সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মরুভূমির জলদস্যু (১৩-০২-২০১৪ ১৯:৪৯)

টপিকঃ খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

২৫ তারিখ রাতে “খাগড়াছড়ির পথে” রওনা হয়ে ২৬ তারিখ সকালে পৌছাই খাগড়াছড়িতে। শ্যামলীর বাস এসে তার শেষ গন্তব্য খাগড়াছড়ির শাপলা চত্বরের সামনে আমাদের নামিয়ে দেয়।

বাস থেকে নেমেই দেখি অস্ত্রধারী কয়েকজন আইন-সিংখ্রলা বাহিনীর সদস্য দাঁড়িয়ে আছেন। আমি ওদের দিকে হেঁটে গেলাম, বাকিরা তখনো বাস থেকে লাগেজ নামাতে ব্যস্ত। অনেকেই এদের সাথে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করেন, আমি করি না, বরং আমার অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি এরা পথ আর হোটেল সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভর যোগ্য তথ্য দিতে পারেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না।  ওরা জানালো আসে পাশে কোন খুব ভালো মানের হোটেল নাই। মোটামুটি মানের হোটেল আছে। ভালো মানের হোটেল পেতে হলে যেতে হবে শহর থেকে সামান্য দূরে। ওদের ধন্যবাদ জানিয়ে দলের কাছে ফিরে এলাম। যেহেতু সাথে ফ্যামিলি আছে তাই শহরের বাইরে হোটেলে ওটার প্রশ্নই আসেনা। ঠিক করলাম, সামনের রেস্টুরেন্টে সবাইকে বসিয়ে আমি আর ইস্রাফীল বেরবো কাছের হোটেলগুলির পরিস্থিতি দেখতে।

আমাদের সামনেই দেখলাম “মনটানা হোটেল” (রেস্টুরেন্ট), এখানেই সবাইকে বসে আপাতত সকালের নাস্তা করার কথা বলে আমরা দুজন বেরিয়ে এলাম।

আসে পাশে দুটি মোটামুটি মানের হোটেলের নাম পাওয়া গেলো একটির নাম মনে নাই।  অন্যটি নতুন হয়েছে “হোটেল নিলয়”।  নাম মনে নাই  হোটেলে গিয়ে দেখি চার তালা পর্যন্ত সমস্ত রুমে তাদের গেস্ট আছে। আমাদের লাগবে ৩টি কাপোল বেড ও একটি সিঙ্গেল। কাপোল বেডের ভাড়া দিতে হবে ৬০০/= টাকা আর সিঙ্গেল ৪০০/= টাকা।  রুমগুলি মোটামুটি বড়ই বলা চলে। আমাদের চলে যাবে, তবে সমস্যা হচ্ছে বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে পাঁচ তালাতে উঠাটা পছন্দ হচ্ছে না। এখান থেকে বেরিয়ে ফিরে আসলাম রেস্টুরেন্টে। ৫ তালার কথা শুনে সবাই এক বাক্যে নিষেধ করে দিল।

আসে পাশে তেমন কোন হোটেল দেখলাম না।  তাই নাস্তা করে গেলাম “হোটেল নিলয়”-এ। শাপলা চত্বরের পাশেই। এখানেও নিচে কোন রুম নেই ৩ তালাতে একটি আর ৪ তালাতে বাকি গুলি দিতে পারবে। মাঝারি সাইজের রুম। কাপোল রুম ৫০০/= টাকা আর সিঙ্গেল রুম ৪০০/= টাকা করে। যেহেতু আমরা সকালের প্রথম গেস্ট আর অনেকগুলি রুম নিচ্ছি তাই আমাদের কাছে প্রতি রুমে ১০০ করে কম নিবে।

