টপিকঃ একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!

একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!


১.

ওরা কি তোমার হাতগুলো কেটে নেবে, মা?
কী জানি বাবা, বলতে তো পারছি না। নিতেও পারে।
দেখো, কীরকম চোখ সরু করে তাকিয়ে আছে মোটামত চোঁয়াড়ে চেহারার লোকটা!  আমার খুব ভয় করছে, মা।
ভয় করিস না বাবা। আমাদের তো নড়াচড়ার কোন উপায় নেই। যা আছে ভবিতব্যে, তা-ই মেনে নিতে হবে।
কেন মেনে নিতে হবে? আমরা কোন্‌ ক্ষতিটা করেছি ওদের? বরঞ্চ দিনের পর দিন কত উপকার করে যাচ্ছি। এরা এত অকৃতজ্ঞ কেন? এই জাতটাই খারাপ!
না, ওভাবে বলতে হয় না। সবাই খারাপ নয়। ঐ তিনতলার বুড়ো ম্যাকএডামস্‌ -এর কথাই ধর্‌। ও ছাড়া এই দুনিয়ায় আমার যে আসাই হত না, এবং তোরও। তাহলে ভেবে দ্যাখ ব্যাপারটা।
কিন্তু এখন যে তোমার হাত কাটা পড়ার উপক্রম হয়েছে, তা কোন্‌ পরোপকারি তোমাকে বাঁচাতে আসছে?
সেটাই ভাবছি। দুশ্চিন্তার কথা। তুই তো এখন একটু বড় হয়েছিস, বেশ কিছুটা লম্বাও। তোকে বলতে আর বাধা নেই। একটু উঁকি মেরে দ্যাখ, ঐ দুই বাড়ি পর বেঁটে করে যাকে আঙ্গিনার কোণায় দেখতে পাচ্ছিস, বছর খানিক আগে তাঁরও হয়ে গেছিল!
অ্যাঁ, বলো কী! কই আমি তো কিছু শুনতে পাই নি!
তুই ছোট ছিলি আর সে নীরবে কেঁদেছিল। এজন্যই দেখতে পাস নি। দস্যু সার্জনদের তখন দেখেই আমার বুক কেঁপে উঠেছিল। কখন জানি আমারও সময় এসে যায়।
সবারই কি সময় আসে? এরকম ভাগ্যকে বরণ করে নেবার জন্য? আমাকেও কি ওরা কেটে ফেলবে? 
দূর পাগল! তুই তো এখনও বাচ্চাই। শুধুই মাথায় বড় হয়েছিস। খাওয়া-দাওয়া তো ভাল করে করিস না, বড় হবি কী করে? আলো আর সিওটুটা একটু রুচি নিয়ে খা তো বাবা!
আমি আর বড় হতে চাই না, মা! বড় হলেই তো এরকম অপমান মুখ বুঝে মেনে নিতে হবে।
কেন রে? প্রকৃতির বিরুদ্ধে যাবি? কেউ যায় না। ফল ভাল হয় না!
ঠিক বললে না। ঐ লোকগুলিই তো যাচ্ছে। আমরা যেমন খুশি, তেমন থাকব, বেড়ে উঠব। কে ওদের অধিকার দিয়েছে আমাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে?
বাব্বাহ্‌, বড্ড কঠিন সব শব্দ শিখেছিস তো!


২.

ওস্তাদ, ঐ কোণার গাছ দুইটা দেখেছ নাকি? মনে হচ্ছে না দিব্যি মা ও শিশুর মত দাঁড়িয়ে আছে! শিশু গাছটি ভয়ে জড়সড় হয়ে মায়ের গা ঘেঁষে আছে? এদের এবারের মত রেহাই দিলে হয় না?
রব, এটা কাজের সময়। ফালতু সাহিত্য করার সময় নয়। গাছেরা আবার মা-শিশু হয় কী করে? যত্তসব আজগুবি কথা! খেঁকিয়ে ওঠে বার্ণাবি।
না, মানে ঐ আর কি! আমতা আমতা করতে থাকে রব।
দেখো বাপু, ট্রি-সার্জন হিসেবে তোমার প্রবিশন্যরি পিরিওড চলছে। এখন এসব বাজে কথা বললে আমার রিপোর্ট কিন্তু ভাল হবে না বলে দিলাম।
আহা, চটে যাচ্ছ কেন? তুমি লোকটা খুবই মায়ামমতাহীন। একটা কথার কথা বলেছি। তাতেই রাজ্যের কত কী শুনিয়ে দিলে!
প্রফেশনালরা ওরকমই হয়। ওসব ভাবের দুনিয়ায় থাকলে না খেয়ে মরতে হবে। এটা তোমার গোবরে কাব্যিক মাথায় ভাল করে ঢুকিয়ে নাও।
খবরদার, আমাকে যা খুশি বল, বল। আমার কবিতা নিয়ে কিচ্ছু বলবে না! মুখটা বিকৃত করে ফেলে রব।
ঠিক আছে। তবে কাজের কাজটাই কর না কেন? যাও, এখুনি কাটারটায় পেট্রল ভরে চালু কর দেখি। ঐ মা-শিশুকেই আগে কাটব। দুলে দুলে এক ধরণের রুচিহীন, নির্মম হাসি হাসতে থাকে বার্ণাবি।

ব্যাপারটা রবের মোটেও ভাল লাগে না। কিন্তু না করেও উপায় নেই! আরবোরিস্টের এই কাজটা মোটেও হাতছাড়া করা যাবে না। এই মহা মন্দায় চাকরির মরুভূমিতে এটা যে না চালালেই নয়। দু’টো ছেলেমেয়ের ভরণপোষণ আর ওর বউ মার্থার ভেগে যাওয়া ঠেকাতে হলে একটা কিছু করে দেখাতে হবে ওকে। নাহ্‌, ওসব আর ভাববে না সে। আজেবাজে কথা বলে বার্ণাবিকে বিগড়ে না দেয়াই ভাল!

পেট্রল ঢেলে চেন স’ কাটারটা চালু করতেই আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে বিশ্রী ঘড়ঘড়ে একটা শব্দে চারদিক ভেসে গেল। এই সাত-সকালে খুন-জখম করতে কারইবা ভাল লাগবে?
রব একটু আশ্চর্য হয়ে যায়। একটা গাছের শাখা কাটতে গিয়ে কত কী ভাবছে? একটা প্রচ্ছন্ন কৌতুকে নিজের মনে বিড়বিড় করতে থাকে – মার্থার সম্ভাব্য বিচ্ছেদের আশংকায় তোমার মাথাটাই খারাপ হতে বসেছে, রব বিসমার! একটা তুচ্ছ গাছ নিয়ে বার্ণাবিকে চটানো, হাহ্‌?


৩.

চেন স’ কাটারের গগনবিদারি শব্দে তাঁরা সচকিত হয়ে পড়ে।
মা, শুনতে পাচ্ছ?
পাচ্ছি বাবা। দেখতেও পাচ্ছি।
কী দেখছ?
দু’টো লোক আমাদের দিকেই এগিয়ে আসছে। একটা রুখু চেহারার মোটামত, আরেকটি লম্বা করে ভোলাভালা চেহারার। ভোলাভালাটির হাতেই আমার যন্ত্রণা দেখতে পাচ্ছি।
মা গো, কী হবে আমাদের? মনে হচ্ছে আমাকেও কেটে ফেলবে। তোমার খুব পাশেই যে বেড়ে উঠছি। ওদের বানানো নিয়মে এটা খাপ খায় না। আমি মৃত্যুর গন্ধ পাচ্ছি, মা!
না, না এসব বলতে হয় না। তোর কিচ্ছু হবে না, সোনামানিক। আমি জীবন থাকতে হতে দেব না।
মা, এবার তুমি ভুলে যাচ্ছ যে, আমাদের প্রতিক্রিয়া দেখানোর ক্ষমতা নেই। আমরা প্রায় জড় তুল্য! জগদীশ বোস লোকটা না জন্মালে আমাদের নাকি কেউ কোনদিন পাত্তাই দিত না। আমরা কিছুই করতে পারব না – বড্ড অসহায়ের মত সব মুখ বুঝে সহ্য করতে হবে। কেউ জিজ্ঞেসই করে না আমরা এসব চাই কিনা? যেন আমাদের ভাল আমাদের থেকে ওরাই ভাল বোঝে! সবচেয়ে হিংস্র প্রাণীর হাতেই আমাদের শেষটা লেখা হতে যাচ্ছে। প্রস্তুত হও, মা!
বাবা, আমাকে ক্ষমা করে দিস যদি তোকে রক্ষা করতে না পারি।
মা গো, তোমার খুব ব্যথা লাগবে, তাই না?
হ্যাঁ বাবা, সেরকম হবারই তো কথা।
তোমার কি ভয় করছে?
মিথ্যে বলে আর কী লাভ? হ্যাঁ, একটু করছে রে!
মা, চলো তবে আমাদের হাওয়ার গানটা গাই। চটুল হাওয়া যখন আমাদের শাখায় শাখায় দুলকি চালে নেচে যায়, সূর্যের কিরণ যখন লুকোচুরি খেলে পাতায় পাতায়, কী অদ্ভুত আনন্দে আমরা দুলে উঠি, গেয়ে উঠি হাওয়ার গান...
সেই হাতগুলিই কিনা কেটে নেবে? এ যে বড় অন্যায়!



৪.

বার্ণাবি কাজে লেগে গেছে। মইটা জুড়ে দিয়ে কোন্‌ শাখাগুলি কাটতে হবে, দক্ষ হাতে সেগুলি মার্ক করে নিল। একটা গানের কলি ভাজছে সে। প্রায় পনের বছর ধরে এই কাজ করে আসছে। গাছ কেটে সে একটা গোপন সুখ পায়। কিন্তু এ কথা তো কাউকে বলা যায় না। টেকনিক্যালি গাছেদের সুষম বৃদ্ধির জন্যই সে এসব করছে – এরকম ভাব দেখানোটাই দস্তুর। তাছাড়া সেটি তাঁর পেশারও অংশ বটে!

কী হে রব, ভ্যাবলার মত দাঁড়িয়ে আছ কেন? কাটো, কাটো। বৃথা পেট্রল পুড়িয়ে আর সরকারের সর্বনাশ কর না।
জ্বি, ওস্তাদ। এই কাটছি।

রব ক্রশ মার্কগুলির দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে। বেশ অনেকগুলিই কাটতে হবে। তার মনটা বরাবরই নরম। মার্থার মতে অপদার্থ গুণ। এসব শুধু দুঃখ-ক্লেশই বয়ে নিয়ে এসেছে। সে আজতক কারো মুখে হাসি ফোটাতে পারল না। নাহ্‌, কেটেই ফেলা যাক। কিন্তু তার আগে সে খুব নিচু স্বরে গাছটার সাথে কিছু কথা চালিয়ে যেতে লাগল।

বুঝলে বৃক্ষ, সত্যি বলতে গেলে কাটাকুটির জন্য তোমাকে বেশ তরুণই লাগছে। যদিও জানি বার্ণাবি খুব সম্ভবত স্যডিস্টিক আনন্দের জন্য তোমাকে অযথা ক্ষত-বিক্ষত করতে চাচ্ছে, কিন্তু সে কথা বলার উপায় নেই আমার! আমার পরিবারটা বাঁচাতে হবে। এই স্বার্থপরতার জন্য ক্ষমা করে দিও, বন্ধু! আমি আসলেই নিরুপায়।

ও কী! ভাল পাগল-ছাগলের পাল্লায় পড়া গেল। গাছের সাথে কথা বলছ নাকি?
আহ্‌, থামবে, বার্ণাবি! তোমার কাজ হলেই হল তো নাকি?
সেটাই করে দেখাও, অপদার্থ কোথাকার!
চেন স’টা কড়কড় শব্দে প্রথম মার্কড্‌ শাখাটা কেটে ফেলল।

মা-গাছটি ব্যথায় প্রবল আর্তনাদ করে উঠল। আর শিশু গাছটি নিষ্ফল আক্রোশে গাছ-অশ্রু বর্ষণ করে চললো। প্রকৃতি ঠুঁটো জগন্নাথের মত কিছুই করতে পারল না! তার বিশ্বাসের জায়গায় সূক্ষ্ম চির ধরে গেল খুব সন্তর্পনে।

বার্ণাবি খুব হৃষ্ট-চিত্তে রবের কাটাকুটির অপারেশান দেখে যেতে থাকল। সঙ্গে ক’টা উতসাহব্যঞ্জক ধ্বনি। আনন্দে একটা শিসও দিয়ে ফেলল।

হবে, হবে কবি, তোমাকে দিয়েই হবে!

৫.

বার্ণাবির হঠাত দৃষ্টি গেল পাশের শিশু গাছটির দিকে। এটা আবার কোথা থেকে এল? এত কাছে কে পুঁতেছে এটা? নিয়ম-নীতির বালাই নেই, খালি পুঁতলেই হল নাকি? এ নিশ্চয়ই ঐ বুড়ো ম্যাকএডামস্‌ -এর কাজ! খেয়েদেয়ে কাজ নেই, বৃক্ষপ্রেমি সেজে বসে আছে ব্যাটা। এটাকে এখুনি ছেটে ফেলতে হবে।

এই যে রব, থাম একটু। কিছু কথা আছে।
রব যেন অপেক্ষাতেই ছিল। তৎক্ষণাত কাটারটা বন্ধ করে দিল।
কী কথা? আমার মনে হয় অনেক কাটা হয়েছে আজকের মত। আর দরকার নেই।
কথা সেটা নয়। বলছিলাম, পাশের গাছটা যেটাকে শিশু বলেছ আগে, সেটা কি তোমার মনে হচ্ছে না নিয়ম উপেক্ষা করে লাগান হয়েছে? সেটাকেও তোমাকে কেটে ফেলতে হবে। বার্ণাবির মুখে স্পষ্টতই বিকৃত আনন্দের ঝিকিমিকি!

রব কিছুক্ষণ কিছুই বলল না। তারপর মই বেয়ে নেমে এসে সরাসরি বার্ণাবির চোখের দিকে চেয়ে রইল।
বার্ণাবি, তোমার ব্রিজেত –এর কথা মনে আছে?
এটা কী ধরণের প্রশ্ন হল? নিজের মেয়েকে ভুলে যাব? মরে যাবার দশ বছর হল, একটা দিনও আমার ফুটফুটে মেয়েটাকে ভুলতে পারি নাই। কিন্তু কাজের সময় আবার সে কথা কেন?
হ্যাঁ, এটাই বলার উপযুক্ত সময়। ব্রিজেত বেঁচে থাকলে ধর ঐ বাচ্চা গাছটির সমান বড় হত। এখন কেউ যদি তাকে বিনা কারণে মেরে ফেলার উপক্রম করত, কেমন লাগত তোমার?
হঠাত ক্ষেপে গিয়ে রবের কলার চেপে ধরে বার্ণাবি।
ব্রিজেত নিয়ে আর একটা কথা বললে তোকেই কেটে ফেলব এখানে!
থাম, আর নাটক করতে হবে না। নিজের বেলায় খুনাখুনি করতে চাও? আর এই গাছটার প্রাণ নেই বুঝি? তাছাড়া, প্রফেশনাল মানুষ তুমি। কাজের জায়গায় সহকর্মীর কলার চেপে ধরে কোন্‌ ধরণের প্রফেশনালিজম দেখাচ্ছ? ছাড় আমার কলার।
কিছুটা ধাতস্থ হবার পর চিবিয়ে চিবিয়ে কথা বলতে থাকে বার্ণাবি।
দেখ, যা হয়েছে ভুলে যাও। এমন বিশ্রী যুক্তি আর দেখাবে না। কোথায় আমার ব্রিজেত, আর কোথায় ঐ হতচ্ছাড়া গাছটা। দু’টো সমান হয় কী করে? যা বলেছি, চাকরি করতে চাইলে ভাল মানুষের মত তা-ই কর।

আর কথা বাড়ায় না রব। দুঃখভারাক্রান্ত মনে তাঁর চেন স’ কাটারটা আবার সশব্দে চিৎকার করে ওঠে।


৬.

মা, ও মা, আমাকে বাঁচাও। ওরা আমার দিকেই আসছে যে!
আমাকে মাফ করে দিস, বাবা! তোকে বাঁচাতে পারলাম না। লম্বা লোকটা চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তাঁরও অনেক দুঃখ যে!
মা!

রব ভীষণ হতাশায় চেন স’টির ধারাল দাঁতগুলি লাগিয়ে দেয়। তাঁর দু’চোখ দিয়ে নিরবে জল ঝরতে থাকে। কচি আর্তনাদে গাছেদের বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। মা-গাছটি তার নিজের ক্ষতের জ্বালা ভুলে গিয়ে যেন ডুকরে কেঁদে ওঠে। কিন্তু সেই আর্তি মানুষ দু’টোর কারো কানে গিয়ে পৌঁছয় না। যুগে যুগে এমনি হয়ে আসছে। হত্যা কর, কারণে অকারণে লাশের পাহাড় গড়। অহেতুক নিষ্ঠুরতা মানুষের শ্রেষ্ঠ অর্জনকেও যে অবলীলায় ম্লান করে দিচ্ছে, সেদিকে কারোরি দৃকপাত নেই!

এমনি সময় একটা আজব ঘটনা ঘটে যায়। কাঁধে বার্ণাবির একটা থাবার মত স্পর্শ পেয়ে ঘুরে তাকায় রব।

থাম, রব। ওটা কাটার দরকার আর নেই! অনেক হয়েছে, আর নয়।

অবিশ্বাসি দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে রব। মাঝে মাঝে অদ্ভুত সব দয়ার্দ্র ঘটনা আসে সবচে’ নির্দয় মানুষটি থেকে। মানব চরিত্রের এই অপূর্বাভাষযোগ্য দিকটার জন্যই সে মানুষ।

মা-গাছটি কী করে যেন এই সত্যটি জানত! সব মানুষ এক নয়। নিষ্ঠুরতা যেমন আছে, মায়া-মমতাও তেমনি আছে; এখনো বিলীন হয়ে যায় নি। এই যেমন কোথা থেকে বুড়ো ম্যাকএডামস্‌ খবর পেয়ে ছুটে এসে মা-গাছটার কাটা জায়গাগুলি পরম মমতায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। আর তাঁর দু’চোখে জলের বাঁধভাঙ্গা বন্যা নেমেছে। এমনকি বার্ণাবি পর্যন্ত হকচকিয়ে গেছে। অবশ্য তাঁকে এই মুহুর্তে ম্যাকএডামস্‌ -এর খিস্তির পাহাড় ডিঙ্গাতে হচ্ছে!

সমাপ্ত

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!

বৃক্ষের আবেগ কবিতার বদলে গল্প হয়ে বেরিয়েছে  thumbs_up

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

বৃক্ষের আবেগ কবিতার বদলে গল্প হয়ে বেরিয়েছে  thumbs_up

ধন্যবাদ, তাছেকা ভাই  hug হা হা হা। একটা ইতিহাস আছে গল্পটি লেখার পেছনে। কোনো এক দিন বলা যাবে।

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!

উদাসীন লিখেছেন:
তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

বৃক্ষের আবেগ কবিতার বদলে গল্প হয়ে বেরিয়েছে  thumbs_up

ধন্যবাদ, তাছেকা ভাই  hug হা হা হা। একটা ইতিহাস আছে গল্পটি লেখার পেছনে। কোনো এক দিন বলা যাবে।

দাদা গল্পের নাম পড়েই বুঝেছি যে অন্যরকম হবে গল্পটি। তবে গল্পের ইতিহাস টি জানার অপেক্ষায় রইলাম।

হে আল্লাহ, তুমি সকলের মঙ্গল কর; তোমার রহমতের আশ্রয়ে আশ্রিত কর..... আমীন
সঠিক পদ্ধতিতে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করুন এবং আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটটিকে সুরক্ষিত রাখুন

কাজী আলী নূর'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!

গল্পটার উপস্থাপনা একটু বেশিই ড্রামাটিক  smile। ভেজিটেরিয়ানরা - যারা প্রাণী হত্যা'র মায়ায় আমিষ খান না তাদের উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে মনে করিয়ে দিতে এই গল্পটা বেশ দাগ ফেলবে।

সভ্যতা আবার প্রকৃতির কাছে ফিরে যেতে শুরু করেছে -- যা আমাকে আশাবাদী করে।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সদস্য_১ (১৮-১২-২০১৩ ০৪:১৯)

Re: একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!

কিইবা করার আছে... sad আমাদের পরিনতিও ওদের চেয়ে কোন অংশে ভাল হবে হবে না। কদিন আগে আর পর... এই যা। stardust we all were, stardust we'll become...

Re: একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!

আসলেই অন্য রকম ভালবাসা ! আন্য রকম গল্পটি প্রাণ ছুঁয়ে গেল।

Re: একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!

শামীম লিখেছেন:

গল্পটার উপস্থাপনা একটু বেশিই ড্রামাটিক  smile

তা একটু হয়েছে বৈকি!  tongue ওভাবেই লিখেছি।

সদস্য_১ লিখেছেন:

কিইবা করার আছে... sad আমাদের পরিনতিও ওদের চেয়ে কোন অংশে ভাল হবে হবে না। কদিন আগে আর পর... এই যা। stardust we all were, stardust we'll become...

কে জানে, হতেও পারে ভাই! অহেতুক নির্মমতা কী দরকার, সেটাই আমি বুঝতে পারি না!

ইলিয়াস লিখেছেন:

আসলেই অন্য রকম ভালবাসা ! আন্য রকম গল্পটি প্রাণ ছুঁয়ে গেল।

ধন্যবাদ আপনাকে।

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

Re: একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!

ভালো লাগলো  thumbs_up

আপনার গল্পটা পড়ে রোয়াল্ড ডাহলের Pig গল্পটার কথা মনে পড়ে গেলো। smile

শামীম লিখেছেন:

গল্পটার উপস্থাপনা একটু বেশিই ড্রামাটিক  smile। ভেজিটেরিয়ানরা - যারা প্রাণী হত্যা'র মায়ায় আমিষ খান না তাদের উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে মনে করিয়ে দিতে এই গল্পটা বেশ দাগ ফেলবে।

সভ্যতা আবার প্রকৃতির কাছে ফিরে যেতে শুরু করেছে -- যা আমাকে আশাবাদী করে।

সহমত। What plants talk about - এই ডকুমেন্টারীটি (ইউটিউব, টরেণ্ট) ভেজি+ভেগান-দের ঘাড় ধরিয়ে দেখানো উচিৎ

Calm... like a bomb.

১০

Re: একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!

একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!

না ছাই.....
কত সাধ নিয়ে লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে এসে ঢুকলুম একটু অন্যরকম ভালোবাসার গপ্পের সাধ নেব... তা নয় লতা-পাতা এইসব৷

নামকরণে ধোঁকাধারী.....৷

৪টে মাইনাস আপনাকে৷  tongue

গল্প-কবিতা - উদাসীন - http://udashingolpokobita.wordpress.com/
ছড়া - ছড়াবাজ - http://chhorabaz.wordpress.com/

১১

Re: একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!

অরুণ লিখেছেন:

একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!

না ছাই.....
কত সাধ নিয়ে লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে এসে ঢুকলুম একটু অন্যরকম ভালোবাসার গপ্পের সাধ নেব... তা নয় লতা-পাতা এইসব৷

নামকরণে ধোঁকাধারী.....৷

৪টে মাইনাস আপনাকে৷  tongue

এক্কেরে আমার মনের কথা বলেছেন দাদা !

আমিও আর চারটা মাইনাস দিলাম !

আচ্ছা সত্যি সত্যি যদি গাছেদের কথা মানুষ শুনতে ও বুঝতে পারে তাহলে কেমন দাঁড়াবে ব্যাপারটা ............?
চালের পুঁইশাকে গান ধরেছে সকালে ........." তুই বড় রঙ্গিলা বাওয়াইরে" !

জানি আছো হাত-ছোঁয়া নাগালে
তবুও কী দুর্লঙ্ঘ দূরে!

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

১২

Re: একটি অন্যরকম ভালবাসার গল্প!

invarbrass লিখেছেন:

ভালো লাগলো  thumbs_up
আপনার গল্পটা পড়ে রোয়াল্ড ডাহলের Pig গল্পটার কথা মনে পড়ে গেলো। smile

রোয়াল ডালের গল্পটা পড়া ছিল না। পড়লাম। বেশ ইন্টারেস্টিং! এরকম Macabre গল্প লিখার একটা প্রচেষ্টা ছিল।  blushing

@অরুণ এবং জাম, আপনাদের আটটি করে মাইনাস দিলাম  hehe

কিছু বাধা অ-পেরোনোই থাক
তৃষ্ণা হয়ে থাক কান্না-গভীর ঘুমে মাখা।

উদাসীন'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত