টপিকঃ যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

পবিত্র বাইবেলের নিউ টেষ্টামেন্টকে ভিত্তি ধরে একটি গবেষণা প্রবন্ধ:

পবিত্র বাইবেলের নিউ টেষ্টামেন্টে যীশু খ্রিস্টকে অনেক নামে ডাকা হয়েছে। কোথাও তাকে বলা হয়েছে, ইসা। যার অর্থ উদ্ধারকর্তা। কোথাও বলা হয়েছে খোদাবন্দ্। যার অর্থ প্রভু যীশু। কোথাও বলা হয়েছে খোদার মেষ শিশু। আগের দিনে মুসা (আঃ) এর অনুসারীরা মেষ শিশু কোরবানী দিত। যীশু যে মানুষের পাপ মুক্তির জন্য ক্রুসের ওপর জীবন দিয়েছিলেন এজন্য তাকেও এই নামে ডাকা হয়েছে। কোথাও ডাকা হয়েছে খোদার সেই পবিত্র লোক। এটা হলো খোদার প্রতিজ্ঞা করা যীশুর একটা নাম। কোথাও ডাকা হয়েছে কালেমাতুল্লাহ। এটার মানে খোদার কালাম। অর্থাৎ যীশু খ্রিস্ট খোদার কালাম। কোথাও ডাকা হয়েছে পাক রূহ। এটা ত্রয়ীবাদের একটা নাম। যেটা একই সাথে খোদা-যীশু-পাক রূহকে এক করে বুঝায়। মানে তিনজনে একই সত্ত্বা। কোথাও ডাকা হয়েছে মনুষ্যপুত্র। এ নামে যীশু নিজেই নিজেকে ডাকতেন। কোথাও ডাকা হয়েছে মসীহ। এটার অর্থও উদ্ধার কর্তা। কোথাও ডাকা হয়েছে খোদার পুত্র।
     ধারণা করি এই সব নামগুলোর মধ্যে খোদার পুত্র শব্দটি যীশুকে খোদার রাজ্যের যুবরাজ বা অধিকারী বলে শক্ত ভিত্তি দেয়। আর পাক রূহ শব্দের ব্যাখ্যাটা দাবী করে যে যীশু খ্রিস্টই সর্বশক্তিমান ইশ্বর। যেটার মূল ভিত্তি ত্রি-ইশ্বরবাদের বিশ্বাস। যে শব্দটা অবশ্য স্পষ্ট করে বাইবেলের কোথাও পাওয়া যায় না। তাই এটা চার্চের তৈরী একটা মতবাদ বললেও কারও কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়। বাইবেলের বর্ণনায় পিতা-পু্ত্র ও পবিত্র আত্মাকে ভিন্ন ভিন্ন তিন হিসেবে দেখালেও চার্চ তিন এই সত্ত্বাকে এক করে দেখায়। তার ফলে যীশু খ্রিস্টকে তারা সর্বশক্তিমান ইশ্বর বলে বিশ্বাস করতে বলে। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকেরা তা চোখ বন্ধ রেখে বিশ্বাসও করে।
     কিন্তু আমরা যারা খ্রিস্টান নই; এক্ষেত্রে আমাদের জিগ্যেস্য এ ব্যাপারে পবিত্র বাইবেল কী বলে? সেজন্য বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী যীশুর প্রতিটি নামের রহস্য উন্মোচন করা জরুরী। কারণ পবিত্র বাইবেলেই যীশুর সম্পর্কে সবচেয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আর বাইবেল ছাড়া অন্য কোনো কথা খ্রিস্টানরা মেনে নিতে বাধ্য নন। তাই মনে করি শুধু এ ব্যাপারে বাইবেল ছাড়া আলোচনা অর্থহীন। আর শুধু বাইবেলের মধ্যে থেকে আলোচনা সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। তাহলে আসুন, দেখা যাক।
     (১) বাইবেলের কিছু জায়গায় যীশুকে ডাকা হয়েছে ইসা নামে। আরও কিছু জায়গায় ডাকা হয়েছে মসীহ বলে। এই দুই নামের অর্থ আগেই বলেছি উদ্ধারকর্তা। যদি যীশুকে বলা হয় তার সম্প্রদায়ের জন্য তিনি একজন উদ্ধারকর্তা ছিলেন তাহলে তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কারণ আমরা মুসলমানরা বিশ্বাস করি প্রত্যেক নবী-রাসূলগণই তাদের সম্প্রদায়ের জন্য এক একজন উদ্ধারকর্তা। উদ্ধারকর্তাদের কাজ ভূল পথ সম্পর্কে সতর্ক করা এবং সঠিক পথের সন্ধান দেওয়া। এখন প্রশ্ন হলো যীশু যে নবী সেটা আমরা কিভাবে নিশ্চিত হব? এবং তার সম্প্রদায়ই বা কোনটা?
     যীশু যে একজন নবী এ সম্পর্কে পবিত্র বাইবেলের গসপেল অফ ম্যাথিওয়ে উল্লেখ আছে, অধ্যায় ১৩, অনুচ্ছেদ ৫৭: এভাবে ইসাকে নিয়ে মানুষের মনে বাধা আসতে লাগল। তখন ইসা তাদের বললেন, নিজ গ্রাম ও নিজ বাড়ি ছাড়া আর সব জায়গাতেই নবীরা সম্মান পান।
     তারপর যীশুর সম্প্রদায় কোনটা সে সম্পর্কে গসপেল অফ ম্যাথিওয়ে উল্লেখ আছে, অধ্যায় ১৫ অনুচ্ছেদ ২৪: উত্তরে ইসা বললেন, আমাকে কেবল ইস্রায়ের বংশের হারান মেষদের নিকটেই পাঠানো হয়েছে।
     (২) বাইবেলের অনেক জায়গায় যীশুকে খোদাবন্দ্ নামে ডাকা হয়েছে। এটা হলো যীশুকে প্রভু বলে সম্বোধন। অনেক চাকরেরা তাদের মনিবদের প্রভু বলে সম্বোধন করে। অনেক রাজাদেরও তাদের প্রজারা প্রভু বলে সম্বোধন করেছে। তাই বলে তারা সর্ব শক্তিমান ইশ্বর হয়ে যাননি। তাই এই নামের কারণে যীশু খ্রিস্ট সর্ব শক্তিমান ইশ্বর এটা প্রমাণ হয় না।
     (৩) বাইবেলের কিছু জায়গায় যীশুকে ডাকা হয়েছে খোদার মেষশিশু বলে। এটা ডাকার কারণ আগের দিনে মূসার শরীয়ত অনুসারে ইহুদীরা মেষ-শিশু কোরবানী দিত। পরে যীশু খ্রিস্ট মানুষের পাপের জন্য শেষ পরিপূর্ণ কোরবানী হিসেবে ক্রুসের ওপর নিজের জীবন দিয়েছিলেন। এজন্য তাকে এই নামে ডাকা হয়। তবে, তাতে অবশ্য যীশু খ্রিস্ট যে সর্বশক্তিমান ইশ্বর তা প্রমাণ হয় না।