আমরা চিন্তা করলাম একটা রাতেরই ব্যাপার কোন রকমে কাটিয়ে দেই। আগামী কাল রাঙ্গামাটিতে ভালো কোন হোটেলে উঠবো। ইস্রাফীল গেলো বাকিদের নিয়ে আসতে আর আমি বেসে গেলাম হোটেলের ফর্ম পূরণ করতে। ৭টা ফর্ম পূরণ করতে করতে সকলেই চলে আসলো। আমি নিলাম ৩ তালার রুমটা বাকিরা উপরে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে ওখানকার সিঁড়িটা কেমন করে যেন তৈরি করা মনে হল দোতালায় উঠেছি। এটা শুধু আমার কথা না, বাকিরাও একই কথা বলেছে।

যাইহোক, হোটেলে উঠে ফ্রেস হয়ে বেরিয়ে পরবো ঘুরতে। এই প্রস্তাবে বসির রাজি হল না। আমাদের অস্থির ড্রাইভারের কারণে সারা রাত ঘুমাতে পারে নি, তাই এখন ঘুম দিবে। আমি বললাম ঠিক আছে ১১টার মধ্যে সবাই বেরিয়ে পরব। আপাতত বিদায়, ওর রুমে ঢুকতে ঢুকতে বসির বলল -  “১২টার আগে ঘুমই ভাংবো না”।





দিনের বেলা আমার ঘুম হয় না, একটু গড়াগড়ি করে উঠে পরলাম। বসির তার কথা রেখেছে ১২টার পরে ঘুম থেকে উঠেছে।
http://farm4.staticflickr.com/3793/12494918585_823a2180e1_b.jpg
[খাগড়াছড়ির হোটেল "নিলয়" এর চার তালার বারান্দা থেকে নিচের ব্যস্ত রাস্তার দিকে তাকিয়ে আছি। ঝকঝকে রোদ উঠেছে। বেরানোর জন্য অতি চমৎকার আবহাওয়া। সবাই রেডি, বসির এখনো ঘুমায়।]

http://farm4.staticflickr.com/3741/12495039503_b66803ae3a_b.jpg
[সাইয়ারা, সব সময় সবার আগে রেডি]


সবাই যখন রেডি হয়ে বেরিয়েছি তখন দুপুরের খাবার সময় হয়ে গেছে। কোন দিকে না তাকিয়ে সেই “মনটানা” রেস্টুরেন্টেই গিয়ে বসলাম।
http://farm4.staticflickr.com/3714/12494972425_90949e140f_b.jpg
[বাম দিক থেকে স্বপন ও বসির]

খাবারের অর্ডার দেয়ার ফাঁকে আমি উঠে গিয়ে চাঁন্দের গাড়ী  আর মাহেন্দার (একপ্রকার টেম্পো) এর ড্রাইভারদের সাথে আলাপ করে আসলাম। আমরা যাব, প্রথমে আলুটিলা গুহা, সেখান থেকে রিসং ঝর্ণা, শতবর্ষী বটগাছ আর ঝুলন্ত সেতু। চাঁন্দের গাড়ী চাইল ৪,৫০০/= টাকা, আর মাহেন্দার চাইলো ২,২০০/= টাকা। মোটামুটি একটা আইডিয়া নিয়ে আমি দুপুরের খাবারে ফিরে আসলাম।

http://farm4.staticflickr.com/3684/12495089663_223b7bbc6d_b.jpg
[আমাদের ভাড়া করা গাড়ী আসছে, বিরক্তি নিয়ে অপেক্ষায় আছে সাইয়ারা আর বুসরা।]
খাওয়া দাওয়া শেষে ঠিক করলাম একটি মাহেন্দার নিয়েই যাওয়া হবে। মাহেন্দার ড্রাইভার দের সাথে আলাপ করে শেষ পর্যন্ত ১,৮০০/= টাকায় রফা হল। শুরু হলে আমাদে যাত্রা......
http://farm6.staticflickr.com/5484/12494966175_92af4529e2_b.jpg
[অনেকটা পথের সাওয়ারি আমরা, তাই বেশি করে তেল নিয়ে নিচ্ছে।]


আমাদের প্রথম গন্তব্য শহর থেকে ৮কিঃ মিঃ পশ্চিমে আলুটিলা পাহাড় চূড়ায় আলুটিলা গুহা। চলতে শুরু করার কিছুক্ষণ পরেই শহরের মূল অংশ পার হতেই শুরু হলে পাহাড়ি আঁকা-বাঁকা রাস্তা।
http://farm3.staticflickr.com/2809/12495074563_1f9c4d07e8_b.jpg
[পাহাড়ি পথ]

http://farm8.staticflickr.com/7368/12494951315_cde1f52ee9_b.jpg
[এই রুক্ষতার মাঝেও ফুটেছে কিছু পাহাড়ি ফুল]


http://farm4.staticflickr.com/3745/12495439724_1568d8c723_b.jpg
[ফুটেছে পাহাড়ি কাশফুল]


http://farm8.staticflickr.com/7427/12495083383_4d2f7cba41_b.jpg
[এটা কিন্তু পাহাড়ি ফর না।]


http://farm3.staticflickr.com/2859/12494936355_90b3a2e6f6_b.jpg
[পাহাড়ি ছড়ার উপরে এই ধরনের ব্রীজ অহরহই দেখা মিলে।]
কোথাও উতরাই আবার কোথাও চড়াই। উতরাই গুলি সহসেই উত্রে যাচ্ছে, কিন্তু কিছু কিছু চড়াই এতটাই বেশি যে আমাদের মিনিমাম দু’জন নেমে যেতে হচ্ছে। এমনও দু-একটা চড়াই এসেছে যে খানে প্রায় সবাইকেই নামতে হয়েছে।

http://farm6.staticflickr.com/5516/12494931775_dd16edf008_b.jpg
[আমাকে নামতে হয়েছে, নইলে এই চরাই চরতে পারবে না।]

http://farm8.staticflickr.com/7372/12495045983_f62e95a3d2_b.jpg
[শীতে পাতা ঝরছে সমস্ত গাছেদের]

http://farm8.staticflickr.com/7441/12495419194_e58f29aed1_b.jpg
[শীতের সময় পাহাড়ে বেরাবার সবচেয়ে খারাপ দিক এটা। পাহারগুলি থাকে মৃতপ্রায়।]


http://farm8.staticflickr.com/7398/12495423924_75fb048db1_b.jpg
[পাতা ঝরা রাবার বাগান]

ঁঁঁঁ এই পোস্টের সবগুলি ছবি তুলেছে বন্ধু "ইস্রাফীল "ঁঁঁঁ

প্রথম প্রকাশ :
https://fbcdn-sphotos-a-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash3/249083_10201394970614204_700541791_n.jpg

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

dream dream

উম্ম!!! ভাইয়া পর্ব কি আর দিবেন না!  worried
চলবে বা শেষ কিছু তো লিখে নাই!  brokenheart

নেক্সট নেক্সট!!!   tongue_smile

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ভালোবাসার কোড (১৩-০২-২০১৪ ১৯:১৫)

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

এটা কি দিলেন ভাই। শুরু না করতেই শেষ। দিলেন তো মজাটা মাটি করে।  crying
আপনার মাহেন্দার থেকে নেমে যাওয়ার ব্যাপারটা ভালোই লাগলো। smile

মরুভূমির জলদস্যু লিখেছেন:

২৫ তারিখ রাতে “খাগড়াছড়ির পথে” রওনা হয়ে ২৭ তারিখ সকালে পৌছাই খাগড়াছড়িতে।

সময়ের হিসাবটা মিলছে না। ২৬ তারিখ সারাদিন আপনি কোথায় ছিলেন?   thinking

যাই হোক, চলুক...

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

Jol Kona লিখেছেন:

dream dream

উম্ম!!! ভাইয়া পর্ব কি আর দিবেন না!  worried
চলবে বা শেষ কিছু তো লিখে নাই!  brokenheart

নেক্সট নেক্সট!!!   tongue_smile

চলবে না লিখলেও বুঝার কথা শিরনাম দেখে। প্রথম পর্ব শেষ হলো দুই দিনে ২য় পর্ব আসবে।


ভালোবাসার কোড লিখেছেন:

এটা কি দিলেন ভাই। শুরু না করতেই শেষ। দিলেন তো মজাটা মাটি করে।  crying
আপনার মাহেন্দার থেকে নেমে যাওয়ার ব্যাপারটা ভালোই লাগলো। smile

মরুভূমির জলদস্যু লিখেছেন:

২৫ তারিখ রাতে “খাগড়াছড়ির পথে” রওনা হয়ে ২৭ তারিখ সকালে পৌছাই খাগড়াছড়িতে।

সময়ের হিসাবটা মিলছে না। ২৬ তারিখ সারাদিন আপনি কোথায় ছিলেন?   thinking

যাই হোক, চলুক...

তারিখের ব্যাপারটা ঠিক করে দিলাম, আল্লাহ বাচাইছে সাথে বৌ ছিলো, নইলেতো কোনো স্বক্ষীতেই কাজ হইতো না মাঝখানের একদিন কৈ ছিলাম।  ghusi

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

ফেরার পথে কিছু নাই!   কোন মজার কথা; কোন দুঃখের কথা!  roll roll
আনন্দ করতে করতে যাত্রা শুরু,  আর হুট করে শেষ করে দিলেন!  isee
হইল এইটা!  roll roll
আরও কত কি আশা করছিলাম!  brokenheart brokenheart brokenheart

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

Jol Kona লিখেছেন:

ফেরার পথে কিছু নাই!   কোন মজার কথা; কোন দুঃখের কথা!  roll roll
আনন্দ করতে করতে যাত্রা শুরু,  আর হুট করে শেষ করে দিলেন!  isee
হইল এইটা!  roll roll
আরও কত কি আশা করছিলাম!  brokenheart brokenheart brokenheart

আরে ভাই এইটা শেষ না, মাত্রতো যাত্রা শুরু করলাম। আগামী পর্বে আলুটিয়া গুহা, রিসং ঝর্ণা, শত বর্ষী বটগাছ আর ঝুলন্ত সেতুর কথা বলবো। এর পর আলাদা আলাদা করে প্রতিটি স্পটের ছির পোস্ট দিবো। আপেক্ষা করেন।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

মরুভূমির জলদস্যু লিখেছেন:

আরে ভাই এইটা শেষ না, মাত্রতো যাত্রা শুরু করলাম। আগামী পর্বে আলুটিয়া গুহা, রিসং ঝর্ণা, শত বর্ষী বটগাছ আর ঝুলন্ত সেতুর কথা বলবো। এর পর আলাদা আলাদা করে প্রতিটি স্পটের ছির পোস্ট দিবো। আপেক্ষা করেন।


big_smile big_smile big_smile big_smile
রোজ ২ আঁটি করে ব্রাহ্মি শাক খাই না তো! তাই একটু দেরিতে বুঝি!!  dontsee বাচ্চা মানুষ তো! সাতশ ভুল মাফ!  big_smile big_smile
আচ্ছা এটা খাইলে কি বুদ্ধি বাড়ে না স্মৃতি শক্তি বাড়ে!  thinking ভুলে গেলাম তো!  worried অরুন দা জানি কি বলছিল!  confused

যাক, পরের পর্বে অপেক্ষায়!!  dream দুই দিন না! একদিনের মধ্যে আনেন! ইসস! ভ্রমণ করছে ৩ দিনে ব্রেক ছাড়া! আর লিখা আসবে ঠেলা গাড়িতে করে! উহু!!  shame চইলত না!
নেক্সট নেক্সট!  big_smile

বাই দ্যা ওয়ে!! পিচ্চিটা অনেক কিউট  love মাশাআল্লাহ!  big_smile big_smile

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

পড়ে ভালোলাগলো....

Sohel Rana
Web Designer & Developer

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

মরুভূমির জলদস্যু লিখেছেন:

মাহেন্দার

মাহেন্দ্রা

১০

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

Jol Kona লিখেছেন:

রোজ ২ আঁটি করে ব্রাহ্মি শাক খাই না তো!

এইটা কি বস্তু? জীবনে প্রথম নাম শুনলাম।  thinking

Jol Kona লিখেছেন:

ভ্রমণ করছে ৩ দিনে ব্রেক ছাড়া!

ভুল হইলো ভ্রমণ করছি ৬ দিন।  cool

sohel6bd লিখেছেন:

পড়ে ভালোলাগলো....

ধন্যবাদ

রাশেদুল ইসলাম লিখেছেন:
মরুভূমির জলদস্যু লিখেছেন:

মাহেন্দার

মাহেন্দ্রা

একটা হইলেই হইলো।  isee

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১১

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

ভ্রমন কাহীনি ভাল লাগল smile।পরবর্তী  পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

এই বছরের অক্টোবর নভেম্বর এর দিকে বন্ধুরা মিলে যাবার একটা প্ল্যানিং আছে।কিন্তু ভাই সিকিউরিটির কোন সমস্যা আছে কিনা?মানে খাগড়াছড়ি যেয়ে কোন বিপদে পড়ার সম্ভবনা নেই তো।আর এই সিজনে কি হোটেল গুলোে  সব সময় বিজি থাকে নাকি।

অন্যের কাছ থেকে যে ব্যবহার প্রত্যশা করেন আগে নিজে সে আচরন করুন।

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১২

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

সেজান লিখেছেন:

ভ্রমন কাহীনি ভাল লাগল smile।পরবর্তী  পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

এই বছরের অক্টোবর নভেম্বর এর দিকে বন্ধুরা মিলে যাবার একটা প্ল্যানিং আছে।কিন্তু ভাই সিকিউরিটির কোন সমস্যা আছে কিনা?মানে খাগড়াছড়ি যেয়ে কোন বিপদে পড়ার সম্ভবনা নেই তো।আর এই সিজনে কি হোটেল গুলোে  সব সময় বিজি থাকে নাকি।

ধন্যবাদ সেজান ভাই মন্তব্যের জন্য।

সিকিউরিটির তেমন কোনো সমস্যা নাই, যদি না খুব গহীন কোনো এলাকাতে যান। খাগড়া ছরিতে তেমন ভালো কোনো হোটেল নাই। যদি খুব বেশি খরচ করতে রাজি থাকেন তাহলে পর্যটনের মোটেলে থাকতে পারেন। খরচ কম করতে চাইলে শহরের ২/৩টা হোটেলই ভরসা, আমার মতে সেটাই ভালো হবে।
খাগড়াছড়িতে হোটেলের রুম পাওয়া নিয়ে খুব একটা সমস্যা হওয়ার কথা না।
শুভকামনা রইলো।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মাহমুদ রাব্বি (১৪-০২-২০১৪ ১১:৪৭)

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

খাগড়াছড়ি এত সুন্দর ক্যান?  angry

ভ্রমন কাহিনী ভালো হইছে। চালিয়ে যান।  thumbs_up

বাই দ্য ওয়ে, ছবি তুলছে ইস্রাফীল, ছবিতে নামের ক্রেডিটটা উনাকেই দেয়া উচিত ছিলো দস্যু ব্রো।

১৪

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

মাহমুদ রাব্বি লিখেছেন:

খাগড়াছড়ি এত সুন্দর ক্যান?  angry

ভ্রমন কাহিনী ভালো হইছে। চালিয়ে যান।  thumbs_up

বাই দ্য ওয়ে, ছবি তুলছে ইস্রাফীল, ছবিতে নামের ক্রেডিটটা উনাকেই দেয়া উচিত ছিলো দস্যু ব্রো।

বর্ষায় আর মারাত্মক সুন্দর হয়।

চলবে ভ্রমণ কাহিনী......

কথা সত্য, স্বীকারত্তি তো দিয়েছি ভাই।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১৫

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

চমৎকার বনর্নায় আর ছবিতে ভ্রমনকাহিনীটি সত্যই খুব ভালো হয়েছে ,

খাগড়াছড়ি একটি নদীর নাম। নদীর পাড়ে খাগড়া বন থাকায় একে খাগড়াছড়ি নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৭০০ সালে এই এলাটি কার্পাস মহাল নামে পরিচিত ছিল।

আর খাগড়াছড়িতে বেড়াবার মত অনেক স্থান আছে যার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো - আলোটিলাগুহা ,পানছড়ির অরণ্য কুঠির , দেবতা পুকুর (নুনছড়ি),হাতিমাথা পাহাড় (পাহারড়িরা একে এ্যাডোশিরা মোন বলে), আলোটিলা ঝরণা,গুইমারা ইত্যাদি

"We want Justice for Adnan Tasin"

১৬

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

আউল লিখেছেন:

চমৎকার বনর্নায় আর ছবিতে ভ্রমনকাহিনীটি সত্যই খুব ভালো হয়েছে

ধন্যবাদ  আউল ভাই।

আউল লিখেছেন:

খাগড়াছড়ি একটি নদীর নাম। নদীর পাড়ে খাগড়া বন থাকায় একে খাগড়াছড়ি নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৭০০ সালে এই এলাটি কার্পাস মহাল নামে পরিচিত ছিল

এই তথ্যটা জানা ছিলো না। এখন যে নদীটা আছে তার নামতো জানি "চেঙ্গী নদী"।

আউল লিখেছেন:

আর খাগড়াছড়িতে বেড়াবার মত অনেক স্থান আছে যার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো - আলোটিলাগুহা ,পানছড়ির অরণ্য কুঠির , দেবতা পুকুর (নুনছড়ি),হাতিমাথা পাহাড় (পাহারড়িরা একে এ্যাডোশিরা মোন বলে), আলোটিলা ঝরণা,গুইমারা ইত্যাদি

আরো আছে।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১৭

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

দস্যু ভাইয়া sad বাকি লেখা-আআআহ কি ঠেলা গাড়িতে করে  আস্তেছে!!!!!!! sad
এত দেরি হইলে তো আগে কি পড়ছিলাম সব ভুলে যাব তো! tongue_smile tongue_smile

ব্রাহ্মি শাক কি এটা আমিও জানি না  cool
অরুনদা জানে! উনি এটার কথা বলছিল!  cool

১৮ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (১৪-০২-২০১৪ ২০:০৯)

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

ছবি ও বর্ণনা সুন্দর হয়েছে  thumbs_up পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায়  waiting

রাশেদুল ইসলাম লিখেছেন:
মরুভূমির জলদস্যু লিখেছেন:

মাহেন্দার

মাহেন্দ্রা

মাহিন্দ্রা tongue

Calm... like a bomb.

১৯

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

Jol Kona লিখেছেন:

দস্যু ভাইয়া sad বাকি লেখা-আআআহ কি ঠেলা গাড়িতে করে  আস্তেছে!!!!!!! sad
এত দেরি হইলে তো আগে কি পড়ছিলাম সব ভুলে যাব তো! tongue_smile tongue_smile

আমি আস্তে চলোরে..... দলের অন্তভূক্ত।  dontsee

invarbrass লিখেছেন:

ছবি ও বর্ণনা সুন্দর হয়েছে  thumbs_up পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায়  waiting

ধন্যবাদ invarbrass ভাই। আগামী কাল পরের পর্ব দেয়ার চেষ্টা নিতেছি।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

২০

Re: খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব

সুন্দর বর্ণনা । এটা কি যাওয়ার প্রথম দিনের ঘটনা ?

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত