টপিকঃ গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

অনেকদিন হয় কোন টপিক করিনা। প্রথম কারণ হলো আমার বিষয়বস্তু; আজকাল পাবলিক খায় না। sad শেষ টপিক করেছি প্রায় তিন মাস আগে। মাঝে মাঝে টপিক না করে ফোরামে নিয়মিত থাকা যায় না। তাই আজকে ডাইরেক্ট কপিপেষ্ট টপিক শেয়ার করলাম।

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি দরকার।
আসুন এরকম কিছু উপাদানের কথা জেনে নিইঃ-

লং
http://shadhinkantho.com/wp-content/uploads/2013/12/clove.jpg

যদি আপনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় জর্জরিত হয়ে থাকেন, তবে লং হতে পারে আপনার সঠিক পথ্য। দুইটি লং মুখে নিয়ে চিবাতে থাকুন, যেন রসটা আপনার ভেতরে যায়। দেখবেন এসিডিটি দূর হয়ে গেছে।

জিরা
http://shadhinkantho.com/wp-content/uploads/2013/12/zira.jpg

এক চা চামচ জিরা নিয়ে ভেজে ফেলুন। এবার এটিকে এমন ভাবে গুড়া করুন যেন পাউডার না হয়ে যায়, একটু ভাঙা ভাঙা থাকে। এই গুড়াটি একগ্লাস পানিতে মিশিয়ে প্রতিবার খাবারের সময় পান করুন। দেখবেন কেমন ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

গুঁড়

http://shadhinkantho.com/wp-content/uploads/2013/12/bellamimagecopyrighted1.jpg


গুঁড় আপনার বুক জ্বালাপোড়া এবং এসিডিটি থেকে মুক্তি দিতে পারে। যখন বুক জ্বালাপোড়া করবে সাথে সাথে একটুকরো গুঁড় মুখে নিয়ে রাখুন যতক্ষণ না সম্পূর্ণ গলে যায়। তবে ডায়বেটিস রোগিদের ক্ষেত্রে এটি নিষিদ্ধ।

মাঠা

http://shadhinkantho.com/wp-content/uploads/2013/12/buttermilk.jpg

দুধ এবং মাখন দিয়ে তৈরী মাঠা একসময় আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয় ছিল। এসিডিটি দূর করতে টনিকের মতো কাজ করে যদি এর সাথে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়া যোগ করেন।

পুদিনা পাতা

http://shadhinkantho.com/wp-content/uploads/2013/12/url.jpg

পুদিনা পাতার রস গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে বহুদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রতিদিন পুদিনা পাতার রস বা পাতা চিবিয়ে খেলে এসিডিটি ও বদহজম থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

বোরহানী
http://shadhinkantho.com/wp-content/uploads/2013/12/raita.7.jpg

বিয়ে বাড়িতে আমাদের বোরহানী না হলে চলেই না। টক দই, বীট লবণ ইত্যাদি নানা এসিড বিরোধী উপাদান দিয়ে তৈরী বলে এটি হজমে খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন ভারী খাবারের পর একগ্লাস করে খেতে পারলে আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে।

তুলসী পাতা
http://shadhinkantho.com/wp-content/uploads/2013/12/holy_basil.jpg

হাজারো গুণে ভরা তুলসী পাতার কথা আপনারা সবাই জানেন। এসিডিটি দূর করতেও এর ভূমিকা অনন্য। যখন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হবে ৫-৬ টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেলে দেখবেন এসিডিটি কমে গেছে। তুলসী পাতা যে প্রতিদিন ব্লেন্ড করে পানি দিয়ে খাবেন, তার এসিডিটি হওয়ার প্রবনতা অনেক কমে যাবে।

আঁদা
http://shadhinkantho.com/wp-content/uploads/2013/12/ginger.jpg

আঁদাও এমন একটি ভেষজ উপাদান যা আমাদের অনেক কাজে লাগে। প্রতিবার খাদ্য গ্রহনের আধা ঘন্টা আগে ছোট এক টুকরো আঁদা খেলে দেখবেন আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা গায়েব হয়ে গেছে।

দুধ
http://shadhinkantho.com/wp-content/uploads/2013/12/milk-free.jpg

দুধের মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা পাকস্থলীর এসিড কমাতে সাহায্য করে। রাতে একগ্লাস দুধ ফ্রিজে রেখে দিয়ে পরদিন সকালে খলি পেটে সেই ঠান্ডা দুধটুকু খেলে সারাদিন এসিডিটি থেকে মুক্ত থাকা যাবে। তবে কারো পেট দুধের প্রতি অতিসংবেদনশীল, এদের ক্ষেত্রে দুধ খেলে সমস্যা আরো বাড়তে পারে।

ভ্যানিলা আইসক্রিম
http://shadhinkantho.com/wp-content/uploads/2013/12/vanilla.jpg
আইসক্রিম খেতে আমরা সবাই পছন্দ করি। কিন্তু আপনি কি জানেন ভ্যানিলা আইসক্রিম শুধু আমাদের তৃপ্তিই যোগায় না, সাথে এসিডিটি দুর করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে! কি এটা শুনে আইসক্রিম খাওয়া আরো বাড়িয়ে দিলেন নাকি? তবে সাবধান আবার ঠান্ডা লাগিয়ে ফেলবেন না কিন্তু।

Re: গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

তুলসি পাতা ধুয়ে না খেলে  উল্টা পেট ব্যথা তিন গুন বেড়ে যাবে  tongue_smile

ভাল পোস্ট! ইলিয়াসদা tongue

Re: গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

উপকারী পোস্ট দাদা।ধন্যবাদ।

সব কিছু ত্যাগ করে একদিকে অগ্রসর হচ্ছি

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

কাজে লাগবে তথ্যগুলো। ধন্যবাদ ইলিয়াস ভাই ।
শুনেছি কালোজিরা নাকি এসিডিটি দূর করতে অসাধারণ কাজ করে !

জানি আছো হাত-ছোঁয়া নাগালে
তবুও কী দুর্লঙ্ঘ দূরে!

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

Re: গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

দুধের ক্ষেত্রে সাবধানতা দিয়ে ভালো করেছেন। আমার পরিচিত একজনের দুধ খেয়ে অবস্থা আরও খারাপ হয়ে গিয়েছিল।

অনেকে বলেন, এসিডিটির সময় কোক বা পেপসি-ধরনের পানীয় খেতে। এটা কতোটুকু উপকারী?

আমার সকল টপিক

কোনো কিছু বলার নেই আজ আর...

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ভালোবাসার কোড (১৩-০১-২০১৪ ২৩:৪৭)

Re: গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

সুন্দর শেয়ার।  clap
তবে এগুলো মনে রাখার চেয়ে সম্ভবত এন্টাসিড বা নিউট্যাক বা সেকলো মনে রাখা বেশি সহজ।

গৌতম লিখেছেন:

অনেকে বলেন, এসিডিটির সময় কোক বা পেপসি-ধরনের পানীয় খেতে। এটা কতোটুকু উপকারী?

সন্দেহজনক। এসিডিটির সময় মুখ দিয়ে নিচে দিয়ে গ্যাস বের হয়। কোক বা পেপসি খেলেও মুখ দিয়ে গ্যাস বের হয়।  thinking

Re: গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গৌতম লিখেছেন:

অনেকে বলেন, এসিডিটির সময় কোক বা পেপসি-ধরনের পানীয় খেতে। এটা কতোটুকু উপকারী?

"কোক বা পেপসি-ধরনের পানীয় খেতে" মানে!!  thinking thinking thinking thinking

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (১৪-০১-২০১৪ ০০:৩৩)

Re: গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

ইলিয়াস ভাইয়ের লিস্টে আরেকটা কুইক, সাইড-ইফেক্ট ফৃ, কিন্তু খুবই কার্যকরী টোটকা চিকিৎসা যোগ করিঃ চিউয়িং গাম!  big_smile
http://i.imgur.com/iHSFp42.jpg
http://i.imgur.com/ctsfCOK.jpg
gastroesophageal reflux disease (GERD)-এর রূগীদের এই জিনিস (শ্যুগারফৃ গাম) চিবুতে উপদেশ দেয়া হয়।

যাদের বুকজ্বলার উপসর্গ আছে তারা খাওয়ার পর ৩০ মিনিট চিউয়িং গাম চিবুতে পারেন।

খাবার পর সাধারণতঃ স্টমাকে এসিড বিল্ড-আপ হয়, যেটা অনেক সময় এ্যাক্সিডেণ্টালী ইসোফ্যাগাসে প্রবেশ করে বুক জ্বলার অনুভূতি সৃষ্টি করে:
http://i.imgur.com/UkKMdkt.gif
http://i.imgur.com/jHCVVre.jpg

চিউয়িংগাম চিবালে প্রচুর পরিমাণ স্যালাইভা (লালা) সৃষ্টি হয়। মানুষের মুখের লালা পাকস্থলীর এ্যাসিডের বিরুদ্ধে কেমিকেল বাফারের কাজ করে। এই স্যালাইভা ইসোফেগাসে (খাদ্যনালী) গিয়ে এ্যাসিড ফ্লাশিং করে সরিয়ে ফেলে (অনেকটা কমোড ফ্লাশের মত  big_smile )

আমার মতে সবার প্রথমে চিউয়িং গাম দিয়েই উপশমের চেষ্টা করা উচিৎ। বুকজ্বলার একমাত্র কারণ হলোঃ হাইড্রোক্লোরিক এসিড। অন্যান্য পদ্ধতিগুলো এসিড না হটিয়েই বিভিন্ন উপায়ে উপশম করার চেষ্টা করে। কিন্তু চিউয়িং গাম সরাসরি মূল কারণ অর্থাৎ এসিড ওয়াশ করে হটিয়ে দেয়। বস্তুটি যদিও কৃত্রিম, তবে অন্যগুলোর তুলনায় এর কার্যপদ্ধতি ন্যাচারালই বলা যায় - নিজের শরীরে প্রস্তুত তরল (স্যালাইভা) দিয়েই শরীরের আরেকটি তরল (এ্যাসিড) অপসারণ করা হচ্ছে। তাছাড়া চিউয়িং গামের তেমন কোনো সাইড ইফেক্টও নাই।

তবে চিউয়িং গাম সবসময় শ্যুগার ফৃ ভ্যারাইটি কেনা উচিৎ। (বড় দোকানে বিদেশী শ্যুগার ফৃ গাম পাবেন)

Calm... like a bomb.

Re: গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

ইলিয়াস লিখেছেন:

দুধের মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা পাকস্থলীর এসিড কমাতে সাহায্য করে। রাতে একগ্লাস দুধ ফ্রিজে রেখে দিয়ে পরদিন সকালে খলি পেটে সেই ঠান্ডা দুধটুকু খেলে সারাদিন এসিডিটি থেকে মুক্ত থাকা যাবে। তবে কারো পেট দুধের প্রতি অতিসংবেদনশীল, এদের ক্ষেত্রে দুধ খেলে সমস্যা আরো বাড়তে পারে।

আমি আগে ল্যকটোস ইনটলারেন্ট ছিলাম না। আজকাল হয়ে গেছি কেমনে জানি! এখন দুধ কাঁচা খেলেই একটা ট্যবলেট খাওয়া লাগে ডাইজেস্ট করার জন্য। তাই দুই দিয়ে নানান smoothie বানায়া খাই। তয় আলমন্ড মিল্ক খাইলে কোনো সমস্যা হবার কথা না।

ইলিয়াস লিখেছেন:

আঁদাও এমন একটি ভেষজ উপাদান যা আমাদের অনেক কাজে লাগে। প্রতিবার খাদ্য গ্রহনের আধা ঘন্টা আগে ছোট এক টুকরো আঁদা খেলে দেখবেন আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা গায়েব হয়ে গেছে।

জিনজার হইতেছে বস! এটা একাই পেটের যে কোনো ভেজাল সল্ভ করতে পারে। সবচেয়ে ভালো হয়, ক্যমমিল টি/অথবা যে কোনো হার্বাল গ্রীন টি এর সাথে মধু আর জিনজার দিয়ে খাইলে  love

http://www.newhealthguide.org/images/10415473/image001.jpg

এছাড়া গাট ফ্লোরা বাড়ানোর জন্য প্রোবায়োটিক ট্যবলেট দিনে ২/৩ টা খেলেও বেশ কাজে দেয়। ট্র্যভেল করার সময় এই জিনিশের জুড়ি নেই

http://www.naturalhealthstore.co/wp-content/uploads/2012/02/Probiotics-For-daily-wellbeing-EXTRA-Strength.jpg

@ইনব্রা: গাম কিন্তু অনেক সময়ই গ্যস ফর্ম করে

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

জামিল মণ্ডল লিখেছেন:

শুনেছি কালোজিরা নাকি এসিডিটি দূর করতে অসাধারণ কাজ করে !

আরও শুনেছি কালিজিরা রক্ত বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

টপিকটিতে তথ্য যোগ করে সমৃদ্ধ করায় ব্রাশুদা ও মুজতবাকে ধন্যবাদ

১১

Re: গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

Jol Kona লিখেছেন:
গৌতম লিখেছেন:

অনেকে বলেন, এসিডিটির সময় কোক বা পেপসি-ধরনের পানীয় খেতে। এটা কতোটুকু উপকারী?

"কোক বা পেপসি-ধরনের পানীয় খেতে" মানে!!  thinking thinking thinking thinking

মানে, কোক বা পেপসি কিংবা এ ধরনের কোমল পানীয়। শুনেছি এগুলো খেলে নাকি এসিডিটি কমে। তাড়াহুড়া করে লেখায় বোধহয় বুঝাতে পারি নি।

আমার সকল টপিক

কোনো কিছু বলার নেই আজ আর...

১২

Re: গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

আমার কাছে একটু সমস্যা মনে হলেই, ওলিপ্রাজল-২০ খাই ।(শুধু মাত্র  বাইরের ভাজা খাবার খেলেই  আমার এই সমস্যা দেখা দেয়)

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন অরিহন্ত (১৪-০১-২০১৪ ১৯:৫৪)

Re: গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

invarbrass লিখেছেন:

ইলিয়াস ভাইয়ের লিস্টে আরেকটা কুইক, সাইড-ইফেক্ট ফৃ, কিন্তু খুবই কার্যকরী টোটকা চিকিৎসা যোগ করিঃ চিউয়িং গাম!  big_smile
gastroesophageal reflux disease (GERD)-এর রূগীদের এই জিনিস (শ্যুগারফৃ গাম) চিবুতে উপদেশ দেয়া হয়।

যাদের বুকজ্বলার উপসর্গ আছে তারা খাওয়ার পর ৩০ মিনিট চিউয়িং গাম চিবুতে পারেন।

খাবার পর সাধারণতঃ স্টমাকে এসিড বিল্ড-আপ হয়, যেটা অনেক সময় এ্যাক্সিডেণ্টালী ইসোফ্যাগাসে প্রবেশ করে বুক জ্বলার অনুভূতি সৃষ্টি করে:
চিউয়িংগাম চিবালে প্রচুর পরিমাণ স্যালাইভা (লালা) সৃষ্টি হয়। মানুষের মুখের লালা পাকস্থলীর এ্যাসিডের বিরুদ্ধে কেমিকেল বাফারের কাজ করে। এই স্যালাইভা ইসোফেগাসে (খাদ্যনালী) গিয়ে এ্যাসিড ফ্লাশিং করে সরিয়ে ফেলে (অনেকটা কমোড ফ্লাশের মত  big_smile )

আমার মতে সবার প্রথমে চিউয়িং গাম দিয়েই উপশমের চেষ্টা করা উচিৎ। বুকজ্বলার একমাত্র কারণ হলোঃ হাইড্রোক্লোরিক এসিড। অন্যান্য পদ্ধতিগুলো এসিড না হটিয়েই বিভিন্ন উপায়ে উপশম করার চেষ্টা করে। কিন্তু চিউয়িং গাম সরাসরি মূল কারণ অর্থাৎ এসিড ওয়াশ করে হটিয়ে দেয়। বস্তুটি যদিও কৃত্রিম, তবে অন্যগুলোর তুলনায় এর কার্যপদ্ধতি ন্যাচারালই বলা যায় - নিজের শরীরে প্রস্তুত তরল (স্যালাইভা) দিয়েই শরীরের আরেকটি তরল (এ্যাসিড) অপসারণ করা হচ্ছে। তাছাড়া চিউয়িং গামের তেমন কোনো সাইড ইফেক্টও নাই।

তবে চিউয়িং গাম সবসময় শ্যুগার ফৃ ভ্যারাইটি কেনা উচিৎ। (বড় দোকানে বিদেশী শ্যুগার ফৃ গাম পাবেন)

শ্যুগার  ফ্রি চিউয়িং গাম খেয়ে তো অামার পেটে প্রচন্ড গ্যাস হত ! কারণটা হল এতে জাইলিটল নামের এক দ্রব্য থাকে, যার ল্যাক্সেটিভ এফেক্ট অাছে,  এবং এটা এখন প্যাকেটের গায়ে বড় অক্ষরে লেখাও থাকছে, তাই সাবধান।
তবে জানেন তো, বর্তমানে চিউইং গাম গুলো কৃত্রিম রাবার দিয়ে তৈরী হয় ! যা দিয়ে টায়ার ও টিউব হয় ! তাই এগুলো খাওয়া কতটা স্বাস্থ্যসন্মত ?  Chicza   ব্র্যাণ্ডের অাসল চিউইং গাম, যা অামাজনের জঙ্গলে পাওয়া যায়, এরকম গাছের ল্যাটেক্স থেকে তৈরী হয় ! তবে এগুলোর প্রচুর দাম।

Life IS Neither TEMPEST, NOR A midsummer NIGHT'S DREAM, BUT A COMEDY OF Errors,
ENJOY AS U LIKE IT

১৪

Re: গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

অরিহন্তের মন্তব্য পড়ে এখন ব্রাশু ভাইয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। দ্বিধান্বিত হযে গেলাম যে!

আমার সকল টপিক

কোনো কিছু বলার নেই আজ আর...