     মূসার শরীয়ত সম্পর্কে বাইবেলের নিউ টেষ্টামেন্টে উল্লেখ আছে, গসপেল অফ ম্যাথিও: অধ্যায় ৫, অনুচ্ছেদ ১৭-১৯: (যীশু বলছেন) এই কথা মনে করো না যে, আমি মূসার শরীয়ত আর নবীদের লেখা বাতিল করতে এসেছি। আমি সেগুলো বাতিল করতে আসিনি বরং পূর্ণ করতে এসেছি। আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, আসমান ও জমিন শেষ না হওয়া পর্যন্ত, যতদিন না শরীয়তের সমস্ত কথা সফল হয়, ততদিন সেই শরীয়তের এক বিন্দু কি এক মাত্রাও মুছে যাবে না। তাই হুকুমগুলোর মধ্যে ছোট একটি হুকুমও যে অমান্য করবে এবং মানুষকে তা অমান্য করতে শিক্ষা দেবে তাকে বেহেস্তী রাজ্যে সবচেয়ে ছোট বলা হবে। কিন্তু যে সেই হুকুমগুলো পালন করবে এবং মানুষকে তা পালন করতে শিক্ষা দেবে তাকে বেহেস্তী রাজ্যে বড় বলা হবে।
     এখানে যীশু স্পষ্ট করেই বলেছেন যে, তিনি মূসার শরীয়ত বা নবীদের লেখা বাতিল করতে আসেন নি। তার মানে শরীয়তের হুকুমগুলোর গুরুত্ব অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। তাই মানুষের (মূলত হারান মেষদের) পাপ মুক্তির জন্য যীশু খ্রিস্টের ক্রুসের ওপর জীবন দেওয়া কিভাবে পরিপূর্ণ কোরবানী হলো? শরীয়ত থাকলেতো তারপরও কোরবানী দেওয়া চালু রাখতে হবে। তবে, যাইহোক মূল কথা হলো এটা কোনোভাবেই ইশ্বর হওয়ার প্রমাণ নয়।
     তাছাড়া যীশু খ্রিস্টের ক্রুস নিয়ে বিস্তর মতভেদ আছে। বাইবেল অনুযায়ীই তার অনেক দুর্বলতা বের করা যায়। সেটা এখানের আলোচ্য বিষয় নয়। তাই সে কথা টানছি না। এটা অন্য জায়গায় আলোচনা করব।
     (৪) বাইবেলের কিছু জায়গায় যীশুকে বলা হয়েছে খোদার সেই পবিত্র লোক। এ সম্পর্কে পবিত্র বাইবেলের নিউ টেষ্টামেন্টে উল্লেখ আছে, গসপেল অফ লূক: অধ্যায় ১, অনুচ্ছেদ ৬৯: (জাকারিয়া বলছেন) তিনি আমাদের জন্য তার গোলাম দাউদের বংশ থেকে একজন শক্তিশালী উদ্ধারকর্তা তুলে এনেছেন। অনুচ্ছেদ ৭৩: তিনি আমাদের পূর্বপুরুষ ইব্রাহিমের নিকট সেই কসম খেয়েছিলেন। অনুচ্ছেদ ৭৬: সন্তান আমার! তোমাকে খোদাতা’য়ালার নবী বলা হবে। কারণ তুমি তার পথ ঠিক করার জন্য তার আগে আগে চলবে।
     পবিত্র বাইবেলে জাকারিয়ার কথামতো যীশু খোদার সেই পবিত্র লোক বটে। তবে, তাক বলা হবে নবী। আমাদের তাতে কোনো আপত্তি নেই। কোনো নবীতো আর সর্বশক্তিমান ইশ্বর নন।
     (৫) বাইবেলের কিছু জায়গায় যীশুকে বলা হয়েছে কালাম। এটার উল্লেখ পাওয়া যায় পবিত্র বাইবেলের গসপেল অফ জন: অধ্যায় ১, অনুচ্ছেদ ১-২: প্রথমেই কালাম ছিলেন। কালাম খোদার সংগে ছিলেন। এবং কালাম নিজেই খোদা ছিলেন। আর প্রথমেই তিনি খোদার সংগে ছিলেন।
     এটা যথেষ্ট বিভ্রান্তিকর। এ সম্পর্কে পবিত্র বাইবেলের টিকায় বলা হয়েছে: কালেমাতুল্লাহ মানে হলো খোদার কালাম। যা যীশুর একটি নাম; সন্দেহ নেই। তবে, কালাম খোদার সংগে ছিলেন এবং কালাম আবার নিজেই খোদা ছিলেন এটা কেমন করে হয়? কালাম যদি নিজেই খোদা হন, তাহলে কালামের খোদার সংগে থাকার কী দরকার? এটা দিয়ে কিছুতেই প্রমাণ হয় না যীশু খ্রিস্ট সর্বশক্তিমান ইশ্বর।
     তাছাড়া গসপেল অফ জন’এ উল্লেখ আছে, অধ্যায় ১৭, অনুচ্ছেদ ৬-৮: দুনিয়ার মধ্যে যাদের তুমি আমাকে দিয়েছ, আমি তাদের নিকট তোমাকে প্রকাশ করেছি। তারা তোমারই ছিল আর তুমি তাদের আমাকে দিয়েছ। তারা তোমার কালাম পালন করেছে। তারা এখন বুঝতে পেরেছে যে, যা কিছু তুমি আমাকে দিয়েছ তা তোমার নিকট থেকেই এসেছে। এর কারণ তুমি যে কালাম আমাকে দিয়েছ তা আমি তাদের দিয়েছি। তারা তা গ্রহণ করে জানতে পেরেছে যে আমি তোমার নিকট থেকে এসেছি। আর বিশ্বাসও করেছে যে তুমিই আমাকে পাঠিয়েছ।
     এর মানে কালাম হলো পবিত্র বাইবেল। তা হলেতো আমাদের কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়।
     (৬) বাইবেলে কিছু জায়গায় বলা হয়েছে পাক রূহ’র কথা। এর মানে হলো পবিত্র আত্মা। এর উল্লেখ পাওয়া যায় গসপেল অফ ম্যাথিও: অধ্যায় ৩, অনুচ্ছেদ ১৬-১৭: ব্যাপটাইস্ট করার সময় ইসা পানি থেকে উঠে আসার সাথে সাথে আসমান খুলে গেল। তখন তিনি খোদার রূহকে কবুতরের মতো হয়ে তার উপর নেমে আসতে দেখলেন। তখন বেহেস্ত থেকে বলা হলো, ইনিই আমার প্রিয় পুত্র। তার উপর আমি খুবই সন্তুষ্ট।
     এখানে প্রথমে বলা হলো খোদার রূহ কবুতরের মতো যীশুর উপর নেমে আসলেন। তারপর বেহেস্ত থেকে বলা হলো ইনিই আমার প্রিয় পুত্র। খ্রিস্টানরা এসব থেকেই মিলিয়ে বলে ইশ্বর, পবিত্র আত্মা আর যীশু তিনজনেই এক সত্ত্বা। মানে তিনজন আসলে একজনই, ইশ্বর। তাই যীশু খ্রিস্টই সর্বশক্তিমান ইশ্বর। কিন্তু এসব দাবীর ক্ষেত্রে স্পষ্ট ভিত্তি থাকা প্রয়োজন। যেটা এই অনুচ্ছেদগুলোতে নেই। এখানে কি বলা হয়েছে যে, তিনজনেই এক? বরং বলা হয়েছে তার উপর আমি খুবই সন্তুষ্ট। যদি তিনজনেই এক হতেন তাহলে বলা উচিত ছিল আমার উপর আমি খুবই সন্তুষ্ট। তবে, এখানে সেটা বলা হয়নি।
     প্রকৃতপক্ষে পুরোটা বাইবেলের কোথাও বলা হয়নি যে, যীশুই শর্বশক্তিমান ইশ্বর বা তারা তিনজনে একই সত্ত্বা।
     তবে, কিছু লোক বাইবেলের একটা অনুচ্ছেদকে যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করে এই ত্রয়ীবাদকে প্রমাণ করতে চেষ্টা করে। তার উল্লেখ আছে, গসপেল অফ জন: অধ্যায় ১৪, অনুচ্ছেদ ১০-১১: তুমি কি বিশ্বাস কর না যে আমি পিতার মধ্যে আছি আর পিতা আমার মধ্যে আছেন। যে সব কথা আমি তোমাদের বলি তা আমি নিজে থেকে বলি না। কিন্তু পিতা, যিনি আমার মধ্যে থাকেন তিনিই তার কাজ করছেন।
     ভাল কথা। তাহলে আমরা এখানে পেলাম ইশ্বর এবং যীশু, দুজনে একজন। তাই যদি হয় তাহলে গসপেল অফ জন: অধ্যায় ১৪, অনুচ্ছেদ ২০: সেইদিন তোমরা জানতে পারবে যে আমি পিতার সাথে যুক্ত আছি আর তোমরা আমার সাথে যুক্ত আছ। এবং আমি তোমাদের সাথে যুক্ত আছি।
     তাহলে, ওই যুক্তি অনুসারে এখন আমরা পেলাম প্রথমে দুই এবং যীশুর বারজন সাহাবী সহ মোট ১৪ জন। মানে ১৪ জনে মূলত একজনই ধরতে হবে। আর পবিত্র আত্মাকে যোগ করলে মোট ১৫ জনে এক সত্ত্বা। সবাই মিলে একজন সর্বশক্তিমান ইশ্বর। কী বলেন?
     যারা ওই অনুচ্ছেদকে যুক্তি হিসেবে গ্রহণ করে যীশুকে ইশ্বর বলে তারা এটা মানবে না। তাই তাদের যুক্তিও মানার কোনো দরকার নেই। কারণ তাদের যুক্তি আবেগ তাড়িত এবং অস্পষ্ট। বরং ইশ্বর আর যীশু যে সম্পূর্ণ আলাদা দুই সত্ত্বা সে সম্পর্কে বাইবেলে স্পষ্ট বহু অনুচ্ছেদ আছে। তার কয়েকটি নিচে তুলে ধরলাম:
     গসপেল অফ ম্যাথিও: অধ্যায় ২১, অনুচ্ছেদ ২৫: (যীশু বলছেন) আপনাদের বলব, আমি কোন অধিকারে এই সব কিছু করছি। বলুন দেখি ব্যাপটাইস্ট করার অধিকার ইয়াহিয়া কোথা থেকে পেয়েছিলেন? ইশ্বরের কাছ থেকে না মানুষের কাছ থেকে? অধ্যায় ২০, অনুচ্ছেদ ২৩: (যীশু বলছেন) সত্যিই তোমরা আমার পেয়ালায় খাবে। কিন্তু আমার ডানে বা বামে বসতে দেওযার অধিকার আমার নাই। আমার পিতা যাদের জন্য তা ঠিক করে রেখেছেন তারাই সেখানে বসতে পারবে। অধ্যায় ১৯, অনুচ্ছেদ ১৭: (যীশু বলছেন) ভালর বিষয়ে কেন আমাকে জিগ্যেস করছেন। ভাল মাত্র একজনই আছেন। যদি আপনি অনন্ত জীবন পেতে চান তাহরে তার সব আদেশ পালন করুন। অধ্যায় ১২, অনুচ্ছেদ ৩১-৩২: মানুষের সমস্ত পাপ ও কুফরী ক্ষমা করা হবে। কিন্তু পাক রূহের বিরুদ্ধে কুফরী ক্ষমা করা হবে না। মনুষ্যপুত্রের বিরুদ্ধে কেউ কোনো কথা বললে তাকে ক্ষমা করা হবে। কিন্তু পাক রূহের বিরুদ্ধে কেউ কোনো কথা বললে তাকে ক্ষমা করা হবে না। এই যুগেও না- আগামী যুগেও না।
     এসব অনুচ্ছেদ স্পষ্ট বলছে যীশু আর ইশ্বর সম্পূর্ণ আলাদা দুই সত্ত্বা।
     (৭) বাইবেলের অনেক জায়গায় যীশু নিজেকেই ডেকেছেন মনুষ্যপুত্র বলে। এটা নিয়ে বলার কিছু নেই। ভাবার কিছুও নেই। কারণ মনুষ্যপুত্রর মানে কিছুতেই সর্বশক্তিমান ইশ্বর নন।
     (৮) বাইেবলের অনেক জায়গায় যীশু খ্রিস্টকে বলা হয়েছে খোদার পুত্র বা ইশ্বরের পুত্র। মানে ইশ্বর যীশুর পিতা। এ সম্পর্কে পবিত্র বাইবেলের টিকায় লেখা হয়েছে: এটা যীশুর একটা বিশেষ নাম। মূলত খোদার রূহ। খোদার কোনো স্ত্রী থাকা এবং তার সাথে দেহের মিলনের ফলে কোনো সন্তান হওয়ার ব্যাপারটা একটা অর্থহীন কল্পনা। বরং অন্যান্য মানুষের তুলনায় যীশুর জন্মটা সম্পূর্ণ আলাদা রকমের ছিল। খোদার পুত্র শব্দটি খোদাতা’য়ালার সাথে যীশুর চিরকালীন একটা নিকট সম্বন্ধ প্রকাশ করে। এ নামে খোদা তাকে ডেকেছেন। বাইবেলে উল্লেখিত নবীরা ডেকেছেন। এবং যীশু নিজেও এটা তার নাম বলে দাবী করেছেন।
     হ্যা, এসব নিয়ে আমাদের কোনো দ্বিমত নেই। পবিত্র বাইবেলে যীশু খোদার পুত্র এটা অনেকবার আমরাও পেয়েছি। কিন্তু যত ভাবে পেয়েছি তার সূত্র ধরে ইশ্বরের সমাধান বের করলে আমরা যত ইশ্বর পাব তার হিসেব আমি-আপনারা কেউই দিতে পারব না।
     কারণ, গসপেল অফ ম্যাথিও: অধ্যায় ৫, অনুচ্ছেদ ৯: মানুষের জীবনে শান্তি আনার জন্য যারা পরিশ্রম করে তারা ধন্য। কারণ ইশ্বর তাদের নিজের সন্তান বলে ডাকবেন। অধ্যায় ৬, অনুচ্ছেদ ১: সাবধান, লোক দেখানোর জন্য কোনো ধর্ম-কর্ম করো না। যদি কর, তবে তোমাদের বেহেস্তী পিতার নিকট থেকে কোনো পুরষ্কার পাবে না। অধ্যায় ৬, অনুচ্ছেদ ৬ ও ১৮: তোমার পিতা যিনি গোপন সবকিছু দেখেন, তিনিই তোমাকে পুরষ্কার দেবেন। অধ্যায় ১০, অনু্চ্ছেদ ২০: তোমরাই যে বলবে তা নয়। বরং তোমাদের পিতা-ইশ্বরের আত্মা তোমাদের মধ্য দিয়ে কথা বলবেন।
     কী বুঝলেন?
     আল্লাহর অনুবাদ পিতা আর বান্দার অনুবাদ পুত্র করলে এমনই হয়।
     তারপরও আমি এখানে বাইবেলের ভূল ধরতে এই লেখা লেখিনি। বাইবেলের কথার বাইরে যীশু খ্রিস্ট সর্বশক্তিমান ইশ্বর নন তা প্রমাণের জন্য কোনো ধর্মগ্রন্থ বা বিজ্ঞানের কথা টেনে আনিনি। বাইবেলের ভূল ধরা এখানে প্রাসঙ্গিকও নয়। সেটা নিয়ে কথা হবে অন্য আর একটি লেখায়। তবে, আমি এখানে বাইবেলের নিউ টেষ্টামেন্টকে ভিত্তি ধরেই আলোচনা করেছি।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (৩১-১০-২০১৩ ১২:১৭)

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

টপিকের শিরনামের সাথে মূল লেখার কোন মিল পেলাম না। ইশ্বর এর পুত্র হিসেবে যীশু খ্রিস্ট কিছু পাওয়ার পাবারই কথা। তাই বলে বাবার চেয়ে শক্তিশালী তা বলা যায় না।

কপি-পেস্ট লেখাতে মূল সোর্সের লিংক দেওয়া উচিৎ  angry angry angry । অন্যের লেখা নিজের নামে চালালে সামনের বার ডাইরেক্ট মাইনাস দেওয়া হবে।


http://webcache.googleusercontent.com/s … =firefox-a

https://www.facebook.com/permalink.php? … 1352166245

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ফয়সল সাইফ (৩১-১০-২০১৩ ১২:৩১)

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

টপিকের শিরনামের সাথে মূল লেখার কোন মিল পেলাম না। ইশ্বর এর পুত্র হিসেবে যীশু খ্রিস্ট কিছু পাওয়ার পাবারই কথা। তাই বলে বাবার চেয়ে শক্তিশালী তা বলা যায় না।

কপি-পেস্ট লেখাতে মূল সোর্সের লিংক দেওয়া উচিৎ  angry angry angry । অন্যের লেখা নিজের নামে চালালে সামনের বার ডাইরেক্ট মাইনাস দেওয়া হবে।


http://webcache.googleusercontent.com/s … =firefox-a

https://www.facebook.com/permalink.php? … 1352166245


মজার ব্যাপার। এ ব্যাপারে আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন। দেখা যাক, আপনার বুদ্ধির দৌঁড় কতটুকু? আমার মনে হয় জটিল উত্তরের চেয়ে জটিল প্রশ্ন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রিনিটি মতবাদ সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণাই নেই। এর ভিত্তিতে পিতা-পুত্র-পবিত্র আত্মা, এ তিনজনকে একই সত্ত্বা বলে বিবেচনা করা হয়। মানে তিনজনেই একজন। তাদের তিনটা রূপ, তবে তাঁরা মূলত এক ইশ্বরই। অবশ্য সেটা বাইবেলের বর্ণনার সাথে মিলে না। বাইবেলটা পড়তে চেষ্টা করবেন। তারপর এ ব্যাপারে আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে করুন।

আর দ্বিতীয় লিঙ্কটা একটু চেক করে দেইখেন তো কার পেজ? Saiful-A Bangladeshi Smile Impressed The World. এটা ফয়সল সাইফের পেজ। দুই দিন আগে পার্মানেন্টলি ডিলিট করে দিয়েছি। কারণ ওই পেজটার নাম আর চেঞ্জ করা যাচ্ছিল না। আমার নতুন ফ্যান পেজ খোলা হয়েছে। কারণ সামনে প্রকাশিত বইয়ে উপন্যাসিক হিসেব আমার নাম থাকবে ফয়সল সাইফ। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (৩১-১০-২০১৩ ১২:৪২)

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

বাইবেলটা পড়তে চেষ্টা করবেন।

কাকে কি উপদেশ দেন !  lol2

মুসলিম হয়েও বাংলাতে কখনো কুরআন পড়ি নাই (১০% বেশী না)। (কিন্তু আরবিতে একবার খতম দিয়েছি) । সেখানে বাইবেল পড়তে যাব কোন দুঃখে  lol

খ্রিষ্টানদের সৃষ্টিকর্তা কে নিয়ে প্রজন্মের একটি ভালো টপিক হচ্ছে ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের সৃষ্টিকর্তার নাম কি ?

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:
ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

বাইবেলটা পড়তে চেষ্টা করবেন।

কাকে কি উপদেশ দেন !  lol2

মুসলিম হয়েও বাংলাতে কখনো কুরআন পড়ি নাই (১০% বেশী না)। (কিন্তু আরবিতে একবার খতম দিয়েছি) । সেখানে বাইবেল পড়তে যাব কোন দুঃখে  lol

খ্রিষ্টানদের সৃষ্টিকর্তা কে নিয়ে প্রজন্মের একটি ভালো টপিক হচ্ছে ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের সৃষ্টিকর্তার নাম কি ?


আচ্ছা, পড়া না পড়া আপনার ব্যাপার। আমার ভাল লাগে, তাই আমি পড়ি। ইহুদী-খ্রিষ্টানদের আমার চাচাতো ভাইয়ের মতো মনে হয়। তবে, লেখাটা কী আমার বলে আপনার বিশ্বাস হয়েছে? আপনি কী দ্বিতীয় লিঙ্কে দেওয়া পেজটা আর খুঁজে পাচ্ছেন?

অবশ্য আপনি খুঁজে পাবেন না। তবে, আমার কৌতুহল ছিল, ওই পেজটা সম্পর্কে আপনি কীভাবে জানেন? দয়া করে একটু বলবেন?

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সাঈদ২৬১০ (৩১-১০-২০১৩ ১৩:৪৯)

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

"গবেষণা পত্র"-টি নিশ্চয়ই নিজে বিশ্বাস করে তবেই লিঙ্ক শেয়ার করেছেন। আপনি কি কখনো শুনেন নাই কিংবা পড়েন নাই যে যীশু খ্রিস্ট (হজরত ইসা (আঃ) নিজে কখনো নিজেকে খোদার পুত্র বলে দাবী করেন নাই? পবিত্র ইঞ্জিল নাজিল হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অনেকগুলো ভার্সনের কথা শোনা যয়। যাতে ইচ্ছামত স্বেচ্ছাচারিতা করা হয়েছে। কথিত গবেষণা পত্রটি সম্পূর্ণ করতে হলে এ ব্যাপারে কিছু অনুসন্ধান করা আবশ্যক।

যে পথিক চলে না পথ নবীদের পথে,
পড়ে রয় সে বহুদুর মঞ্জিল হতে.......

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

সাঈদ২৬১০ লিখেছেন:

যেহেতু কোন রেফারেন্স নাই তাই ধরে নিচ্ছি এই "গবেষণা পত্র"-টি আপনার। যা আপনি আপনার গবেষণালব্দ জ্ঞান থেকে নিজে বিশ্বাস করে লিখেছেন। আপনি কি কোথাও পান নাই যে যীশু খ্রিস্ট (হজরত ইসা (আঃ) নিজে কখনো নিজেকে খোদার পুত্র বলে দাবী করেন নাই? পবিত্র ইঞ্জিল নাজিল হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অনেকগুলো ভার্সনের কথা শোনা যা। যাতে ইচ্ছামত স্বেচ্ছাচারিতা করা হয়েছে। আপনার গবেষণা পত্রটি সম্পূর্ণ করতে হলে এ ব্যাপারে কিছু অনুসন্ধান করা আবশ্যক।


আপনি আমার লেখাটা পড়ুন। আমিও তো তাই প্রমাণ করতে চেয়েছি।

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

ফয়সল সাইফ লিখেছেন:
সাঈদ২৬১০ লিখেছেন:

যেহেতু কোন রেফারেন্স নাই তাই ধরে নিচ্ছি এই "গবেষণা পত্র"-টি আপনার। যা আপনি আপনার গবেষণালব্দ জ্ঞান থেকে নিজে বিশ্বাস করে লিখেছেন। আপনি কি কোথাও পান নাই যে যীশু খ্রিস্ট (হজরত ইসা (আঃ) নিজে কখনো নিজেকে খোদার পুত্র বলে দাবী করেন নাই? পবিত্র ইঞ্জিল নাজিল হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অনেকগুলো ভার্সনের কথা শোনা যা। যাতে ইচ্ছামত স্বেচ্ছাচারিতা করা হয়েছে। আপনার গবেষণা পত্রটি সম্পূর্ণ করতে হলে এ ব্যাপারে কিছু অনুসন্ধান করা আবশ্যক।


আপনি আমার লেখাটা পড়ুন। আমিও তো তাই প্রমাণ করতে চেয়েছি।

আমি লেখাটি এডিট করেছি। দেখুন প্লিজ।

যে পথিক চলে না পথ নবীদের পথে,
পড়ে রয় সে বহুদুর মঞ্জিল হতে.......

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ফয়সল সাইফ (০১-১১-২০১৩ ১৯:২৫)

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

সাঈদ২৬১০ লিখেছেন:
ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

আপনি আমার লেখাটা পড়ুন। আমিও তো তাই প্রমাণ করতে চেয়েছি।

আমি লেখাটি এডিট করেছি। দেখুন প্লিজ।

'আমি লেখাটি এডিট করেছি। দেখুন প্লিজ'-আমি এই কথাটির অর্থ ঠিক বুঝলাম না। দয়া করে স্পষ্ট করবেন।
তবে, বাইবেলের অনেকগুলো ভার্সন থাকলেও এতে ইচ্ছেমতো স্বেচ্ছাচারিতা করা হয়েছে, আপনার একথা ঠিক নয়। আসলে কোনো ধর্ম গ্রন্থই ইচ্ছে মতো কেউ পাল্টে ফেলবে এমন সাহস কারো নেই। বরং, এটা সত্যি বাইবেলের মূল সংস্করণ লেখা ছিল, গ্রীক ভাষায়। সেটা হিব্রু আর অ্যারামাই। এখন মূল ভাষায় এটা আর নেই। এটা হয়ে গেছে ইংলিশ। এর ফলে পুরো তত্ত্বটা আর পাওয়া যায় না। অনেক ক্ষেত্রে অনুবাদের দুর্বলতার কারণে ঘটনা পাল্টে গেছে।

যেমন ধরুণ: গসপেল অফ ম্যাথিও: অধ্যায় ২৭, অনুচ্ছেদ ৪৬: প্রায় তিনটার সময় ইসা জোরে জোরে চিৎকার করলেন, এল্লাই এল্লাই লামা শবক্তানী।
ইংলিশে এর অনুবাদ করা হয়েছে, ইশ্বর ইশ্বর কেন তুমি আমাকে ত্যাগ করলে। কিন্তু এল্লাই শব্দের মূল অনুবাদ ইশ্বর নয়; এটা হলো আল্লাহ। মূসা তাঁর খোদাকে আল্লাহ বলেই সম্ভোধন করতেন। আর এই আল্লাহ শব্দটির কোনো সমার্থক আ অনুবাদ শব্দ নেই।

তারপর বাইবেলের ওল্ড টেষ্টামেন্টের সং অফ সলোমানে যখন শেষ নবীর ভবিষ্যৎ বাণীতে তার নাম উল্লেখ করে লেখা হলো, তার উল্লেখ আছে অধ্যায় ৫, অনুচ্ছেদ ১৬: উইকলো মুহমদিম।
ইংলিশ খ্রিষ্টানরা এর অনুবাদ করল, মহমদিম=ইশ্বরের প্রিয়পাত্র। কিন্তু মহমদিম= মুহাম্মদ, যে প্রশংসনীয়।

তারপর এটা বলা যায়, সেই সময়ের মানুষগুলো ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সমস্যার সৃষ্টি করেছে।

১০

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

...Saiful-A Bangladeshi Smile Impressed The World. এটা ফয়সল সাইফের পেজ। দুই দিন আগে পার্মানেন্টলি ডিলিট করে দিয়েছি। কারণ ওই পেজটার নাম আর চেঞ্জ করা যাচ্ছিল না। আমার নতুন ফ্যান পেজ খোলা হয়েছে। ...

দুই দিন আগে ডিলিট করা পেজে কেউ ১৩ ঘন্টা আগে পোস্ট করতে পারে, তা জানতাম না (আমি ভেবেছিলাম এটা একমাত্র রজনীকান্তের পক্ষে সম্ভব হলেও হতে পারে )।
http://i.imgur.com/TKfXqNH.png

এইটা বোনাসঃ
http://i.imgur.com/CsqL1QD.png
নোটঃ ফেসবুক পেজগুলো সবসময় পাবলিক, তাই প্রাইভেসী লঙ্ঘন হয়েছে বলে মনে করছিনা। তবুও অফেন্সিভ মনে করলে জানাবেন।

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১১

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

রেজওয়ানুর লিখেছেন:
ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

...Saiful-A Bangladeshi Smile Impressed The World. এটা ফয়সল সাইফের পেজ। দুই দিন আগে পার্মানেন্টলি ডিলিট করে দিয়েছি। কারণ ওই পেজটার নাম আর চেঞ্জ করা যাচ্ছিল না। আমার নতুন ফ্যান পেজ খোলা হয়েছে। ...

দুই দিন আগে ডিলিট করা পেজে কেউ ১৩ ঘন্টা আগে পোস্ট করতে পারে, তা জানতাম না (আমি ভেবেছিলাম এটা একমাত্র রজনীকান্তের পক্ষে সম্ভব হলেও হতে পারে )।
http://i.imgur.com/TKfXqNH.png

এইটা বোনাসঃ
http://i.imgur.com/CsqL1QD.png
নোটঃ ফেসবুক পেজগুলো সবসময় পাবলিক, তাই প্রাইভেসী লঙ্ঘন হয়েছে বলে মনে করছিনা। তবুও অফেন্সিভ মনে করলে জানাবেন।

খুব সুন্দর হয়েছে। দুটো পেজ সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য সংগ্রহ করুন। এবং বিশ্লেষণ করে, আপনারাই নির্ণয় করুণ দুটো কী আলাদা মানুষের না একজনের।

১২ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক (৩১-১০-২০১৩ ১৪:৫৫)

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

।।

১৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ফয়সল সাইফ (৩১-১০-২০১৩ ১৪:৫৭)

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:

।।

ওই পেজটা কী এখনো কনটিনিউ আছে? আপনাকে না বললাম, ওই পেজের প্রোফাইল পিকচার থেকে শুরু করে ছবিগুলোর সাথে আমার আইডি এবং আমার নোট গুলো দেখতে।

১৪

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

ওই পেজটা কী এখনো কনটিনিউ আছে? আপনাকে না বললাম, ওই পেজের প্রোফাইল পিকচার থেকে শুরু করে ছবিগুলোর সাথে আমার আইডি এবং আমার নোট গুলো দেখতে।

নাহ ! আমার কোন সন্দেহ নাই। আসলেই লেখাটি আপনার।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

১৫

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

দ্যা ডেডলক লিখেছেন:
ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

ওই পেজটা কী এখনো কনটিনিউ আছে? আপনাকে না বললাম, ওই পেজের প্রোফাইল পিকচার থেকে শুরু করে ছবিগুলোর সাথে আমার আইডি এবং আমার নোট গুলো দেখতে।

নাহ ! আমার কোন সন্দেহ নাই। আসলেই লেখাটি আপনার।

অনেক ধন্যবাদ। আমরা মূল আলোচনা থেকে সরে গিয়েছিলাম।

১৬ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (৩১-১০-২০১৩ ১৮:৫৮)

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

যেমন ধরুণ: গসপেল অফ ম্যাথিও: অধ্যায় ২৭, অনুচ্ছেদ ৪৬: প্রায় তিনটার সময় ইসা জোরে জোরে চিৎকার করলেন, এল্লাই এল্লাই লামা শবক্তানী।
ইংলিশে এর অনুবাদ করা হয়েছে, ইশ্বর ইশ্বর কেন তুমি আমাকে ত্যাগ করলে। কিন্তু এল্লাই শব্দের মূল অনুবাদ ইশ্বর নয়; এটা হলো আল্লাহ। মূসা তাঁর খোদাকে আল্লাহ বলেই সম্ভোধন করতেন। আর এই আল্লাহ শব্দটির কোনো সমার্থক আ অনুবাদ শব্দ নেই।

"এল্লাই" বলে কোনো শব্দ প্রথম শুনলাম। তবে হিব্রু, আরামাইক ভাষায় ইলাই (eli) শব্দটি ঈশ্বরের একটি মহিমান্বিত নাম হিসাবে ব্যবহৃত হয়ঃ

ʻĒlî, meaning "Ascent"; or "Yahweh is the most high/God on high"

Matthew 27:46 (NIV):

About three in the afternoon Jesus cried out in a loud voice, "Eli, Eli, lema sabachthani?" (which means "My God, my God, why have you forsaken me?").

হিব্রু-সহ অন্যান্য প্রাচীন সেমিটিক ভাষায় ইয়াহওয়েহ, জীহোভা, এয়ল, এলোহিম, এলোহা ইত্যাদি শব্দ দ্বারা ঈশ্বরকে বোঝানো হয়। এলোহিম বা এলোহা শব্দের আরবী রূপান্তর/অপভ্রংশ হলো "আল্লাহ" শব্দটি। তবে আল্লাহ শব্দটি ইসলামিকও না। ৭ম শতাব্দীতে ইসলাম আবির্ভাবের বহু যুগ আগে থেকেই "আল্লাহ"-র (চন্দ্রদেবতা) উপাসনা করতো প্রাচীন কোরেশরা। আল্লাহ শব্দটি প্রপার নাউন নাকি ইংরেজীতে God-এর মতো কমন/জেনেরিক নাম তা নিয়ে মতান্তর আছে। মিডল ঈস্ট, মালয়শিয়া/ইন্দোনেশিয়ায় খৃস্টান ও ঈহুদীরা আল্লাহ শব্দটি ব্যবহার করে।

ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

তারপর বাইবেলের ওল্ড টেষ্টামেন্টের সং অফ সলোমানে যখন শেষ নবীর ভবিষ্যৎ বাণীতে তার নাম উল্লেখ করে লেখা হলো, তার উল্লেখ আছে অধ্যায় ৫, অনুচ্ছেদ ১৬: উইকুল্লো মুহাম্মাদিন।
ইংলিশ খ্রিষ্টানরা এর অনুবাদ করল, মুহাম্মাদিন=ইশ্বরের প্রিয়পাত্র। কিন্তু মুহাম্মাদিন= মুহাম্মদ, যে প্রশংসনীয়।

http://martyro.blogspot.com/2010/06/ans … ng-of.html
http://unchangingword.com/md_in_bible_ss5.php
http://answers.yahoo.com/question/index … 926AA872Bz

In Arabic many words are formed from the same root , but they do not on that account denote Muhammad. An ignorant Muslim might just as well assert that Muhammad's name occurred in Surah 1, Al Fatihah, verse 1: Al hamdo lillahi Rabbi 'lalamin ("Praise be to God, the Lord of the worlds"). In the same way a Hindu might assert that the name of Ram or some other of his deities was mentioned in the Qur'an, because in Sura 30, Ar-Rum, verse 1, we read " the Romans have been overcome," where Arabic dictionaries give "Rum" as if derived from the root "ram". This kind of argument is unworthy of men of learning and judgement.

Calm... like a bomb.

১৭ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ফয়সল সাইফ (৩১-১০-২০১৩ ২০:০১)

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

invarbrass লিখেছেন:
ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

যেমন ধরুণ: গসপেল অফ ম্যাথিও: অধ্যায় ২৭, অনুচ্ছেদ ৪৬: প্রায় তিনটার সময় ইসা জোরে জোরে চিৎকার করলেন, এল্লাই এল্লাই লামা শবক্তানী।
ইংলিশে এর অনুবাদ করা হয়েছে, ইশ্বর ইশ্বর কেন তুমি আমাকে ত্যাগ করলে। কিন্তু এল্লাই শব্দের মূল অনুবাদ ইশ্বর নয়; এটা হলো আল্লাহ। মূসা তাঁর খোদাকে আল্লাহ বলেই সম্ভোধন করতেন। আর এই আল্লাহ শব্দটির কোনো সমার্থক আ অনুবাদ শব্দ নেই।

"এল্লাই" বলে কোনো শব্দ প্রথম শুনলাম। তবে হিব্রু, আরামাইক ভাষায় ইলাই (eli) শব্দটি ঈশ্বরের একটি মহিমান্বিত নাম হিসাবে ব্যবহৃত হয়ঃ

ʻĒlî, meaning "Ascent"; or "Yahweh is the most high/God on high"

Matthew 27:46 (NIV):

About three in the afternoon Jesus cried out in a loud voice, "Eli, Eli, lema sabachthani?" (which means "My God, my God, why have you forsaken me?").

হিব্রু-সহ অন্যান্য প্রাচীন সেমিটিক ভাষায় ইয়াহওয়েহ, জীহোভা, এয়ল, এলোহিম, এলোহা ইত্যাদি শব্দ দ্বারা ঈশ্বরকে বোঝানো হয়। এলোহিম বা এলোহা শব্দের আরবী রূপান্তর/অপভ্রংশ হলো "আল্লাহ" শব্দটি। তবে আল্লাহ শব্দটি ইসলামিকও না। ৭ম শতাব্দীতে ইসলাম আবির্ভাবের বহু যুগ আগে থেকেই "আল্লাহ"-র (চন্দ্রদেবতা) উপাসনা করতো প্রাচীন কোরেশরা। আল্লাহ শব্দটি প্রপার নাউন নাকি ইংরেজীতে God-এর মতো কমন/জেনেরিক নাম তা নিয়ে মতান্তর আছে। মিডল ঈস্ট, মালয়শিয়া/ইন্দোনেশিয়ায় খৃস্টান ও ঈহুদীরা আল্লাহ শব্দটি ব্যবহার করে।

ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

তারপর বাইবেলের ওল্ড টেষ্টামেন্টের সং অফ সলোমানে যখন শেষ নবীর ভবিষ্যৎ বাণীতে তার নাম উল্লেখ করে লেখা হলো, তার উল্লেখ আছে অধ্যায় ৫, অনুচ্ছেদ ১৬: উইকুল্লো মুহাম্মাদিন।
ইংলিশ খ্রিষ্টানরা এর অনুবাদ করল, মুহাম্মাদিন=ইশ্বরের প্রিয়পাত্র। কিন্তু মুহাম্মাদিন= মুহাম্মদ, যে প্রশংসনীয়।

http://martyro.blogspot.com/2010/06/ans … ng-of.html
http://unchangingword.com/md_in_bible_ss5.php
http://answers.yahoo.com/question/index … 926AA872Bz

In Arabic many words are formed from the same root , but they do not on that account denote Muhammad. An ignorant Muslim might just as well assert that Muhammad's name occurred in Surah 1, Al Fatihah, verse 1: Al hamdo lillahi Rabbi 'lalamin ("Praise be to God, the Lord of the worlds"). In the same way a Hindu might assert that the name of Ram or some other of his deities was mentioned in the Qur'an, because in Sura 30, Ar-Rum, verse 1, we read " the Romans have been overcome," where Arabic dictionaries give "Rum" as if derived from the root "ram". This kind of argument is unworthy of men of learning and judgement.

পবিত্র বাইবেলে এই শব্দটি আছে ম্যাথিও: ২৭-৪৬: এলী
                               মার্ক: ১৫-৩৪: এলোই
                               আপনি যদি উচ্চারণগত পার্থক্যকে সমস্যা মনে না করেন, তাহলে এল্লাই, এলী, এলোই তে আমি কোনো সমস্যা দেখি না।
আল্লাহ শব্দটির অনুবাদ করতে গিয়ে 'নাকি ইংরেজীতে god' এসব কথা ঠিক গ্রহণ করার মতো নয়। ধন্যবাদ।

সং অফ সলোমনের অনুবাদটি এমনই করা হয়েছে: ৫-১৬: "His mouth is sweetness itself; he is altogether lovely;

This is my lover, this my friend, O daughters of Jerusalem." (Songs 5:16)।

আমার মনে হয় মুহাম্মদের ওপর আপনাকে একটা পোষ্ট দিতে হবে। আমি অবশ্যই সেটা দেব।

১৮ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (৩১-১০-২০১৩ ২৩:৪৩)

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

পবিত্র বাইবেলে এই শব্দটি আছে ম্যাথিও: ২৭-৪৬: এলী
                               মার্ক: ১৫-৩৪: এলোই
                               আপনি যদি উচ্চারণগত পার্থক্যকে সমস্যা মনে না করেন, তাহলে এল্লাই, এলী, এলোই তে আমি কোনো সমস্যা দেখি না।

Eli-এর উচ্চারণ এলী নয়, সঠিক উচ্চারণ "ঈলাই" হবে। তবে পশ্চিমা দেশে পুরুষদের নামও Eli রাখা হয়। বিখ্যাত ঈলাই লিলি কোম্পানী এবং এর ২ ফাউণ্ডার কর্ণেল ঈলাই লিলি এবং ঈলাই লিলি। আমাদের দেশে বড়বড় সুপারমার্কেটে লিলীর কসমেটিক্স পাওয়া যায়। তাছাড়া লিলীর তৈরী কিছু দুষ্প্রাপ্য ঔষধও আমদানী করা হয় সম্ভবতঃ (অনেক আগে এদের তৈরী ইনসুলিন পাওয়া যেত ঢাকায়)।

ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

আল্লাহ শব্দটির অনুবাদ করতে গিয়ে 'নাকি ইংরেজীতে god' এসব কথা ঠিক গ্রহণ করার মতো নয়। ধন্যবাদ।

আপনার মতে তাহলে কোন অর্থটি গ্রহণযোগ্য?

ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

সং অফ সলোমনের অনুবাদটি এমনই করা হয়েছে: ৫-১৬: "His mouth is sweetness itself; he is altogether lovely;
This is my lover, this my friend, O daughters of Jerusalem." (Songs 5:16)।

তারমানে দেখা যাচ্ছে আপনার "উইকুল্লো মুহাম্মাদিন" মানে "শেষ নবীর ভবিষ্যৎবাণী" নয়, নিছক একটি প্রেমকাব্য। ইন ফ্যাক্ট, আপনার উচ্চারণ এখানেও ভু... আই মীন আরোপিত। হিব্রু "mHmdym" শব্দটির ইংরেজী ট্রান্সলিটারেশন "machmaddim"। এখানে দেখুন

নেট থেকে সংশ্লিষ্ট অংশটি কপিপেস্ট করে দিলাম (বামে ইংরেজী অনুবাদ, ডানে হিব্রু ট্রান্সলিটারেশন):

Song of Songs 5:16                       shyr hshyrym 5,16

      his mouth is sweets                      Hkw mmtqym
      and all of him is delights               wklw mHmdym
      this is my love                          zh dwdy
      and this is my darling                   wzh r`y
      daughters of Jerusalem                   bnwt yrwshlm

দেখাই যাচ্ছে, এটা সম্রাট সলোমন (জ্বীনের বাদশা নবী সুলেমান  big_smile ) এবং শুলেম গ্রামের অধিবাসীনী তাঁর অজানা স্ত্রী/প্রেমিকা-র গভীর প্রেমকাব্য।

তবে যারা এখানে ভ্যাজাল খুঁজে পাচ্ছেন তারা সং অব সংস আদৌ পড়েছেন বলে মনে হয় না। ইস্কুলে থাকতে এক বাইবেল মিশনারী জোর করে ওল্ড ও নিউ টেস্টামেণ্ট গছিয়ে দিয়েছিলো। এক খৃস্টান বন্ধুর "দিকনির্দেশনায়" wink ধর্মগ্রন্থগুলোর চুম্বক অংশগুলো পড়েছিলাম। সং অব সংস অদ্ভুত সুন্দর লাভসং-এর মতো - হৃদয় ছুঁয়ে যায়। love তবে আমার বেছেবেছে ওই পুস্তক পড়ার উদ্দেশ্য প্রেমকাব্য না অবশ্য, ওটার একটা উল্লেখযোগ্য অংশ এহেম...  worried নিখাদ ইরোটিকা  blushing

সে যাকগে, এরকম একটি ১৮+ পুস্তক থেকে উচ্চারণ টানাহ্যাচঁড়া করে কেউ যদি অন্য কোনো অর্থ খাড়া করতে চায়, তবে তাকে ডেসপারেট বা মরিয়া বললে ভুল হবে কি?

হিব্রু বইগুলো খুটিঁয়ে খুঁজে দেখলে যাঁরা যাঁরা এই টপিক পড়ছেন তাঁদের মধ্যেই অনেকের নাম (বা কাছাকাছি উচ্চারণ) পাওয়া যাবে - তাহলে ধরে নেয়া উচিৎ যে আমাদের সকলের ব্যাপারেই আড়াই-তিন হাজার বছর পুরণো গ্রন্থে ভবিষ্যৎবাণী করা হয়েছে?  wink

ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

আমার মনে হয় মুহাম্মদের ওপর আপনাকে একটা পোষ্ট দিতে হবে। আমি অবশ্যই সেটা দেব।

অবশ্যই দেবেন। তবে সলিড কিছু দিন (জাকির নাইক বা হারুণ ইয়াহিয়া-জাতীয় আলপটকা, টোটকা রেফারেন্স বর্জন করে)

Calm... like a bomb.

১৯ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ফয়সল সাইফ (০১-১১-২০১৩ ১৯:৫০)

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

Eli-এর উচ্চারণ এলী নয়, সঠিক উচ্চারণ "ঈলাই" হবে। তবে পশ্চিমা দেশে পুরুষদের নামও Eli রাখা হয়। বিখ্যাত ঈলাই লিলি কোম্পানী এবং এর ২ ফাউণ্ডার কর্ণেল ঈলাই লিলি এবং ঈলাই লিলি। আমাদের দেশে বড়বড় সুপারমার্কেটে লিলীর কসমেটিক্স পাওয়া যায়। তাছাড়া লিলীর তৈরী কিছু দুষ্প্রাপ্য ঔষধও আমদানী করা হয় সম্ভবতঃ (অনেক আগে এদের তৈরী ইনসুলিন পাওয়া যেত ঢাকায়)।

এ বিষয়ে আমি আপনাকে পন্ডিত ভাবছি না। আঞ্চলিক পার্থক্যের ফলে, মানুষের ভাষাগত টানের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে। আমেরিকা বা অস্ট্রেলিয়ার মানুষ একই টানে ইংরেজীতে কথা বলে না। বা আমাদের বাঙালীদের ইংরেজী বলাও তাঁদের মতো নয়। এমনকি আরবরা যে উচ্চারণে আল্লাহ’কে আল্লাহ ডাকে; আমরা সেভাবে উচ্চারণ করতে পারি না। এর মানে এই নয়, যে একদল আল্লাহকে ঠিকভাবে ডাকছে; আর অন্যদল ভূলভাবে ডাকছে।
নোয়াখালী এবং সিলেটের মানুষও একই সুরে কথা বলতে পারবে না। এটা মাথায় রাখুন।


আপনার মতে তাহলে কোন অর্থটি গ্রহণযোগ্য?

আমি যদি ভূল বলে না থাকি, তাহলে আল্লাহ শব্দটির কাছাকাছি কোনো শব্দ নেই। এর কোনো অনুবাদ হয় না। এর সমার্থক শব্দর তো প্রশ্নই আসে না। আল্লাহ’র একত্ববাদকে ঘোষণা করার জন্য এটা এক বচনের একটা শব্দ। এর কোনো বহু বচন হয় না। এই শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গও নির্দেশ করে না।
এ অবস্থায় god যদি এর গ্রহণযোগ্য অনুবাদ হয়, তাহলে আমি Godson=ধর্মপুত্র, God-forsaken=দেবতা পরিত্যক্ত, Godmather=ধর্মমা, Godfather=ধর্মপিতা এসব না হয় বাদই দিলাম। কিন্তু goddess=দেবী; এটা দ্বারা কী বুঝানো হয়েছে?


সং অফ সলোমনের অনুবাদটি এমনই করা হয়েছে: ৫-১৬: "His mouth is sweetness itself; he is altogether lovely;
This is my lover, this my friend, O daughters of Jerusalem." (Songs 5:16)।
তারমানে দেখা যাচ্ছে আপনার "উইকুল্লো মুহাম্মাদিন" মানে "শেষ নবীর ভবিষ্যৎবাণী" নয়, নিছক একটি প্রেমকাব্য। ইন ফ্যাক্ট, আপনার উচ্চারণ এখানেও ভু... আই মীন আরোপিত। হিব্রু "mHmdym" শব্দটির ইংরেজী ট্রান্সলিটারেশন "machmaddim"। এখানে দেখুন।
নেট থেকে সংশ্লিষ্ট অংশটি কপিপেস্ট করে দিলাম (বামে ইংরেজী অনুবাদ, ডানে হিব্রু ট্রান্সলিটারেশন):
Song of Songs 5:16               shyr hshyrym 5,16

      his mouth is sweets              Hkw mmtqym
      and all of him is delights      wklw mHmdym
      this is my love                    zh dwdy
      and this is my darling           wzh r`y
      daughters of Jerusalem        bnwt yrwshlm

এটা একটি ধর্মগ্রন্থ। কারো প্রেম কাহিনী নয়। ইহুদীরা বিশ্বাস করে এর প্রতিটি শব্দ পবিত্র। যাই হোক, আপনি যে ভাল করে ব্যাপারটা নিয়ে ঘাটাঘাটি করছেন না, সেটা বুঝা যাচ্ছে। নইলে ধর্মগ্রন্থের সুরটা বুঝতে পারতেন। কোরআন লেখার স্টাইলটা একরকম, বাইবেলের ওল্ড টেষ্টামেন্ট লেখার স্টাইলটা একরকম, বাইবেলের নিউ টেষ্টামেন্ট লেখার স্টাইলটা একরকম, শ্রীমাদ ভগবত গীতা একরকম। কোনোটার স্টাইলের সাথে কোনোটার স্টাইলের মিল নেই। তবে, কখনো কখনো বিষয়বস্তুতে মিল খুঁজে পাওয়া যায়। তবে, আমি এখানেই প্রমাণ করতে চাইছি না যে মহমদিম মানে মুহাম্মদই। আর আমি শতবার বললেও আপনি সেটা মানবেন না, জানি। তাই মুহাম্মদ (সাঃ) এর ওপর একটা পোষ্ট দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

আর এর আগেই যদি সং অফ সলোমনের Song of Songs 5:16               shyr hshyrym 5,16

      his mouth is sweets              Hkw mmtqym
      and all of him is delights      wklw mHmdym
      this is my love                    zh dwdy
      and this is my darling           wzh r`y
      daughters of Jerusalem        bnwt yrwshlm
ব্যাখ্যা করতে পারেন, যদি প্রমান থাকে যে মহমদিম কোনোভাবেই মুহাম্মদ নয়, তাহলে মেনে নিতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কারণ আমি একগুঁয়ে নই।

আমার হাসিই পায়, যে আমাদের সকলের ব্যাপারেই আড়াই-তিন হাজার বছরের পুরোনো গ্রন্থে ভবিষ্যতবাণী করা হয়েছে; এই কথাটি শুনে। আমি বুঝতে পারছি, আপনি ধরে নেওয়ার কথা বলছেন। মেনে নিলাম আপনার কথা। কিন্তু যখন সব বইয়ে একই কথা দেখি, তখন?


আমার মনে হয় মুহাম্মদের ওপর আপনাকে একটা পোষ্ট দিতে হবে। আমি অবশ্যই সেটা দেব।
অবশ্যই দেবেন। তবে সলিড কিছু দিন (জাকির নাইক বা হারুণ ইয়াহিয়া-জাতীয় আলপটকা, টোটকা রেফারেন্স বর্জন করে)

কেন, জাকির নায়েকরা কী পাগল নাকি?

২০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সদস্য_১ (০১-১১-২০১৩ ২১:০০)

Re: যীশু খ্রিস্ট কি সর্বশক্তিমান ইশ্বর?

ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

আঞ্চলিক পার্থক্যের ফলে, মানুষের ভাষাগত টানের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে। আমেরিকা বা অস্ট্রেলিয়ার মানুষ একই টানে ইংরেজীতে কথা বলে না। বা আমাদের বাঙালীদের ইংরেজী বলাও তাঁদের মতো নয়। এমনকি আরবরা যে উচ্চারণে আল্লাহ’কে আল্লাহ ডাকে; আমরা সেভাবে উচ্চারণ করতে পারি না। এর মানে এই নয়, যে একদল আল্লাহকে ঠিকভাবে ডাকছে; আর অন্যদল ভূলভাবে ডাকছে।

ঠিক কোন অঞ্চলের মানুষ, কবে থেকে Eli শব্দটাকে "এল্লাই" উচ্চারন করে সেটা অভিধানিক রেফারেন্স সহ জানাবেন কি?

ফয়সল সাইফ লিখেছেন:

কেন, জাকির নায়েকরা কী পাগল নাকি?

অবশ্যই পাগল। ৫০% পাগল এবং ৫০% মিত্থুক। এই বিষয়ে প্রজন্মে গাদা খানেক টপিক আছে। নিজ দায়িত্বে খুজে দেখুন।