টপিকঃ ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥


উরিব্বাস! আকাশে কী কঠিন মেঘ জমেছে! এক্কেবারে থমথম করছে। এইবার মেঘেরা তাদের তুলোতুলো হাতে ধরে রাখা বালতি ভর্তি জল উপুড় করে দিলো আর কী! বাসস্টপে বাসের জন্য অপেক্ষারত মামুন নিজেকে বেশ সৌভাগ্যবান মনে করতেই পারে। বাড়ি ফিরছিলো সে। কে জানতো একটু আগের রোদঝলমলে দিনটা সহসাই এমন গোমড়া মুখ করে ফেলবে? তার উপরে ভুলোমনে আজকে ছাতাটাও সঙ্গে আনা হয় নি। ম্লেচ্ছদের দেশের জলহাওয়ার এমন পাল্টিখাওয়া চরিত্র জানা সত্ত্বেও ভুলটা হয়েই যায়। ছাতা না নিয়ে বেরোনোটা খুবই অনুচিত হয়েছে। তবুও এটা প্রায়ই ঘটে। এর উপর তার কোনো হাত নেই। সে বহু আগেই সেই চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দিয়েছে।

বড় বড় ফোঁটায় বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলো। যেরকম বিনা নোটিশে এসে হাজির হয়, তাতে স্টপে দাঁড়িয়ে না থাকলে নির্ঘাত ভিজেই যেত। আর ভিজলেই হয়ে যেত। আর দেখতে হতো না। ম্যাজম্যাজে ভাব, তালুর কাছটায় কেমন কেমন করা... ভীষণ ঠাণ্ডার ধাত মামুনের। সেটা হলো না বলে বেশ একটা পুলক হতে থাকে। এ যাত্রা বেঁচে গেলো। একাই থাকে সে। একা মানুষের যা হয় – কিছু একটা অসুখ বাঁধিয়ে ফেললে বড় অসুবিধা হয়ে যায়।

বৃষ্টির এমনি মহিমা যে একটু আগের ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মানুষগুলি ইচ্ছা-উদাসীনতার মুখোশ ফেলে এখন খুব কাছের জনের মত গা ঘেঁষে ছাউনির নিচে এসে জড়ো হয়েছে। ঠিক সেই সময় কোত্থেকে একটা মেয়ে এসে গাদাগাদি ভিড়ে জায়গা করে নিতে চাইলো। 

চমক ভেঙ্গে মামুন দেখলো মেয়েটার পরনে একটা হলদে-লাল পাঁড়ের জলপাই সবুজ জমিনের জামদানী শাড়ি। হাতে ধরা কয়েকটা বাংলা গল্প-সমগ্রের বেশ মোটাসোটা ভলিয়্যুম!

শাড়ি পরা কাউকে এদেশে খুব একটা দেখতে পাওয়া যাওয়ার কথা না। তার উপর মেয়েটা যদি সেই মাপের সৌন্দর্যের অধিকারিণী হয়, তাহলে তো কথাই থাকে না। সাদা চামড়ারা এতক্ষণে উদাসীনতা পুরোপুরি ঝেরে ফেলেছে। হা করে তাকিয়ে আছে।

মামুনের ভালো লাগলো না। ক’জনকে সরিয়ে দিয়ে সে মেয়েটার পাশে এসে দাঁড়ালো। ঠিক তখনি চিনতে পেরে তটস্থ হয়ে উঠলো – এ যে মিলি!

বৃষ্টি মিলির বরাবরের প্রিয়। তা যে ধারারই হোক। ছিপছিপে বৃষ্টি, ডাকহাঁকের বৃষ্টি, ছিঁচকাঁদুনে বৃষ্টি, লাগাতার বৃষ্টি ইত্যাদি ইত্যাদি – কোনোটাই মিলির অপছন্দের নয়। একটা হলেই হলো। তবে আজকে বহুদিন বাদের ঝলমলে দিনটাতে সে বৃষ্টিটা ঠিক চায় নি। জন্মদিনে শাড়িটা পরেছিলো অনেক শখ করে। সেটাও একটা কারণ। ঝড়জলে শাড়ি সামলানো একটু মুশকিলই বটে – কিন্তু আকাশ কি আর সে কথা শোনে? সে তার আপন খেয়ালে নেমে এসেছে। বুকে তুলে নাও আর না নাও।

একহাতে শাড়ি, অন্যহাতে বইগুলো যুত করতে করতে সে জেরবার হয়ে যাচ্ছিলো। খেয়ালই ছিলো না যে ভিজে যাচ্ছে। তখনি একটা গমগমে স্বর শুনতে পেলো, ‘একটু সরে ভিতরের দিকে এলে ভিজবে না, মিলি’

ঝট করে পিছনে তাকিয়েই মিলি কাঠ হয়ে গেলো। মামুনকে চিনতে ভুল হয় না।

না, আমি ঠিক আছি, মামুন ভাই।
মোটেও ঠিক নেই। ভিজে যাচ্ছো। বেশ দেখতে পাচ্ছি। এই পাবলিক প্লেসে তোমাকে খেয়ে ফেলবো না।

শেষের বাক্যটা বেশ শ্লেষ মিশিয়ে বলে মামুন।

অগত্যা মিলিকে সরে আসতে হলো। বেশ চাপাচাপিই হলো। মিলির অনাবৃত ফর্সা কাঁধে মামুনের গরম নিঃশ্বাস পড়ছে। মিলির একটু ভয় ভয় করতে থাকে। অনেক বদনাম মামুনের – খেলারাম মামুন থেকে সবাই বিশেষ করে ভালো স্বভাবের মেয়েরা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখে। এটাই দস্তুর। অথচ এখন কীরকম কাছাকাছি দাঁড়িয়ে আছে। এ যে অবিশ্বাস্য!

মামুন আর মিলিরা একই এলাকায় থাকে। মাত্র চারটা সমান্তরাল রোডের তফাত। তবে তেমন দেখা হয় না। আর হলেও মিলির বুক ধড়ফড় করে। বরাবরই এড়িয়ে যেতে চায়। অথচ মামুনের থেকে কোনোদিন তেমন অশোভন কিছু দেখে নি। বরঞ্চ একটা অদ্ভুত কিছু দেখেছে ওঁর চোখে।

ভদ্রতাটা করতেই হয়। মিলি জিজ্ঞেস করে, ‘ভালো আছেন, মামুন ভাই? অনেকদিন পর দেখলাম। সব ভালো?’

কিছুটা থতমত খেয়ে যায় মামুন। কোনোদিন তো এত আন্তরিক হয়ে কথা বলে নি! দেখা হলেই খালি পালাই পালাই করে। তা এজন্য সে কিছুতেই মিলিকে দোষ দিতে পারে না। তার ইমেজটাই ওরকম হয়ে গেছে – এক্কেবারে ড্যামেইজড্‌ যাকে বলে!
কয়েকবার কেশে গলাটা পরিষ্কার করে নিয়ে বলে, ‘এই তো যাচ্ছে চলে... ধন্যবাদ। তুমি কেমন আছো? লাইব্রেরি গেছিলে নাকি?’

কী করে বুঝলেন? বলেই বুঝলো বোকা প্রশ্ন হয়ে গেলো।
বইগুলোকে যেরকম উদোম ন্যাংটো করে নিয়ে যাচ্ছো, তা যে কেউ-ই বুঝবে। ঝকঝকে সাদা দাঁত বের করে হেসে ফেলে মামুন।
ঈষৎ আরক্ত হয়ে মিলিও হেসে ফেলে, ‘কী করবো বলেন? ঘুরতে বেরিয়েছিলাম। হঠাত লাইব্রেরিতে ঢুকে এই বিপত্তিটা হলো। এত বই ব্যাগে তো আঁটবে না...’
সে অবশ্য ঠিক কথা।
হুম।

এরপর আর কথা এগোয় না। ঠিক কী বলবে, তা-ও কেউই ঠাহর করে উঠতে পারে না। আবারও নির্বাক প্রতীক্ষা চলতে থাকে বাসের জন্য। অস্বস্ত সময় গড়িয়ে চলে।

এমনি সময়ে দাবড়ে হাবড়ে একটা বাস এসে দাঁড়ায়। পা বাড়িয়ে দু’জনেই আবিষ্কার করে সেটা তাদের বাস নয়। ওদিকে লোকেরা হন্তদন্ত হয়ে উঠতে থাকে। নিমেষেই প্রায় ফাঁকা করে দিয়ে বাসটা আবার দৌড়ে চললো। আবার নীরবতা।

বৃষ্টিটা এতটুকু ধরে আসে নি। যেন খানিক বেড়ে গিয়ে এখন অনর্গল ধারায় পড়ছে। ওদিকে সন্ধ্যা একটু একটু করে ঘনিয়ে আসছে। বৃষ্টি দেখতে দেখতেই মিলির বিরক্তিটা কেটে যায়। উচ্ছ্বসিত হয়ে শিশুর সারল্যে বলে ওঠে, ‘কী সুন্দর বৃষ্টি দেখেছেন? পড়েই চলেছে তো চলছেই! থামার নাম নেই!’

মুখটা বিকৃত হয়ে যায় মামুনের, ‘এতে সুন্দরের কী হলো? খুবই বাজে বৃষ্টি। এই বিচ্ছিরি বৃষ্টিটা না হলে এতক্ষণে পৌঁছে যেতাম বাসায়। বেশি দূর তো নয়, হেঁটেই চলে যাওয়া যেত!’

অবাক চোখে কিছুটা আহত হয়ে মিলি বলে, ‘আপনি সুন্দরের কী বোঝেন? কোনোদিন সুন্দর দেখেছেন না দেখতে চেয়েছেন? বোঝেন তো খালি ভোগ!’ অবশ্য কথাটা বলেই মিলি জিভ কেটে ফেলে। কিন্তু ছুটে যাওয়া তিরের মত বলে ফেলা কথাও ফেরানো যায় না। সেটা ঠিক জায়গামত গিয়েই বেঁধে!

কিন্তু তেমন প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারলো না মামুন। কোনো এক অব্যখ্যেয় কারণে এই একটা মেয়ের কাছে তার সকল চার্ম, স্মার্টনেস ইত্যাদি বেমালুম মুখ মেরে থাকে। ব্যাপারটা একটু গভীরে ভাবতে গেলেই যে সম্ভাবনাটা জলের মত পরিষ্কার হয়ে উঠতে চায়, সেখানেই যত ভয় তার। তটস্থের ব্যাপারটা এই অস্বীকারি প্রবণতা থেকেই উদ্ভূত। মামুন একটু হেসে ফেলে।

মিথ্যা কিছু বলো নি অবশ্য। আমার মত নষ্ট লোকেদের দেখার চোখ থাকে নাকি? থাকা উচিতও নয় বোধ করি। সে যা হোক, বৃষ্টিটাকে বাজে বলেছি কারণ আমি বৃষ্টি একেবারেই সইতে পারি না – ঠাণ্ডা বাঁধিয়ে যা-তা করে ফেলি – আর ছাতাটাও সঙ্গে নিতে ভুলে গেছি।

মিলির মনটা বেশ নরম। তুচ্ছ কারণেই তার বুক উথাল পাথাল করে। আর এখন তো সে কিছুটা আঘাত দিয়েই কথা বলেছে। মিলি মরমে মরে যায়, ‘মামুন ভাই, স্যরি! কিছু মনে করবেন না। একেবারেই ভেবে বলি নি কিন্তু!’

ও নিয়ে বেশি ভেবো না। আমার ওসব গা সওয়া হয়ে গেছে। তাছাড়া ঠিকই তো বলেছো। আমার মত ভোগসর্বস্ব মানুষের গাল-মন্দ সম্ভবত অনিবার্য পাওনার মত হয়ে যায়, তাই না? তবে আমি কিন্তু কাউকে জোর করি না। ফাঁদেও ফেলি না। আর অদ্ভুত শোনালেও একটা গোপন সত্যি বলি – সুন্দর ব্যাপারটা সম্ভবত অজানাও নয় আমার!

মিলি একটু দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। যে তার দুর্গুণ নিয়ে এত স্বচ্ছ অকপট, সে কি খুব খারাপ হতে পারে? কিছুতেই যেন হিসাবটা মিলছে না। বুকটা দুরুদুরু কাঁপতে থাকে।

যে বাসটির জন্য দু’জনেই উদগ্রীব হয়ে ছিলো, সেটি কখন এলো এবং চলেও গেলো কেউই খেয়াল করলো না। কিছু কিছু সময় হয়তো এমনি ঝুপ করে মহার্ঘ হয়ে যায় যে, আশেপাশের করণীয়গুলো বড্ড অদরকারি এবং মূল্যহীন হয়ে পড়ে।
এ কী মিলি, তোমার বাসটা যে চলে গেলো? উঠলে না?

সে প্রশ্ন তো আপনাকেও করতে পারি। ইন ফ্যাক্ট, আপনারই যাওয়া বেশি জরুরী। বৃষ্টি সইতে পারেন না বললেন... তো গেলেন না কেন?

ধরা পড়ার আসলেই কি কিছু আছে? তবুও চোরমুখে আমতা আমতা হাসতে থাকে মামুন।
আমার আসলে যেতে ইচ্ছে করছে না। এই যে তোমার সাথে কথা বলছি...জানো, খুব ভালো লাগছে আমার। আরো কিছুক্ষণ কাটালে কি রাগ করবে? থাকি না আরো কিছুক্ষণ? 

কোথায় কী নড়ে যায়, বোঝা যায় না ভালোমত। আনমনা হয়ে মিলি হঠাত উঠে দাঁড়িয়ে পড়ে। বাইরে চায়। রাত হয়ে গেছে। বৃষ্টিটা একটু ধরে এসেছে বটে। কিন্তু বেরোবার মত নয়। হাত দিয়ে বৃষ্টিটা দেখে নেয়। তারপর একটা অদ্ভুত চাউনি হেনে সোজা বৃষ্টি মাথায় নিয়ে বেরিয়ে পড়ে।

হতভম্ব হয়ে বসে থাকে মামুন। অদ্ভুত দৃশ্য – অসামান্য সুন্দর এক নারী নিবিড় বৃষ্টিতে একমনে হেঁটে চলেছে। ভিজে যাচ্ছে তার বসন – কাঁচা জলপাই সবুজ শাড়ি খানা। বৃষ্টির পানি শত ধারায় গড়িয়ে পড়ছে তার এলোচুলে, চিবুকে, কণ্ঠার হাড়ে, সুডৌল স্তনে, আর ভরাট পশ্চাদ্দেশে! গডেস –এ বিশ্বাস নেই মামুনের। থাকলে গডেস অব লাস্ট সম্ভবত এরকমই হতো।

কিন্তু এই প্রথমবারের মত দেহজ নির্লজ্জ ক্ষুধার পরাজয় ঘটে যায় নিমেষে। নির্বিবাদে নিঃশেষে জব্দ হয়ে গেলো যে হৃদয়বলের কাছে, তার প্রবল টানে খেলারাম মামুন ঝটিতে উঠে দাঁড়ায়। বৃষ্টিজলে যার এত অরুচি এবং ভয়, সে নির্দ্বিধায় ঘোর বর্ষণে মাথা পেতে দিলো। প্রিয় পদরেখা বরাবর এগিয়ে চললো বড় বড় পদক্ষেপে। অনেক দেরি করে ফেলেছে। আর নয়। মিলিকে আজ হারিয়ে ফেললে আর যে কখনোই পাওয়া হবে না।

মিলির হাতটা ধরে ফেললো মামুন। তারপর নিজের দিকে ঘুরিয়ে শুধু একটা শব্দই বলতে পারলো – দাঁড়াও। আর বাকী কথাগুলো বলতেই পারলো না ক্রমাগত হাঁচির চোটে।

তাতে অবশ্য প্রেমের বয়েই গেলো! মিলির মুখে যে সলজ্জ দিগ্বিজয়ির হাসি!

**প্রতিবোধনঃ উপলব্ধি

সমাপ্ত।

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

এক পৃষ্টার গল্প  lol  tongue

ভালই!  tongue_smile

Re: ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

ভাল লাগলো।  thumbs_up

Re: ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

আমি মামুন নই ঝিরি ঝিরি ওই বৃষ্টিটাই হতে চাই....  blushing

গল্প-কবিতা - উদাসীন - http://udashingolpokobita.wordpress.com/
ছড়া - ছড়াবাজ - http://chhorabaz.wordpress.com/

Re: ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

অরুণ লিখেছেন:

আমি মামুন নই ঝিরি ঝিরি ওই বৃষ্টিটাই হতে চাই....  blushing

হা হা হা। আপনি তো তাই-ই হতে চাইবেন, দাদা! বাকীটা অন্যত্র আলোচনা হবে hehe

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

তিয়াস রয়ে গেল উদা দা। হ্যাটস অফ টু য়্যু।

ভেতরে  বাইরে আগুন
তবু এ হৃদয় বড় উচাটন
কখন আসবে ফাগুন

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

উদাদার গল্পের মন্তব্য করার মতোন এবিলিটি আছে কি  confused  confused
না ...নেই...
শুধু এটুকুই বলবো অসাধারন  thumbs_up  thumbs_up

মানুষ মাত্রই মরন শীল , কিন্ত নশ্বর নয় ।।

Re: ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

বেশ সাবলীল গল্প হয়েছে,ভালো লাগলো।

উদাসীন লিখেছেন:

♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥


উরিব্বাস! আকাশে কী কঠিন মেঘ জমেছে! এক্কেবারে থমথম করছে। এইবার মেঘেরা তাদের তুলোতুলো হাতে ধরে রাখা বালতি ভর্তি জল উপুড় করে দিলো আর কী! বাসস্টপে বাসের জন্য অপেক্ষারত মামুন নিজেকে বেশ সৌভাগ্যবান মনে করতেই পারে।
....................  .............................  ...........................  ...................................   ......................
....................  .............................  ...............................   .......................   ..............................
....................  .............................   .............................   .............................   ................................
মিলির হাতটা ধরে ফেললো মামুন। তারপর নিজের দিকে ঘুরিয়ে শুধু একটা শব্দই বলতে পারলো – দাঁড়াও। আর বাকী কথাগুলো বলতেই পারলো না ক্রমাগত হাঁচির চোটে।

তাতে অবশ্য প্রেমের বয়েই গেলো! মিলির মুখে যে সলজ্জ দিগ্বিজয়ির হাসি!

**প্রতিবোধনঃ উপলব্ধি

সমাপ্ত।

প্রথম-আলো ব্লগ থকেই ব্লগিং শুরু,তারপর সামুতেও লিখেছি প্রচুর।
কাজ করার ফাকে একদিন কলিগ বললো প্রজন্ম ফোরামের কথা।
যদিও আমি এ প্রজন্মের নই,তবু লিখে চলেছি তারুন্যের আহবানে।

Re: ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম লিখেছেন:

তিয়াস রয়ে গেল উদা দা। হ্যাটস অফ টু য়্যু।

ধন্যবাদ  hug

রহস্য মানব লিখেছেন:

উদাদার গল্পের মন্তব্য করার মতোন এবিলিটি আছে কি  confused  confused
না ...নেই...
শুধু এটুকুই বলবো অসাধারন  thumbs_up  thumbs_up

নাহ্‌, এ আর এমন কী! এভরেজ একটা গল্প হয়েছে  smile ধন্যবাদ।

রোদেলা লিখেছেন:

বেশ সাবলীল গল্প হয়েছে,ভালো লাগলো।

আপনাকে ধন্যবাদ, রোদেলা! নতুন এসেছেন, তাই না? আপনাকে সাহিত্য-সংস্কৃতি বিভাগে স্বাগতম জানাই। ভাল থাকুন।

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

উদাসীন লিখেছেন:

নাহ্‌, এ আর এমন কী! এভরেজ একটা গল্প হয়েছে  smile ধন্যবাদ।

হুঁহুঁ, বিনয়ের অবতার.....৷
আপনি এমনই ভালোবাসাময় গপ্পো লিখতে থাকুন বৃদ্ধ হওয়ার আগে পর্যন্ত৷ আর ইয়ে পারলে অন্যরকম হলেও চলবে  tongue_smile

গল্প-কবিতা - উদাসীন - http://udashingolpokobita.wordpress.com/
ছড়া - ছড়াবাজ - http://chhorabaz.wordpress.com/

১১

Re: ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

অন্যরকম দিলে তুমি খুশি হবে, দাদা! বাকীটা পেটাবে কিংবা ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেবে।  hehe

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১২

Re: ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

হায়রে বিধিবাম,
বালক হইল রাম,
অবিরাম খেলে যায় মারে ছয়-পাঁচ ;
কোত্থেকে হুড়মুড়,
নিয়ে এক দেবি-হুর,
নিলাজ বরষা এলো অসময়ে আজ !

" খেলা শেষ খেলারাম
এইবার তবে থাম্‌ !"
বুকের গহীনে যেন হেঁকে গেলো কে !
ওই বুক ও চিবুকে,
মদিরা মেশানো চোখে,
কামের বদলে প্রেম ঢেলে দিলো কে ?

উপভোগী বুক হল কাম-উদাসীন
প্রেমের পরশে যেন শুভ্র, গ্লানিহীন !

জানি আছো হাত-ছোঁয়া নাগালে
তবুও কী দুর্লঙ্ঘ দূরে!

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

১৩

Re: ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

আইস্‌সালা, জাম দাদা, এ তো বেড়ে লিখেছেন হে!  thumbs_up

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪

Re: ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

হা হা হা হা........  big_smile

গল্প-কবিতা - উদাসীন - http://udashingolpokobita.wordpress.com/
ছড়া - ছড়াবাজ - http://chhorabaz.wordpress.com/

১৫

Re: ♥সে এসেছিলো প্রতিবোধনের বৃষ্টিতে... ♥

মিলির মনটা বেশ নরম। তুচ্ছ কারণেই তার বুক উথাল পাথাল করে।

উথাল পাথাল  hehe

নিবন্ধিতঃ১১/০৩/২০০৯ ,নিয়মিতঃ১০/০৩/২০১১, প্রজন্মনুরাগীঃ১৯/০৫/২০১১ ,প্রজন্মাসক্তঃ২৬/০৯/২০১১,
পাঁড়ফোরামিকঃ২২/০৩/২০১২, প্রজন্ম গুরুঃ০৯/০৪/২০১২ ,পাঁড়-প্রাজন্মিকঃ২৭/০৮/২০১২,প্রজন্মাচার্যঃ০৪/০৩/২০১৪।
প্রেম দাও ,নাইলে বিষ দাও