল বানাতে হবে।বল সুন্দর হতে হবে,ফাঁটা যেন না থাকে,তাহলে ভেঙ্গে যায়।একদমই ছোট বল হবে।বড় হলে হতেও সময় লাগে।প্রায় ১৫-২০ টা বল হবে।
(৯)এবার একটি সমতল বিশিষ্ট হাঁড়ি অথবা প্রেসার কুকারে সাড়ে তিন কাপ পানি ও এক কাপ চিনি দিয়ে চুলা মাঝারি আঁচে রাখতে হবে।
(১০)চিনি নেড়ে নেড়ে মিশাতে হবে,সিরা কিছুক্ষণ পর বলগ সহ ফুটবে,তখন একে একে ছানা ছেড়ে দিতে হবে।
(১১)প্রথমে ৩ মিনিট মৃদু আঁচে রসগোল্লা তাপ দিলে দেখা যাবে রসগোল্লা গুলো পাত্রের কোণায় কোণায় চলে যাচ্ছে,তখন চামচ দিয়ে মাঝে এনে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।আঁচ বাড়িয়ে মাঝারি করে ১০ মিনিট জ্বাল দিতে হবে।এরই মাঝে তিন মিনিট পর পর ঢাকনা উঠিয়ে দিতে হবে যেন ভাপ বের হয়ে যায়।১০ মিনিট পর দেখা যাবে রসগোল্লাগুলো ফুলে বড় হয়ে গেছে।

এবার হয়েছে কিনা পরীক্ষা করতে,১ কাপ ঠান্ডা পানিতে রসগোল্লা ছেড়ে দিলে সেটা যদি না ভেসে একবারে তলায় ডুবে যায়,তাহলে হয়ে গেছে। যদি ভাসে তো আরও ২-৩ মিনিট ঢেকে জ্বাল দিয়ে পরীক্ষা করে নামিয়ে ফেলুন।

১ চা চামচ গোলাপজল মিশিয়ে ঠান্ডা করুন অন্তত ২ ঘন্টা।

১১/ স্পন্জ মিষ্টি-২


উপকরণ:
১) ছানা
২) দুধ ১ লিটার
৩) সিরকা ১/২ কাপ, পানি ১/২ কাপ একসাথে মিশিয়ে নিন

সিরার জন্য
চিনি ১ ১/২ কাপ
পানি ৩ কাপ

প্রণালী:
দুধ জাল দিয়ে ফুটে উঠলে চুলার আচ বন্ধ করে দিন ,সিরকা পানির সাথে মিশিয়ে একটু একটু করে দিয়ে নাড়তে থাকুন...দুধ থেকে সবুজ পানি আলাদা হয়ে গেলে পরিষ্কার পাতলা কাপড়ে ছানা ছেকে নিন....১ কাপ পানি ছানার মধ্যে ঢেলে ঝুলিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ...
চিনির সাথে পানি দিয়ে সিরা তৈরী করে নিন ফুটে উঠলে আচ কমিয়ে রাখুন....
ছানার পানি ঝরে গালে হাত দিয়ে ভালো করে ময়ান দিয়ে রস গোল্লার মত ছোট ছোট বল তৈরী করুন.
ফুটন্ত সিরায় ছানার বল গুলো ছেড়ে দিন. চুলার আচ বাড়িয়ে ঢেকে দিন . কিছুক্ষণ পর একটি বড় চামচ দিয়ে রসগোল্লা সিরায় ডুবিয়ে দিন....মাঝারি আছে রেখে রসগোল্লা ফুটাতে হবে ২০/২২ মিনিট.... চুলার আগুন নিভিয়ে দিন....স্পন্জ মিষ্টি গরম খেতেই ভালো লাগে.....

ময়দা না দিলে ভাল স্পঞ্জি থাকে।

http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/thumb/4/44/Rasgulla_-_Kolkata_2011-08-02_4548.JPG/800px-Rasgulla_-_Kolkata_2011-08-02_4548.JPG



১২/ মুগ পুলি

উপকরণঃ
১) ভাজা মুগডাল - ১ কাপ
২) নারকেল বাটা - ১/২ কাপ
৩) লবণ - ১ চিমটি
৪) ময়দা - ১ কাপ
৫) চিনি - ২ টেবিল চামচ
৬) ঘি - ৪ টেবিল চামচ
৭) তেল - ভাজার জন্য

নারকেলের পুর তৈরিঃ
কুরানো নারকেল - ১ কাপ
চিনি - ১ কাপ
নারকেল ও চিনি মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিতে হবে। ঘন ঘন নাড়তে হবে। আঠালো হলে নামাতে হবে।

সিরা তৈরিঃ
২ কাপ চিনির সাথে দেড় কাপ পানি মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে সিরা তৈরি করতে হবে।

প্রণালিঃ
মুগডাল সিদ্ধ করে শুকনা করে বেটে নিতে হবে। ময়দা ও ঘি ময়ান দিয়ে বাটা মুগডাল ও বাকি সব উপকরণ একত্রে মেখে ১ ঘণ্টা রাখতে হবে। ১ ঘণ্টা পর খামির ইচ্ছামতো ভাগ করে নারকেলের পুর দিয়ে ভালভাবে মুখ বন্ধ করে ডুবোতেলে বাদামি করে ভেজে চিনির সিরায় ছাড়তে হবে।

১৩/ বুন্দিয়া

উপকরণ :
১) বেসন ১ কাপ,
২) ময়দা সোয়া কাপ,
৩) পানি ১ কাপ,
৪) জর্দার রং সামান্য,
৫) তেল-ভাজার জন্য৷

সিরার জন্য : চিনি আধা কেজি, পানি ২ কাপ, এলাচ ২টি৷

প্রণালী :
প্রথমে বেসন ও ময়দা একসঙ্গে পানি দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন৷ ভালো করে ফেটা হলে ডিশে বেসন ঢেলে নিন৷ এবার গোলা অর্ধেক ভাগ করে অন্য একটি পাত্রে জর্দার রং মিশিয়ে নিন৷ এবার কড়াইয়ে তেল গরম করে ঝাঁঝরি মধ্যে গোলা রেখে কড়াইয়ের উপর রেখে হাতা দিয়ে ঘষে ঘষে তেলের উপর ছোট ছোট গোলা ফেলুন৷ ডুবো তেলে মচমচে করে ভেজে তুলুন৷ অন্য একটি পাত্রে আগেই সিরা করে রাখুন ভাজা মাত্রই সিরায় ছেড়ে দিন৷ সব বুন্দিয়া ভাজা হয়ে গেলে সিরাসহ বুন্দিয়া চুলায় দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে ভাজুন৷ হাত দিয়ে চেপে দেখুন নরম হলে নামিয়ে নিন৷

১৪/ লালমোহন

উপকরণ :
১) গুঁড়াদুধঃ আধা কাপ,
২) ময়দাঃ এক কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ,
৩) বেকিং পাউডারঃ ১ চা চামচ,
৪) ঘিঃ ২ টেবিল চামচ,
৫)ফেটানো ডিমঃ ২টি,
৬)চিনিঃ ৩ কাপ,
৭) পানিঃ ৫ কাপ,
৮) তেলঃ ভাজার জন্য।

প্রণালীঃ
(১) ময়দা, বেকিং পাউডার, গুঁড়াদুধ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এর মধ্যে ১ টেবিল চামচ ঘি মিশিয়ে ভালো করে ময়দা ঝুরঝুরা করে নিন।
(২) আলাদা পাত্রে ডিম ফেটিয়ে ময়দার মিশ্রণে পরিমাণমতো ডিম দিয়ে চামচের সাহায্যে মিশিয়ে দিন।
(৩) এবার মিষ্টি রাখার পাত্রে এবং হাতেও ঘি মেখে নিন। পরিমাণমতো মিশ্রণ হাতে নিয়ে লালমোহনের আকারে বানান।
(৪) চুলায় তেল প্রথমে গরম করে পরে ঠাণ্ডা করুন। তারপর ঐ তেলে মিষ্টি দিয়ে মৃদু আঁচ দিন।
(৫) লালমোহনের রং লালচে হলে নামান।
(৬) এবার চুলায় সিরা ফুটে উঠলে মিষ্টি দিয়ে ঢেকে দিন।
(৭)  ১৫ মিনিট পর ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে নামান।
(৮) ৩-৪ ঘণ্টা পর সিরা থেকে তুলে মাওয়া ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

https://fbcdn-sphotos-f-a.akamaihd.net/hphotos-ak-frc3/t1/385372_180593318700832_772021854_n.jpg

১৫/ রসকদম

উপকরণঃ
১) ছানা ১ কাপ
২) মাওয়া ১ কাপ (মিষ্টির দোকানেরটা)
৩) চিনি আধা কাপ
৪) চিনির দানা প্রয়োজনমতো


মাওয়া তৈরিঃ
গুঁড়া দুধ আধা কাপ, আইসিং সুগার ২ টেবিল চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ, গোলাপ জল ১ চা চামচ। সব একসঙ্গে মিলিয়ে চালনি দিয়ে চেলে নিতে হবে

প্রণালীঃ
(১) ছানা, মাওয়া ও চিনি একসঙ্গে মিলিয়ে জ্বাল করতে হবে।
(২) হালুয়ার মতো দলা বেঁধে উঠলে এবং প্যান থেকে ছেড়ে এলে নামিয়ে নিতে হবে। হালকা গরম থাকতে থাকতে ছোট ছোট গোল্লা বানিয়ে চিনির দানার মধ্যে গড়িয়ে নিতে হবে।
(৩) গোল্লা চালানোর সময় হাতে শিরা লাগিয়ে নিতে হবে। পরে ঠান্ডা হলে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

১৬/ রসমঞ্জুরি

উপকরণ:
১) ছানা ১ কাপ,
২) গুঁড়া দুধ ২ চা-চামচ, ৩)হাতে বানানো মাওয়া ১ কাপ,
৩) শিরার জন্য চিনি ১ কেজি,
৪)পানি ৬ কাপ,
৫) তরল দুধ আধা কাপ।

প্রণালি:
(১) চিনি ও পানি একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে দুধ দিয়ে দুই বার ময়লা কাটিয়ে ছেঁকে রাখুন।
(২)ছানা অল্প মথে গুঁড়া দুধ দিয়ে মেখে ছোট ছোট রসগোল্লার মতো করে নিন।
(৩) ফুটন্ত শিরায় মিষ্টি দিয়ে ঢাকনায় ঢেকে ১০ মিনিট বেশি জ্বালে ফুটিয়ে ১ কাপ গরম পানি দিয়ে আরও ১০ মিনিট বেশি জ্বালে ঢেকে ফুটাতে হবে।
আরও ১ কাপ গরম পানি দিয়ে অল্প জ্বালে ৬ মিনিট ঢেকে ফুটিয়ে চুলা বন্ধ করে ১ কাপ গরম পানি দিয়ে ৫-৬ ঘণ্টা রাখতে হবে। শিরা থেকে মিষ্টি উঠিয়ে পরিষ্কার পাতলা কাপড়ের ওপর কিছুক্ষণ রেখে মাওয়ায় গড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।


১৭/ রসমালাই


উপকরণ :
১) ছানা ২ কাপ,
২) ঘি ১ টেবিল চামচ,
৩) ময়দা ২ টেবিল চামচ,
৪) সুজি ১ টেবিল চামচ,
৫) বেকিং পাউডার সামান্য,
৬) দুধ ২ লিটার,
৭) কনডেন্সড মিল্ক ১ টিন,
৮) ডিমের কুসুম ২টা,
৯) চিনি হাফ কেজি,
১০)পানি ২ কাপ।

প্রণালি :
(১) প্রথমে চিনি ও পানি জ্বাল দিয়ে পাতলা সিরা তৈরি করে নিন।
(২) ময়দার সঙ্গে ঘি ময়ান করে নিন। এবার ছানা, ময়দা, সুজি একসঙ্গে ভালো কর মেখে নিন। বেকিং পাউডার মিশিয়ে নিন।
(৩) ছোট ছোট করে রসমালাই বানিয়ে সিরায় দিয়ে জ্বাল দিন। ২ লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে কনডেন্সড মিল্ক, ডিমের কুসুম দিয়ে জ্বাল করে নামিয়ে ডিসে ঢেলে নিন।
(৪) সিরা থেকে রসমালাই তুলে ঘন দুধে দিয়ে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন।


আজকে মত ১৭ টা দিলাম আগামীতে আরো পেলে দিব wink আপাতত এই কয়টা বানিয়ে খেতে থাকুন!
আজকের মত আমি জল বিদায় নিচ্ছি; সব্বাই ভাল থাকবেন!  cool

আর বোতল ভায়া! রেসেপি দিয়ে দিলাম এইবার হয় "মিস্টিকথা"কে বলেন আপাতত বানায় দিতে >:) নাহয়; উদাদার উপদেশ মেনে চলেন। কেমন বানাইলেন জানাইতে ভুলবেন না! 3:)

বিঃ দ্রিঃ ছবিও রেসেপি নেটের আগান বাগান হতে সংগ্রহ!

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

Jol Kona লিখেছেন:

সবাইকে কেমন আসেন?
জল'স কিচেনে স্বাগতম!  tongue_smile

গত ক্লাসে আমরা দেখেছি কি করে সন্দেশ বানাতে হয়!

থিচার!
মনযোগ কম।

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

বেশি করে চিনি খাবেন।  hmm মনোযোগ বাড়বে বৈকি কমবে না!  isee

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

পরে পড়ুম আগে কও খাওয়াইবা কবে? waiting waiting

ইমরান তুষার'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

আসেন এসব গোপন রেসিপি জনসম্মুখে প্রকাশ (যদিও এইখানকার কোন পাবলিকই রেসিপি নিয়া কিচেনে ঝাপাইয়া পড়ার মতো এ্যাকটিভ না) না করে ব্যাবসা শুরু করি....."প্রজন্ম মিষ্টান্ন ভান্ডার"  big_smile

টিপসই দিবার চাই....স্বাক্ষর দিতে পারিনা......

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

পুরাই সুইট ডিশের ভান্ডার দেখছি!!! অছাম শেয়ার  big_smile

সব কিছু ত্যাগ করে একদিকে অগ্রসর হচ্ছি

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

mizvibappa লিখেছেন:

পুরাই সুইট ডিশের ভান্ডার দেখছি!!! অছাম শেয়ার  big_smile

tongue_smile hehe dancing থ্যাঙ্কু! যাবার সময় একটা মিষ্টি নিয়ে যাইতে ভুইলেন না!  cool


মেহেদী হাসান লিখেছেন:

আসেন এসব গোপন রেসিপি জনসম্মুখে প্রকাশ (যদিও এইখানকার কোন পাবলিকই রেসিপি নিয়া কিচেনে ঝাপাইয়া পড়ার মতো এ্যাকটিভ না) না করে ব্যাবসা শুরু করি....."প্রজন্ম মিষ্টান্ন ভান্ডার"  big_smile big_smile

 
cool হে হে হে !!!


ইমরান তুষার লিখেছেন:

পরে পড়ুম আগে কও খাওয়াইবা কবে? waiting waiting

প্রিন্ট করে খাইয়া ফেলেন ভাইয়া  cool

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

খুব একটা স্বাদ হয় নাই। বরং আমি বানাইলে আরও বেশি ভালো হইতো। যাই হোক, কষ্ট যেহেতু করেছেন, একটু প্রশংসা না হয় করলামই।  hmm

আমার সকল টপিক

কোনো কিছু বলার নেই আজ আর...

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

গৌতম লিখেছেন:

খুব একটা স্বাদ হয় নাই। বরং আমি বানাইলে আরও বেশি ভালো হইতো। যাই হোক, কষ্ট যেহেতু করেছেন, একটু প্রশংসা না হয় করলামই।  hmm

tongue ওয়েলখাম!  প্রশংসা শুনে টমেটো হইয়া গেলাম!  blushing

১০

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

Jol Kona লিখেছেন:

প্রিন্ট করে খাইয়া ফেলেন ভাইয়া

তাইলে তোমার হাতের টা খামু কেমনে?? tongue_smile

ইমরান তুষার'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১১

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

That জিলাবি  cool

OH DEAR NEVER FEAR SAIF IS HERE
BOSS অর্থাৎ সাইফ
Cloud Hosting BossHostBD

১২

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

ইমরান তুষার লিখেছেন:
Jol Kona লিখেছেন:

প্রিন্ট করে খাইয়া ফেলেন ভাইয়া

তাইলে তোমার হাতের টা খামু কেমনে?? tongue_smile

আহা আমার হাতের টা খাওয়ার এত শখ!  hehe
এক কাজ করেন  তাড়াতাড়ি বিয়ে করে বউ এর হাতে রেসেপি ধরায় দেন  cool বানায় তারপর নিজেও খান; আমাদের জন্যও এক পিস করে পাঠায় দিয়েন!  cool

সাইফ দি বস ৭ লিখেছেন:

That জিলাবি   cool

cool cool

১৩

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

আস্ত একটা দোকান খোলা যাবে।  yahoo

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১৪

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

মরুভূমির জলদস্যু লিখেছেন:

আস্ত একটা দোকান খোলা যাবে।  yahoo

  blushing blushing দোকানটা চালু করেন!
আমরা সবাই গিয়ে লাইন ধরে একটা একটা করে উঠায়  খেয়ে টেইস্ট করে আসব!   hehe  big_smile

১৫

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

গামা পালোয়ান হওয়া আর কে ঠেকাবে, বাবা! এসব থেকে দূরে থাক, জল। খালি আমি দেশে এলে করে খাইও আমাকে, কেমন  hehe

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

১৬

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

কোনো দিনও বানাইতে পারব না
আপনি একদিন এইগুলো তৈরি করে আমারে দাওয়াত দিয়েন আমি খেয়ে আসব

জীবনের উদ্দেশ্য মইনাস প্রাপ্তি

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৭

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

যার যার ঘরে গিয়ে আবদার করেন!  dream dream
নাইলে দোকানে গিয়ে লাইন দিন!!  cool

১৮

Re: মিষ্টান্ন ভান্ডার! ( ইস্পিশাল পোস্ট )

Jol Kona লিখেছেন:

যার যার ঘরে গিয়ে আবদার করেন!  dream dream
নাইলে দোকানে গিয়ে লাইন দিন!!  cool

একবারে না বললেই পারতেন

জীবনের উদ্দেশ্য মইনাস প্রাপ্তি

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত