সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (১৪-১১-২০১৩ ১৩:১৭)

টপিকঃ ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

যুদ্ধ-বিগ্রহে মিসাইল টেকনোলজী ব্যবহারের ইতিহাস বেশ প্রাচীনই বলা যায়। জানা যায়, প্রায় ৮০০ বছর আগে অর্থাৎ ১৩ শতাব্দীতে মোঙ্গোল বর্বর বাহিনীর হামলা রুখতে চীনারা প্রথম মিসাইল ব্যবহার করে। চাইনীজ মিসাইল টেকনোলজীর মূল অগ্রগতি হয় মূলতঃ সং ডাইনেস্টী (960-1279) ও মিং ডাইনেস্টী-র যুগে (1368–1644)

৫-৬ ধরণের মিসাইল টেকনোলজী ডেভেলপ করেছিলো প্রাচীন চীনারা। যেমনঃ
ক্লাস্টার রকেটঃ ১২৪১ সালে জার্মান ও পোলিশদের বিরুদ্ধে মঙ্গোল বাহিনীর লড়াইয়ে এই মিসাইল ব্যবহার করেছিলেন জেনারেল লাই গেনী ঝা।

তবে চীনাদের উদ্ভাবিত মিসাইলগুলোর মধ্যে সবচাইতে ইণ্টারেস্টিঙ মনে হয়েছে চাইনীয মাল্টি-স্টেইজ ক্রুয মিসাইল... "Huo Long Chu Shui 火龙出水" (Fire Dragon Out of the Water):
http://i116.photobucket.com/albums/o11/yhjow/multistagerocket2.jpg
http://i116.photobucket.com/albums/o11/yhjow/multistagerocket3.jpg
http://i116.photobucket.com/albums/o11/yhjow/multistagerocket4.jpg

এই মিসাইল মূলতঃ নেভাল ওয়ারফেয়ারের জন্য তৈরী করলেও স্থলযুদ্ধেও ব্যবহৃত হতো। ১.৬৫ মিটার লম্বা টিউবের মধ্যে বিভিন্ন স্তরে কিছু সংখ্যক রকেট সজ্জিত করে ওয়াটার ড্র্যাগন তৈরী করেছিলো চীনারা। টিউবের এক প্রান্ত ড্র্যাগনের মাথা, অপর প্রান্ত লেজের মত করে সজ্জিত করতো এই "ফায়ার ড্র্যাগন"কে।

এটাকে মাল্টি-স্টেজ রকেট বলা হয়, কারণ একাধিক স্টেজে রকেট প্রপেলিং করে মিসাইলটি কাজ করতোঃ
স্টেইজ #০ ইগনিশনঃ ফায়ার ড্র্যাগনের লেজে ২ বা অধিক রকেট থাকতো। টেইল রকেটের সলতে-তে আগুন ধরিয়ে তারা মিসাইলটা ইগনাইট করতো।

স্টেইজ #১ বুস্টার রকেটঃ টিউবের পেছনের দিকে আরো ৪+টা রকেট থাকতো। ওগুলো সূতো দিয়ে টেইল রকেটের সাথে কানেক্টেড থাকতো। টেইল রকেটগুলো পুড়তে শুরু করার কিছুক্ষণের মধ্যে বুস্টার ১ রকেটগুলোও বার্ণিং শুরু হতো।

স্টেইজ #২ ওয়ারহেড রকেটঃ স্টেইজ ১ কম্বাস্চন শেষ হলে ড্র্যাগনের মাথার দিকে থাকা স্টেইজ ২ রকেটগুলো ইগনাইট হতো। মিসাইল প্রপালশন ছাড়াও এই রকেটগুলো ওয়ারহেড হিসাবেও ব্যবহৃত হতো। কারণ যতক্ষণে স্টেইজ ২-র কাজ চালু হবে ততক্ষণে শত্রুপক্ষের টার্গেটের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে মিসাইলটা - ওভাবেই দূরত্ব হিসাব করেই মিসাইল লন্চ করতো চাইনীজ ট্যাকটিশিয়ানরা। প্রতিটি রকেটের পেট অন্ততঃ ৭৫০ গ্রাম গানপাউডার দিয়ে প্রেগন্যান্ট থাকতো। ফায়ার ড্র্যাগনের হাঁ করা মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসতো এসব স্টেইজ ২ রকেটগুলো। এনিমী শীপ বা স্ট্রাকচারের সাথে সংঘর্ষে রকেটগুলো বিশাল বিশাল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতো।

পুরো প্রক্রিয়াটা একটা প্রাচীন অংকনে সুন্দর করে ব্যাখ্যা করেছেঃ
http://i116.photobucket.com/albums/o11/yhjow/missile2a.jpg

http://i116.photobucket.com/albums/o11/yhjow/missile1a.jpg

পুরো মিসাইল স্ট্রাকচারটি ৫ থেকে ১০ কেজি ওজনের হতো। ফায়ার ড্র্যাগন কমপক্ষে ১.৩ কিমি হতে সর্বোচ্চ ২ কিমি পর্যন্ত দূরের টার্গেটকে হিট করতে পারতো।

বিশেষ করে ন্যাভাল ওয়ারফেয়ারে এই সারফেস স্কিমিং ফায়ার ড্র্যাগন খুবই কার্যকরী ছিলো। সমুদ্রপৃষ্ঠের কয়েক ফিট ওপর দিয়ে প্রচণ্ড গতিতে কয়েক কিলোমিটার ধেয়ে আসা বিকট দর্শনের উড়ুক্কু ড্র্যাগন দেখেই শত্রু জাহাজের নাবিকরা ভয়ে আধমরা হয়ে যেতো। আর কয়েক মূহুর্ত পরেই গানপাউডারের ব্যাপক আতশবাজী তো আছেই।  big_smile
http://i116.photobucket.com/albums/o11/yhjow/multistagerocket1.jpg

এই সুপ্রাচীন মাল্টি-স্টেইজ ফায়ার ড্র্যাগনের কার্যপদ্ধতির ওপর ভিত্তি করেই আধুনিক হাই-টেক ICBM ব্যালিস্টিক মিসাইলের ডিজাইন করা হয়েছে। ন্যাসার একজন রকেট সাইণ্টিস্ট স্বীকার করেছিলেন তাদের এ্যাপোলো সিরিযের রকেট/জেট প্রপালশন সিস্টেমের আদি পিতা হলো হাজার বছরের পুরণো ফায়ার ড্র্যাগনের মাল্টি-স্টেইজ বুস্টার রকেট সিস্টেম।

এমনকি রাশান স্পুটনিক বা ন্যাসার ম্যানড স্পেস মিশনগুলোও নতুন কিছু না। ১৫ শতাব্দীর মিং-ইয়োংগল ডাইন্যাস্টীর আমলে একজন রকেট সাইন্টিস্ট ওয়্যান হু ডেভেলপ করেছিলেন "ওয়্যান টাইগার" - ৪৭টি বুস্টার রকেটের সম্মিলিত এই মিসাইল বাঘটি পৃথিবীর সর্বপ্রথম জেট প্রপেলড এয়ারক্রাফট। পৃথিবীর স্পেস ট্রাভেল পায়োনীয়ার ওয়্যান হু সম্পর্কে আলাদা টপিক করার ইচ্ছা আছে।

ভাবলে অবাক হতে হয়, সহস্রাব্দ প্রাচীন অগ্নি-ড্র্যাগন আমাদের আধুনিক প্রজন্মকে চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহে পৌঁছে দিয়েছে! কৃতজ্ঞতাস্বরূপ চাঁদের একটি পর্বতের নামকরণ করা হয়েছে ওয়্যান হু।

সূত্র <<-- এখানে আরো ৪/৫ ধরণের চাইনীজ রকেট টেকনলজীর বিবরণ পাবেন।

Calm... like a bomb.

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

কুংফু পান্ডা ২ তে দেখাইছিল  tongue

OH DEAR NEVER FEAR SAIF IS HERE
BOSS অর্থাৎ সাইফ
Cloud Hosting BossHostBD

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

ও এইটা  thumbs_up Warriors of Heaven and Earth না কিযেন এরকম একটা চাইনিজ মুভি দেখছিলাম অস্রটা

এক কথায় দারুন  thumbs_up

۞ بِسْمِ اللهِ الْرَّحْمَنِ الْرَّحِيمِ •۞
۞ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ۞ اللَّهُ الصَّمَدُ ۞ لَمْ * • ۞
۞ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ۞ وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ * • ۞

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

আরে দারুন তো, প্রাচীন ড্রইংটা সবথেকে অবাক করেছে  smile

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

দারুন! দারুণ!

চমৎকার লাগলো পড়তে।


আমার একটি প্রশ্ন: এই টপিকে + দিলে কি তা সতর্কবার্তার পাওয়ার মত অপরাধ হবে?
দয়া করে কেউ একজন বিষয়টি পরিষ্কার করবেন। বিষয়টি স্পষ্ট না হওয়ায় পছেন্দের অনেক টপিকে + দিতে পারি না। sad

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আহমাদ মুজতবা (১৪-১১-২০১৩ ১৩:১৯)

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

 

[video (unkown provider)]

Full episode

চাইনিজ, মংগোলিয়ান এদের যুদ্ধের ইতিহাস শুনলেই সাউথ পার্কের এই এপিসোডের কথা মনে পড়ে  hehe

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (১৫-১১-২০১৩ ০৭:৫৫)

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

মঙ্গোলিয়ানরা আসলে নিজেরা কিছু ডেভেলপ করে নাই। শান ডাইন্যাস্টির আমল থেকে ওরা চায়না দখল করে আসছিলো। চাইনীজ টেকনলজী ব্যবহার করে ইউরোপ এশিয়ায় যুদ্ধ করেছিলো।  big_smile

আরেকটা ব্যাপার বাদ পড়ে গেছে - ১০০০ বছর আগে চাইনীজরাই প্রথম গানপাউডার তৈরী করেছিলো। কিছুদিন আগে James Burke-র Connections ডকু সিরিজে দেখলাম চাইনীজ পিগ ফার্মাররা শুয়োরের সব হাগুমুতু জমিয়ে রেখে ওখান থেকে নাইট্রোজেন এক্সট্রাক্ট করে তা দিয়ে গান পাউডার আবিষ্কার করেছিলো। তাই ওরাই যে কয়েক শতাব্দী পরে ওই বস্তূ দিয়ে রকেট বানাবে তা খুব আশ্চর্য্যের কিছু না।

এ্যানশিয়েন্ট চাইনীজ মিসাইল, টেকনলজী, এ্যাস্ট্রোনমী, মেডিসিন নিয়ে বেশ কয়েক বছর আগে হিস্টৃ চ্যানেলে একটা ডকু দেখেছিলাম। চাইনীজরা বহু দিক দিয়ে আগিয়ে থাকলেও তা ধরে রাখতে পারে নি। মিং ও ট্যাং ডাইনেস্টীর পরে কয়েক শতাব্দী ধরে এসব টেকনলজী হারিয়েই গিয়েছিলো। পরে হিস্টোরিয়ানরা প্রাচীন ম্যানাস্কৃপ্ট, রয়্যাল ডকুমেন্টস ইত্যাদি ঘেঁটে এসব তথ্য বের করেছে।

চাইনীজরা বাকী দুনিয়া থেকে বহুদূর এগিয়ে থেকেও কেন কিছুই করতে পারলো না, অথচ ওদের থেকে প্রযুক্তিতে পিছিয়ে থাকা ইউরোপীয়ানরা কেন পুরো দুনিয়া ডমিনেট করে ফেললো - তার কারণটা সম্পর্কে প্রফেসর জ্যারেড ডায়মণ্ডের guns, germs & steel থেকে আইডিয়া পেয়েছিলাম।

প্রাচীন চীনে যুদ্ধবিগ্রহ তূলনামূলকভাবে কম হতো, তাই চাইনীয কমিউনিটি সাধারণভাবে শান্তিপ্রিয় (meek & timid) ছিলো। তাদের ধর্ম/ফিলোসফী তাও-ইযম, যেন বুদ্ধিজম বেশ নিরীহ গোছের ছিলো, প্রভাব/প্রসারের জন্য খুব বেশি উচ্চাভিলাষ ছিলো না।

উল্টোদিকে ইউরোপীয়ানরা হাজার হাজার বছর ধরে মারামারি কাটাকাটি করে আসছে। সমগ্র ইউরোপের ল্যাণ্ড এরিয়া চায়নার চেয়ে খুব বেশি বড় না, অথচ ওইটুকু এলাকাতেই গথ, ভাইকিং, জার্মানিক, স্যাক্সন, রুসকী এরকম অজস্র জাতীগোষ্ঠীর বসবাস - সবার সাথে সবার মাইরপিট। আবার প্রতিটি জাতীই নিজেদের গোত্রগুলোর মধ্যেও রেষারেষি। হাজার ধরে এরা মাইরদাঙ্গা করেই আসছে। তাই ওদের কালেক্টিভ সাইকী প্রো-ভায়োলেণ্স হয়ে উঠেছে। অতএব, পরবর্তীতে ইউরোপিয়ানদের গৃহীত আনুষ্ঠানিক ধর্ম - খৃস্টান ধর্মতেও তাদের মানসিকতার প্রভাব পড়েছে। খৃস্টান ধর্ম তুলনামূলকভাবে এ্যাগ্রেসিভ, উচ্চাভিলাষী। খৃস্টান ধর্ম প্রচার করতে গিয়েই জেসুইটরা মংকরা চীনে হাজির হয়েছিলো - কয়েক শতাব্দী পরে প্রায় পুরো চীনকেই কব্জা করে নিয়েছিলো বৃটেন ও অন্যান্য ইউরোপীয় রাষ্ট্র।
স্পেনের রাষ্ট্র ধর্ম ক্রিস্চিয়ানিজমের প্রভাব (এবং ইণ্টারন্যাশনাল ট্রেড) বাড়াতে গিয়েই কলম্বাস আমেরিকায় এসে হাজির হয়েছিলেন। তার পরে কর্টেয আর পিযারো-দের বংশধররা লক্ষ লক্ষ নেটিভ আমেরিকানদের জেনোসাইড করেছে। ইনকান, মায়ান, এ্যাযটেক ইত্যাদি অসংখ্য নেটিভ আমেরিকান সভ্যতা বিলীন হয়ে গেছে ইউরোপীয় মিলিটারী, রিলিজিয়াস ও কালচারাল এ্যাগ্রেশনের বদৌলতে।
সাউথ আফৃকা থেকে লিবিয়া, মিশর পর্যন্ত পুরো আফৃকা জুড়ে প্রভাব বিস্তার করেছে স্পেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, হল্যাণ্ড ইত্যাদি রাষ্ট্র।

তার অন্যতম কারণ হলো - এদের মানসিকতা এ্যাগ্রেসিভ।

একই ধর্ম পালন করেও একজন বাঙালী মুসলিম আর একজন প্যালেস্টাইনী/আফঘানী মুসলিমের মানসিকতার পার্থক্য (অথবা দেশের মধ্যেই নিরীহ সাধারণ পাবলিক বনাম জেএমবি, হুযি, হেফাজত etc.) যদি বুঝেন, তাহলে পৃথিবী ডমিনেট করতে চাইনীজদের ব্যর্থতার কারণও অনেকটা বুঝতে পারবেন।

চাইনীজরা অবশ্য তখন ফেইল মারলেও এখন লাইনে চলে এসেছে। সম্ভবতঃ আর কয়েক দশক পরেই আমেরিকার স্থান নিয়ে নেবে চায়না।

Calm... like a bomb.

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

আরণ্যক লিখেছেন:

আমার একটি প্রশ্ন: এই টপিকে + দিলে কি তা সতর্কবার্তার পাওয়ার মত অপরাধ হবে?
দয়া করে কেউ একজন বিষয়টি পরিষ্কার করবেন। বিষয়টি স্পষ্ট না হওয়ায় পছেন্দের অনেক টপিকে + দিতে পারি না। sad

ভাইয়া দেখি এই ব্যাপারে,
ভীষন রকম সতর্ক,
এইটা নিয়ে করতে পারেন,
শুরু একটা বিতর্ক।

রেপু দেয়ার পরে যদি,
পাঠায় তারা বার্তা,
বলবে হেসে ছিলাম ভ্রাতা,
এলার্ট পূর্ণমাত্রা।

==
এরপরেতে হর্তালেতে,
মিসাইল যদি মারে,
বুঝবো হেথায় এই ব্যাটাতে,
বুদ্ধি দিছে তারে!

ছড়াবাজ'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

সাইফ দি বস ৭ লিখেছেন:

কুংফু পান্ডা ২ তে দেখাইছিল  tongue

আমিও দেখেছি কিন্তু এগুলো যে এভাবে কাজ করে তা জানা ছিলো না।  smile

আমাকে কোথাও পাবেন না।

১০

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

চীনাদের অতিরিক্ত ড্রাগনপ্রীতি মাঝে মাঝে বিরক্তিকর লাগে। বাস্তবিক কোন প্রানী হলে কিছু বলার ছিল না কিন্তু একটা কাল্পনিক প্রানী নিয়ে এত মাতামাতি কেন ওদের বুঝিনা।

যাইহোক তথ্যবহুল পোস্ট পড়ে ভালো লাগল thumbs_up

Since I've got an Awesome signature, I don't have to write Awesome posts...

১১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মুক্তবিহঙ্গ (১৪-১১-২০১৩ ১৯:৪৫)

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

সাইফ দি বস ৭ লিখেছেন:

কুংফু পান্ডা ২ তে দেখাইছিল  tongue

ওখানে আসলে মিসাইল না কামান দেখিয়েছিলো।

চাইনীজরাই প্রথম গানপাওডার আবিষ্কার করে এটা আগেই পড়েছিলাম, তবে মিসাইলের ব্যাপারটা জানা ছিলো না।

অনিশ্চয়তার পৃথিবীতে অনিশ্চয়তার মাঝে ডুবে আছি।

১২

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

Hmmmm

১৩

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

তথ্যবহুল পোষ্ট তবে বরাবরের মতোই মারনাস্ত্র সম্পর্কে পড়ে/জেনে মনটা বেজায় রকমের খারাপ হলো।

রিং'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৪ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সদস্য_১ (১৪-১১-২০১৩ ২০:৪৮)

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

invarbrass লিখেছেন:

পুরো প্রক্রিয়াটা একটা প্রাচীন অংকনে সুন্দর করে ব্যাখ্যা করেছেঃ
http://i116.photobucket.com/albums/o11/yhjow/missile2a.jpg

http://i116.photobucket.com/albums/o11/yhjow/missile1a.jpg

ভেরী ইন্টারেস্টিং!

মুখ দিয়ে তীর বেরুনোর মেকানিজমটা ঠিক বুঝলামনা। তীর সাধারনত অনমনীয়, তাহলে এটা একটা পাইপের ভেতরে গিয়ে দিক কিভাবে পাল্টায়? ৮০+ ডিগ্রী টার্ন!! confused

বর্তমান সময়ে এটাকে রিমেক করার কোন এফোর্ট কেউ নিয়েছিল কি?  thinking

কেন যেন ব্যাপারটাকে অবিশ্বাষ্য মনে হচ্ছে। আমার দিক থেকে ব্যাপারটা অবশ্য হায়দার আলীকে উপরে রাখার সুপ্ত প্রয়াসও হতে পারে।  ghusi

আপডেট: বুঝতে পারেছি। লাল এবং সবুজ তীর গুলো আলাদা সেট। সবুজটা বার্ন শেষ হলে লালটা বার্ন শুরু হয়। আমি ভেবেছিলাম সবুজটাই পরে লাল হয়ে যায় dontsee

১৫ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (১৫-১১-২০১৩ ১২:০৫)

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

রিং লিখেছেন:

তথ্যবহুল পোষ্ট তবে বরাবরের মতোই মারনাস্ত্র সম্পর্কে পড়ে/জেনে মনটা বেজায় রকমের খারাপ হলো।

রিংদাঃ মনটা ভালো করতে পারেন যদি বিবেচনা করেন সমস্ত লিনাক্স/ওপেনসোর্স অর্থাৎ কম্পিউটিং, টেকনোলজী, সভ্যতা, কালচার ইত্যাদি আধুনিক মানুষের সবকিছু গড়ে উঠেছে হিউম্যান সাইকোলজীর কিছু বিশেষ টেনডেন্সীর কারণে - ভায়োলেন্স-প্রবণতা, পরিবেশকে ডমিনেট করা, প্রতিযোগীতামূলক মনোভাব ইত্যাদির বাই-প্রোডাক্ট হিসাবে।

প্রাণীজগৎে মানুষের সবচেয়ে নিকটবর্তী আত্মীয় হলো শিম্পাণ্জীরা - জেনেটিক সাদৃশ্য ছাড়াও আমাদের সাথে চিম্প সমাজের আচরণগত কিছু মিল আছে। চিম্পরা বেশ ভায়োলেণ্ট। অপ্রতুল খাবারদাবার নিয়ে সর্বক্ষণ ঝগড়াঝাঁটি চলছেই। পুরুষরা অন্যদের ডমিনেট করে গোত্রের আলফা মেইল হতে ব্যস্ত। সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা নারী চিম্পদের। সারাদিনে জোগাড় করা ফলমূলের সবচাইতে নিকৃষ্ট ও নূন্যতম ভাগ এরা পায়। এবং প্রায়শঃই তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে পুরুষ প্রাণীগুলো ডমিনেট করে - মানুষ সমাজে যাকে আমরা বলি "রেইপ" - ওটা শিম্পাণ্জী নারীদের ফ্যাক্ট অব লাইফ।

আফৃকার কিছু কিছু অণ্চল থেকে (বরং বলা উচিৎ সারা বিশ্ব থেকেই) যেসব খবরটবর পড়ি, তাতে মনে হয় না শিম্পাণ্জী থেকে আমরা খুব একটা পৃথক হয়েছি  hmm

তবে ভায়োলেন্সের একটা এ্যাডভান্টেজ হলো - হায়ার আইকিউ থাকা লাগে। প্রতি নিয়ত চ্যালেণ্জের মোকাবেলা করতে শুধু মাসল না, তার সাথে কিছু ঘিলুও থাকা দরকার। কম্পিটিশনের কারণেই মানুষ বিভিন্ন টেকনলজী ডেভেলপ করতে সক্ষম হয়েছে।

যেমন - মেডিকেল ফিল্ডে অর্থোপেডিক্স সার্জারী, ট্রমা মেডিসিন ইত্যাদি বিরাট লাফ মেরেছিলো ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময়। হিটলারের সার্জনরা অর্থোপেডিক্স বিজ্ঞানকে বহুদূর আগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন অল্প সময়ের মধ্যে। আজও পৃথিবীর অন্যতম সেরা অর্থোপেডিক সার্জনদের পাওয়া যায় জার্মানী, অস্টৃয়া ইত্যাদি দেশে। আজ রোড ট্রাফিক এ্যাক্সিডেণ্টে আহত ব্যক্তি কিংবা হিপ/নী রিপ্লেসমেণ্ট সার্জারীর রোগীদের ধন্যবাদ দেয়া উচিৎ হিটলার & ফ্রেণ্ডসদের যাঁরা প্রায় ৭ দশক আগে কুস্তি লড়েছিলেন।

আরো একটা এইপ প্রজাতী হলো - বনোবো। এরা খুবই শান্তি প্রিয়। বনোবোরা চিম্পদের একেবারে উল্টো। সারাদিন শুধু চুধুরবুদুর, চুধুরবুদুর এ্যাণ্ড মোর চুধুরবুদুর নিয়ে এরা ব্যস্ত। big_smile big_smile big_smile Make love, not war  wink মাঝে মাঝে বায়োলজিস্টরা ঠাট্টা করে বলেন মানুষ যদি চিম্পদের বদলে বনোবোদের নিকটবর্তী প্রজাতী হতো তাহলে পৃথিবীটার চেহারাই অন্য রকম হতো।

তা বটে। বনোবোদের মতো হলে "বনোবো-মানুষ" আজ গাছের ডালে ঝুলতে ঝুলতে কদলীতে (হলুদ প্রকারের কদলী hehe ) কামড় দিয়ে গেছো তেঁতুল মোল্লার ওয়াজ শুনতো আর...  wink কিছু কথা থাক না গুপন  tongue

পিএসঃ বনোবোদের সমাজে ডমিন্যাণ্ট সেক্স হলো নারীরা। বনোবোদের সোসাইটি ম্যানেজ করে মূলতঃ নারীরাই। ভাবুন তো, ছবি ভাই তাঁর দলের পুরুষ-আপুমণিদের হেফাজত করে জুহু বীচে ঘুরতে নিয়ে যাচ্ছেন, আর তা শুনে জনৈক হাফপ্যাণ্ট মৌলভী ফোরামিক হায়হায় করছেন উনাদের কি বাপ-ভাই নাই!  big_smile

আপডেটঃ একজন ফোরামিক বিশিষ্ট বনোবোদের ছবি দেখতে চেয়েছেন। দেখুন  tongue tongue tongue
http://i.imgur.com/28qWOKS.jpg
Come & get some...  tongue
http://i.imgur.com/JyrG9Ww.jpg
Pucker up!  blushing
বোনাসঃ
http://i.imgur.com/xNfFDgC.jpg
নাম্বার ওয়ান, বনোবো খান!  wink

Calm... like a bomb.

১৬

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

চাইনিজদের হাত ধরেই রকেট এসেছে এটা জানা ছিলো, কিন্তু তীর ছোড়া এই বিচিত্র রকেট ওরা কি করে আইডিয়াতে আনলো কে জানে। তথ্যবহুল পোস্টের জন্য শুভেচ্ছা রইলো।+

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১৭

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

অনেক তথ্য বহুল টপিক লেখা জন্য ইনব্রা কে ধন্যবাদ।

বর্তমানে বিভিন্ন যুদ্ধ যে রকেট লঞ্চার ব্যবহার করা হয়, সে গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সস্তাটির দাম কত ?

বাংলাদেশের জঙ্গীরা বর্তমানে গ্রেণেড বানাতে এক্সপার্ট তবে কি তারা আগামীতে রকেট লঞ্চার বানাতে পারবে ?

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৮

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

বর্তমানে বিভিন্ন যুদ্ধ যে রকেট লঞ্চার ব্যবহার করা হয়, সে গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সস্তাটির দাম কত ?

বাংলাদেশের জঙ্গীরা বর্তমানে গ্রেণেড বানাতে এক্সপার্ট তবে কি তারা আগামীতে রকেট লঞ্চার বানাতে পারবে ?

টিপিক্যাল ডেডলকিয় প্রশ্ন tongue
খাড়ান, টর ওপেন কইরা খোজ দ্যা সার্চ দিতেছি...এম্নে সার্চ দিলে কিছুক্ষনের ভেতর বাসায় র্যাব,এফবিআই,ইন্টারপোল(আরো নাজানি কতকিছু!) হামলা চালাবে big_smile

ইট-কাঠ পাথরের মুখোশের আড়ালে,
বাধা ছিল মন কিছু স্বার্থের মায়াজালে...

১৯

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

বাংলাদেশের জঙ্গীরা বর্তমানে গ্রেণেড বানাতে এক্সপার্ট তবে কি তারা আগামীতে রকেট লঞ্চার বানাতে পারবে ?

ইউটিউবে কিছু ভিডিও দেখলে এসব জিনিস বানাতে খুব পেইন লাগবে না, ইন্সট্রুমেন্ট থাকলে মিনিমাম ভার্সন বানানো কঠিন কিছু না, এর আগে আমি ম্যাচলক গান নিয়ে একটু পড়াশুনা করেছিলাম তারপর কিভাবে তা আধুনিক পর্যায়ে আসলো তা নিয়ে ডকুমেন্টরি দেখলাম। মুলত সবই খুব কাছাকাছি। আর বেশিকিছু বলা যাবে না, পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে  tongue

২০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সমালোচক (১৫-১১-২০১৩ ১৯:০৫)

Re: ফায়ার ড্র্যাগন - প্রাচীন চাইনীয সারফেস স্কিমিং ক্রুয মিসাইল

invarbrass লিখেছেন:

Come & get some...  tongue
http://i.imgur.com/JyrG9Ww.jpg
Pucker up!  blushing

এই ছবিটা সবচেয়ে ভাল হয়েছে...    গুলাবো  tongue

অটঃ এই প্রজাতির কথা প্রথম শুনলাম... দেখতে তো হুবহু শিম্পাঞ্জি/ওটাঙয়ের মতই লাগে

  “যাবৎ জীবেৎ সুখং জীবেৎ, ঋণং কৃত্ত্বা ঘৃতং পিবেৎ যদ্দিন বাচো সুখে বাচো, ঋণ কইরা হইলেও ঘি খাও.